× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ
সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় দিন

রাজধানীতে বেড়েছে গাড়ি চলাচল, অনেকটাই শৈথিল্য পুলিশে

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(১ মাস আগে) এপ্রিল ১৫, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
রাজধানীর কাওরানবাজার এলাকার চিত্র

সর্বাত্মক লকডাউনের প্রথমদিন যতটা কড়াকড়ি ছিল তা দ্বিতীয় দিনে অনেকটাই ঢিলেঢালা। রাজধানীর মতিঝিল, দৈনিকবাংলা, ফকিরাপুল, শান্তিনগর, মগবাজার, কাওরানবাজার ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। প্রথমদিনের তুলনায় দ্বিতীয়দিনে রিকশা চলাচল ছিল চোখে পড়ার মতো। যদিও কোথাও কোথাও পুলিশকে রিকশা আটকাতে দেখা গেছে। কিন্তু এত রিকশা নেমে পড়েছে রাস্তায় যে কত আটকাবে? তাছাড়া ব্যক্তিগত কার চলাচল গতকালের তুলনায় অনেক বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
 
গতকাল এ সময় যেখানে মতিঝিল থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত গোটা দশেক গাড়ি চোখে পড়েনি। যারাই নেমেছে জরুরি প্রয়োজন আর পুলিশের মুভমেন্ট পাস দেখাতে হয়েছে। আজ তার ভিন্ন চিত্র।

রাজধানীর টিকাটুলি মোড়ে বেশ কিছু রিকশা আটকে রেখেছে পুলিশ।
ভুক্তভোগি চালকদের পুলিশ বলেছে, দুপুর বারটার পর সব আটক রিকশা ছেড়ে দেব। সে পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আটক এক রিকশা চালক চিৎকার করে বলছে, আমার রিকশা দিলে দেন নইলে আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম। রিকশা না ছাড়লে খামু কি?
   
রাজারবাগ, শান্তিনগর, কাকরাইল এলাকায় রাস্তায় পুলিশকে দেখে মনে হয়েছে অনেকটাই কিংকর্তব্যবিমূঢ়। তারা কি করবেন সর্বাত্মক এই লকডাউনে বুঝতে পারছেন না। বিশেষত যেখানে খেটে খাওয়া মানুষ তার একবেলা রুটি রুজির জন্য পথে নামতে শুরু করেছে।
 
মহল্লার অলিগলি সরব মানুষের চলাচলে। প্রায় সকলেই ছুটির আমেজে কেনাকাটা করছে। দোকানপাট বলতে গেলে সবই খোলা। আর কাঁচাবাজারের চিত্র প্রতিদিনকার মতোই। কাওরানবাজারে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে ক্রেতাদের। হয়তো স্বভাবিকের তুলনায় কিছুটা কম। তবে তা সর্বাত্মক লকডাউনের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়।
    
খুলেছে ব্যাংকগুলো। তবে গ্রাহকদের উপস্থিতি কম। মতিঝিলে সীমিত পরিসরে বেশকিছু ব্যাংকের শাখা এ চিত্র দেখা গেছে। যদিও সর্বাত্মক লকডাউনে ব্যাংক খোলা থাকা বা না থাকা নিয়ে হয়েছে লঙ্কাকা-। আজ ব্যাংক খুললেই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া গ্রাহকরা খুব একটা ব্যাংকমুখি হচ্ছেন বলে মনে হয়নি। শুধুমাত্র ব্যবসায়ীদের জরুরি প্রয়োজনে কিছূ লেনেদেন সম্পন্ন হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
জাফর আহমেদ
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ২:১৫

এগুলো লকডাউনের নামে হাস্য কর তামাশা করে সরকার নিজেই নিজের দূর্বলতা প্রকাশ করছে, সরকারের নির্বাহী আদেশ গুলো এখন চায়ের দোকানে হাসির তামাশার খোরাক যোগায়,

