× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ২৮ রমজান ১৪৪২ হিঃ

অধ্যাপক শামসুজ্জামান আর নেই

অনলাইন

অনলাইন ডেস্ক
(৩ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৪, ২০২১, বুধবার, ৩:১২ অপরাহ্ন

করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান (৮১)।  আজ বুধবার দুপুর ২ টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  তিনি বলেন, অসুস্থ হয়ে দু’সপ্তাহ ধরে অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ বুধবার দুপুর ২ টার সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
উল্লেখ্য, এপ্রিলের শুরুর দিকে অধ্যাপক শামসুজ্জামান সস্ত্রীক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। তারা উভয়ই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও বাংলা একাডেমির সভাপতির শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় রোববার তাকে আইসিউতে নেওয়া হয়েছিল।
একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক, অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান একাধারে ছিলেন লোক সংস্কৃতি ও পল্লীসাহিত্য গবেষক। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজ, বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা শিরোনামে ৬৪ খণ্ডে ৬৪ জেলার লোকজ সংস্কৃতির সংগ্রহশালা সম্পাদনা এবং ১১৪ খণ্ডে বাংলাদেশের ফোকলোর সংগ্রহমালা সম্পাদনা।


অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। এবং ১৯৬৪ সালে মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসাবে যোগদান করেন।
একই বছর তিনি জগন্নাথ কলেজে (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) সহকারী অধ্যাপক হিসাবে যোগদান করেন। ২০০৯ সালে ২৪ মে তিনি বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হন। তার পদের মেয়াদ তিনবার বাড়ানো হয়, শেষ হয় ২০১৮ সালে। অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান একুশে পদক ছাড়াও বাংলা একাডেমি পুরস্কার, স্বাধীনতা পুরস্কার, অগ্রণী ব্যাংক পুরস্কার, কালুশাহ পুরস্কার, দীনেশচন্দ্র সেন ফোকলোর পুরস্কার,শহীদ সোহরাওয়ার্দী জাতীয় গবেষণা পুরস্কারসহ নানা পুরস্কার পান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
কাজি
১৪ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৩:০৭

انا الله و انا اليه راجعون বয়স আমাদের জীবনের একটি factor. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ৮১ বছর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে আক্রান্ত অবস্থায় প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয় নি শরীর। আল্লাহ্ জান্নাত দান করুন।

অন্যান্য খবর