× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ১ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

করোনায় ফের এলোমেলো সংগীতাঙ্গন

বিনোদন

ফয়সাল রাব্বিকীন
১৩ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার

গত কয়েক বছর ধরে সংগীতের অবস্থা এমনিতেই বেশ নাজুক। তার ওপর গত বছর করোনা মহামারি পুরোপুরি এলোমেলো করে দেয় এ অঙ্গনকে। বিশেষ করে স্টেজ শো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেকটাই বেকার হয়ে পড়েন শিল্পী-মিউজিশিয়ানরা। অনেকে ঢাকা শহরে টিকতে না পেরে গ্রামে চলে যান, বেছে নেন অন্য পেশা। তবে গত বছরের শেষের দিক থেকে করোনা পরিস্থিতি সহনীয় থাকায় ধীরে ধীরে স্টেজ শো যেমন বাড়তে থাকে তেমনি গান প্রকাশের সংখ্যাও বাড়ে। মাত্রই ঠিক হওয়া শুরু হয়েছিল স্টেজ। শিল্পী-মিউজিশিয়ানরাও ব্যস্ত হয়েছিলেন এ মাধ্যমটিতে। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আবার লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে সংগীতাঙ্গনকে।
পাশাপাশি শিল্পী- মিউজিশিয়ানসহ সংশ্লিষ্টদের মনও ভেঙে গেছে। জীবন ও জীবিকার মাঝে দোদুল্যমান অবস্থায় রয়েছেন তারা। করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় গত মাসের মাঝামাঝি থেকে বাতিল হতে থাকে স্টেজ শো। এরইমধ্যে শিল্পীদের দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় শতাধিক শো বাতিল হয়েছে। আর লকডাউন চলে আসায় শো পুনরায় শুরু হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। রমজানে এমনিতেই স্টেজ শো তেমন আয়োজন হয় না। সেদিক থেকে রমজানের এমন পরিস্থিতি দেশের শিল্পী-মিউজিশিয়ানদের জন্য বড় ধাক্কা। এই ধাক্কা কতটা কে সামলাতে পারবেন সেটা নিয়েও প্রশ্ন রয়ে যায়। তাহলে কি আবার অনেক শিল্পী-মিউজিশিয়ান এমন পরিস্থিতিতে হারিয়ে যাবেন, যেমনটা গিয়েছেন গত বছর! অনেক নিয়মিত শিল্পী ও মিউজিশিয়ানদের কাছ থেকে তেমন ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর বলেন, করোনা শুরু হওয়ার পর পরই সংগীতাঙ্গনে অনিশ্চয়তা শুরু হয়। তবে গত কয়েক মাসে সেটা অনেকটা ঠিক হয়ে আসছিল। কিন্তু করোনার ভয়াবহতা আবার সব এলোমেলো করে দিলো। এভাবে আসলে টিকে থাকা কঠিন। কারণ দিনের পর দিন স্টেজ শো না থাকায় নিয়মিত শিল্পীদের বেকার থাকতে হচ্ছে। সব থেকে বড় বিষয় হলো এর শেষ কোথায়, সেটা জানা নেই কারও। এতটুকু চাওয়া, এই খারাপ সময়ে যেন বিচ্ছিন্ন হয়ে না যাই আমরা। সবাই যেন সবার পাশে দাঁড়াতে পারি। চলতি প্রজন্মের কণ্ঠশিল্পী ঝিলিক বলেন, মাত্রই স্টেজ শো শুরু করেছিলাম। তিনটি শো করেছি পর পর। কিন্তু তারপর করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করলো। এখন তো লকডাউন চলছে। আসলে যারা আমরা স্টেজে নিয়মিত কাজ করি তারা চোখে অন্ধকার দেখছি। ভবিষ্যতে কি হবে সেটা নিয়েও শঙ্কা কাজ করছে। তবে যত দ্রুত করোনা পরিস্থিতি ঠিক হবে আমাদের সংগীতাঙ্গন তথা সব পেশার মানুষের জন্যই সেটা ভালো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর