× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

লকডাউনে দোকানের লাইট বন্ধ করতে বলায় রাজশাহীতে আনসার খুন

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী থেকে
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার

লকডাউনে দোকানের লাইট বন্ধ করতে বলাকে কেন্দ্র করে রাজশাহীতে ছুরিকাঘাতে আনসার বাহিনীর এক সদস্য খুন হয়েছেন। গত শনিবার দিবাগত রাত ৮টার দিকে নগরীর হেতেম খাঁ এলাকায় ওয়াসার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলার পুঠিয়া বাজার থেকে মধাব কুমার ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মাধবের বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক ও জুয়ার বোর্ড চালানোর অভিযোগ আছে। মহানগর পুলিশের কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মাধবকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একটি টিম কাজ করছিল। রাতেই অভিযান চালিয়ে পুঠিয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বাড়ি হেতেম খাঁ সবজিপাড়ায়। নিহত আনসার সদস্যের নাম মিজানুর রহমান মিজান (৩৫)।
তিনি নগরীর হেতেম খাঁ সবজিপাড়া এলাকার মো. মনসুর রহমান মন্টুর ছেলে। মিজান টাঙ্গাইলের সফিপুরে আনসার সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তিনি আনসার হ্যান্ডবল টিমের জুনিয়র কোচ ছিলেন। বাস্কেটবলও ভালো খেলতেন। খেলোয়াড় কোটায় আনসার সদস্য হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন।
 প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে ওয়াসার ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের পাশে রেজা নামে এক ব্যক্তির দোকানের সামনে কয়েকজন বন্ধুসহ আড্ডা দিচ্ছেলেন নিহত মিজান। মিজানের আরেক বন্ধু হেতেম খাঁ এলাকার মদন কুমার ঘোষের ছেলে মাধব কুমার ঘোষও (৩৬) তাদের সঙ্গে ছিলেন। লকডাউনে মিজানুর ওই দোকানিকে লাইট বন্ধ করে ব্যবসা করতে বলেন। কিন্তু কেন লাইট বন্ধ করতে হবে- এই প্রশ্ন তুলে মিজানুরের সঙ্গে তর্কে জড়ান মাধব। এ সময় তাদের দুজনের হাতাহাতিও হয়। তখন অন্য বন্ধুরা তাদের থামান। এরপর মিজানুর প্ল্যান্টের ভেতরের এলাকায় ঢুকে আনসারদের কোয়ার্টারের সামনে সেখানকার সদস্যদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন। কিছুক্ষণ পর মাধব গিয়ে তাকে আচমকা ছুরিকাঘাত করে।
মাধবসহ আরো কয়েকজন তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মিজানুরকে মৃত ঘোষণা করেন। এ সময় মাধব পালিয়ে যান। পরে অভিযুক্ত মাধব কুমারকে পুঠিয়া থেকে গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় গ্রেপ্তার করে বোয়ালিয়া পুলিশ। বর্তমানে লাশ রামেক হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। পরিবাবের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর