× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী নামানোর পরামর্শ সিপিডি'র

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(১ মাস আগে) এপ্রিল ১২, ২০২১, সোমবার, ৪:০৬ অপরাহ্ন

মহামারি করোনাভাইরাস রোধে আসন্ন লকডাউনে শিল্প-কারখানা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের চলাচলে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী ও আর্মড ফোর্স, সরকারের এজেন্সিগুলোকে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে নামানোর দাবি জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

সোমবার সিপিডি আয়োজিত ‘কোভিড অতিমারির দ্বিতীয় ঢেউ : কিভাবে সামলাবো’ শীর্ষক এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে এ দাবি জানান গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

তিনি বলেন, আমরা জানি ইতিমধ্যেই সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সুতরাং এর আলোকে এখন স্বাস্থ্যবিধিকে গুরুত্ব দিতে হবে। কলকারখানায়, বাজারে স্বাস্থ্যবিধি বিশেষ করে মাস্ক পরা সুনিশ্চিত করার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, এজন্য (স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে) আর্মড ফোর্স, সরকারের এজেন্সিগুলোকে ব্যবহার করতে হবে। সরকারের যেসব এজেন্সি রয়েছে, সেখানে লোকবল কম, প্রয়োজনে অন্যান্য এজেন্সি থেকে লোকবল নেয়া যেতে পারে। এলাকাভিত্তিক জোন ভাগ করে পর্যবেক্ষণ করা, যে মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে কি না।

তিনি বলেন, প্রয়োজনবোধে সেনাবাহিনী ও আর্মড ফোর্সকে ব্যবহার করা যেতে পারে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে। পরিপালনগুলো কঠোরভাবে শিল্প-কারখানা হোক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হোক, এমনকি সাধারণ মানুষের চলাচলেও এনফোর্সমেন্টের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এটা এনফোর্সমেন্ট না হলে জারিমানা, এমনকি সংক্রমণের আশঙ্কা থাকলে প্রতিষ্ঠান বা কলকারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার মতো ম্যাজেস্ট্রেসি ক্ষমতা এই কর্মকর্তাদের দেয়া যেতে পারে।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুনের সঞ্চালনায় আলোচনায় বক্তব্য রাখেন ব্র্যাকের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুস্তাক রেজা চৌধুরী, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের (আইইডিসিআর) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এ এস এম আলমগীর, সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন, বিজিএমইএ’র নতুন সভাপতি ফারুখ হোসেন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলালউদ্দিন প্রমুখ।

আলোচনা শেষে সারসংক্ষেপ তুলে ধরে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘আলোচনায় সুপারিশগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো- স্বাস্থ্যবিধি, চিকিৎসা এবং অন্যান্য সহায়তা।
স্বাস্থ্যবিধির বিষয়ে অনেকে বলেছেন জনসম্পৃক্ততা বড়ানোর জন্য। মাস্ক পরা এবং মাস্ক আরও বেশি পরিমাণে বিতরণ করা, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা, জনসমাগম না হাওয়ার বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ এসেছে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আনিস উল হক
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৭:৫৫

আমাদের সাফ কাপুড়ে (white-collared) ভদ্রলোকদের মনস্তত্ব বুঝতে আমাদের সাধারণ মানুষের বড়ই সমস্যা হয়।তারা রাষ্ট্রের উচ্চ আয়েশ ভোগী। সাধারন মাপের মানুষের চেয়ে তাদের বুদ্ধিমত্তা বেশি।তাতে কারোর আপত্তি নেই।আপত্তি হোলো তাদের উদ্ভট ধরণের কথাবার্তায়। আপনারা এখন করোনা থেকে বাঁচতে সাইবেরিয়া বা প্রশান্ত মহাসাগরের তলায় যেয়ে বসবাস শুরু করলেও আর্থিক অনটনে পড়বেন না। কিন্তু যে মানুষটির দৈনিক আয় হাজার টাকার নীচে তাও আবার তা তাকে দৈনিক রোজগার করতে হয় এমন একজন মানুষ কে কিভাবে ঘরে বন্ধ করে রাখা যাবে,বার্মা বা উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনীর মতো গুলি চালিয়ে? করোনাকালেও বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা কিন্তু চালু রেখেছে সাস্থ্যবিধি না মানা এই আমজনতাই।যা নিয়ে পরে আপনারা অনেক গবেষণা করবেন অনেক তত্ত্ব আবিস্কার করবেন।সাধরণ মানুষ কে অস্ত্র ঠেকিয়ে ঘরে আবদ্ধ করার পরামর্শ না দিয়ে বরঞ্চ তাদের করোনা সংক্রমণ ঠেকিয়ে কি ভাবে তাদের কর্মমূখি রাখা যায় সে উপায় খুঁজে বের করুন। জুতা আবিষ্কার কবিতার হবুচন্দ্র রাজার মতো রাজ্যে কোন আইন জারি করতে বলবেন না।

ক্ষুদিরাম
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৭:০৪

যে দিন আনে দিন খায় তার রোজগার বন্ধ হয়েযাবে লকডাউনে। এমনকি নিজের পেট চালানোর অবস্থাতেও সে থাকবেনা। তাহলে মাস্ক কেনার টাকা সে পাবে কোথায় ? সরকার দিবে ?? দিছে কোনদিন ?? দারিদ্রতার সাথে সিপিডিও কি তামাশা শুরু করলো ?? সিপিডি'র উচিৎ ছিল সরকারকে এই পরামর্শ দেয়া যে সরকার যেন দরিদ্রদেরকে বাচাতে বড় একটা ফ্রী খাদ্য কর্মসূচি হাতে নেয় সরাসরি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে। অর্থাৎ কোন তথাকথিত জনপ্রতিনিধিদের রাখা যাবেনা। তাতে অন্তত কিছু মানুষের জীবন রক্ষা হবে। সিপিডি তা নাকরে করলোটা কি ???

Kona
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৫:৪০

তয় পুলিশের কাজ কি শুধু ক্যাডার বাহিনী হিসাবে সরকারের সেবা যত্ন করা?

MAHMUDUR RAHMAN
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৪:০৮

Are you kidding with Government...haha

অন্যান্য খবর