আবুল কাসেম
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:৫৮

ঢিলেঢালা লকডাউন, লকডাউন, কঠোর লকডাউন যা-ই বলেন না কেনো পেটে দানা পানি না থাকলে দুনিয়া আন্ধার। দেখুন, রাস্তায় রিক্সার ভিড়। গায়ে গতরে খেটে খাওয়া শ্রমিকের ভিড়। ব্যাংক খোলা। ব্যাংকে ভিড় নেই। ব্যাংকে খেটে খাওয়া শ্রমিকের যাওয়ার দরকার নেই। ১৩ তারিখে ব্যাংক থেকে বড়ো লোকেরা মনের মতো করে টাকা তুলে নিয়েছেন। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ হিমশিম খেয়েছেন। প্রণোদনা গার্মেন্টস মালিকদের জন্য। রিকশাওয়ালা, কাজের বুয়া, টং দোকানের চা বিক্রেতা ও আমাদের মতো বয়সী বেকারদের কথা ভাববার কেউ নেই। পাশাপাশি দেখা যায় চাটার গোষ্ঠীর বাহারি জীবন। নিম্নবিত্ত যারা কাজ হারিয়েছে তাদের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। টিসিবির ট্রাকের সামনে পেছনে দীর্ঘ লাইন। অর্থনৈতিক আয় বৈষম্য কি পরিমাণ বেড়েছে তা অকল্পনীয়। করোনার ঘাত-প্রতিঘাতে তা আরো বেড়েছে। বিশাল একটা অংশ কাজ হারিয়েছে। নয়তো আয় রোজগার কমেছে। আর একটা অংশ নিয়োগে টাকা হাতিয়ে নেয়, কেনা কাটায় টাকার অভাবনীয় লাভের লোভ সামলাতে পারছেনা। ফলে বৈষম্য উত্তরোত্তর বেড়ে চলছে। নিরব হাহাকার চলছে। অজানা আশংকা তাড়া করছে। দিনের রোজগারের টাকা দিয়ে যারা চাল, তেল, আলু, পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ কেনে তাদের কথা মাথায় রেখে লকডাউন দেয়া অপরিহার্য। বেগম পাড়া ওয়ালাদের ভোগের নেশা অপ্রতিরোধ্য। তাদের সামনেই রিকসাওয়ালা আল্লাহর দরবারে বিচার দেয়। আল্লাহ তায়ালা সব মানুষের জন্য রিজিকের ব্যবস্থা করেছেন। যারা বুদ্ধিতে পটু তারা কারসাজি করে কম বুদ্ধির লোকদের রিজিক হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক সেক্টরে কারসাজির অন্ত নেই। আল্লাহ তায়ালা আ'লেমুল গায়েব। তিনি জানতেন মানুষ অন্যের হক আত্মসাৎ করবে। তাই তিনি বলে দিয়েছেন, "আর তাদের (ধনী লোকদের) সম্পদে অবশ্যই প্রার্থী (দরিদ্র) ও বঞ্চিতদের অধিকার রয়েছে।" সূরা আয-যারিয়াত। আয়াতঃ১৯। সমাজের কিছু লোকের মধ্যে ধন সম্পদ কুক্ষিগত থাকবে তাও আল্লাহ তায়ালার মনপুত নয়। তাই তিনি ইরশাদ করেন, "ধন-সম্পদ যেন শুধু তোমাদের ধনীদের মধ্যেই আবর্তিত না হয়।" সূরা আল-হাশর। আয়াতঃ৭। কুরআন মজিদের এই আয়াত থেকে সম্পদের সুষম বণ্টনের নীতি পাওয়া যায়। একটা শ্রেণির অপ্রতিহত খাইখাই বন্ধ হলে অন্য শ্রেণির দরিদ্র হয়ে থাকা অসম্ভব। সুতরাং লকডাউন দিলেও গরীবের জীবীকার বিষয়টি উপেক্ষা করার মতো নয়। কিন্তু মহামারি থেকে বাঁচতে হলে লকডাউন অপরিহার্য। সাথে সাথে গরীবের খাদ্যের ব্যবস্থা করাটাও অপরিহার্য।

আনিস উল হক
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:৫৩

সমাজে আর্থ-সামাজিক বিন্যাসের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থানকারী একজন মানুষের জীবনের অসহায় আর্তনাদ এটি । সেই মানুষটি ও জানে সে যে বিচারটি চাইছে সে তার জীবদ্দশাতে তা পাবে না।তবুও সে আত্নসান্ত্বনা পেতে চাইছে। অভাবী একজন রিক্সাওয়ালাকে যেমন শুধুমাত্র পেটের তাগিদে রাস্তায় নামতে হয়েছে তেমনি তার রিকশায় চড়ার জন্য একজন মধ্যবিত্ত ব্যক্তিরও প্রয়োজন হবে।একজন গৃহস্তের উৎপাদন করা ঢেঁরস বা পটল যেমন বাজারে এনে বিক্রি করতে হবে আবার তা কেনার জন্য ক্রেতাও বাজারে থাকতে হবে। গ্রামের যে মজুরটি সারা দিন মাঠে শ্রম বিক্রি করেছে তার মজুরির টাকা দিনশেষে হাতে পেয়েছে চাল আলু পটল কিনতে তাকেও হাটে বা বাজারে আসতে হবে। এ মাস শেষে হয়তবা শহুরে দোকানের কর্মচারীরা কোন বেতন পাবেনা। এই হোল দেশের প্রকৃত অবস্থা। আমাদের দেশে এখন অতিদ্রুত সব মানুষকেই করোনা টিকা দেয়ার ব্যবস্হা নিতে হবে এবং ব্যক্তিগতভাবে যেন প্রত্যেকই করোনাসচেতন হয়ে উঠে সে বিষয়ে প্রচারণা চালাতে হবে।

