× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ২৮ রমজান ১৪৪২ হিঃ
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৯)

‘সেই অন্ধকূপের তুলনায় জেলখানা স্বর্গরাজ্য’

বই থেকে নেয়া

স্টাফ রিপোর্টার
১০ এপ্রিল ২০২১, শনিবার
সর্বশেষ আপডেট: ৬:৫৪ অপরাহ্ন

তখনকার অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে জেলখানায় থাকা আমার কাছে মনে হচ্ছিল প্রায় স্বর্গে থাকার মতো। বিশেষ করে যৌথবাহিনীর সেই অন্ধকূপের তুলনায় জেলখানাকে এক স্বর্গরাজ্যই বলা চলে। কোর্টে কয়েক ঘণ্টা আনুষ্ঠানিকতা সারার পর অনেকগুলো ক্যামেরার ফ্লাশলাইটের মধ্য দিয়ে অপেক্ষমাণ জনতাকে বিদায় জানিয়ে আমি আবার চড়ে বসলাম প্রিজন ভ্যানে। এভাবে শুরু হলো প্রায় ১১ বছর পর আবার আমার নতুন করে কারাবরণের পালা। ১৯৫৫ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আমি সর্বপ্রথম মাসখানেকের জন্য কারাবরণ করি। তখন ছিল ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের কাল, যার পথ বেয়ে পরবর্তীকালে সূচিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। আমি তখন ছিলাম ১৬ বছরের কাছাকাছি এক তরুণ। সবেমাত্র ম্যাট্রিক পাস করে ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজে ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হয়েছি।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে ১৯৭৪ সালের ২৮শে ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জরুরি অবস্থা জারি করেন।
এটা ছিল ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি থেকে দেশে সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে একদলীয় সরকার ব্যবস্থা। কায়েম করার প্রস্তুতি পর্ব। জরুরি অবস্থা জারির পরদিন ভোরবেলায় আমাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে আমার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে নিরাপত্তা বন্দি হিসেবে প্রায় তিন মাস কারারুদ্ধ করে রাখা হয়। ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে এই বন্দিকালীন সময়ে আমাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিনাবিচারে আটক রাখা হয়েছিল। ১৯৮২ সালের ৭ই নভেম্বর শেরেবাংলা নগরে শহীদ জিয়ার মাজারে খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে অভিষেকের প্রথম দিনে এরশাদবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সেøাগান সংগঠিত করায় ১৪ই নভেম্বরে সামরিক সরকার আমাকে গ্রেপ্তার করে। এরশাদ সরকার আট মাস অবধি আমাকে দিনাজপুর এবং ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে আটক রাখে। সামরিক সরকার এক বানোয়াট অভিযোগে আমাকে আটক করলেও পরবর্তীকালে এক রিভিউতে নির্দোষ প্রমাণিত হলে আমাকে নিঃশর্তে মুক্তি দেওয়া হয় । ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে এরশাদ সরকারের পতনের পর আমাকে গ্রেপ্তার করে কিছুদিন নিজস্ব বাড়িতে অন্তরীণ রাখার পর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং মাস চারেক পর সুপ্রিম কোর্টের আদেশের মাধ্যমে আমি মুক্তিলাভ করি। ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যখন বিএনপি সরকার সকল বিরোধী দলের সম্মিলিত বিরোধিতায় বিপর্যয়ের সম্মুখীন তখন ৬ জন জাতীয় পর্যায়ের নেতার মধ্যে আমাকেও কারাবন্দি করা হয়।
