× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার

‘শিশুবক্তা’ রফিকুলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(৩ দিন আগে) এপ্রিল ৮, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ১০:৪১ পূর্বাহ্ন

‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গাছা থানায়। রাষ্ট্রবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়া ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে এই মামলা হয়।

মামলায় রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫, ২৮ ও ৩১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। যেখানে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতিতে আঘাত করে আক্রমণাত্মক ও মিথ্যা ভীতি প্রদর্শন; তথ্য উপাত্ত ইলেকট্রনিক্স বিন্যাসে প্রকাশ ও সম্প্রচার করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটনোর অপরাধের কথা বলা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গাছা থানায় র‌্যাব বাদী হয়ে মামলা করে। পরে র‌্যাব রফিকুলকে গাছা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
সৈকত আহমেদ
৯ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ২:১৬

ডিম থেরাপী দরকার ছিল। এই মোল্লা নাকি ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করবে। আরে বেটা আরো ১২ বছর লেখা পড়া করতে হবে ইসলাম নিয়ে। আর তুমি শুধু লাফাও। যাদের নিজের । ঈমান ও আকীদা ঠিক নাই তারা করবে ইসলাম কায়েম।

মোঃ মনিরুজ্জামান
৮ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৮:৩০

জাহেলী জুগের বর্বরতা। ইসলাম পবিত্র ক্বোরআন ন‍্যায়-অন‍্যায় জুলুম ইত্যাদি নিয়ে কথা বলা যাবে না? শুধু হরে রাম আর হরে কিষ্ণ বলতে হবে

pranessoy
৮ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৫:৫৭

এরশাদ বিয়ে করেছিলেন বিনা অনুমতিতে, এবং গোপনে বাসর করেছিলেন-যারা সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাসী তারা আল্লাহর গজব কে বিশ্বাস করে, আর যারা-----? আপনি দেখবেন কিন্তু এই গজবটা ঘুরেফিরে মামুনুল হকের উপর পড়বে সরকার প্রদত্ত গজব,

