× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

মাদরাসা বন্ধের ষড়যন্ত্র তৌহিদী জনতা মেনে নেবে না: বাবুনগরী

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) এপ্রিল ১১, ২০২১, রবিবার, ৬:২৮ অপরাহ্ন

লকডাউনে সকল মাদরাসা খোলা রাখার দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। রোববার চট্টগ্রামের হাটহাজারী দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় এ জরুরী সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বেলা সাড়ে ১১টায় সভাটি শুরু হয়ে বিকাল ৪টায় শেষ হয়।

সভা শেষে হেফাজতের আমীর আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, করোনার অজুহাতে দেশের ঐতিহ্যবাহী কওমী মাদরাসা বন্ধ করার ষড়যন্ত্র দেশের তৌহিদী জনতা মেনে নেবে না। করোনা মহামারী থেকে মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে কুরআনের তিলাওয়াত, যিকির, তাসবী পাঠ ও দুআ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। সুতরাং মহান আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার লক্ষে কুরআন ও হাদীসের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চালু রাখ সরকারেরেই নৈতিক কর্তব্য। তাই পবিত্র মাহে রমযানে হিফয খানা, নূরানী, মক্তব চালু রাখতে হবে। মসজিদে সুন্নাহ মুতাবেক নামায তারাবীহ, ইতিকাফ চলবে। লকডাউনের নামে শরীয়ত বিরোধী কোনো বিধি-নিষেধ আরোপ করা যাবে না।
যথা নিয়মে তাফসীর, দাওয়াত ও তালীমের কাজ চালু রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বিগত ২৬ই মার্চ হেফাজতের কোনো কর্মসুচি ছিলো না। কিন্তু ঢাকা বায়তুল মোকাররম মসজিদে মুসল্লিদের উপর পরিকল্পিতভাবে পুলিশ ও সরকার দলীয় হেলমেট বাহিনী কর্তৃক আক্রমনের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষুদ্ধ জনতা মিছিল বের করে। হাটহাজারী ও বি-বাড়ীয়ায় মিছিল বের হলে পুলিশ বিনা উস্কানিতে গুলি করে পাঁচ জনকে শহিদ করে। এ হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলাম ২৭ই মার্চ বিক্ষোভ ও ২৮ই মার্চ শান্তিপুর্ণ হরতালের কর্মসুচি ঘোষণা করে। কিন্তু হেফাজতের শান্তিপূর্ণ কর্মসুচিতে ২১ জনকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ ও সরকার দলীয় ক্যাডার বাহিনী।

বাবুনগরী বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, হেফাজত কোনো তা-ব চালায়নি, বরং ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের সন্ত্রাসীদের দিয়ে গুপ্ত হামলার তা-ব চালিয়ে রাজনৈতিকভাবে এখন হেফাজতকে দোষারোপ করা হচ্ছে। সরকারের লোকজন এবং কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষী মিডিয়া এখন আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি নিয়ে মিথ্যাচার করছেন। আমরা জানতে চাই, আমাদের শান্তিপূর্ণ হরতাল চলাকালীন কারা তা-ব চালিয়েছিল? কারা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে, নিশ্চয়ই সেখানকার সিসি ক্যামেরাগুলোতে ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুন। কিন্তু নিরিহ আলেম, ওলামা, মাদরাসা ছাত্র ও তৌহিদী জনতাকে হয়রানী করবেন না। অবিলম্বে গণগ্রেফতার বন্ধ করুন। মিথ্যা ও হয়রানী মুলক মামলা প্রত্যাহার করুন। যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে অবিলম্ভে নিঃশর্তে মুক্তি দিন।

সভায় দেশের সকল মাদরাসা ও মসজিদে করোনা মহামারী থেকে মুক্তি ও সমকালীন সঙ্কট থেকে উত্তরনের জন্য কুনূতে নাযেলার আমল চালু করার জন্য আহ্বান জানানো হয়। সভায় যে কোনো সংকটকালীন সময়ে হেফাজতের সর্বস্তরে নেতাকর্মী, ওলামায়ে কেরাম ও ধর্মপ্রাণ তৌহিদী জনতাকে ঐক্যবদ্ধ থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া আগামী ২৯শে মে হাটহাজারীতে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করা হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর মাওলানা হাফেজ তাজুল ইসলাম (পীর সাহেব ফিরোজশাহ), মাওলানা আব্দুল আওয়াল, মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াহইয়া, মাওলানা সালাহ উদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা জুনায়েদ আল-হাবীব, মাওলানা শোআইব জমীরী, মাওলানা ওমর মেখলী, মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির, মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুনির হুসাইন কাসেমী, মুফতী সাখাওয়াত হুসাইন রাজী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মীর মুহাম্মদ ইদরীস, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, ড. নূরুল আবসার আজহারী, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন. মাওলানা ফয়সাল আহমদ, মাওলানা ইলিয়াস হামিদী , জনাব মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
AMIR
১৩ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:২১

করোনার অজুহাতে দেশের ঐতিহ্যবাহী কওমী মাদরাসা বন্ধ করার ষড়যন্ত্র দেশের তৌহিদী জনতা মেনে নেবে না।----মাদ্রাসা এই সমাজেরই অংশ, ওখান থেকেও ভাইরাস ছড়াতে পারে, আলাদা নয় বরং অন্য সকলের সাথেই মাদ্রাসা বন্ধ থাকবে ।এথানে ষড়যন্ত্র খুঁজে নিজেদের হাস্যকর প্রমান করার মধ্যে কতটুকু যৌক্তিকতা আছে বুঝলাম না!

M.H.Kabir
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৭:৪৭

Babu Nagori , you fake Alems have already been divided in 73 Feqra.72 are fake.Only 1 Feqra is in right path and they are living a simple life.But you fake Alems are busy with politics and money.While govt. has declared total Lockdown for the good of the people , you are telling your Madrasa will remian open.What a stupid you are?Never think that you have support of 1% people of Bangladesh.Don't be misguided having seen the mass gathering at yours' Mahfil.They go to Mahfil and come back home and everything is finished.People have started boycting you so called Alems.Be careful.

samsulislam
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১১:২৩

ওরে বাটপার!

M I Khan
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১০:১৩

Who are those Towhidee Janata? Those who vandalised public property to cover up a rapist are they towhidee? Mr.Babunagori,the mob that beseiged 3rd Caliph Hazrat Usman (r) while he was fasting and reciting holy Quran al karim also claimed themselves towhidee janata and did that heinous act in the name of safeguarding Islam. Allah SWT himself is committed to safeguard Islam. Stop this hypocrisy. Enough is enough.

ABDUL QAYUM
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৬:০৫

You the Hefajatis are not Alem , you all are religious traders. You are doing politics in disguise of religion. Your fore fathers were against language movement, against liberation war , You all are sons and grandsons of RAJAKARS. You are supporting the activities of lucha Maimunul

ABDUL QAYUM
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৬:০৫

You the Hefajatis are not Alem , you all are religious traders. You are doing politics in disguise of religion. Your fore fathers were against language movement, against liberation war , You all are sons and grandsons of RAJAKARS. You are supporting the activities of lucha Maimunul

Farid Hassan
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ২:৩৭

Farid Hassan দেশ বাঁচাও - মৌলবাদ ঠেকাও — ——————————— সরকারি আদেশে বাংলাদেশ থেকে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থা তুলে দেওয়া হোক - এবং মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থার জায়গায় - ছাত্রদের কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে - যোগ্য করা হোক - এতে করে দেশ- শিল্প উন্নত দেশে পরিনত হবে । দেশের অর্থনিতী লাভবান হবে । - কারন আগামি -২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে - এই মাদ্রাসার ছাত্রদের - মগজ ধোলাই করে - এদেশে - তালেবান দেশ গড়ার জন্য এদেরকে ব্যাবহার করবে - বাংলাদেশ কে অকার্যকর দেশ হিসাবে পরিনত করতে - পাকিস্তান / মায়ানমার / ইসরাইল এমন কি ইন্ডিয়া সরকার এদেরকে পয়সা দিয়ে - দেশের ভিতর - অরজগতা শুরু করাবে । এখন ই সময় ক্যানসার নির্মুল করা - বেশি দেরি হলে - এই মাদ্রাসা ক্যানসার - দেশকে ধংশ করে দেবে । এরা এক বিশাল ইয়ং ফোর্স - মুভ করলে ঠেকানো যাবে না - এই মাদ্রাসা ছাএদের বুঝানো হয় - ইসলামের জন্য জিহাদ করো - মরলে পরিবার সহ বেহেস্ত যাবা ।

মোঃ মোশারেফ
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১২:২৭

মাদ্রাসা অবশ্যই খোলা রাখা উচিৎ!

আনিস উল হক
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:১৮

ইসলাম ধর্ম হেফাজত করার দায়িত্ব স্বয়ং মহান আল্লাহ নিজেই নিয়েছেন। ইসলাম কে হেফাজত করার দায়িত্ব এই দলটিকে কে দিয়েছে? ইসলাম ধর্ম হেফাজতের নামে দেশে বিশৃংখলা তৈরী করা ছাড়া তারা কিছুই করছে না। আর একাজ করতে যেয়ে তারা মামুল হকের মত মহামানব তৈরী করেছে। হাড়িতে একটি ভাত টিপেই অন্য ভাতগুলোর অবস্থা জানা যায়।

MD ALAMGIR HOSSAIN
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৮:৪২

You r' right so always we support u. Thank u so much for good righting.

Mahmud
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৭:৫২

এই করোনাকালে আমরা মক্কার হেরেম শরিফ ও মদিনার মসজিদে নবাবী বন্ধ থাকতে দেখেছি । মানুষের জীবনের কথা চিন্তা করে এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে তারা কুন্ঠিত হন নি । পৃথিবীর অনেক দেশে মসজিদও বন্ধ রাখতে হয়েছ , এতে মানুষের নামাজ বন্ধ হয়ে যায় নি । ঘরে বসেও দোয়া করা যায় । দোয়া করার জন্য মাদ্রাসা খোলা রাখা মোটেও জরুরী নয় ।

Mahbub
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৭:৫১

Akam-kukam korte subudha tai Babu Nagru madrssa khola rakhte chan.

khokon
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৭:৪৮

Everybody has right to pray and always. But does not mean, you have to pray toghether when there is world crsis. For save our life government need to close everything. Hope government will do that by forse if people does not do that ? But if Hefajot wants to take woman to hotel, they can go there and leave their wifes at home ? They don't have right to advise others muslim about islam once they said, play with others woman is personal issue or matters !

abul alamgir
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৭:৫৯

no doha

জামশেদ পাটোয়ারী
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৭:৩৫

এই মহামারির মূহুর্তে দেশবাশীর সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন দোয়া। একমাত্র মহান আল্লাহই আমাদের রক্ষা করতে পারেন। সুতরাং মাদ্রাসা খোলা রাখা একান্তই দরকার।

অক্ষুদার্থ ভীক্ষুক
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৬:০৫

মহাপ্রলয় পর ছক্বা মারল কে? মামুনুল হক- না খালাম্মা?

Mahmud
১১ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৫:৩৮

গলার জোর কমান । আপনাদের আসল চেহারা এখন আমাদের কাছে পরিস্কার । সারা দেশে স্কুল , কলেজ , বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ , কিন্তু আপনাদের পরিচালিত মাদ্রাসা কেন খোলা থাকবে ?

অন্যান্য খবর