কাজেই এবার নিয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে আমার ছিল ষষ্ঠবারের মতো পদার্পণ। স্বাধীনতার পর যখনই আমি জেলে গেছি আমার প্রায়শ দিন কেটেছে ২৬ নং সেলে যার নাম দেওয়া হয়েছে চম্পাকলি। এটা হলো প্রশস্ত বারান্দাসহ দক্ষিণমুখী একটা বিল্ডিং, সামনে চওড়া মাঠ, বাগান ও পাশে নিজস্ব রান্নাঘর। নিজস্ব দেয়াল ঘিরে এটা ছিল জেলখানার ভেতরে আর একখানা জেল। স্যাঁতসেঁতে, চুনকাম খসে পড়া দেয়াল ও মেঝে অসমতল হলেও যত ছোটই হোক না কেন জেলখানায় নিজস্ব একটা ঘর পাওয়া একজন রাজনীতিকের জন্য অবশ্যই সৌভাগ্যের বিষয়। বাংলাদেশকে স্বাধীনতা অর্জনের সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হবার আগে শেখ মুজিবুর রহমান বিভিন্ন পর্যায়ে সর্বমোট ১১ বছর কারাবরণ করেছেন,  তিনিও ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে থাকা বেশির ভাগ সময় এই চম্পাকলিতেই ছিলেন।
এ অবস্থায় বিচারাধীন হাজতির মতো আমার নাম জেলগেটে রেজিস্টার করার আগেই আমি জেলখানায় আমাকে অভ্যর্থনাকারী সেনাবাহিনীর মেজর ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল অব প্রিজন হায়দার সিদ্দিকীকে অনুরোধ জানালাম সম্ভব হলে আমাকে যেন ২৬ নং সেলে জায়গা দেওয়া হয়। আমাকে বলা হলো, সেটা এখন আর আগের অবস্থায় নেই এবং এটাকে আমার থাকার উপযোগী করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। কাজেই প্রথম কয়েক রাত্রি নিরাপত্তার কারণে আমাকে পৃথকভাবে হাসপাতাল ভবনের দ্বিতীয় তলায় পৃথক একটি বড় সাইজের রুমে রাখা হয়।
এক ভয়াবহতার মধ্য দিয়ে কেটে গেল এবারের জেলখানার আমার প্রথম রাত্রি। গভীর রাতে হানা দিলো বিশাল এক কালবৈশাখী ঝড়। প্রচণ্ড ঝড়ো বাতাসে বারান্দার পাশে জানালাগুলো খুলে গিয়ে বিকট শব্দ করে পরস্পরের ওপর আঘাত করতে শুরু করলো। অন্যদিকে দুর্দান্ত বৃষ্টির ঝাঁপটা ও ছাদের ফুটো দিয়ে গড়িয়ে পড়া পানি ঘরের মেঝে ভিজিয়ে একাকার করে দিলো। একটা একটা করে আমি দেয়ালের চারটি জানালাকে বন্ধ করতে প্রাণপণ চেষ্টা করলাম, কিন্তু ছিটকিনি বা বন্ধ করার অন্য কোনো ব্যবস্থা ছিল না, তাই ভেতর থেকে সেগুলো বন্ধ করা গেল না। আমি ভিজে একাকার হয়ে গেলাম, বিছানার চারদিকে পানি গড়িয়ে পড়তে থাকলো।
তখন চতুর্দিকে ঘুটঘুটে অন্ধকার। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন। আমাকে সাহায্য করার জন্য কোথাও কারো কোনো সাড়াশব্দ ছিল না। আমি উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছিলাম এ অবস্থায় হাসপাতালের রোগীদের অবস্থা কী হচ্ছে তা ভেবে। ওরা কি আমার মতোই দুরবস্থার শিকার? মনে মনে দোয়া ও কামনা করছিলাম যেন ওরা এই দুর্যোগের হাত থেকে মুক্ত থাকে। এভাবে কারাগারে আমার প্রথম রাত কেটে গেল নির্ঘুম অবস্থায়। যদিও সেটি আমার গ্রেপ্তার পরবর্তী ক্যান্টনমেন্টের অন্ধকূপে ভয়াবহ পাঁচ রাত্রিবাসের তুলনায় বহুলাংশে শ্রেয়তর এবং সহনীয়।
চোখ ধাঁধানো সূর্যের উজ্জ্বল আলো সদাপ্রসন্ন এক অলৌকিক ভাব নিয়ে আবির্ভূত হলো পরদিন সকালবেলাটা। গত ভয়াবহ রাত্রির বজ্রগর্জন, ঝড়ঝঞ্ঝা বা বৃষ্টির কোথাও বিন্দুমাত্র অস্তিত্ব নেই। চারদিক মনে হলো শান্ত ও সমাহিত, পাখির কলকাকলীতে মুখরিত, ছাদ বরাবর সারি বেঁধে উড়ন্ত পায়রার ঝাঁক। রাতের সর্বনাশা ঝড়ের পরে চড়ুই পাখিগুলো তাদের নীড় মেরামতে ব্যস্ত। চারদিকের পরিস্থিতি মনে হচ্ছিল প্রশান্ত ও মনোরম।
