× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

নিয়মিত আদালত খুললে ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানি

দেশ বিদেশ

কোর্ট রিপোর্টার
১৩ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার

 নিয়মিত আদালত খুললে ষোড়শ সংশোধনীর রিভিউ শুনানির উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে গতকাল অ্যাটর্নি জেনারেল এ কথা বলেন। সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেয়া হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছিল সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের ওই রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদন শুনানির উদ্যোগ দ্রুততম সময়ে নেয়া হবে বলে জানান রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। তিনি বলেন, নিয়মিত আদালত খুললেই সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল বিষয়ে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন শুনানির উদ্যোগ নেয়া হবে। আমরা দ্রুত শুনানির জন্য নিয়মিত আদালতে আবেদন করবো। জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৪শে ডিসেম্বর বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে এনে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে হাইকোর্টের এই রায় বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগও।
আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধেও রিভিউ আবেদন দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাষ্ট্রপক্ষ ৯০৮ পৃষ্ঠার এ রিভিউ আবেদন দাখিল করে। ২০১৭ সালের ৩রা জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বাধীন ৭ সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেন। এরআগে ওই বছরের ৮ই মে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি হয়। ধারাবাহিকতায় আপিল শুনানিতে আদালতে মতামত উপস্থাপনকারী ১০ অ্যামিকাস কিউরির মধ্যে শুধু ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে মত দেন। অপর ৯ অ্যামিকাস কিউরি বিশিষ্ট আইনজীবী ও সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী, আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ এম হাসান আরিফ, সংবিধান প্রণেতা ব্যারিস্টার এম.আমির- উল ইসলাম, বিচারপতি টিএইচ খান, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল, এ জে মোহাম্মদ আলী সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বিপক্ষে তাদের মতামত তুলে ধরেন। এর আগে ওই বছরের ৮ই ফেব্রুয়ারি ষোড়শ সংশোধনীর আপিল শুনানিতে অ্যামিকাস কিউরি নিয়োগ দেন আপিল বিভাগ। ২০১৬ সালের ৫ই মে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চের বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ বলে রায় ঘোষণা করেছিলেন। ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ওই বছরের ১৭ই সেপ্টেম্বর ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেয়া হয়। যেটি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল। মৌল কাঠামোতে পরিবর্তন চলে আসবে এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণœ হবে এমন যুক্তিতে ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৫ই নভেম্বর হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৪ সালের ৯ই নভেম্বর রুল জারি করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর