× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ২৮ রমজান ১৪৪২ হিঃ
জাতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ-

বেঁচে থাকলে আবার সব কিছু গুছিয়ে নিতে পারবো

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(৩ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৩, ২০২১, মঙ্গলবার, ৭:৩৭ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষের জীবন সর্বাগ্রে। বেঁচে থাকলে আবার সব কিছু গুছিয়ে নিতে পারবো। গত সপ্তাহে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ প্রবল আকার ধারণ করলে মানুষের চলাচলের উপর আমাদের কিছু কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হয়। আপনারা দেখেছেন, কোনভাবেই সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে তাই আমাদের আরও কিছু কঠোর ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে। আমি জানি এর ফলে অনেকেরই জীবন-জীবিকায় অসুবিধা হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলা নববর্ষ-১৪২৮ উপলক্ষে তিনি এ ভাষণ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি টিভি চ্যানেল একযোগে সম্প্রচার করে।

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী করোনা পরিস্থিতি ও এ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত বছর করোনা ভাইরাস আঘাত হানার পর আমাদের নানাবিধ বিরূপ পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়েছে। এই মহামারি প্রতিরোধে যেহেতু মানুষের সঙ্গ-নিরোধ অন্যতম উপায়, সে জন্য আমাদের এমন কিছু পদক্ষেপ করতে হয়েছে যার ফলে মানুষের জীবন-জীবিকার উপর প্রভাব পড়েছে। তিনি বলেন,করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় ইতোমধ্যেই বিজ্ঞানীরা বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন আবিষ্কার  করেছেন। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন সেগুলোর মধ্যে অন্যতম। আমাদের সৌভাগ্য টিকা উৎপাদনের শুরুতেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টিকার ডোজ আমরা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। ইতোমধ্যেই ৫৬ লাখের বেশি মানুষকে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া সম্পন্ন হয়েছে। যারা প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন তাদের দ্বিতীয় ডোজ দেয়া শুরু হয়েছে। আমরা পর্যায়ক্রমে দেশের সকলকে টিকার আওতায় নিয়ে আসবো। আমাদের সে প্রস্তুতি রয়েছে। তবে টিকা দিলেই একজন সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত হবেন এমন নিশ্চয়তা নেই বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। কাজেই টিকা নেয়ার পরও আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। করোনায় সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকাসহ সারা দেশের প্রতিটি জেলায় করোনা ভাইরাস রোগীর চিকিৎসা সুবিধার আওতা আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে করোনাভাইরাস রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বিদ্যমান আই.সি.ইউ. সুবিধা আরও বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তবে আমাদের সবাইকে সাবধান হতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব আমাদের নিজের, পরিবারের সদস্যদের এবং প্রতিবেশির সুরক্ষা প্রদানের। কাজেই ভিড় এড়িয়ে চলুন। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করুন। ঘরে ফিরে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে গরম পানির ভাপ নিন। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে ১৮-দফা নির্দেশনা জারি করেছে। আমরা যদি সকলে করোনা ভাইরাস মোকাবিলার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি, অবশ্যই এই মহামারিকে আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হবো, ইনশাআল্লাহ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
SJ
১৪ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৫:১৩

(ভিড় এড়িয়ে চলুন। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করুন। ঘরে ফিরে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে গরম পানির ভাপ নিন) ধন্যবাদান্তে বলতে হয় কথা গুলি অতি উত্তম, উপকারিও বটে। আল্লা বলেন মানুষ সৃষ্টি করা হইছে দুর্বল রূপে। তাহার কিছু কিছু প্রমান করোনা দেখিয়ে যাচ্ছে। করোনাকে বিশ্লেষন করে যত গুলি নতুন নিয়ম পদ্দতি বিশেষজ্ঞগন দিয়ে থাকে করোনা তাহার অধিকাংশই প্রায় বিপরীত মুখী রূপ নিয়ে থাকে। (1) টিকা (2) লকডাউন মনোদৃষ্টিতে দেখতে পাওয়া যায় এ দুটো উপকারের চেয়ে অপকারই বেশী করে যায়। অপর দিকে পরিষ্কার পরিছন্ন থাকা শৃঙ্খলায় চলাচল করা করোনাতে উপকার দেয়, যাহা অতি পুরোনো রীতিনীতিতে রয়।যেই পুরোনো রীতিতে করোনার টিকা আবিষ্কার করা হয় বস্তুত টিকা তাহার স্বপক্ষে নাই। বলতে গেলে টিকাটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়া ব্যতীত আর কিছু নয়।সাধারন বুদ্ধিমত্তা থেকে সহজেই ধরে নেয়া যায় টিকাটির অধিকাংশই ভিটামিন সম্মৃদ্দ, তবে ইতিপূর্বে ভিটামিনের ব্যবহার মানবদেহে ততটা উপকারী ছিলো না। টিকার গুন ক্ষমতা যতটা বলা হয় বাস্তবিক গুনাগুন কোনো ভাবেই ততটা হওয়া সম্বব নয়।তা এই জন্যই যে, ন্যাচারাল ফাস্ট পওয়ার এর জন্যই এমনটা হয়। টিকা যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে স্থায়িত্ব করতে পারতো তবে মানুষই মানুষের আয়ু বাড়িয়ে দিতে পারতো।অতএব ন্যাচারাল ই ন্যাচারাল এর সমাধান। ফল মূল খাওয়ার দিকে গুরুত্ব দিলে একেকাংশই ভালো থাকা যাবে। অন্যদিকে এন্টিবডি তৈরি করতে কিছু ভেষজ খাদ্য করোনা টিকার চেয়ে অধীক গুরুত্বপূর্ণ। করোনা বিষয় রাষ্ট্র বা দেশ বা সরকার যদি কিছু করতে চায় তবে দেশ বা পৃথিবীর অক্সিজেন বাড়িয়ে তোলার দিকে নজর দিতে হবে। ইহাই মূল সমাধান বাকি অন্যান্য টিকা বা কৌশল গত উপকার 1% এর বেশী নয়। করোনা নিজেই কোনো এক সময়ে দুর্বল হয়ে পরবে, সুবিধা লোভী কিছু মানুষ তখন সাকসের এর গল্প নিয়ে হাজির হবে। উহারাই বিজ্ঞান ও বিশ্লেষক। যাহারা করোনা টিকার আবিস্কারক তাহারা করোনা চিকিৎসার ঔষধ সাকসেস আবিষ্কারের পূর্ব পর্যন্ত করোনার ঠিকাও শুন্যের কোঠায় আছে এবং থাকবে, নিছক সান্তনা মাত্র সাথে বাণিজ্য।

অন্যান্য খবর