× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

অ্যাটাক হেলিকপ্টারের সামনে দাঁড়িয়ে কে এই সুন্দরী!

অনলাইন

তারিক চয়ন
(১ মাস আগে) এপ্রিল ১০, ২০২১, শনিবার, ১:৫৯ অপরাহ্ন

স্বমহিমায় রণমূর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে আক্রমণকারী হেলিকপ্টার। তার ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে অল্পবয়সী এক নারী। চোখে কালো সানগ্লাস, ঠোঁটে লিপস্টিক, গলায় রুচিশীল নীল মাফলার এবং মাস্ক। গায়ে মোড়ানো কালো জ্যাকেট, সুন্দর মুখশ্রী। ঠিক যেনো হলিউডের কোন মুভির মুখ্য চরিত্রে অভিনয়কারী নায়িকা!

কে তিনি? হ্যা, প্রথম দর্শনে এই প্রশ্নই উঁকি দেবে মনে। তিনি অবশ্য কোন নায়িকা নন। কিন্তু নায়িকার চেয়ে কোন অংশে কমও নন। জাতীয়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সব জায়গায় এখন তাকে নিয়ে চর্চা।
তার নাম ওজগি কারাবুলুত।

তুরস্কের অ্যাটাক হেলিকপ্টারের প্রথম নারী পাইলট হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন কারাবুলুত। তার বয়স মাত্র ২৮ বছর। তুরস্কের রাজধানী আংকারায় প্রশিক্ষণ নেয়া শেষে তিনি এই রেকর্ড গড়েন।


তুরস্কভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, পুলিশ এভিয়েশন বিভাগের অধীনে কর্মরত কারাবুলুত ডেপুটি পাইলট কমিশনার পদে রয়েছেন। বলা হচ্ছে হেলিকপ্টার চালনার পরীক্ষায় পাশ করার সাফল্যের সাথে কারাবুলুত নতুন ইতিহাসও রচনা করলেন। পুলিশ বিভাগ তাদের বহরে অ্যাটাক হেলিকপ্টার অন্তর্ভুক্ত করার পর কারাবুলুত তার দায়িত্ব পালন শুরু করেছিলেন।

ডেইলি সাবাহ জানিয়েছে, কারাবুলুত ওই হেলিকপ্টারের ককপিটে বসে সাফল্যের সাথে ৯ সপ্তাহের প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করেছেন। কারাবুলুত বলেন, আমি এর পাইলট হতে পেরে গর্ববোধ করছি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আনিস উল হক
১০ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৩:০১

নারী কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন - ' নারী চাপা ছিল এতদিন,আজ চাপা পড়িয়াছে নর। সে যুগ হয়েছে বাসি, যে যুগে পুরুষ দাস ছিল না ক', নারীরা আছিল দাসী! ' বাংলাদেশে আজ সে যুগ বাসি হয়েছে কি? আমাদের দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পর্যায়ে যোগ্যতা গুণে নারীরা যেমন স্হান করে নিয়েছে আবার কিছু ক্ষেত্রে তারা পুরুষ কুপমন্ডুকতার শিকার ও হচ্ছে। যেমন আমাদের দেশে একজন নারীর যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাকে বিবাহ নিবন্ধক(কাজী) পদে নিয়োগ দেয়া হয়নি।আমাদের দেশের আজকের যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি তার ভিত্তি হোল কর্মক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে নারীর অংশগ্রহণ। এনজিও ও পোষাক তৈরী খাত হোল যার অন্যতম ক্ষেত্র। আগামীতে আমাদের নারীরা আরো এগিয়ে যাবে। পুরুষতন্ত্র যে ধর্মীয় মৌলবাদের পিঠে চড়ে নারীর অগ্রযাত্রাকে ঠেকিয়ে রাখতে চাইছে তা বিফল হতে বাধ্য।শেষে নারী কবিতার শুরুর দু'লাইন পড়ে নেই - ' বিশ্বে যা-কিছু মহান্ সৃষ্টি চির - কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।'

অন্যান্য খবর