× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার

মসজিদে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(৪ দিন আগে) এপ্রিল ৭, ২০২১, বুধবার, ৫:২৬ অপরাহ্ন

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের সকল মসজিদসমূহে জু'মা ও ওয়াক্তের নামাজ এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রার্থনার আগে ও পরে গণজমায়েত নিষিদ্ধ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। বুধবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জু'মা ও অন্যান্য ওয়াক্তের নামাজ এবং প্রার্থনার আগে ও পরে মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কোন প্রকার সভা ও সমাবেশ করা যাবে না। মসজিদে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক তারাবিসহ অন্যান্য নামাজ আদায় করতে হবে এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে প্রার্থনা করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্দেশনা লঙ্ঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের পরিচালনা কমিটিকে উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো। এর আগে গত সোমবার স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে মসজিদগুলোতে নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লীদের প্রতি আহ্বান জানায় ধর্ম মন্ত্রণালয়। এছাড়া পবিত্র রমজানে মসজিদগুলোতে সেহরী ও ইফতার আয়োজন থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানানো হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
কাজি
৮ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:৩৪

লক্ষ লক্ষ জাহিল ইসলামের কোনো ক্ষতি করতে পারে না। কিন্তু পথ ভ্রষ্ট এক জন আলিম বা একদল আলিম ইসলাম কে ধ্বংস করতে যথেষ্ট। সঠিক আলিম নায়েবে রসুল কিন্তু পথ ভ্রষ্ট আলিম নায়েবে রসুল নয় ।

