× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ
জেএসডি’র আলোচনা সভায় বক্তারা

বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার

বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গতকাল শনিবার ঐতিহাসিক প্রবাসী সরকারের ভূমিকা ও  প্রস্তাবিত ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’ শীর্ষক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তারা। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ইতিহাসে সত্য না, এটা বলা অপরাধ। আওয়ামী লীগ তাদের তৈরি করা ইতিহাস প্রতিষ্ঠা করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে। যারা দীর্ঘকাল ধরে স্বাধিকার, স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার লড়াই করেছেন তাদের কারো নাম উচ্চারণ হয় না। এমনকি মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, তাজউদ্দীন আহমদ, জিয়াউর রহমানের নামও উচ্চারিত হয় না।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়। মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল সমগ্র জাতির আত্মবিকাশের আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র করে।
কিন্তু স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সংবিধানকে ছিন্নভিন্ন করে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে তিরোহিত করে। বর্তমান ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
জেএসডি’র সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারভিত্তিক রাষ্ট্রীয় রাজনীতির আমূল সংস্কার করে অংশীদারিত্বভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে। এ লক্ষ্যে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুনির্দিষ্ট দার্শনিক ভিত্তি। ২৫শে মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার এবং গণহত্যা শুরুর মধ্য দিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের কবর রচিত হয়। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে দীর্ঘ নয় মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ তাজউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়।
তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জনের সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে সুযোগ্য নেতৃত্ব না থাকলে আমাদের স্বাধীনতা অর্জন চরম ঝুঁকিতে পড়তো। এসব গভীর সত্য উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হলে জাতির ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলীর মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে না। স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ কিংবা কোনো আদর্শিক সংগ্রাম কারো একক কৃতিত্বে সম্পন্ন হতে পারে না। স্বাধীনতা ও জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে যাদের অসামান্য অবদান রয়েছে তাদেরকে সরকার সামান্য মর্যাদা দিতেও কুণ্ঠাবোধ করে। বর্তমান সরকার অতিরিক্ত পরশ্রীকাতরতাসম্পন্ন।
আলোচনা সভায় আ স ম রব নিম্নোক্ত পাঁচ দফা উত্থাপন করেন;
(১) মুক্তিযুদ্ধের উজ্জ্বল কীর্তির স্মারক হিসেবে ১০ই এপ্রিল বা ১৭ই এপ্রিলকে ‘প্রজাতন্ত্র দিবস’ (জবঢ়ঁনষরপ উধু) ঘোষণা করতে হবে।
(২) ঢাকায় প্রজাতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে ‘প্রজাতন্ত্র স্তম্ভ’ স্থাপন করতে হবে।
(৩) সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার- এ দর্শনের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘অংশীদারিত্বভিত্তিক’ শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করতে হবে।
(৪) সকল রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে এবং পাঠ্যপুস্তকে প্রবাসী সরকার, মুজিব বাহিনী সহ অন্যদের ভূমিকা  অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
(৫) মুক্তিযুদ্ধে যার যা অবদান তার স্বীকৃতি দিতে হবে।
নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, গত ৫০ বছরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মহান ভাবাদর্শকে ধূলিস্যাৎ করে দেয়া হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের সকল স্বপ্নকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ লড়াই করতে হবে।
ডাকসু’র সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, দেশ চরম সংকটে। সরকার অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধতা দেয়ার জন্য, মুক্তিযুদ্ধের কিংবদন্তিদের উপেক্ষা করে তথাকথিত সুবর্ণ জয়ন্তী আয়োজন করেছে। বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট ছানোয়ার হোসেন তালুকদার, সা. কা. ম আনিছুর রহমান খান, সিরাজ মিয়া, তানিয়া রব প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
shamsuirrahman
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১২:৩২

বর্তমান পরিস্থিতিতে বৃহত্তর ঐক্য গঠণ করে কোন লাভ হবে না। লাভ করতে হলে ঐক্য গঠণকারীদের আগে একহয়ে চিন্তা করতে হবে কিভাবে L বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম E ক্ষমতায় যেদলই থাকুক, আর সিইসি যিনিই হোন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়াই ভোটচুরি ঠেকাতে ভোট গণনার সময় আলামতসহ প্রতিটি জালভোট সনাক্তসহ অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিস্ময়কর পদ্ধতি। গনতান্ত্রিক নির্বাচনে জনঅধিকার প্রতিষ্ঠার আদিকথা: আগের দিনে তরবারি ছিল ক্ষমতা দখলের উৎস।এতে রক্তের বন্যা বয়ে যেত। মানবতাবাদীরা ক্ষমতায় আসীন হতে যাতে রক্ত না ঝরে তার উপায় বের করে।এতে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগনের সমর্থন প্রাপ্তদের ব্যক্তিদের দ্বারা দেশ পরিচালনার ব্যবস্থা করে। বিশ্বে এই ব্যবস্থা দেশ পরিচালনার জনগনতান্ত্রিক ব্যবস্থা নামে পরিচিতি লাভ কজরে। এই ব্যবস্থা প্রথম কবে কোথায় চালু হয়েছিল তা সঠিক ভাবে জানা যায় না। মনে করা হয়, মধ্য যুগে বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে চালু হয়।ইংল্যান্ডে পার্লামেন্ট, ফ্রান্সে এষ্টেট জেনারেল, স্পেনে করটেস, জার্মানীতে ডয়েটস ইত্যাদি। তখন শুধু অভিজাত ও ধনীক শ্রেণীর নির্বাচনে অংশ গ্রহণ ও ভোট প্রদানের অধিকার ছিল। এতে সাধারণ জনগণ, ক্রীতদাস ও স্ত্রীলোকের কোন অধিকার ছিল না। শত শত বছরের দীর্ঘ সংগ্রাম ও হাজার হাজার জনতার রক্তের বিনিময়ে তারা অধিকার আদায় করেছে। বিশ্ব ইতিহাস এই অধিকার আদায়ের রক্তঝরা সংগ্রামের সাক্ষ্য বহণ করে। এই ব্যবস্থার জন্য সব দেশে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন রয়েছে। নির্বাচন পরিচালনার জন্য কমিটিকে ব্যাপক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের উপর অর্পিত ক্ষমতা সমুহের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য: ১)সংবিধানের ১১৮নং অনুচ্ছেদের ৪ নং ধারায় বলা আছে “নির্বাচন কমিশন দাযিত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন,যাতে ভয়-ভীতির উর্দ্ধে থেকে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন ভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, যাতে কারো হুকুমের কাছে মাথা নোয়াতে না হয়। কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন থাকবেন”। ২)সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদের ৫নং ধারায় বলা আছে,“সুপ্রীম কোর্টের বিচারকগণ যেরুপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হতে পারেন, সেইরুপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতিরেকে কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না। তাদের প্রতি অলিক দোষ চাপিয়ে দায়িত্ব থেকে সরানো যাবে না। তাদের বিরুদ্ধে কোন অনিয়মের অভিযোগ থাকলে বিচারকদের অপসারণের মত তাদের বেলাতেও সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠণ করে বিচারে দোষী হলে তবেই পদচ্যুত হবেন”। ৩)সংবিধানের ১২০ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে “নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যাস্ত দায়িত্ব পালনের জন্য যেরুপ কর্মচারীর প্রয়োজন হইবে, নির্বাচন কমিশন অনুরোধ করিলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনকে সেইরুপ কর্মচারী প্রদানের ব্যবস্থা করবেন। ৪)১২৬ অনুচ্ছেদে বলা আছে “নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে”। নির্বাচন কমিশন এত সহযোগিতা ও নিরাপত্তা বলয়ে থাকা সত্বেও সুষ্ঠু নির্বাচন হচ্ছে না কেন? তাহলে কি দেশে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়? অবশ্যই সম্ভব।পুরাতন নির্বাচন পরিচালন ব্যবস্থাকে ঠেলে সাজাতে হবে।সাইত্রিশ বছরের চাকুরী জীবনের শুরুতে ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন সহ সর্বমোট বত্রিশটি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করেছি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর খেকে দেখছি, যে দলই ক্ষমতায় এসেছে তারাই একটু একটু করে নির্বাচন ব্যবস্থাকে তছনছ করে ফেলেছে। এই তছনছ করে ফেলা নির্বাচন ব্যবষ্থাকে অভিজ্ঞতার আলোকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে “নির্বাচনের বিস্ময়কর পদ্ধতি” পেশ করা হলো। বিস্ময়কর পদ্ধতি কি?ক্ষমতায় যারাই থাকুক, সি.ই.সি. যিনিই হোন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়াই ভোটচুরি ঠেকাতে আলামত সহ প্রতিটি জালভোট সনাক্ত করার পদ্ধতি। পদ্ধতি বাস্তবায়ন হলে ফিরে আসবে গণতন্ত্রে জনগণের শ্রেষ্ঠ উৎসব আনন্দমুখর পরিবেশে ভোট প্রদান।বর্তমানে মিডিয়ার বদৌলতে দেখা যায়, ভোটের দিন এই উপমহাদেশে জয়লাভের জন্য লাটিসোটা, আগ্নেয়অস্ত্র নিয়ে দাঙ্গা হাঙ্গামা,মারধর ঘরবাড়ী ভাংচুরের হৃদয় বিদারক ঘটনা। উপরোন্ত ক্ষেত্র বিশেষে আইন শৃংখলা বাহিনীর নির্বিচারে লাঠি পেটার যে চিত্র। এইসব শারিরিক ও আর্থিক ক্ষতি প্রতিরোধে ভোট গ্রহণের পাচদিন আগ থেকে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ভোর পাচটা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা এবং ভোটের আগের রাতে কারফিউ জারী করতে হবে। তাহলে মানুষের জানমাল ধরনের অপকর্ম থেকে রেহাই পাবে ইনশাল্লাহ।পদ্ধতিটির এগারটি দফার শিরোনাম পড়ে যদি পছন্দ না হলে ডাষ্টবিনে ফেলে দিবেন। বিস্ময়কর পদ্ধতি বাস্তবায়নের দফা সমুহ। দফা-১:পৃথক পৃথক মৌজা/গ্রাম/পাড়া/মহল্লার পরিবর্তে কেন্দ্র ভিত্তিক একক ভোটার লিষ্ট। দফা-২: ব্যালট বাক্স গ্র্যান্টিকার্ডসহ সিলগালা করে ভোট গ্রহণ। দফা-৩:ভোট চুরি ধরার জন্য ব্যালট পেপারের সাথে ভোটিংকার্ড গেথে ভোট গ্রহণ। দফা-৪: পোলিং এজেন্টদেরকে সার্বক্ষনিক উপস্থিতির নিশ্চয়তা প্রদান। দফা-৫:পোলিং এজেন্টদেরকে ব্যালট পেপারের হিসাব, কাষ্টিং ভোটের হিসাব ও গণনা শেষে ফলাফল প্রদান বাধ্যতামুলক। দফা-৬:প্রত্যেক ইউনিয়নে একজন করে সহকারী রিটিার্নিং অফিসার নিয়োগ। দফা-৭: ৫০%+ ভোট কাষ্টিং না হলে নির্বাচন বাতিল। দফা-৮: একক প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণার পরিবর্তে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা যাচাই ভোট গ্রহণ হবে। দফা-৯: ভোটকর্মীদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রদান। দফা-১০: সেনাবাহিনী মোতায়েন। দফা-১১:বিরোধী দলগুলির সমন্নয়ে গঠিত “ভোট কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ কমিটি” অনুমোদন। ২ দফাগুলির প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা: দফা-১:পৃথক পৃথক মৌজা/গ্রাম/পাড়া/মহল্লার পরিবর্তে কেন্দ্র ভিত্তিক ভোটার লিষ্ট তৈরীর কারণ। বর্তমান ভোটার লিষ্টে মৌজা/গ্রাম/পাড়া/মহল্লা ভিত্তিক পৃথক পৃথক ভোটার লিষ্ট তৈয়ার করা হয়।ভোট নেয়ার সময় প্রত্যেক বুথে খন্ড ভোটার লিষ্টে ভোট নেয়া হয়। সকল শিট দেখে ভোটার সনাক্ত করতে সময় ব্যয় হয়।কারো পক্ষে ক্রমিক নম্বর মনে রাখা সম্ভব নয়। বাইরে থেকে সংগ্রহ অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। গ্রামভিত্তিক ভোটার লিষ্টের পরিবর্তে কেন্দ্র ভিত্তিক ভোটার লিষ্ট করতে হবে। একটি বাড়ীর সকল পুরুষ ও মহিলা ভোটারদের তালিকা শেষ করে পরবর্তী বাড়ীর তালিকা করতে হবে। ভোটার লিষ্টে বাড়ীর ক্রমিক নম্বর দিয়ে বাড়ীর সকল পুরুষ ও মহিলাদের ভোটার ক্রমিক নম্বর থাকবে। প্রথম বাড়ীর ক্রমিক নম্বর-১। সেই বাড়ীতে পাচজন ভোটার। বাড়ীর নম্বর হবে ১, ভোটার নম্বর হবে ১/১, ১/২, ১/৩, ১/৪, ১/৫। দ্বিতীয় বাড়ীতে তিন জন ভোটার। বাড়ীর নম্বর হবে ২, আর ভোটার নম্বর হবে ২/৬, ২/৭, ২/৮। এই ভাবে ভোটার লিষ্ট তৈরী হবে। ভোটার যে কোন লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিতে পারবে। কারণ প্রত্যেক বুথে এই ভোটার লিষ্ট থাকবে। ভোটিং কার্ডেই বিবরণ থাকবে।মহিলাদের জন্য আলাদা বুথ থাকবে। বিস্ময়কর ফরম-১। কেন্দ্র ভিত্তিক নুতন ভোটার লিষ্ট। গ্রাম/পাড়া বাড়ী নং ভোটার নং আইডি নং নাম পিতা/স্বামী বয়স ছবি ভোটের সহি/টিপ জোতমুকুন্দপুর ১ ১/১ আব্দুল বাসেদ আছমত আলী ৪৫ ঐ ১ ১/২ করম আলী ঐ ৪০ ঐ ১ ১/৩ রোজী বেগম স্বামী:করম আলী ৩৫ পুর্ব পাড়া ২ ২/৪ হোসেন আলী আবুল সেখ ৫৫ ঐ ২ ২/৫ শওকত আলী জব্বার সেখ ৪৫ উত্তরপাড়া ৩ ৩/৬ আকবর হোসেন রহমতউল্লাহ ৪০ ঐ ৩ ৩/৭ জেন্দার আলী ঐ ৩৫ পশ্চিম পাড়া ৪ ৪/৮ তছির উদ্দিন আলেপ শাহ ৬৫ ঐ ৪ ৪/৯ আফসার আলী ঐ ৫৫ চলমান সহকারী রেজিষ্ট্রেশন অফিসার ১ নং ডাবোর ইউপি কাহারোল,দিনাজপুর দফা-২: ব্যালট বাক্স হেরফের প্রমানের গ্র্যান্টিকার্ড ব্যবহার। গ্র্যান্টিকার্ড কি? অভিযোগ উঠে, ব্যালট পেপারে সিল মেরে রাখা ছিল। এই অভিযোগ মুক্ত থাকার সনদগত্র গ্র্যান্টি কার্ড।বাক্স সিলগালা করার আগে গ্র্যান্টি কার্ডে পোলিং এজেন্টদের সই নিয়ে ব্যালট বাক্সে রেখে সিলগালা করতে হবে। গ্র্যান্টিকার্ডে কেন্দ্রের নাম,বুথ নং এবং ব্যালট বাক্স নং থাকবে। ভোট গণনার সময় ব্যালট বাক্সে গ্র্যান্টি কার্ড না পাওয়া না গেলে বাক্সের সকল ব্যালট পেপার বাতিল ও জড়িতদের শাস্তি। বিস্ময়কর ফরম-২: গ্রান্টি কার্ড। ভোট কেন্দ্র:উত্তর তারাবুনিয়া আব্বাস উদ্দিন হাইস্কুল ভেদরগজ্ঞ শরিয়তপুর বুথ নং: ব্যালট বক্স নং: পোলিং এজেন্টদের নাম, সহি, মার্কা। ১। ২। প্রিসাইডিং/সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ৩। উত্তর তারাবুনিয়া আব্বাস উদ্দিন হাইস্কুল। ভেদরগজ্ঞ, শরিয়তপুর ৩ দফা-৩: ভোট চুরি ধরার জন্য ব্যালট পেপারের সাথে ভোটিংকার্ড গেথে ভোট গ্রহণ। ভোটিংকার্ড কি? ব্যালটবাক্স হতে প্রাপ্ত সকল জাল ব্যালট সনাক্ত করার হাতিয়ার। ব্যালট পেপারের সাথে ভোটিং কার্ড গেথে ভোট গ্রহণ বাধ্যতামুলক। ব্যালট পেপারে ভোটিং কার্ড না থাকলে ব্যালট পেপার বাতিল। ভোটিং কার্ড ছাড়া দিনে বা রাতের ভোটে ব্যালট পেপারে কোন লাভ হবে না। অপশক্তি রাতে অস্ত্রের ভয় দেখায়ে ভোটিং কার্ড ছিনতাইসহ কোন প্রকার অপকর্ম করতে না পারে, সেজন্যে প্রশাসনকে ভোট গ্রহণের তিন দিন আগ থেকে রাতের প্রচার-প্রচারনা বন্ধ করে সন্ধ্যা ছয়টা থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত ভোট এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে হবে।রাতের বেলাতেই বেশীর ভাগ অপকর্ম ঘটে।এক এলাকার লোক বিনা প্রয়োজনে অন্য এলাকায় সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাফেরা করলে জনগনের সহায়তায় কাষ্টোডিতে নিতে হবে। ভোটিং কার্ড ছিনতাইয়ের খবরে জরুরী ব্যবস্থা নিতে হবে। ভোটিং কার্ড তৈরী ও ব্যবহার পদ্ধতি: কেন্দ্রের নাম,বাড়ীর নম্বর ও ভোটার নম্বরসহ ভোটিংকার্ডের তিনটি অংশ হবে। প্রথম অংশ সহকারী রিটার্নিং অফিসারের জন্য। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অংশ ভোটারের জন্য। দ্বিতীয় অংশ ভোট গ্রহণের সময় ভোটকর্মীরা সংরক্ষণ করবে।তৃতীয় অংশ ভোটারের ব্যালট পেপার ব্যালট পেপারের সাথে গেথে দিতে হবে।তৃতীয় অংশে ভোটিার নিরাপত্তার জন্য নাম-ঠিকানা থাকবে না। একই সময়ে যে কয়টি পদের ভোট গ্রহণ হবে, একজন ভোটারকে সেই কয়টি পদের ভোটিংকার্ড দিতে হবে। ভুলক্রমে দ্বিতীয় অংশ ব্যালট পেপারের সাথে গেথে দিলে ব্যালটটি বাতিল হবে। কারণ দ্বিতীয় অংশে ভোটারের নাম ঠিকানা থাকায় ভোট গণনার সময় বেকায়দাসহ গন্ডগোলে ভোট বাতিল হতে পারে। এইজন্য ওই বুথের ভোটকর্মীদের শাস্তি পেতে হবে। ভোটিংকার্ড ব্যবহারের কারণ: ক)বর্তমান নির্বাচনী আইনে ব্যালট পেপার যে কোন ভাবে বাক্সে ঢুকাতে পারলে বৈধ হয়। ফলে অবৈধ পথে ব্যালট পেপার বাক্সবন্দী করে জয়লাভ করা যায়।এই পথ রোধ করতে ব্যালট পেপারের সাথে ভোটিংকার্ড গেথে ভোট গ্রহণ।ব্যালট পেপারের সাথে ভোটিং কার্ড না থাকলে ব্যালট পেপার বাতিল। খ)ভোটিংকার্ড সহ ভোট গ্রহণের ফলে টেন্ডার ও চ্যালেঞ্জ ভোট হবে না। গ)ই.ভি.এম এর কারসাজির কারণে নিরপেক্ষ ভোট না হওয়ায় বাদ দিলে বরং নির্বাচনী ব্যয় কমে যাবে। ঘ)কেহ ভোট না দিলেও তার ভোট হয়েছে বলা যাবে না। ঙ)ভোটিং কার্ডের মাধ্যমে ভোট মৃত ব্যক্তির ভোট কাষ্টিং হবে না। চ)ভোটিং কার্ডের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ সকলে পছন্দ করবে ইনশাল্লাহ। জ)ভোটিং কার্ড ব্যবহারের ফলে জাতি নির্বাচন অপবাদ মুক্ত হবে। বিস্ময়কর ফরম:৩ ভোটিংকার্ড বিস্ময়কর ফরম ৩:ভোটিংকার্ড- প্রথম অংশ:নির্বাচন অফিসে সংরক্ষণের জন্য। নির্বাচনী পদ: বাড়ীর নং: ভোটিংকার্ড ক্রমিক নং:১৮ জাতীয় পরিচয় পত্রনং ভোটারের ছবি: ভোটারের নাম: করিম সেখ পিতা: রহিম উদ্দিন পাড়া/মহল্লা: জোতমুকুন্দপুর ওয়ার্ড নং: ভোট কেন্দ্র:জোতমুকুন্দপুর মাদ্রাসা। ভোটিংকার্ড গ্রহণকারীর নাম: সহকারী রিটার্নিং অফিসার ১নং ডাবোর ইউপি, কাহারোল দিনাজপর x x x x বিস্ময়কর ফরম ৩: ভোটিংকার্ড- দ্বিতীয় অংশ: প্রিসাইডিং অফিসারের নিকট সংরক্ষণের জন্য। নির্বাচনী পদ: বাড়ীর নং: ভোটিংকার্ড ক্রমিক নং:১৮ জাতীয় পরিচয় পত্রনং: ভোটারের ছবি: ভোটারের নাম: করিম সেখ পিতা: রহিম উদ্দিন পাড়া/মহল্লা: জোতমুকুন্দপুর ওয়ার্ড নং: ভোট কেন্দ্র:জোতমুকুন্দপুর মাদ্রাসা ভোটারের সহি/ টিপ সহকারী রিটার্নিং অফিসার ১নং ডাবোর ইউপি, কাহারোল দিনাজপর স্বাক্ষর সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ১নং ডাবোর ইউপি, কাহারোল দিনাজপর x x x x x x x (ষ্ট্যাপলিং) ( ষ্ট্যাপলিং) বিস্ময়কর ফরম ৩ : ভোটিংকার্ড তৃতীয় অংশ: ভোটারের ব্যালট পেপারের সাথে গাথার জন্য। নির্বাচনী পদ: ভোট কেন্দ্র: জোতমুকুন্দপুর মাদ্রাসা ওয়ার্ড নং: স্বাক্ষর সহকারী রিটার্নিং অফিসার ১ নং ডাবোর ইউ পি কাহারোল, দিনাজপুর ব্যালট প্রদানের সময় ভোটারের টিপ সই। সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার সহকারী প্রিসাইডিং/পোলিং অফিসার। *এই অংশ টুকু ব্যালট পেপারের পেছনে উল্টা গাথা থাকবে।* নির্বাচনী গোল সিল *জাল ভোট সনাক্ত করার হাতিয়ার* ৪ দফা-৪: পোলিং এজেন্টদেরকে সার্বক্ষনিক নিরাপত্তা প্রদান। ভোটকেন্দ্র ভোটসন্ত্রাসের লীলাভুমি। পোলিংএজেন্টরা সন্ত্রাসীকান্ড দেখার প্রত্যক্ষদর্শী।তাই পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতিতে ভোট গ্রহণ নির্বাচনের শর্ত। তাদের উপস্থিতি থাকার নিশ্চয়তা প্রদান প্রশাসনের অপরিহায্য দায়িত্ব।তাদের পরিচয়পত্র ও হাজিরা সংরক্ষনের দায়িত্ব প্রিসাইডিং অফিসারের। কেহ তাদের বাধা দিলে প্রিসাইডিং অফিসারকে লিখিত জানাতে হবে।তিনি বুথের ভোট গ্রহণ বন্ধ রেখে সুষ্ঠু ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুনরায় ভোট গ্রহণ শুরু করাবেন। বিস্ময়কর ফরম-৪: পোলিং এজেন্ট পরিচয় পত্র। ভোট কেন্দ্র: বীরগঞ্জ হাইস্কুল পোলিং এজেন্ট: মোঃ ইয়াকুব আলী ষ্ট্যাম্প সাইজ ছবি ভোটার নং: প্রার্থী: মোঃ আলী। মার্কা: তালগাছ। স্বাক্ষর সহকারী রিটার্নিং অফিসার পাল্টাপুর ইউনিয়ন বীরগঞ্জ,দিনাজপুর পোলিং এজেন্টদের হাজিরা সংরক্ষণ: প্রিসাইডিং অফিসারকে ভেঅট গ্রহণ শুরুর আগে উপস্থিত পোলিং এজেন্টদের হাজিরা সংরক্ষণ বাধ্যতামুলক। কেউ কাউকে বের করে দিলে সে বাইরে এসে প্রতিবাদ করতে পারবে। তার পোলিং এজেন্ট পরিচয় পত্র জমা এবং প্রিসাইডিং অফিসারের নিকট পোলিং এ্জেন্টদের হাজিরা সংরক্ষণ ফরম। বিস্ময়কর ফরম-৫: পোলিং এজেন্টদের হাজিরা সংরক্ষণ ফরম। পোলিং এজেন্টের নাম, প্রার্থীর নাম ও সহি মার্কা উপস্থিতির সময় কেন্দ্র ত্যাগ মন্তব্য আফজাল খা আহম্মদ আলী মাছ সকাল ৭টা গণনা শেষে সার্বক্ষণিক উপস্থিত শান্তিনাথ দেব করিম আলী তালগাছ সকাল ৭টা ১২ টায় বিনা অনুমতিতে আফসারী বেগম রেহেনা বেগম হাতপাখা -০- -০- অনুপস্থিত আরো পোলিং এজেন্টদের সহি। সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার প্রার্থী বেশী হলে উল্টা পৃষ্ঠায় সহি হবে। হাটসহরিপুর হাইস্কুল গণনার সময় কোন প্রার্থীর এজেন্ট উপস্থিত কুষ্টিয়া সদর, কুষ্টিয়া না থাকলে পুন:গণনার আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। দফা ৫: পোলিং এজেন্টদেরকে ভোট গ্রহণের আগে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্সের হিসাব প্রদান। ভোট জালিয়াতি বন্ধ করতে ভোট গ্রহণের আগে প্রিসাইডিং অফিসার পোলিং এজেন্টদেরকে ব্যালট পেপারের হিসাব দিতে হবে। কোন পোলিং এজেন্টকে হিসাব দেয়া না হলে সে প্রশসনকে জরুরীভাবে অবহিত করবে। প্রশাসনকে তড়িত ব্যবস্থা নিতে হবে। পোলিং এজেন্টদের দায়িত্ব: ক)প্রিসাইডিং অফিসারের নিকট পরিচয়পত্র জমা দিবে। নিযুক্তি প্রাপ্ত কেন্দ্র ছাড়া অন্য কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না।প্রিসাইডিং অফিসার তাদের নাম তালিকাবদ্ধ করে ব্যালট পেপার ও বাক্সের হিসাব দিবেন। খ)ভোট চলাকালীন সময়ে কেহ জালিয়াতি করলে মোবাইলে ছবি তুলে প্রশাসন এবং কেন্দ্রের বাইরে অবস্থানরত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সদস্যদের জানাবে যাতে তারা শান্তিপুর্ণ সমাধান হয়। গ)পোলিং এজেন্টগণ মাঝে মাঝে ই.ভি.এম চেক করে দেখবে যে ই.ভি.এম এর গায়ে তার প্রার্থীর মার্কা আছে কিনা। না থাকলে প্রিসাইডিং অফিসারকে অবহিত করাবেন যাতে সমস্যার সমাধান হয়। ঘ)বুথের মধ্যে পোলিং এজেন্ট ছাড়া কেহ থাকলে প্রিসাইডিংকে বলে বের করে দেয়াতে হবে। বের না করা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ বন্ধ রাখাতে হবে। ঙ)ব্যালট পেপার ভোটারের হাতে দেওয়ার সময় দেখতে হবে কোন প্রতীকে অগ্রিম সিল মারা আছে কিনা।থাকলে সেই ব্যালটি বাতিল করাতে হবে। ভোটার সিলমারা প্রতীকের সমর্থক হলে ভাল। না হলে তার পছন্দের প্রতীকে সিল মারলে দুটি সিলের কারণে ব্যালটটি বাতিল হওয়ায় যার পক্ষে সিলমারা ছিল তাতেও তার লাভ হবে। ৫ কারণ সে ভোটটি না পেলেও প্রাতিপক্ষের ভোটটি নষ্ট হলো। এব্যাপরে এজেন্টদের সজাগ থাকতে হবে যেন ভোটকর্মীরা সিলমারা ব্যালট ইস্যু করতে না পারে। প্রশাসনকে অগ্রিম সিলমারা বুথের ভোটকর্মীদের সাসপেন্ড করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দিতে হবে যেন অন্যেরা শিক্ষা গ্রহণ করে। দফা-৬: প্রত্যেক ইউনিয়নে একজন করে সহকারী রিটিার্নিং অফিসার নিয়োগ দান। রিটার্নিং অফিসারের কাজে সহযোগিতার জন্য যে ২-৩ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার দেয়া হয় তাতে তার কাজের ভার লাঘব হয় না। তাই সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রতি ইউনিয়নে একজন, পৌর সভায় প্রতি আটটি ওয়ার্ডের জন্য একজন সিটি কর্পোরেশনে প্রতি সাতটি ওয়ার্ডের জন্য একজন সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দিতে হবে। তাদেরকে সহায়তা করার জন্য একজনের পরিবর্তে দুইজন সহকারী দিতে হবে। নির্বাচন আইনে রাষ্ট্র প্রধান (Election is top most priority) নির্বাচনকে সবার উপ অগ্রাধিকার ঘোষনা দিয়ে সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের অধিনে ন্যস্ত করা হয়।