× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

ওয়াক্ত ও তারাবীর নামাজে ২০ জনের বেশি মুসল্লি নয়

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) এপ্রিল ১২, ২০২১, সোমবার, ৮:১৯ অপরাহ্ন

মসজিদের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি ওয়াক্তে সর্বোচ্চ ২০জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করতে পারবে। এছাড়া তারাবীর নামাজে খতিব, ইমাম, হাফেজ, মুয়াজ্জিন ও খাদিমসহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লী অংশ নিতে পারবে। সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। তবে জুমআর নামাজের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বেঁধে দেয়া হয়নি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জুমুআর নামাজে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুসল্লিগণ অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া মুসল্লিগণকে পবিত্র রমজানে তিলাওয়াত ও যিকিরের মাধ্যমে মহান আল্লাহর রহমত ও বিপদ মুক্তির জন্য দুআ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে গত ৫ই এপ্রিল এক বিজ্ঞপ্তিতে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিদের প্রতি আহ্বান জানায় ধর্ম মন্ত্রণালয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে পবিত্র রমজান মাসে মসজিদে সেহরী ও ইফতার আয়োজন থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানানো হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Mamun
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১০:১০

আবুল কাশেম" সাহেবকে ধন্যবাদ এই বিশাল মন্তব্য লেখার জন্য, তবে এত বড় মন্তব্য পড়তে ইচ্ছে করলোনা। তবে আপনি যে ওভার স্মার্ট এটা বুঝা গেছে। দেশব্যাপী কোটি কোটি মানুষ যখন মিল-কারখানায় কর্মের উদ্দেশ্যে মুভ করবে, অফিস/ ফ্লোরে শত শত লোক একসাথে কাজ করবে তখন করোনা ছড়াবে না? কিন্তু ওই লোকরাই যখন তাদের নিজস্ব মসজিদে জামাতে নামাজ পড়বে তখনই করোনা ছড়াবে? তখন ২০ জনের বেশী নামাজ পড়া যাবেনা? 2000 স্কয়ার ফিট একটা মসজিদ যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে একসাথে 100 জন জামাতে সালাত আদায় করতে পারে। সেখানে 2000 স্কয়ার ফিট একটা মিল- কারখানার ফ্লোরে একসাথে 200 লোক কাজ করে। এই গরমে মিনিমাম স্বাস্থ্য বিধিও ওই ওয়ার্ক ফ্লোরে কেউ মানে না। এবং ৮/১২ ঘণ্টা তারা কাজ করে। এখন প্রশ্ন মসজিদে যদি ১৫/২০ মিনিট সময় একসাথে নামাজে গেলে করোনা হওয়ার ভয় থাকে, তাহলে মিল - কারখানার ওই ফ্লোরে করোনা হওয়ার ভয় নাই? এটা যুক্তির বিষয়। এতে এটাই প্রমাণ করে, ইসলাম বিদ্ধেষী প্রভাবশালী গ্রুপ, এই এবনরমাল/ লজিকলেস বিষয় চাপিয়ে দিচ্ছে। এটা জনস্বার্থে বা জনস্বাস্থ্য জন্য নয়। এটা উদ্দেশ্য প্রণোদিত, ইসলাম বিদ্ধেষী গ্রুপের কাজ।

nasir uddin, Al Atti
১৩ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ১২:০৯

বাস্তবিকপক্ষে কওমি মাদ্রাসাগুলো সংক্রমণ এড়িয়ে কিভাবে খোলা ছিলো তা সত্যিই অবাক হওয়ার মতো। এটা নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালার কৃপায় সম্ভব হয়েছে। কওমি মাদ্রাসায় আল্লাহর স্মরণ, জিকির-আজকার, দোয়া-দরুদ ও কুরআন তিলাওয়াত বেশি হয়। তবে মনে রাখতে হবে দেশটা আমাদের সবার।

Nessar Ahmed
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১০:৫৬

বিশজন নয় বরং করোনা থেকে মুক্তি পেতে আগের চেয়ে আরো বেশী মুসল্লীদের মসজিদ মুখি হতে হবে। মসজিদে বেশীবেশী আমল ও জীকর আজগরের মাধ্যমে মহান আল্লাহর দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। পৃথিবীতে এর আগেও এর চেয়েও অনেক ভয়াবহ মহামারী এসেছে কোনদিনতো মসজিদ বা জামাত নিয়ে কোন কথা উঠেনি? আজ উঠছে কারন একটি চিহ্নিত গোস্টি ইসলামের পুনঃজাগোরনে চিন্তিত। তারা নামে বেনামে এমনকি কখনো মুসলিম পরিচয়ে মানুষকে মসজিদ বিমুখ করারা সর্বোচ্চ চেস্টা করছে। তবে ইনশাল্লাহ তাদের এই অপকর্ম সার্থক হবেনা। কারন তারা নানান পরিকল্পনা করে আর মহান আল্লাহ হলেন সর্বত্তম পরিকল্পনাকারী।

মুহা: ওয়াহিদুর রহমান
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১০:৫২

তারাবীর জন্য সংখ্যা নির্ধারন করে দেওয়াটা মনে হয় ঠিক হয়নি ৷বরং স্বাস্হ্য৷বিধি মেনে সকল মুসল্লীদের মসজিদে সুযোগ করে দেওয়া উচিত যাতে সবাই আল্লাহর নিকট সম্মিলিত ভাবে করোনা থেকে রক্ষার জন্য দোয়া করতে পারে৷

Mahmud
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১০:১২

শয়তান মানুষকে ধকা দেয় তার এলেম দিয়ে আর মুনাফিক দেয় প্রতারণা করে। বই মেলায় গেলে আহালান সাহালান আর মসজিদ ও মাদ্দ্রাসায় গেলেই সাস্থবিধি। আল্লাহ ওদের জাহান্নামের নিন্মতম স্থানে থাকুন যে নিজের সার্থের জন্য রসুল সাঃ কে ব্যবহার করে। রসুলল্লাহ মহামারি সম্পর্কে যদি ওয়াকিবহাল হয়েই থাকেন তবে উনি কোন বছর মসজিদ বন্ধ রেখেছিলেন বা কোন হাদিসে বন্ধ রাখতে বলেছিলেন? মসজিদ নিয়ে এত চুল্কানি কিন্তু গির্জার, বৌদ্ধ ও হিন্দুদের আশ্রমে যারা থাকে তাদের নিয়ে মুনাফিকদের কোন মাথা ব্যথা নেই।

বখতিয়ার
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১০:০৯

এটা কি মতামত নাকি ওয়াজ মাহফিল??

Didar Mahmud
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:১৯

মূল প্রতিবেদনের চেয়ে মতামত অংশের লেখা অনেক বড়। যা পত্রিকা পাঠকদের কাছে দৃষ্টিকটু।