এবার আমিও নিজেকে তৈরি করার দিকে নজর দিলাম। যেদিন সকালবেলা আমাকে গ্রেপ্তার করা হয় সেদিন গ্রেপ্তারের আগমুহূর্তে একটি ব্যাগে আমি আমার নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু দ্রব্যসামগ্রী গুছিয়ে নিয়েছিলাম। আগের অভিজ্ঞতা অনুসারে প্রতিবার গ্রেপ্তারের সময়ই এ নিয়মটি অনুসরণ করা আমার একরকম অভ্যাসে দাঁড়িয়েছিল। আমার ব্যাগে ভরা জিনিসগুলোর মধ্যে ছিল চারটি মোমবাতি, দু’টি ম্যাচবাক্স, একটি টর্চলাইট, একটি লুঙ্গি, একটি জামা, একটি সাবান, একটি টুথপেস্ট ও ব্রাশ, সেভিং বক্স, স্লিপার, আমার ওষুধপত্র, কয়েকটা বই এবং লেখার সরঞ্জামাদি। এ সবের অনেক কিছুই ব্যবহার করার মানসিক শক্তি অন্ধকূপে থাকার সময় আমার ছিল না। বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে গতরাতেও আমি সেগুলোর কোনোটাই ব্যবহার করতে পারিনি। আশ্চর্যজনকভাবে সকালবেলা বিছানার নিচে ঠেলে রাখা ব্যাগটি খোলার পর আমি দেখলাম যে, ব্যাগের প্রতিটি জিনিসই অক্ষত অবস্থায় আছে। যাই হোক, আমার কাছে মনে হচ্ছিল যে, গতরাতের মতো ঝড় ও বৃষ্টি এখন এই বৈশাখ মাসে প্রায় প্রতিদিনই হানা দিতে পারে। তাই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রগুলো পেয়ে অন্ধকারসহ যে কোনো পরিস্থিতিকে সামলানোর জন্য নিজেকে আমি পুরোপুরি প্রস্তুত বলে অনেকটা আশ্বস্তবোধ করলাম। সকাল আটটার মধ্যে আমার রুমটাকে মোছা ও পরিষ্কার করা হলো। যাতে করে ঝড়ের মতো বিপর্যয় থেকে সহজে রেহাই পাওয়া যায় সেজন্য জানালা বন্ধ করা ও খোলার জন্য এক ধরনের রশির হাতল ঝুলিয়ে দেওয়া হলো। একটি বালতিতে করে নিয়ে আসা হলো টাটকা পানি- সঙ্গে প্লাস্টিকের একটি মগ। পুরনো একটি অ্যালুমিনিয়ামের প্লেটে করে নিয়ে আসা হলো এক টুকরো রুটি ও সামান্য ভাজি। সঙ্গে এলো একগ্লাস পানি। ক্ষুধায় আমার পেট অস্থির হয়ে উঠেছিল। কাজেই বিনা দ্বিধায় প্লেটে যা ছিল খেয়ে নিলাম। পানিটুকু পান করার সময় খেয়ে নিলাম প্রয়োজনীয় ওষুধ। আমার জন্য বরাদ্দ পত্রিকাগুলোতে ছিল শুধু সরকারি প্রপাগান্ডায় ভর্তি এবং জরুরি আইনের ব্যবস্থাধীনে কড়াকড়িভাবে সেন্সর করা, পাঠের অযোগ্য। আমি ছোট একটা টেবিল ও চেয়ার জোগাড় করে আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট না করে তাৎক্ষণিকভাবে লিখতে বসে গেলাম। পরের পাঁচদিনও এ ঘরে কাটিয়েছি এবং প্রায় প্রতিদিনই সন্ধ্যায় আমি দেখেছি প্রচণ্ড ঝড় আর বৃষ্টিপাত- আর পরের দিন এক সৌম্য, শান্ত, হাসিমাখা সকাল।
সাধারণ কয়েদিদের তুলনায় ক্লাস ওয়ান বা ডিভিশনপ্রাপ্ত কয়েদিরা কিছুটা বাড়তি সুবিধা পায়। সাধারণত সাবেক মন্ত্রী, এমপি, আয়কর প্রদানকারী, বিশিষ্ট নাগরিক এবং রাজনীতিবিদেরা এই ডিভিশনপ্রাপ্ত কয়েদি হবার সুযোগ পান। এর জন্য তারা যে বাড়তি সুবিধা পান তা হলো- একটি চৌকি, একটি পাতলা তোষক, বিছানার চাদর, মশারি, সামান্য উন্নত খাবার। চেয়ারসমেত একটি টেবিল, কমোড, বেসিনসহ ঠা-া পানির শাওয়ার ইত্যাদি। ক্ষুদ্র পরিসরের হলেও খাওয়া, ঘুমানো, লেখাপড়া করা, নামাজ পড়া, গোসলাদি ইত্যাদি সবকিছুর একীভূত ব্যবস্থা সংবলিত এককভাবে একটি ঘর শুধু গুটিকয়েক ভাগ্যবানের কপালেই জোটে এবং আমি ছিলাম সেই ভাগ্যবানদেরই একজন। তা না হলে আমাকে থাকতে হতো আরো অনেকের সঙ্গে কমন টয়লেট ও গোসলের ব্যবস্থা সংবলিত পর্দা দিয়ে পৃথক করা ব্যবস্থায়।
নিয়মানুযায়ী প্রত্যেক ডিভিশনপ্রাপ্ত কয়েদি একজন ‘ফালতু’ অর্থাৎ সাহায্যকারী পেয়ে থাকেন। সাধারণত যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের মধ্য থেকে ‘ফালতু’ নির্বাচন করা হয়। ‘ফালতু’র কাজ হলো ডিভিশনপ্রাপ্ত কয়েদিকে সাহায্য করা। মূল কাজের মধ্যে রয়েছে রুম পরিষ্কার করা, বিছানা গোছগাছ করা, খাবার পরিবেশন করা, থালাবাসন ও কাপড়চোপড় ধোয়া ইত্যাদি। এগুলো সবই হলো ব্রিটিশ সময়কাল থেকে ধার করা ঐতিহ্য। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে ইংরেজ রাজত্বে যেসব রাজনীতিবিদ কারাবরণ করেছেন তাদের জন্যই ব্রিটিশরা এসব ব্যবস্থা স্থায়ীভাবে পত্তন করে গিয়েছিল। কালের ধারাবাহিকতায় সেই ব্যবস্থা আমরা আজ অবধি অনুসরণ করে চলেছি। ২০০৭ সালে ২৪শে এপ্রিল আমাকে ২৬ নং সেল অর্থাৎ চম্পাকলির পূর্ব প্রান্তের রুমে স্থানান্তর করা হয়। দক্ষিণমুখী উন্মুক্ত ঘরটিতে রয়েছে পূর্বদিকে খোলা এক বড় জানালা।
সূর্যের আলো ও বাতাস চলাচলের জন্য এটা খুবই উপযোগী। ১৯৭৪-৭৫, ১৯৮২-৮৩ এবং ১৯৯১ সালে একই ঘরে আমি ছিলাম। ব্রিটিশদের বানানো এই ২৬ নং সলে আছে মোট ১২টি কক্ষ বা সাব-সেল। বিল্ডিংটি ১২৬ বছরের পুরনো। তিরিশ ফুট উঁচু ছাদ। প্রতি ঘর প্রায় ১০ ফুট চওড়া, ১৮ ফুট লম্বা। চারদিকে সাধারণভাবে স্যাঁতসেঁতে একটা ভাব। কেমন যেন এক ধরনের ভোঁটকা দুর্গন্ধ। পলেস্তরা খসেপড়া দেয়াল। পিঁপড়া-তেলাপোকা-ইঁদুরের অনিয়মিত আনাগোনা ইত্যাদি থাকলেও এ সেলই আমাকে একাকী নির্বিঘ্নে থাকার সুযোগ দিয়েছে।
এর আগে এ সেলে থাকতেই আমি বাংলাদেশের উপর তিনটি গবেষণাসমৃদ্ধ বই- কনস্টিটিউশনাল কোয়েস্ট ফর অটোনমি, এরা অব শেখ মুজিবুর রহমান এবং ডেমোক্রেসি অ্যান্ড দি চ্যালেঞ্জ অব ডেভেলপমেন্ট: এ স্টাডি অব পলিটিক্স অ্যান্ড মিলিটারি ইন্টারভেনশনস ইন বাংলাদেশ লেখা শেষ করেছি। সবগুলো বই প্রকাশ করেছে ঢাকার ‘দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড’।

(চলবে..)

আরো পড়ুন-
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৪)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৫)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৬)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৭)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৯) 
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১০)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১১)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১২)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৩)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৪)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৫)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৬)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৭)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৮)

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Noor Al Amin
১০ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ২:৪২

thanks

অন্যান্য খবর