× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ১ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

উইঘুরদের সাংস্কৃতিক পরিচয় মুছে ফেলার অভিযোগ চীনের বিরুদ্ধে

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(১ মাস আগে) এপ্রিল ৯, ২০২১, শুক্রবার, ১০:৩৬ অপরাহ্ন

শিনজিয়াংয়ের সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায় উইঘুরদের  মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বিশ্বজুড়ে চীনের বিরুদ্ধে নিন্দার ঝড় বইছে এবং একের পর এক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হচ্ছে দেশটিকে। এমন একটি পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাজ্যের একজন কবি ও শিক্ষাবিদ জানিয়েছেন চীন সরকার গোটা উইঘুর জনগোষ্ঠীকে সন্ত্রাসীকরণ করছে এবং তাদের জাতিগত ও সাংস্কৃতিক পরিচয় মুছে ফেলছে।
এসওএএস উইনিভার্সিটি অব লন্ডনের গবেষক আজিজ ইসা ইলকুন চীনা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার বিবরণ দেয়ার সময় দাবি করেন, ‘উইঘুরস্তান’ নামে পরিচিত তাদের বাসস্থানের জমিগুলো ১৯৪৯ সাল থেকেই দখল এবং উপনিবেশকরণ শুরু হলেও তা মূলত ২০১৭ সালে গণমাধ্যমের নজরে আসে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমি আমার বাবার কবর ধ্বংস করা প্রসঙ্গে সিএনএনকে সাক্ষাতকার দেয়ার পর এই গণমাধ্যমটি গণহত্যার বিরুদ্ধে কথা বলায় আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায়। এরপর বহুবছর নিজের মা এবং বোনকে দেখতে পারিনি, কথাও বলতে পারিনি।’

গত তিন বছরে উইঘুরদের প্রায় সবগুলো মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংস করে ফেলেছে চীন। মূলত উইঘুর সম্প্রদায়ের জাতিগত ও সাংস্কৃতিক পরিচয় মুছে ফেলতেই এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

আজিজ আরো বলেন, ‘আমরা সন্ত্রাসী এমন অভিযোগ তুলে বন্দি-শিবিরগুলোয় উইঘুরদের ওপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন ও অত্যাচার করা হয়। চীন সরকার এভাবে গোটা উইঘুর জনগোষ্ঠীকেই সন্ত্রাসীকরণ করছে।
কেউ যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, মুখে দাড়ি রাখে অথবা কোন নারী যদি বোরখা ব্যবহার করে তাহলে সে কর্তৃপক্ষের নিশানায় পরিণত হয়। দীর্ঘকারাবাস এবং নৃশংস নির্যাতনের মতো শাস্তির মুখে পড়তে হয় তাদের।’

উইঘুর সম্প্রদায়রকে রক্ষা করা এবং চীনের নির্যাতন থেকে তাদের বাঁচানো এখন পশ্চিমা দেশগুলোর ওপর নির্ভর করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক এবং ইরানসহ মুসলিম দেশগুলোকে উইঘুরদের পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘উইঘুরদের বিরুদ্ধে গণহত্যা পরিচালনার জন্য চীনকে অবশ্যই বিচারের সামনে দাঁড় করাতে হবে।’

সূত্র: এএনআই

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Faruque Ahmed
১০ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১২:৫৫

আমাদের সকলকে এর জন্য মূল্য দিতে হবে। আমাদের সজাগ হওয়া দরকার। এই ধরণের কার্যক্রম চীন 70 বছর আগে শুরু করে। এখন তারা সফল। সমস্ত ধর্মীয় বই জব্দ, মসজিদ বিলুপ্ত। তবে প্রথম পদক্ষেপটি কী ছিল? প্রথম পদক্ষেপটি ছিল তারা অনেক নাটক করে। 1) নিউজ ক্যাপচারের জন্য তারা ভাল মিডিয়া / সাংবাদিকদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। 2) তারা হলুদ সাংবাদিক এবং তাদের সংস্থাকে ক্ষমতা দেয় 3) তারা দুর্নীতিগ্রস্থ মুসলিমকে অনুসন্ধান করে এবং সাধারণ মুসলমানকে সন্ত্রাসবাদী হিসাবে প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত নাটক তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত তারা সংশোধনমূলক কর্ম পরিকল্পনা শুরু করে। তবে সংশোধনমূলক কর্ম পরিকল্পনা কী? আসল মুসলিমকে শাস্তি দেওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদের কমিউনিজম সংস্কৃতি অনুসরণ করতে বাধ্য করতে। তাদের মধ্যে যদি কেউ ইসলামিক কর্মকাণ্ড ছেড়ে যায় তবে তিনি ভাল মানুষ হিসাবে প্রমাণিত হন। যদি কেউ ইসলামিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ না করে তবে টেরোরিস্ট হিসাবে প্রমাণিত হয়। সুতরাং প্রত্যেকের প্রতিটি ক্রিয়াকলাপ চিন্তা করা উচিত এবং "50 বছর পরে কী হবে?" এর সাথে তুলনা করা উচিত?

Dr. Md. Abdur Rahman
১০ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১০:০০

China has to pay for it.

অন্যান্য খবর