× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

‘খালেদা জিয়া ভালো আছেন, প্রয়োজনে হাসপাতালে নেয়া হবে’

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) এপ্রিল ১২, ২০২১, সোমবার, ৭:২৪ অপরাহ্ন

করোনা আক্রান্ত বিএনপির চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া ভালো আছেন। প্রয়োজেন তাকে হাসপাতালে নেয়া হবে। সোমবার বিকালে খালেদা জিয়ার বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাত শেষে এমনটাই জানিয়েছেন মেডিকেল বোর্ডের প্রধান অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদিকী।
তিনি বলেন, আজকে (সোমবার) আবার ম্যাডামের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে রিপোর্ট পর্যালোচনা করেছি। এখন ওনার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল আছে। ম্যাডামের করোনা পজিটিভ হওয়ার পর থেকেই ওনার তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শুরু করে দিয়েছি। আমরা প্রতিদিন খুব নিবিড়ভাবে ম্যাডাম এর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছি। মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা প্রতিদিন রাতে বসে রিপোর্টগুলো পর্যবেক্ষণ করছেন।
ম্যাডাম এখন খুব ভালো আছেন। এখন পর্যন্ত উনার শরীরে কোন টেম্পারেচার নেই, খাওয়ার রুচি ঠিক আছে, স্বাভাবিক চলাচলে সমস্যা হচ্ছে না। ম্যাডাম আমাকে বলেছেন, আমার পাশের সবাই যদি পজিটিভ না হতো অথবা আমাকে যদি টেস্ট না করা হতো তাহলেতো আমি বুঝতাম না যে আমার করোনা হয়েছে।
ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, করোনার প্রথম সপ্তাহে একটু জটিল থাকে। আমরা সেটাকেই দেখছি। দ্বিতীয় সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। ওনার (খালেদা জিয়া) ফিজিক্যালি ও বায়োকেমিক্যাল টেস্ট করা হয়েছে। প্রতি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ওনার বায়োকেমিক্যাল টেস্ট করবো। তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষ কোনো ব্যবস্থা নেয়া দরকার হলে তখন ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমরা সেভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। সেভাবে আমরা চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছি। এখন পর্যন্ত উনি সবদিক দিয়ে ভালো আছেন। ম্যাডাম সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। দেশের সবাই যেন সাবধানে থাকে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে চলাচল করে।
তিনি বলেন, বাসার সবাইকে আইসোলেশন রাখা হয়েছে। ম্যাডাম শুধু নিজের না বাসার সবাই ভালো আছে কিনা, ওষুধ খাচ্ছে কিনা, এগুলার দেখভাল করছেন।
বেগম জিয়াকে হাসপাতালে নেয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে এফ এম সিদ্দিকী বলেন, করোনার সিচুয়েশনে সবাই আনসার্টেন। প্রথম সপ্তাহে যেমন পজিশন পরবর্তী সাপ্তাহে কি হবে সেটা কেউই বলতে পারেনা। আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি আছে। আমরা যদি মনে করি আমাকে হাসপাতালে নেয়া দরকার ঠিক তাৎক্ষণিক আমরা ওনাকে হাসপাতাল নিয়ে যাবো।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়ার চিকিৎসক ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেডএম জাহিদ হোসেন, ডা. আবদুল্লাহ আল মামুন ও ডা. আব্দুস শাকুর খান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
মাসুদুল হক
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:০৮

হে মহান রাব্বুল আলামীন আপনি প্রিয় নেত্রী সহ সকল করোনা আক্রান্ত এবং অসুস্থ দের সুস্থতা দান করুন,আমিন।

আনিস উল হক
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৭:২০

বাংলাদেশের মানুষের রাজনৈতিক চেতনা পদ্মা যমুনার স্রোতধারার মত ভিন্ন দু'রঙের। বহমান দুটো ধারা যখন মেঘনায় যেয়ে মিলিত হয় তখন একই রঙের জলধারা হয়ে বঙ্গোপসাগরে যেয়ে মিলে যায়। বাংলাদেশে বিএনপি আওয়ামীলীগের রাজনীতি দুটো ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত হলেও দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে তাদের লক্ষ্য এক আর তা হোল একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। দল দুটির সুস্হিতিশীল অবস্থানই বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের ভারসাম্য সঠিকভাবে ধরে রাখবে।আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক অবস্থান কে সুদৃঢ় রাখার জন্যই বিএনপিকে স্বাভাবিক রাজনীতি করতে দিতে হবে।নাহলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অস্তিত্ব আবারও চোরাবালিতে হারিয়ে যাবে।নিকট অতীত ও দুর অতীতে তা যেমন গেছে।যোগ্য গণতান্ত্রিক উত্তরাধিকার নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে দুটো দল এখনো সমর্থ হয়নি। এক্ষেত্রে অবস্থা হোল অনেকটা এরকম - 'কে লইবে মোর কার্য কহে সন্ধ্যা রবি --- নিরুত্তর ছবি।' যা হোক বাংলাদেশের রাজনীতির এখন দুজন অভিভাবক। বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা ওয়াজেদ।রাজনীতির পরীক্ষায় তাঁরা দুজনই পরীক্ষিত ও সফল।বাঙালী জাতির স্বার্থে তাঁদের দুজনকে আরো অনেকদিন আমাদের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকতে হবে। বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।

Citizen
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৭:৫৭

In-sha-Allah. I believe, the whole Bangladesh is praying for her recovery.

অন্যান্য খবর