আবুল কাসেম
৮ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ২:৫৪

যারা ইসলামের পক্ষে কাজ করেন মনে হচ্ছে তারা যেনো মাঝে মধ্যে কিছুটা হলেও পথের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। বিশ কোটি জনগণের মধ্যে অন্তত কতো কোটি ঘোরতর সমর্থক হলে শক্তি প্রদর্শনের অন্তত কিছুটা ফল পাওয়া যাবে তা বিবেচনায় রাখতেই হবে। নিজেদের আদর্শের পক্ষে ব্যপক আকারে জনমত ও দূরদর্শী নেতৃত্ব গড়ে তোলা ছাড়া লক্ষ্য হাসিল অধরাই থেকে যাবে। কিন্তু এজন্যে শক্তি প্রদর্শন হিতে বিপরীত হবে। মিয়ানমারের সেনা বিরোধী আন্দোলনে পেশাজীবি সহ গরিষ্ঠ জনগণ একাট্টা হওয়ার পরেও অবলীলায় প্রাণ দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু শক্তি প্রদর্শন থেকে বিরত থাকছে। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানীদের জুলুম, নির্যাতন ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে ২৩ বছর ধরে অবিরাম জনমত গঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেছেন। কিন্তু কস্মিনকালেও শক্তি প্রদর্শন করেননি। ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা সহ বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের কর্মীদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। কর্মীদের কখনো সহিংস হতে দেননি। এরপর যখন সকল প্রকার আপোষের রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে ২৫ মার্চের কালোরাতে টিক্কা খানের নির্দেশে ঘুমন্ত মানুষের ওপর সামরিক জান্তা ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন বাংলার দামাল ছেলেরা গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। কিন্তু তাও সম্ভব হয়েছে ভারতের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়। ভারতের সাহায্য সহযোগিতা না থাকলে বাংলাদেশের মাটিতে মুক্তি যুদ্ধের সংগঠন ও গেরিলা বাহিনীর ট্রেনিং কিছুতেই সম্ভব হতোনা। ভাবনার বিষয় হচ্ছে ইসলাম পন্থীদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে আসার আশেপাশে কেউ নেই। তাই অহেতুক আবেগ নিয়ন্ত্রণে রাখাটা খুবই জরুরি। এখনো দেখা যাচ্ছে বিরোধী শিবিরে 'ওমর' ও 'খালেদ বিন ওলীদ'-এর মতো গুণী নেতৃত্ব রয়ে গেছে। তাই নিরলস ও নিরবচ্ছিন্ন ভাবে হকের দাওয়াত জারি রাখাটাই একমাত্র কাজ হওয়া উচিত। তবে ভেতরের হিসেবের যা-ই হোক না কেনো আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক হিসেব নিকেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যক্টর। অতীতের মতো দাওয়াতের কাজেও বিরোধিতা হবে সন্দেহ নেই। এভাবেই ত্যাগী নেতৃত্ব গড়ে ওঠার চিরন্তন নিয়ম। পথিমধ্যে আবেগ তাড়িত হয়ে পাতানো সংঘর্ষে পা দিয়ে নিঃশেষ হওয়া থেকে সতর্ক থাকাটাই একটা চ্যলেঞ্জ। দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব-পরিবেশ ইসলামের আনুকুল্যের বিপক্ষেই চরম রূপে বিদ্যমান। দেশের মধ্যে ইসলামের রাজনীতি মানে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি। আর ইউরোপ ও মার্কিন মুল্লুকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম। তাই দেশে-বিদেশে তাদের তেমন কোনো শক্তিশালী মিত্র দেখা যায়না। মধ্যপ্রাচ্য আমেরিকা ও ইসরায়েলের কুটিল রাজনীতির ঘূর্ণাবর্তে নিপতিত। এমতাবস্থায় ধৈর্যের চরম পরাকাষ্ঠা প্রমাণের পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়া ছাড়া উপায় নেই এবং এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে সবকিছু চোখের নিমিষেই নিঃশেষ হয়ে যাবে। সবর একটি মহৎ গুণ। যারা হাজারো উস্কানির মুখেও সবর করে, ধৈর্য ধারণ করে সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং তাদের সঙ্গী হয়ে যান। আল্লাহ তায়ালা যাদের সঙ্গে থাকেন তাদের পরাজয় অসম্ভব। যতোদিন ইসলামের আদর্শকে দেশের ভেতরে-বাইরে মোটামুটি গ্রহণ যোগ্য করা না যাবে ততোদিন মক্কী জীবনের পরীক্ষায় অবতীর্ণ থাকতেই হবে। কথা বলার সময় মুখের লাগাম টেনে ধরতে হবে। সুন্দর আচার ব্যবহার ও সম্মানজনক আলাপ আলোচনা করতে হবে। কথাবার্তায় আক্রমনাত্মক হওয়া এবং কারো সম্মানে আঘাত করা বিষ পানের শামিল। উগ্র আচরণ আত্মঘাতী হবে। উস্কানির মুখেও সবর ও সংযম প্রদর্শন করতে হবে। তাই দাওয়াতের ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালা যে নিয়ম নীতি অবলম্বন করতে বলেছেন অক্ষরে অক্ষরে তা রক্ষা করতে হবে। ইরশাদ হচ্ছে, 'হে নবী, সৎ কাজ ও অসৎ কাজ সমান নয়। তুমি অসৎ কাজকে সেই নেকি দ্বারা নিবৃত্ত করো যা সবচেয়ে ভালো। তাহলে দেখবে যার সাথে তোমার শত্রুতা ছিলো সে অন্তরঙ্গ বন্ধু হয়ে গিয়েছে। ধৈর্যশীল ছাড়া এগুণ আর কারো ভাগ্যে জোটেনা। এবং অতি ভাগ্যবান ছাড়া এ মর্যাদা আর কেউ লাভ করতে পারেনা। যদি তোমরা শয়তানের পক্ষ থেকে কোনো প্ররোচনা আঁচ করতে পারো তাহলে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো। তিনি সবকিছু শোনেন এবং জানেন।' সূরা হা-মীম আস্ সাজদাঃ৩৪-৩৬। জটিল ও কুটিল রাজনীতির আবর্তে একবার নিপতিত হলে সেখান থেকে ওঠে আসা খুবই কঠিন হবে। ইসলামী আদর্শের বৈশ্বিক গ্রহণ যোগ্যতা নেই বলে মিশর, আলজেরিয়া, সুদান, মালয়শিয়া ও বাংলাদেশের ইসলাম পন্থীদের জয়-পরাজয় এপিট-ওপিট লেপ্টে আছে। সুতরাং, কুরআনে বর্ণিত দাওয়াতী কাজের নীতিমালা অনুসরণ করে দাওয়াতের সম্প্রসারণে মনোযোগী হওয়ার বিকল্প নেই।

Mohammed Musa
৮ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ২:৫৩

অনেক আগেই আশংকা করেছিলাম এর পরিনতি কি হতে পারে। তবে আর যাই হোক, সে একা নয় - তার সাথে একই অপরাধ সংঘটিত করেছে অনেকেই। সুতরাং তাদের ও একই বিচার জাতি দেখতে চায়।তা না হলে ভবিষ্যতে দেশ একটি দীর্ঘ সংকটের মুখোমুখি হবে। তাদের মধ্যে এমনও ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ আছে যারা সশস্র আন্দোলন করতে চায়। এদের সহজেই কেনা যায়। শুধু ধর্মের দোহাই,সাথে কিছু নগদ অর্থ পেলে তারা সহজেই জেহাদের ডাক দিতে পারেন। প্রয়োজনে আবার বিশ্বাস ঘাতকতা ও করতে দ্বিধা করে না। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী এই কওমী মাদ্রাসার জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে ছিলেন। তিনি মনে প্রানে এই মাদ্রাসার কল্যান কামনা করেন বলেই মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সম মানে নিয়ে আসার সকল প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার পরও এই মাওলানা সাহেবরা যে বিশ্বাস ঘাতকতা করছেন তাতে জাতি বিস্মিত, অবাক ও হতবাক। মসজিদ মাদ্রাসা গুলোকে এক একটা জংগী কারখানা বানিয়ে ফেলেছে বলে মনে হয়।আর এসবের নায়ক মামুনুল ও বাবু নগরী গং রা। ওদের এত তান্ডবের পরও যদি সরকার ব্যবস্থা না নেয় তাহলে পরিনতি হবে ভয়াবহ//

আবুল কাসেম
৮ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ২:৫১

আমরা পড়েছি এক মহা সংকটে। ঘরে থাকলে খাবার জোটেনা। আবার বাইরে গেলে মহামারীর ভয়। যেনো শাঁখের করাত। এমতাবস্থায় মানিয়ে চলার বিকল্প নেই। কেউ কেউ বলেছেন বই মেলায় করোনাকে শিক্ষিত করা হবে। এখন আবার কেউ বলতে পারেন করোনাকে দোকানদারি শেখানো হবে। কিন্তু যারা দোকানে কেনাকাটা করতে যাবেন তাঁরা কি শিখবেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়েও খাবার জোগাড় করা ফরজ। একজনর রোজগারে কয়েকজন চলে। মা, বাবা, ভাই, বোন, স্ত্রী, সন্তান। এক বেলা আধা বেলা খেয়ে না খেয়ে বেশিদিন থাকলে অপুষ্টির ভয় আছে। তাই দোকান না খুলে আর কি-ইবা বিকল্প আছে। দোয়া দুরুদ পড়ে আল্লাহর ওপর ভরষা করে কাজও করতে হবে সুরক্ষিতও থাকতে হবে। সেই পরিকল্পনা সবাইকে গ্রহণ করতে হবে।

অন্যান্য খবর