আবুল কাসেম
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৮:৩৪

মহাগ্রন্থ কুরআনুল কারিম সত্য উপদেশাবলির এক বিশাল আধার। এখানে বিন্দুমাত্র সংশয় সন্দেহ নেই। একথা আল্লাহ তায়ালা নিজেই বলেছেন। 'এটি আল্লাহর কিতাব, এতে কোনো সন্দেহ নেই। এটি হেদায়াত সেই মুত্তাকীদের জন্য।' সূরা আল বাক্কারাঃ২। কুরআন মজিদ যা সত্য তা-ই বলে। তাই মসজিদে যখন কুরআনের আলোচনা করা হয়, তখন সত্য অস্বীকারকারীদের বিপক্ষে চলে যায়। কিন্তু মুসলিম হলে কুরআনের অনুসারী না হয়ে উপায় নেই। কুরআন মানুষকে আঁধার থেকে আলোর দিকে, মিথ্যা থেকে সত্যের দিকে, গোমরাহি থেকে হেদায়াতের দিকে, ভ্রষ্টতা থেকে সঠিক পথে, পাপ থেকে পুণ্যের দিকে, অধার্মিকতা থেকে ধার্মিকতার পথে জুলুম থেকে ইহসানের পথে, অমানবিকতা থেকে মানবিকতার পথে ও অন্যায় থেকে ন্যায়-ইনসাফের পথে নিয়ে আসে এবং ক্ষণস্থায়ী জীবনের মোহ ত্যাগ করে চিরন্তন শ্বাশত অবিনশ্বর এক জীবনের প্রতি আগ্রহী করে তোলে। ইরশাদ হচ্ছে, 'আলিফ- লাম- রা। হে মুহাম্মদ। এটি একটি কিতাব, তোমার প্রতি এটি নাজিল করেছি, যাতে তুমি লোকদেরকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোর মধ্যে নিয়ে আসো তাদের রবের প্রদত্ত সুযোগ ও সামর্থ্যের ভিত্তিতে, এমন এক আল্লাহর পথে যিনি প্রবল প্রতাপান্বিত ও আপন সত্ত্বায় আপনি প্রশংসিত। এবং পৃথিবী ও আকাশের যাবতীয় বস্তুর মালিক। আর কঠিন ধ্বংসকর শাস্তি রয়েছে তাদের জন্য যারা সত্য গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। যারা দুনিয়ার জীবনকে আখেরাতের উপর প্রাধান্য দেয়। যারা লোকদেরকে আল্লাহর পথ থেকে রুখে দিচ্ছে এবং চাচ্ছে এপথটি (তাদের আকাঙ্খা অনুযায়ী) বাঁকা হয়ে যাক। ভ্রষ্টতায় এরা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমি নিজের বানী পৌঁছানোর জন্য যখনই কোনো রাসুল পাঠিয়েছি সে তার নিজের সম্প্রদায়েরই ভাষায় বানী পৌঁছিয়েছে। যাতে সে তাদেরকে খুব ভালো করে পরিষ্কারভাবে বুঝাতে পারে। তারপর আল্লাহ চান তাকে পথভ্রষ্ট করেন, যাকে চান হেদায়াত দান করেন। তিনি প্রবল পরাক্রান্ত ও জ্ঞানী।' সূরা ইবরাহীমঃ১-৪। উপরিউক্ত আয়াতে একথাও বলা হয়েছে, এক মহা শাস্তি তাদের জন্য রয়েছে যারা আল্লাহর বান্দাদের তাঁর পথে চলতে বাধা দেয়। আসলে সবাই একযোগে আল্লাহর পথে চলতে প্রস্তুত হয়ে গেলে আর কোনো সমস্যা থাকেনা। যেহেতু আল্লাহর পথ হচ্ছে সত্যের পথ, আলোর পথ তাহলে সে পথে চলতে সমস্যা কোথায়? যতো দিন আমরা আল্লাহর পথ থেকে বিমুখ হয়ে থাকবো ততোদিন আমাদেরকে চতুর্দিক থেকে একটার পর একটা সমস্যা ঘিরে ধরতে থাকবে এবং বিপব মুসিবত আমাদের পিছু ছাড়বেনা। সূরা ইবরাহীমের ৪ নম্বর আয়াতে যা উপরে উল্লেখ করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে আল্লাহ তায়ালা তাঁর নবী রাসূলদের যেখানে যে জাতির জন্য প্রেরন করেছেন তাঁরা সে জাতির ভাষাতেই আল্লাহর বানী প্রচার করেছেন। আরবের অধিবাসীদের ভাষা আরবি ছিলো বিধায় আল্লাহ তায়ালা আরবি ভাষাতেই কুরআন মজিদ নাজিল করেছেন এবং মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরবি ভাষাতেই তা প্রচার করেছেন। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, যাতে করে তিনি তাঁর জাতির লোকদেরকে আল্লাহর বানী ভালো করে বুঝিয়ে দিতে পারেন। একথাটাই ইরশাদ হচ্ছে, 'সুস্পষ্ট কিতাবের শপথ। আমি এ কুরআন নাজিল করেছি আরবিতে যাতে করে তোমরা বুঝতে পারো।' সূরা যুখরুফঃ২-৩। এখন আমাদের দেশে জুময়ার নামাজের খোতবা আরবিতে প্রদান করা হয় বিধায় আমরা তা বুঝতে পারছিনা। এ অবস্থায় খোতবার মূল উদ্দেশ্যই ব্যহত হচ্ছে। সেজন্য ঈমাম সাহেবগণ খোতবার আগে নিজের থেকে ওয়াজ নসিহত করেন। কিন্তু জুময়ার নামাজের আগে অন্য কোনো বয়ান বা ওয়াজ নসিহত রাসূলে পাক স. এবং সাহাবায়ে কেরামের রা. জীবদ্দশায় দেখা যায়না। তাই কোনো কোনো ইসলামি পণ্ডিত এটাকে বিদায়াত আখ্যায়িত করেছেন। পক্ষান্তরে সূরা ইবরাহীমের ৪ নম্বর আয়াতের আলোকে ঈমাম শাফেয়ী র. জুময়ার নামাজের খোতবা স্ব জাতির ভাষাতেই দেয়াকে ওয়াজিব বলেছেন। (সূত্রঃ তানক্বীহুর রুওয়াত ১/২৬৪)। এছাড়া অনেকেই স্ব জাতির ভাষাতেই খোতবা দেয়াকে আবশ্যক বলেছেন। এখন যেহেতু খোতবার আগে ওয়াজ বা বয়ান করা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে তাই সূরা ইবরাহীমের ৪ নম্বর আয়াতের আলোকে মূল খোতবা জাতির মাতৃভাষায় দেয়া যেতে পারে। আমাদের আলেমসমাজ অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে অনেক বেশি জ্ঞান বিজ্ঞানে পারদর্শী। তাই অতীতের দিকে না তাকিয়ে পরিস্থিতির আলোকে ইজমা ও কিয়াস করতে হবে। নাহলে পথ চলা দুষ্কর হয়ে যাবে। মুসলিম জাতির দায়িত্ব নবী রাসূলগণের ওয়ারিশ আমাদের আলেম সমাজের উপর ন্যাস্ত হয় আছে। তাই প্রতিকূল পরিবেশে সঠিক কৌশল নির্ধারণ করে তাঁদেরকে মুসলিম উম্মাহর দায়িত্ব পালন করতে হবে।

Mahmud
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৬:৫৮

মসজিদ সব মুসলমানের নামাজের পবিত্র স্থান। মসজিদগুলো মুসলমানদের ব্যক্তিগত বা সংগঠনের অনুদানে পরিচালিত হয় । মসজিদ হেফাজতে ইসলাম নামে কোন স্বঘোষিত সংগঠনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জায়গা হতে পারে না। যারা মসজিদে আসেন তাদের মধ্যে কতোজন হেফাজতের সমর্থক ? মসজিদগুলোকে হেফাজত নামক স্বঘোষিত সংগঠনের অযাচিত কর্তৃত্য থেকে রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব । আমরা আমাদের মসজিদকে কারো আখড়ায় পরিনত হতে দিতে পারি না । মানুষ আজ বুঝতে পারছে , মামুনুল হকের নারী কেলেঙ্কারীর পর হেফাজতের নেতৃত্যের নৈতিকতার বিষয়টিও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে ।

Azhar
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৭:৩৭

বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম দেশ? মুসলমানের রাষ্ট্রীয় নিয়ম শৃঙ্খলা মানতে যে কত অজুহাত ? আর সরকার হলো লেড়ি কুত্তা যে খুশি একটা লাথি দিবে?????

ক্ষুদিরাম
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৭:১৫

এবার নিশ্চই বাঙালী বুঝিবে সরকারের আসলে লকডাউন লকডাউন নাটক কিজন্যে !! কিন্তু এভাবে কি শেষ রক্ষা হয় ?? প্রত্যেকটা অন্যায়েরই একটা পরিণতি আছে। ইতিহাস থেকে কেও শিক্ষা নেয়না বলেই ইতিহসের পুনারাবৃত্যি হয়।

Md. Abbas Uddin
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৭:০৫

@Faruque Ahmed সাহেব, বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশে সরকার চেষ্টা করলেও কখনো চীনের মত জঘন্য চিন্তা বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তাই ইসলামিক দল সহ সকল রাজনৈতিক দলকে বর্তমান করনায় বাংলাদেশের বিপদের মুহূর্তে বাস্তবতা মেনে নিতে হবে। আমরা দুঃখের সাথে লক্ষ্য করেছি যে, চলমান বিক্ষোভ-সমাবেশগুলিতে মাস্ক পরা, শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে না। সরকারকেও জনগনের সেন্টিমেন্ট বুঝে কাজ করা উচিত। আল্লাহ আমাদের সকলকে হেফাজত করুন এবং বুঝার তৌফিক দান করুন।

জামশেদ পাটোয়ারী
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৭:০০

করোনার চেয়েও হেফাজতের ভয়ে সরকার এমন সিদ্ধন্ত নিয়েছে। এসব করে শেষ রক্ষা হবেনা।

Faruque Ahmed
৭ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৫:৪৫

No No No! ! In mosque , the hujur give praying instruction , religion teaching , before Namaj. So now why did you want stop that. Don't push too much . it is not logical. We can pray namaj but can not listen the religious teaching.... what did you want actually না না না! ! মসজিদে হুজুর নামাজের আগে নামাজ পড়ার নির্দেশ দেয়, ধর্ম শিক্ষা দেয়। সুতরাং এখন আপনি কেন এটি থামাতে চেয়েছিলেন। বেশি চাপ দেবেন না। এটা যৌক্তিক নয়। আমরা নামাজ পড়তে পারি কিন্তু ধর্মীয় শিক্ষা শুনতে পারি না .... আপনি আসলে কী চেয়েছিলেন? China make there Muslim (Wighure) bound to become Communist by torture them , seize all religious book and other material. this type of activities was the first step there. চীন সেখানে (উইঘুর) মুসলমানকে নির্যাতন করে কমিউনিস্ট হওয়ার জন্য বাধ্য করে তোলে, সমস্ত ধর্মীয় বই এবং অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করে। এই ধরণের কার্যকলাপ (এখানে যা কিছু ঘটছে) সেখানে প্রথম পদক্ষেপ ছিল।

অন্যান্য খবর