SJ
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:০০

অযথা ভাবনা।

আবুল কাসেম
১২ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:০৯

খুবই উত্তম সিদ্ধান্ত। সল্প পরিসরে হলেও সিয়াম সাধনার মাসে তারাবির সালাত মসজিদে চালু রেখে আল্লাহর করুণা ভিক্ষা করতে যারা চান তাঁদের সুযোগ দেয়া হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। এতে আল্লাহ তায়ালা আমাদের মাফ করে দিয়ে মহামারি থেকে নাজাত দিন, তা-ই প্রার্থনা করছি। তবে অবশ্যই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং সেনিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। সরকারি নিয়ম অনুসারে স্বাস্থ্য বিধি মেনে সালাত আদায় করতে হবে। তারপর আল্লাহর ওপর ভরষা করতে হবে। গত সপ্তাহে ঢিলে ঢালা লকডাউনের সময় শুরুতে অফিস ও কারখানা খোলা রেখে যাত্রী পরিবহন বাস মিনি বাস ও দোকানপাট বন্ধ ছিলো। তাতে অফিসগামী মানুষের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করে। পরে মানুষের ভোগান্তির কথা বিবেচনায় নিয়ে ৭ তারিখ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্ত সাপেক্ষে সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা চট্টগ্রামসহ দেশের সব সিটি করপোরেশন এলাকায় বাস ও মিনি বাস চলার অনুমতি দেয়া হয়। মার্কেটগুলোর দোকান মালিক ও শ্রমিকেরা রাস্তায় নেমে মিছিল করে মার্কেট খোলার দাবি করেন। তারপর ৮ এপ্রিল মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামীকাল শুক্রবার, ৯ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল সকাল ৯টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কঠোর স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখা যাবে। তবে, স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন না করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু হুশিয়ারী সত্ত্বেও দেখা গেছে যাত্রী পরিবহনে স্বাস্থ্য বিধির তেমন কোনো তোয়াক্কা করা হয়নি। এদিকে গত বছরের ১৭মার্চ থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। বিশেষ অনুরোধে কওমি মাদ্রাসাগুলো খোলা ছিলো। এবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ১৮ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে একটি নির্দেশনা হচ্ছে, প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক (কলেজ) বিশ্ববিদ্যালয় ও কোচিং সেন্টার এবং মাদ্রাসা সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা। সেই মোতাবেক এধরণের প্রতিষ্ঠান এখনো বন্ধ আছে। তবে গত বছরে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেও কওমি মাদ্রাসাগুলো স্বাস্থ্য বিধি মেনে খোলা ছিলো। কিন্তু এতে করে কওমি মাদ্রাসায় সংক্রমণের তাণ্ডব দেখা যায়নি। সম্ভবত সেই অভিজ্ঞতা থেকে হেফাজতে ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরি কওমি মাদ্রাসা খোলা রাখতে অনুরোধ করেছেন। মসজিদে খতমে তারাবি ও ইতেকাফ চালু রাখতেও তিনি বলেছেন। বাস্তবিকপক্ষে কওমি মাদ্রাসাগুলো সংক্রমণ এড়িয়ে কিভাবে খোলা ছিলো তা সত্যিই অবাক হওয়ার মতো। এটা নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালার কৃপায় সম্ভব হয়েছে। কওমি মাদ্রাসায় আল্লাহর স্মরণ, জিকির-আজকার, দোয়া-দরুদ ও কুরআন তিলাওয়াত বেশি হয়। তবে মনে রাখতে হবে দেশটা আমাদের সবার। ছোট্টো একটি ভূখণ্ড। বিশ কোটি মানুষের ঠাসাঠাসি বসবাস। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মহামারি কবলিত এলাকায় বাইরের মানুষের প্রবেশ না করা এবং ঐ এলাকার মানুষ বাইরে না আসার বিষয়ে রাসুল স. এঁর নির্দেশনা রয়েছে। তার মানে লকডাউনের ধারণা রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে প্রবর্তিত। এখন ক্রমশ সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। তাই আগামী সপ্তাহের কঠোর লকডাউনের মধ্যে বোধ করি কোনো কিছুই খোলা রাখার দাবি করা ঠিক হবেনা। তবে সংক্রমণ কমে আসলে কওমি মাদ্রাসা আগের মতো, আগের নিয়মে খোলা রাখার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। আর সিয়াম সাধনার মাসে স্বাস্থ্যের বিধি বিধান মেনে চলার বাধ্যবাদকতা সাপেক্ষে মসজিদে খতমে তারাবি ও ইতেকাফ সীমিত আকারে হলেও জারি রাখা বাঞ্ছনীয়। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ আল্লাহর দরবারে মহামারি মুক্তির জন্য কাকুতি মিনতি করলে আল্লাহর রহমত বর্ষণ হবে ইনশাল্লাহ। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস সিয়ামের মাস। সালাত একটি সমবেত ইবাদত। এর থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষেরে বঞ্চিত করা ঠিক হবেনা। আমরা যদি আল্লাহর পথে চলতে মানুষেরে বাধা দেই তাহলে আল্লাহর নিকট অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত হতে হবে। এখানে কুরআনুল কারিম থেকে আল্লাহর পথে বাধা দেয়া সম্পর্কিত আল্লাহ তায়ালার নাজিল করা কয়েক খানা আয়াত প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা হচ্ছে। (১) 'তোমরা পথে-ঘাটে একারণে বসে থেকো না যে, আল্লাহ বিশ্বাসীদেরকে হুমকি দিবে, আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করবে এবং তাতে বক্রতা অনুসন্ধান করবে। স্মরণ কর, যখন তোমরা সংখ্যায় অল্প ছিলে অতঃপর আল্লাহ তোমাদেরকে অধিক করেছেন এবং লক্ষ্য কর কিরূপ অশুভ পরিণতি হয়েছে অনর্থকারীদের’। সূরা আ‘রাফঃ৮৬। (২) ‘আর তাদের মত হয়ে যেয়ো না, যারা বেরিয়েছে নিজেদের অবস্থান থেকে গর্বিতভাবে এবং লোকদেরকে দেখানোর উদ্দেশ্যে। আর আল্লাহর পথে তারা বাধা দান করত। বস্ত্ততঃ আল্লাহর আয়ত্বে রয়েছে সে সমস্ত বিষয় যা তারা করে’। সূরা আনফালঃ৪৭। (৩) ‘বলুন, হে কিতাবধারীগণ! কেন তোমরা আল্লাহর পথে ঈমানদারদেরকে বাধা দান কর, তোমরা তাদের দ্বীনের মধ্যে বক্রতা অনুপ্রবেশ করানোর পন্থা অনুসন্ধান কর, অথচ তোমরা এ পথের সত্যতা প্রত্যক্ষ করছ। বস্ত্ততঃ আল্লাহ তোমাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অনবগত নন’। সূরা আলে ইমরানঃ৯৯। (৪) ‘বস্ত্ততঃ ইহুদীদের জন্য আমি হারাম করে দিয়েছি বহু পূত-পবিত্র বস্ত্ত, যা তাদের জন্য হালাল ছিল, তাদের পাপের কারণে এবং আল্লাহর পথে অধিক পরিমাণে বাধা দানের কারণে'। সূরা আন নিসাঃ১৬০। (৫) 'যারা কুফরী অবলম্বন করেছে এবং আল্লাহর পথে বাধার সৃষ্টি করেছে, তারা সুদূর বিভ্রান্তিতে পতিত হয়েছে’। সূরা আন নিসাঃ১৬৭। (৬) 'যারা পরকালের চাইতে পার্থিব জীবনকে পসন্দ করে, আল্লাহর পথে বাধা দান করে এবং তাতে বক্রতা অন্বেষণ করে, তারা মারাত্মক গোমরাহিতে নিমজ্জিত রয়েছে'। সূরা ইবরাহীমঃ৩। (৭) ‘তারা তাদের শপথকে ঢাল করে রেখেছে, অতঃপর তারা আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বাধা প্রদান করে। অতএব তাদের জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি’। সূরা মুজাদালাহঃ১৬। (৮) ‘যারা আল্লাহর পথে বাধা দিতো এবং তাতে বক্রতা অন্বেষণ করতো। তারা পরকালের বিষয়েও অবিশ্বাসী ছিলো’। সূরা আল আ‘রাফঃ৪৫। (৯) ‘যারা আল্লাহ তায়ালাকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখে, অতঃপর কাফের অবস্থায় মারা যায়, আল্লাহ কখনোই তাদের ক্ষমা করবেন না’ সূরা মুহাম্মাদঃ৩৪। (১০) ‘যারা কুফরী করেছে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করেছে, আমি তাদেরকে আযাবের পর আযাব বাড়িয়ে দেব। এটা হচ্ছে অশান্তি ও ফাসাদ সৃষ্টির শাস্তি যা তারা দুনিয়ায় করে এসেছে'। সূরা আন নাহলঃ৮৮। (১১) ‘তোমরা তোমাদের শপথগুলোকে পরষ্পরকে প্রবঞ্চনা করার উদ্দেশ্যে গ্রহণ করো না। তাহলে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পা ফসকে যাবে এবং তোমরা শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করবে, এ কারণে যে, তোমরা আমার পথে বাধা দান করেছো এবং তোমাদের কঠোর শাস্তি হবে’। সূরা আন নাহলঃ৯৪। (১২) 'যারা কুফরী করে ও আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং সেই মসজিদে হারাম থেকে বাধা দেয়, যাকে আমি প্রস্ত্তত করেছি স্থানীয় ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্যে সমভাবে এবং যে মসজিদে হারামে অন্যায়ভাবে কোন ধর্মদ্রোহী কাজ করার ইচ্ছা করে, আমি তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাবো'। সূরা হজ্জঃ২৫। (১৩) ‘যারা কুফরী করে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে, আল্লাহ তাদের সকল কর্ম ব্যর্থ করে দেন’। সূরা মুহাম্মাদঃ০১। (১৪) 'যারা কুফরী করে এবং আল্লাহর পথে আসা থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখে এবং তাদের কাছে হেদায়েতের পথ পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার পরও রাসূলের বিরোধিতা করে, তারা আল্লাহর কোনই ক্ষতি করতে পারবে না। অচিরেই আল্লাহ তায়ালা তাদের যাবতীয় কর্ম নিষ্ফল-ব্যর্থ করে দিবেন’। সূরা মুহাম্মাদঃ৩২। (১৫) 'নিঃসন্দেহে যেসব লোক আল্লাহ তায়ালাকে অস্বীকার করেছে, এবং লোকদেরকে আল্লাহ তায়ালার পথ থেকে ফিরিয়ে রাখতে নিজেদের ধন সম্পদ ব্যয় করেছে, তারা ধন সম্পদ আরো ব্যয় করতে থাকবে, অতঃপর একদিন সেটাই তাদের মনস্তাপের কারণ হবে। অতঃপর তারা পরাভূত হবে। আর যারা কুফরী করেছে আখেরাতে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে’। সূরা আনফলঃ৩৬। সুতরাং, সিয়ামের পবিত্র মাসে বেশি বেশি আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ করার নিমিত্তে ধর্মপ্রাণ মানুষদের সুযোগ করে দেয়া উচিত। হয়তো তাঁদের ইবাদত বন্দেগির উছিলায় আল্লাহ তায়ালা আমাদের দেশ ও দেশের মানুষকে করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে নাজাত দিতে পারেন। সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন, আমিন।

অন্যান্য খবর