ফলে জনবলের অভাব হবে না। সহকারী রিটিার্নিং অফিসারদের দায়িত্ব। ১)অবাদ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের স্বার্থে কারো কথায় কান না দিয়ে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে ভোটকর্মী নিয়োগ দিতে হবে।মন্ত্রী, এমপি বা স্থানীয় নেতার কথায় নিয়োগ দেয়া যাবে না। কারো পছন্দের ব্যক্তি নিরপেক্ষ হয় না।তাই নিয়োগের ব্যাপারে কারো চোখ রাঙানী দেখে ভয় পাওয়া চলবে না।কেহ চড়াও হলে প্রশাসনের সাহায্য নিতে হবে। ভোটকর্মীদের পারত পক্ষে নিজ নিজ ভোট কেন্দ্রে নিয়োগ দিতে হবে। তাতে তারা চিন্তামুক্ত থেকে দায়িত্ব পালন ও নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। তাদের ভোট প্রয়োগের ফলে ভোটের % কিছুটা হলেও বেড়ে যাবে। ২)ভোটার লিষ্ট হাল নাগাদ করার পর ভোটিংকার্ড তৈরী করতে হবে। ভোটার লিষ্ট ছাপানোর পর অনেক ভোটারের মৃত্যু হয়, কেহ হয় স্থায়ী শয্যাশায়ী, কেহ জেল-বন্দি থাকে,কেহ বিদেশে অবস্থান করে, কেহ চাকুরীর দুরে থাকে,কেহ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য ভোট দিতে পারে না।এইসব ভোটারদের বেলায় গ্রাম প্রতিরক্ষা দলের সদস্য, গ্রাম পুলিশসহ স্থানীয় প্রতিনিধি ও এলাকার বিশিষ্ট জনদের সহযোগিতায় এরুপ তালিকা তৈরী করতে হবে। এই তালিকার নাম “কেন্দ্রের বিশেষ কারণে অনপস্থিত ভোটার তালিকা”। এদের ভোটিংকার্ড তৈরী করা হবে না। মুল ভোটার লিষ্টের শেষ কলামে যেখানে সহি/টিপয়ের ঘর আছে,সেখানে ‘ ×’ চিহ্ন দিয়ে হাল নাগাদ করতে হবে। “কেন্দ্রের অনপস্থিত থাকা ভোটার তালিকা” মুল ভোটার লিষ্টের সাথে গাথা থাকবে। অবগতির জন্য তালিকা নোটিস বোর্ডে দিতে হবে। ৩) পোলিং এজেন্টদের পরিচয় পত্র প্রদান। পরিচয় পত্র না থাকায় কে কখন এলো গেল তার কোন হিসাব রাখা সম্ভব হয় না। তাদেরকে দায়িত্বের মধ্যে রাখার জন্য পরিচয়পত্র প্রদান করতে হবে। প্রার্থী বাছাই চুড়ান্ত হওয়ার পর প্রার্থী পোলিং এজেন্টদের পরিচয় পত্রের জন্য নাম ঠিকানাসহ সহকারী রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরে জমা দিবে। কেহ সময় মত জমা না দিলে পোলিং পরিচয় পত্র ইস্যু হবে না। পরিচয় পত্র ছাড়া কেহ পোলিং এজেন্টের দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। এক কেন্দ্রের এজেন্ট অন্য কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না। ৪)ইউনিয়ন ভিত্তিক কাষ্টিং ভোট এবং ফলাফল তৈরী। ইউনিয়ন কাষ্টিং ভোটের হিসাব এবং ফলাফল তৈরী করে কপি প্রার্থী/ প্রতিনিধিকে প্রদান করতে হবে। কেহ উপস্থিত না তার কপি রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরে জমা হবে। দফা-৭: ৫০%+(প্লাশ) ভোট কাষ্টিং না হলে নির্বাচন বাতিল। গনতন্ত্রে ভোটের মাধ্যমে সংখ্যা গরিষ্ঠ জনগণের মতামত গ্রহণ করা হয়। তাই ৫০%+ ভোট কাষ্টিং বাধ্যতামুলক। বর্তমান নির্বাচনী আইনে কাষ্টিং ভোটের সীমারেখা নাই। ফলে ক্ষমতাশীন দল বিরোধীদেরকে মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করে। ভোটের আগে বিরোধী এজেন্ট ও ভোটারদের বাড়ী বাড়ী গিয়ে কেন্দ্রে না যেতে অস্ত্রের ভয় দেখায়।এতে তাদের পোলিং এজেন্ট ও ভোটাররা ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যেতে চায় না। ৪-৫% ভোট কাষ্টিং হলেও নির্বাচন হয়ে যায়। এই ভাবে জয়লাভ খেলায় পরিনত হয়েছে। এই খেলা বন্ধ করে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে ৫০%+ ভোট কাষ্টিং বাধ্যতামুলক করতে হবে। ৫০%+ ফলে ভোটকাষ্টিং ভোটই সন্ত্রাস দমনের সহায়ক হবে। সংসদ নির্বাচনে পোষ্টাল ব্যালট ভোট চালু করতে হবে।পোষ্টাল ব্যালট চালু হলে নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত সকল কর্মকতা কর্মচারীসহ সবাই ভোট দিতে পারবে।ফলে ভোট সন্ত্রাস কমে যাবে। ৫০%+ ভোট কষ্টিং না হলে নির্বাচন বাতিল করার ক্ষমতা প্রাপ্ত অফিসারগণ: ১।ওয়ার্ড মেম্বার/কাউন্সিলার পদের একটি ভোট কেন্দ্র হলে প্রিসাইডিং অফিসার। ২।ওয়ার্ডের জন্য একাধিক কেন্দ্র হলে এবং তিন ওয়ার্ড বিশিষ্ট পদের জন্য সহকারী রিটার্নিং অফিসার। ৩।ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার। ৪। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি উপজেলা বিশিষ্টি আসন হলে রিটার্নিং অফিসার। ৫। জাতীয় সংসদের একটি আসনের জন্য একাধিক রিটার্নিং অফিসার থাকলে জেলা প্রশাসক। দফা-৮:একক প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণার পরিবর্তে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা যাচাই ভোট গ্রহণ হবে। অনেকে অর্থ ও ক্ষমতার দাপটে প্রতিপক্ষের মনোনয়ন পত্র দাখিলে বাধা সৃষ্টিসহ কপালে পিস্তল ঠেকিয়ে নমিনেশন প্রত্যহারের জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একক প্রার্থী হয়। ৬ এছাড়া নমিনেশন দাখিলে ভুলের কারণ, ঋণ খেলাপী বা আদালত কর্তৃক অযোগ্য ঘোষিত হওয়ার কারণে বাছাইতে একক প্রার্থী হয়ে যায়।অনেক সময় ক্ষমতাশীন দল ক্ষমতার জোরে একক প্রার্থী করে পার্লামেন্টে সংখ্যা গরিষ্ঠতাও পেয়ে যায়। এই সকল অপকীর্তি রোধ করতে একক প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় বিজয়ী ঘোষনা না করে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের জন্য ভোট গ্রহণ করতে হবে।এ ক্ষেত্রেও ৫০%+ ভোট কাষ্টিং বাধ্যতামুলক। এতে রথি-মহারথিদের কপালেও পরাজয় ঘটতে পারে। দফা-৯:ভোটকর্মীদের সার্বক্ষনিক নিরাপত্তা প্রদান। রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ভোট হলে তারা বেশী ঝুকির মধ্যে থাকে। ২৫-৩০ ঘন্টা অনিশ্চিতের মধ্যে কাটাতে হয়। ক্ষমতাশীন দলের সন্ত্রাসীরা তাদেরকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে। অনেক সময় সন্ত্রাসীদের কথামত না চললে নির্যাতনের শিকার হতে হয়। ভোটকর্মীরা সবাই স্কুল,কলেজ, মাদ্রসার শিক্ষক, অফিস-আদালতের কর্মকর্তা কর্মচারী। তাদের শিক্ষা,জ্ঞান,সামাজিক মর্যদায় অনেক প্রার্থীর চেয়ে কম নয়। তারা সরকারী আদেশ গড়িমসি না করে হাজির হয়। নির্বাচনী মালামাল বুঝাইয়া দিয়ে তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে তেমন একটা নজর দেওয়া হয় না। প্রশাসনকে দৃষ্টি রাখতে হবে যেন বেইজ্জতি না হয়। দফা-১০: সেনাবাহিনী মোতায়েনের কারণ। সন্ত্রাসীরা ভোটের আগে পরে এলাকায় অরাজকতা সৃষ্টি, বিরোধীদের পোষ্টার ছিড়েছিড়ি, রাতে বাড়ী গিয়ে ভয় দেখানো, দাঙ্গা হাঙ্গামা, বাড়ীঘরে অগ্নি সংযোগ, লুটপাট সহ অত্যাচার করে থাকে। নিজেদের ক্যাম্পে আগুণ দিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে গোলাগুলি, হয়রানির মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করে দেয় যেন ভোট দিতে না পারে। কেহ নিশ্চিত পরাজয় যেনে ভোট বানচাল করতে ৫০%+ ভোট কাষ্টিং না হয় সে চেষ্টা করতে পারে। যেমন ভোটিং কার্ড ছিনতাই, ভোটার জিম্মি, ভোট কেন্দ্রে আসতে বাধা সৃষ্টি। ভোটের দিন এক কেন্দ্র এলাকার লোকজন অন্য কেন্দ্র এলাকায় ঢুকতে পারবে না এটা পুলিশের সহায়তায় নিশ্চিত করলে সব ধরনের আগ্রসী কর্মকান্ড বন্ধহয়ে যাবে। দফা-১১:সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বিরোধী দলগুলির সমন্নয়ে গঠিত কেন্দ্র ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ কমিটির অনুমোদন। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে অংশগ্রহণকারী বিরোধী দলগুলির ঐক্যমতের ভিত্তিতে গঠিত দশ সদস্য বিশিষ্ট “ভোট কেন্দ্র ভিত্তিক ভোট পর্যবেক্ষণ কমিটি” দাখিল করলে প্রশাসন অনুমোদন ও সহযোগিতা করবে। ভোটের দিন কমিটির সদস্যরা “ব্যাজ” পরিহিত হয়ে গেটের বাইরে সুশৃংখল ভাবে ভোট গ্রহণ পর্যবেক্ষণ ও সহযোগিতা করবে। ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ঘড়ির কাটার মত(Clock wise the round) পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। ভিতর বাইরে অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে প্রিসাইডিং অফিসার,প্রশাসনের সাথে আলাপ করে অভিযোগের সমাধান করবে।কমিটি ওয়াচ ডগের ভুমিকা পালন করায় কোন অপশক্তি দিনের ভোট রাতে করাতে পারবে না ইনশাল্লাহ। ভোটকর্মীদের দায়িত্ব: নির্বাচন সামগ্রী গ্রহণ করে পুলিশস্কর্টসহ একসংগে ভোট কেন্দ্রে যাবে এবং ফলাফল প্রদান শেষে ফিরে আসবে। দেখা যায় যে যার মত আসা যাওয়া করে।এতে প্রিসাইডিং অফিসার অসুবিধা হয়। কেন্দ্রে কোন প্রকার অঘটন ঘটলে সবাইকে দায়ী হতে হবে। কারো কাজ সন্দেহ জনক হলে প্রিসাইডিং অফিসার ব্যবস্থা নিবে। ভোট গ্রহণের প্রস্ততি। ক) প্রিসাইডিং অফিসার দলবল সহ ভোট সামগ্রী নিয়ে কেন্দ্রে পৌছে পরের দিন ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঘড়ির কাটার মত নির্বাচন সামগ্রী পাহারা দিবেন। এই সময় বাইরের কেউ যেন ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে,কারণ বাহির থেকে সাধুবেসে ঢুকে সুযোগ বুঝে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটাতে পারে। খ)প্রথমে পোলিং এজেন্টদের পরিচয় পত্রসহ হাজিরা সংরক্ষণ করতে হবে।। গ)তারপর পোলিং এজেন্টদেরকে ব্যালট পেপার ও ব্যালট বক্সের হিসাব দিতে হবে। ব্যালট পেপারের হিসাব পেয়ে বুঝা যাবে রাতে ব্যালট পেপার কাটাকাটি হয়েছে কিনা। বিস্ময়কর ফরম-৬: ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্সের হিসাব। কেন্দ্র: ভোটার সংখ্যা ব্যালট পেপার সংখ্যা ব্যালট বক্স সংখ্যা কাচিকাটা প্রাইমারী স্কুল ৩০০০ ৩০টি বই=৩০০০ ব্যালট ৬ টি পোলিং এজেন্ট(সকল)কপি ১।পোলিং এজেন্টনাম :--------- প্রার্থীর নাম-------- মার্কা--------- প্রিসাইডিং অফিসার ২। কাচিকাটা প্রাইমারী স্কুল, ৩। ভেদরগজ্ঞ,শরিয়তপুর ঙ)ভোট গ্রহণের গ্র্যান্টিকার্ডে পোলিং এজেন্টদের সই নিয়ে ব্যালট বাক্সে রেখে বাক্স সিলগালা করতে হবে। ভোট গ্রহণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত করনীয় কাজ সমুহ। ক)সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে অনাহুতরা কেউ যেন কেন্দ্রের ভিতরে প্রবেশ করতে না পারে, এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। খ)ভোটারগণ ভোটিংকার্ড ও আই ডি কার্ডসহ লাইনে দাড়াবে। অন্য কেন্দ্রের লোকজন আইডি কার্ডসহ প্রবেশ করলেও তাদেরকে সন্ত্রাসী হিসাবে কাষ্টোডিতে নিতে হবে। ৭ গ)ভোটিং কার্ড ছাড়া ব্যালট পেপার ইস্যু করা যাবে না। ভোটিংকার্ডের দ্বিতীয় ও তৃতীয় অংশে ভোটারের টিপ নিয়ে দ্বিতীয় অংশ সংরক্ষিত হবে এবং তৃতীয় অংশ ষ্ট্যাপলিং করে ব্যালট পেপারে গেথে দিতে হবে। এই সময় পোলিং এজেন্টরা দেখে নিবে ব্যালট পেপারের কোন প্রতীকে সিল মারা আছে কিনা। থাকলে প্রিসাইডিং অফিসার ভোট বন্ধ রেখে সেই বুথের সিলমারা ব্যালট বাতিল করে দোষীদের বের করে শাস্তি দিয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হবে। ভোটার কোন পদের ভোটিংকার্ড না দিলে সেই পদের জন্য ব্যালট পেপার ইস্যু করা হবে না। ঘ)জনসম্মুখে ব্যালট পেপারে সিল মারা দন্ডনীয় অপরাধ: ক্ষমতার দাপটে জনসম্মুখে সিল মেরে আইন অমান্য এবং উপস্থিতদের ভয় দেখানো।এতে কেন্দ্র গোলযোগের সৃষ্টি হয়। ওই সকল ভোটারের ব্যালট পেপার ব্যালট বাতিল লিখে আলাদা রাখতে হবে যাহা গণনা হবে না। কেহ জোর করে ব্যালট বাক্সে ঢোকাতে চাইলে আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে। ঘ)মিডিয়া এবং নির্বাচন পর্যবেক্ষন দল ভোটের হালনাগাদ তথ্য চাইলে দিতে হবে। ঙ)ভোট ডাকাতরা সফল না হলে শেষ কামড় হিসাবে নিস্ফল পন্থা প্রয়োগ করতে পারে । ১)টাকা দিয়ে ভোটারদেরকে কেনার চেষ্টা। ২)বুথে ঢুকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। ৩)ভোট বানচালের শেষ অস্ত্র হিসাবে যাতে ৫০%+ ভোট কাষ্টিং না হয় সেজন্যে জোর করে হোক বা টাকার বিনিময়ে হোক ভোটিংকার্ড মংগ্রহ করে নষ্ট করে দিতে পারে।এই ধরনের অপকর্ম যাতে কেহ না ঘটাতে পারে সেজন্য প্রশাসনসহ সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। ভোট সন্ত্রাসের কারণে সংক্ষুব্ধ প্রার্থীদের ভোট বর্জনের নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি। ক্ষমতাশীনেরা যখন ব্যালট পেপার ছিনতাই করতে থাকে তখন দায়িত্ব প্রাপ্তরা জেনেও না জানার ভান করে।ফলে বিরোধী প্রার্থীরা কোন উপায়ান্তর না পেয়ে নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়ে মাঠ ছেড়ে দেয়। এতে প্রশাসন বলে বেড়ায় যে, মাঠ ছেড়ে প্রার্থী তাদের কাছে কোন লিখিত অভিযোগ না দেয় নাই। মুখে মুখে বলে প্রশাসনকে অভিযোগ না দিয়ে অভিমান করে মাঠ ছেড়ে যাওয়া কোন সমাধান নয়। তাই সংক্ষুব্ধ প্রার্থীদেরকে মাঠ ত্যাগ করার আগে করনীয় হচ্ছে: ১)সন্ত্রাসীরা কোন পোলিং এজেন্টকে বের করে দিতে চাইলে প্রিসাইডিং অফিসারকে প্রোটেকশান দিতে হবে। তিনি প্রোটেকশান দিতে ব্যর্থ হলে পোলিং এজেন্ট/কেন্দ্রসহায়ক কমিটির সদস্য/ অথবা প্রার্থী উপস্থিত হলে তাকে লিখিত দিবেন যে, কেন্দ্রের অমুক অমুক পোলিং এজেন্টকে প্রোটেকশান দেয়া সম্ভব হয়ে নাই। ২)ভোটকর্মীরা কারো ভোট হয়ে গিয়েছে বললে তাকে লিখিত দিতে বাধ্য থাকবেন যে, কেন্দ্রর অমুক অমুক বাড়ীর অমুক অমুক ভোটারের ভোট হয়ে গিয়েছে। লিখিত না দিলে সবার নজরে আনতে হবে। ৩)সংক্ষুব্ধ প্রার্থী তাদের ভোটিংকার্ডসহ প্রশাসন,শান্তি রক্ষা বাহিনী,ভ্রাম্যমান আদালত যাদেরকে পাবেন তাদের নিকট অভিযোগ দিতে হবে। তারা বলতে না পারে আমরা কোন অভিযোগ পাই নাই।কারণ তারা মিডিয়ার সামনে বলে থাকে ভোট বয়কটকারী আমাদের কাছে কোন অভিযোগ দেয় নাই।অভিযোগ দেয়ার পর ব্যবস্থা না্ নিলে প্রিসাইডিং অফিসারের নিকট নির্বাচন বয়কটের ঘোষণার কপি দিয়ে সই নিতে হবে

অন্যান্য খবর