× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

বাজেটে করোনা মোকাবিলায় সুনির্দিষ্ট দিক-নিদের্শনা থাকতে হবে

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(১ মাস আগে) এপ্রিল ১০, ২০২১, শনিবার, ৬:৩৯ অপরাহ্ন

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করছে। তাই আগামী বাজেটে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় একটি সুনিদিষ্ট দিক-নির্দেশনা থাকতে হবে বলে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা। সেই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টিও বাজেটে গুরুত্ব দিতে হবে।

শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), দৈনিক সমকাল এবং চ্যানেল২৪ যৌথভাবে আয়োজিত ওয়েবিনারে ‘প্রাক-বাজেট আলোচনায় অর্থনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীরা এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান এবং ব্র্যাক-এর চেয়ারপার্সন ড. হোসেন জিল্লুর রহমান অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ড. মসিউর রহমান বলেন, প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন ধারাকে অব্যাহত রাখতে হবে এবং এটিকে সকল জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, শুল্ক বা করের হার গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে না থাকলে, তা ব্যবসা-বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে ব্যাহত করবে। তিনি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত না করে কি হারে রাজস্ব বাড়ানো যায় তার একটি দিক-নির্দেশনা সরকারকে প্রদানের আহ্বান জানান। উপদেষ্টা বলেন, ৭-১০ বছরের জন্য একটি টেকসই ও সহনশীল কর কাঠামো দেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া তিনি দেশের জিডিপিতে করের অবদান বাড়ানো প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেন এবং বিভিন্ন খাত কে বিভিন্ন হারের কর অব্যাহতি দেয়ার কারণে জিডিপিতে করের অবদান কমছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ট্যাক্সের হার নির্ধারণ ও সরকারের ব্যয়ের বিষয়ে সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে, সেই সঙ্গে নাগরিকদের উপর আরোপিত ট্যাক্স সেই নাগরিকের নিকট গ্রহণযোগ্য কিনা সেবিষয়ে নজর দেয়া প্রয়োজন।

ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, বাজেট শুধুমাত্র কর আহরণের বিষয় নয়, এটি সরকারের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের একটি রপরেখা। তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করছি, যেটা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে এবং বাজেটে করোনা পরিস্থিতি উত্তরণের একটি সুনিদিষ্ট দিক-নির্দেশনা থাকতে হবে, সেই সঙ্গে সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়টিও বাজেটে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি আরো বলেন, দেশের এসএমই খাত কে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে এবং এসএমই খাতের জন্য আর্থিক সহায়তা নিশ্চিতকল্পে মাইক্রো ফাইন্যান্স ইন্সটিটিউট (এমএফআই) গুলোকে বিবেচনা করা যেতে পারে এবং প্রণোদনা প্যাকেজ কিভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের নিকট পৌঁছানো যায়, সে লক্ষ্যে একটি সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, তৈরি পোশাক ও রেমিট্যান্স এর পর আমাদের প্রবৃদ্ধির নিয়ামকগুলো কি হবে, সেগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে। সেই সাথে তিনি দক্ষ মানব সম্পদ তৈরিতে আমাদের একটি যুগান্তকারী পরিকল্পনা প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেন, যেখানে সরকার ও বেসরকারিখাত একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমাদের স্বাস্থ্য খাত নিয়েও চিন্তা করতে হবে এবং বিশেষ করে গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকল্পে বেসরকারি বিনিয়োগ খুবই জরুরি।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, সরকার ব্যবসাবান্ধব রাজস্ব ব্যবস্থা, শিল্পায়নের বিকাশ এবং উচ্চতর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরে যেতে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। করোনা পরবর্তী অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের গুরুত্ব বিবেচনায় বেসরকারিখাতের প্রত্যাশা পূরণে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ যেমন; আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর, আর্থিক খাত, শিল্প ও বাণিজ্য এবং জ্বালানি, যোগাযোগ ও স্বাস্থ্য অবকাঠামো খাত প্রভৃতি খাত সমূহকে বাজেটে গুরুত্ব প্রদান করা প্রয়োজন বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

ওয়েবিনারে ৪টি খাতের উপর সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেতাদের মতামত প্রদান করেন। ‘আর্থিক খাত’ সেশনের আলোচনায় আইপিডিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর সিইও নাসের এজাজ বিজয়, নগদ-এর সিইও রাহেল আহমেদ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড-এর চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহীম অংশগ্রহণ করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
কাজি
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১:০৪

বিশ্বের অন্য দেশের মডেল ব্যবহার করে 1) বড় শহরের দিন মজুর ও কর্মজীবী দের ভাতা'র ব্যবস্থা করতে হবে। মধ্যস্থ লুটপাটের পথ বন্ধ করে সরাসরি সরকার থেকে তাদের হাতে পৌছে দিতে হবে। 2) কর্মজীবী যেসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন সেসব প্রতিষ্ঠানকে ভর্তুকি দিতে হবে। তাদের ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য। 3) বড় শহরের মানুষ কর্মহীন হয়ে যাতে গ্রামাঞ্চলে গিয়ে রোগ না ছড়ায় তাই এই ব্যবস্থা নিয়ে শহরে আটকিয়ে রাখা। জেলা শহর বড় শহর নয়। তবে জেলা শহরে দোকান পাট বন্ধ রাখলে এই সব ব্যবসায় কর্মচারীদের বেতন সমতূল্য ভাতা দিন। উপজেলা লকডাউন দরকার নেই। গ্রামাঞ্চলে তা প্রয়োজন হয়তো হবে না। কারণ গ্রামের মুক্ত পরিবেশে দিন মজুর ও কর্মজীবী মানুষ কৃষি খাতে কাজ করতে পারে। লকডাউন তাদের জন্য তেমন বাধার সৃষ্টি করে না। গ্রামে শহরের মানুষের যাতায়াত বন্ধ রাখুন লকডাউন সময়ে। তাহলে ফলপ্রসূ হবে। গ্রামাঞ্চলে করোনা আক্রান্ত কম।

অন্যান্য খবর