milon
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১:৫১

পেটে যার ভাত নেই, তাকে ঘরে রাখবেন কীভাবে

fastboy
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১:৪৯

সরকার সর্ব দিকে খারাপ বিদেশে লকডাউনে সরকার খাওয়া দাওয়ার টাকা সাহায্য করছে দিন মজুর তালিকা হীন, তাই তাদের খাওয়া দাওয়ার জন্য দৈনিক বা সাপ্তাহিক সরাসরি সরকারি সাহায্য পৌছে দেওয়ার System চালু নাই।

SJ
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:৪৮

লক ডাউন কার্যকরী হোক আর নাই হোক,লক ডাউন উপকার করে কি?তবে লক ডাউনে যতটা উপকার ভাবা হয় বাস্তবতায় ক্ষতি অনেক বেশী হয়।ঠুনকো পরিকল্পনা অদক্ষ যুক্তি মানব জাতিকে কখনোই উপকার করেনি। লক ডাউন এক মুখস্ত করা কথা মাত্র।লক ডাউন প্রথম রমজানের দিন শুরু করা ছিলো নিছক ভুল এবং ভুল ও সমালোচনা উস্কে দেয়া মাত্র। বিজ্ঞানীগণ পরামর্শ দিয়েছিলো যেমন কিছু কিছু দেশ করেছে তার ভুল ব্যবহার। যদি ভাবা হয় সুস্থ মস্তিষ্কে তবে দেখতে পাওয়া যায়,লক ডাউন সুস্থ মানুষগণকে অসুস্থ করে দেয়। আর অসুস্থগন তো হাসপাতাল ও নিজ বাসায়। বাদ দেয়া উচিৎ মুখস্ত নীতি, বেশীর ভাগ মানুষের ই তো নিজ জ্ঞেয়ান কাজ করে না, শোনে আর বলে। 1. লক তার জন্য, যিনি জ্বর কাশিতে অসুস্থ। 2. মাস্ক তার জন্য, যিনি জ্বর কাশিতে অসুস্থ, N95. 3. জরিমানা তার জন্য , যিনি জ্বর কাশিতে অসুস্থ হয়ে করোনা নীতি ভঙ্গ করে।

Kazi
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:০২

Bangladesh এ লকডাউন দিয়ে কার্যকর করা সত্যি কঠিন। কারণ লোক সংখ্যাধিক্য, দিন মজুর তালিকা হীন, তাই তাদের খাওয়া দাওয়ার জন্য দৈনিক বা সাপ্তাহিক সরাসরি সরকারি সাহায্য পৌছে দেওয়ার System চালু নাই। সরকার দিন মজুরের ব্যাঙ্ক একাউন্ট সহ তালিকা করা ও দুঃসাধ্য। বিদেশে প্রতিটি মানুষ পরিচয় কার্ড ( বাংলাদেশের টিএন এর মত ) Social insurance Card এর পরিচয় যুক্ত তালিকা করা। সরকার এই নাম্বার ব্যবহার করে সরাসরি ব্যাংকে টাকা সাহায্য করতে পারে। মধ্যস্থ কেউ তা আত্মসাত করতে পারে না । একদিন হয়তো তা হতে পারে। তবে সময় সাপেক্ষ। তখন সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে সাহায্য পাইলে সবাই সরকারি আইন মানবে। এমনকি দীর্ঘদিন লকডাউন এর জন্য অনুরোধ করবে। বিদেশে লকডাউনে সরকার খাওয়া দাওয়ার টাকা সাহায্য করছে তাই সবাই চায় লকডাউন দীর্ঘ হউক, বসে বসে সরকারি টাকা খাওয়া যাবে। এটা মানব স্বভাব।

Md. Shahid ullah
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:৫২

একজন শাসক সর্ব দিকে খারাপ হতে পারে না। বিশেষজ্ঞদের বাদ দিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের মুল্যায়ন করা হোক। করোনা কাদের ধরে। কাদেরকে ঘরে আটকানো প্রয়োজন।

অন্যান্য খবর