× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

রিকশা ভাড়া জোগাতেও হিমশিম খাচ্ছেন অনেক ক্রিকেটার!

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার
১৪ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

২০২০-এর মার্চ থেকে টানা সাত মাস দেশের সব ধরনের ক্রিকেট স্থগিত ছিল। এরপর ওই বছর অক্টোবরে বিসিবি বিশেষ দু’টি আসর আয়োজন করে দেশের ক্রিকেট মাঠে ফেরায়। কিন্তু সেখানে মাত্র ৬০ থেকে ৭০ জন ক্রিকেটারই লাভবান হয়েছেন। এরপর জাতীয় দলের খেলা মাঠে ফিরে চলতি বছরের জানুয়ারিতে। কিন্তু ঘরোয়া ক্রিকেটে যারা নিয়মিত খেলেন তাদের আক্ষেপ বাড়তে থাকে। অবশেষে গেল মাসে জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল) দিয়ে তাদেরও অপেক্ষার অবসান হয়। কিন্তু বিধি বাম! আবারো করোনাভাইরাসের হানা। দুই রাউন্ড হয়েই স্থগিত এনসিএল।
আজ থেকে আবারো দেশে লকডাউন। তাতে নয়া আতঙ্কে ক্রিকেটাররা। বিশেষ করে যাদের জীবন-জীবিকা চলে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি জানালেন কেন ক্রিকেটাররা এত আতঙ্কে! তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখজনক একটা ব্যাপার, প্লেয়ারদের জন্য হতাশার একটা জায়গা। প্রথম শ্রেণির থেকে প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগ ও তৃতীয় বিভাগের সব ক্রিকেটার বেশ কঠিন সময় পার করছে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট শুরু হয়েছিল, বিসিবিকে ধন্যবাদ তারা পদক্ষেপ নিয়েছিল। কিন্তু দুইটা রাউন্ড শেষ হওয়ার পরই দেশের করোনা পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যায়। তখন আসলে কিছু করার ছিলনা আমাদের, বিসিবি’রও কিছু করার নেই। আমাদের সরকারের আদেশতো মানতেই হবে।’ তবে স্থগিত হলেও রাব্বি আশা আছেন। দেশের পরিস্থিতি ভালো হলে দ্রুতই মাঠে ক্রিকেট ফিরবে আশা করে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় লকডাউন শেষে
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারও খেলাটা শুরু হবে। কারণ খেলোয়াড়দের আর্থিক অবস্থা এখন আসলেই খুব খারাপ। আমরা যতটুকু খোঁজ নিয়েছি সব জায়গাতে সবারই অবস্থা খুবই খারাপ। এর থেকে খারাপ আসলে হতে পারে না। মাঝে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ হওয়াতে কিছু খেলোয়াড় হয়তো কিছুটা টিকে আছে। বেশির ভাগ খেলোয়াড় বিপদে আছে। যারা বিপিএল, প্রিমিয়ার লীগ খেলে না তারাই কিন্তু বিপদে। যারা এসব খেলে তাদেরও দেখবেন মাসিক ব্যয় ১ থেকে দেড় লাখ টাকা। আপনি যদি বসে বসে এক বছর পার করেন তাহলে কিন্তু প্রায় ১৬-১৭ লাখ টাকা চলে যায়। এটা বিশাল একটা ধাক্কা। আমরা যারা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে চুক্তিবদ্ধ তারা না হয় কাভার করতে পারছি। কিন্তু যারা চুক্তিবদ্ধ নন তাদের অবস্থা আরও খারাপ। অনুশীলন করতে গেলেও প্রথম বিভাগ, দ্বিতীয় বিভাগের ক্রিকেটারদের যে খরচ হয় সেটাও কিন্তু কঠিন। মাঠে আসা-যাওয়া, আপনার গাড়ি হলে তেল কেনা, বাইকের তেল, রিকশা হলে ভাড়া এগুলোও কিন্তু কঠিন অবস্থায় পৌঁছে গেছে। আমাদের কাছে অনেক ফোন আসে।’ স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসে দেশের অনেক ক্রিকেটাররের অবস্থা কি এতটাই খরাপ যে রিকশা ভাড়া জোগার করতেও হিমসিম খাচ্ছে! এ বিষয়ে রাব্বি বলেন, ‘হ্যা অবশ্যই। আজকে কতদিন হল প্রথম বিভাগ নাই? এই বিভাগের ক্রিকেটারদের পেমেন্ট বছরে ৬-৮ লাখ টাকা। আজকে কতদিন খেলা নাই, এখনো কি তার কাছে এই টাকা থাকার কথা? দ্বিতীয় বিভাগ, তৃতীয় বিভাগ যারা খেলেন আর ঢাকায় যারা অনুশীলন করে গ্রাম-গঞ্জ থেকে এসে তাদের কি অবস্থা? এই অবস্থা আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর