× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ
ওলামা-মাশায়েখদের বিবৃতি-

জেল জুলুম বন্ধ না হলে আল্লাহ’র গজব থেকে কেউ রেহাই পাবে না

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(৪ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৫, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:১৭ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়েছেন ওলামা-মাশায়েখরা। দেশে বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে হেফাজত নেতাদের রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতনের নিন্দা ও আলেমদের ওপর হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ দাবি জানান। এদিন এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় অংশ নেন দেশের শীর্ষ স্থানীয় ওলামা মাশায়েখগণ।

বিবৃতিতে ওলামা মাশায়েখরা বলেন, বিগত ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ পরিস্থিতির পরবর্তী অবস্থা দেশবাসীর সামনে স্পষ্ট। দেশের আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে যেভাবে মিথ্যাচার ও মানহানিকর অবস্থা করা হচ্ছে।  এতে মনে হচ্ছে আলেম-ওলামা কোন কোন ভিনদেশী নাগরিক। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে কেউই আল্লাহর পাকড়াও থেকে রেহাই পাবে না। নিরীহ মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের ওপর অন্যায়ভাবে গুলি চালিয়ে শহীদ করে দেয়া এবং শত শত নিরাপরাধ মানুষকে জীবনের তরে পঙ্গু করে দেয়া হচ্ছে, আবার তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে।

শুধু তাই নয় আমিরে হেফাজত আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে নতুন করে মিথ্যা হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী, মাওলানা ইলিয়াস হামিদী, মুফতি শরীফ উল্লাহ ও মুফতি বশির উল্লাহসহ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ৪জন, ভোলায় ৭জন, সিলেটে ৭জন, গাজীপুরে ৪ জন, নরসিংদীতে ১ জনকে ডিবি অফিসে হয়রানি ও গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে।

আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি, এহেন পরিস্থিতিতে ওলামা-মাশায়েখসহ দেশবাসী গভীরভাবে উদ্বেগ্ন ও উৎকণ্ঠিত।
আল্লাহপাক কোন জালেমকে ছেড়ে দেন না। আল্লাহর গজব থেকে রক্ষা পেতে হলে এই ধরনের অমানবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করুন।  

তারা বলেন, বর্তমান সরকার দলীয় প্রশাসন ভিন্ন মতাবলম্বীদের জন্য দেশটাকে একটি কারাগারে পরিণত করেছে। কোনো সম্মানী ব্যক্তিদের ইজ্জতের কোন তোয়াক্কা নেই। দেশের সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নেই। এভাবে একটি সভ্য জাতির মান-সম্মান নিয়ে টিকে থাকতে পারে না।  সুতরাং আমরা পরিষ্কার বলে দিতে চাই, এদেশের মানুষের আস্থার প্রতীক, আদর্শ ও শান্তিপ্রিয় সমাজ বিনির্মাণের চালিকাশক্তি ওলামায়ে কেরামদের উপর জেল জুলুম নির্যাতন বন্ধ করুন।  মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করুন।  অন্যায় ভাবে গ্রেফতার ব্যক্তিদের নিঃশর্ত মুক্তি দিন। শত শত আহত রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করুন। নিহত পরিবারের যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেয়ার ব্যবস্থা করুন। নতুবা এই পবিত্র মাহে রমজানে মজলুমদের আহাজারিতে আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠবে। আর আল্লাহর গজব থেকে কেউই রেহাই পাবে না।

শীর্ষ আলেমগণ আরও বলেন, পবিত্র মাহে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা ও এ মাসে অপরিসীম ফজিলত লাভের আশায় দেশে ও জনগণের কল্যাণ কামনায় মসজিদগুলো তারাবির সহ সব এবাদতের জন্য উন্মুক্ত করে দিন।  কোরআনে কারিমের তেলাওয়াতের জন্য মক্তব ও হিফজখানাগুলো খুলে দিন।  সারা দেশে করোনা মহামারি থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষার জন্য উপরোল্লিখিত দাবিগুলো মেনে নেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।  
বিবৃতিতে যারা সম্মতি প্রকাশ করেছেন তারা হলেন আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, আল্লামা সালাউদ্দিন নানুপুরী, আল্লামা ইয়াহিয়া হাটহাজারী, আল্লামা হাফেজ তাজুল ইসলাম, আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী, আল্লামা আতাউল্লাহ হাফিজ্জ্বি, আল্লামা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, আল্লামা আবুল কালাম, আল্লামা আব্দুল আউয়াল, আল্লামা ওবায়দুল্লাহ ফারুক বারিধারা, আল্লামা আব্দুর রব ইউসুফী, আল্লামা মুফতি মোবারক উল্লাহ, আল্লামা সাজিদুর রহমান, আল্লামা নুরুল ইসলাম খান দরগাহ মাদ্রাসা, আল্লামা মহিউল ইসলাম বোরহান মুহতামিম রেঙ্গা মাদ্রাসা, আল্লামা মাহফুজুল হক, ড. আহমদ আবদুল কাদের, এডভোকেট শাহীনুর পাশা চৌধুরী, খতীবে বাঙ্গাল আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা ফজলুল করীম কাসেমী, মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী,মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী,  মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী বারিধারা, মাওলানা মীর ইদ্রিস, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা জালাল উদ্দিন আহমেদ, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস মানিকনগর, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা মুসা বিন আজহার, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মাওলানা ইউনুস রংপুর, মাওলানা ইসমাইল নানুপুরী, মুফতি আব্দুর রহিম, মাওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ জামী, মুফতি মাসউদুল করিম, মুফতি আজহারুল ইসলাম প্রমুখ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
AMIR
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১০:৪৫

মসজিদগুলো তারাবির সহ সব এবাদতের জন্য উন্মুক্ত করে দিন। কোরআনে কারিমের তেলাওয়াতের জন্য মক্তব ও হিফজখানাগুলো খুলে দিন। সারা দেশে করোনা মহামারি থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষার জন্য উপরোল্লিখিত দাবিগুলো মেনে নেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি। ------জনসমাগম যাতে হয় আর করোনার থেকেও রক্ষা হয় ---বকতব্যটা স্ববিরোধী হয়ে গেল নয় কি?

আহমেদ বাবলা মালেক
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ১২:৩২

আপনাদের মত কিছু বেঈমান মুনাফিক আলেম নামদারি পুরা আলেম সমাজকে কলংকিত করছেন। এই যে এখন পুলিশ ধরে নিয়ে যাচ্ছে, রিমান্ড নেওয়া হচ্ছে এটা আল্লাহ্র বিচার। আপনারা জামায়াতের মত মুনাফিক। এখন যেটা হচ্ছে আপনাদের উপর এটাই তো আল্লাহ্র গযব।

জাকারিয়া
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১০:৩৯

আল্লাহর গজবে মাফিয়াদের পতন অনিবার্য। আল্লাহর প্রিয় বান্দাদেরকে রমজান মাসে বন্ধি করা হচ্ছে। মসজিদ তালা বদ্ধ করা হচ্ছে। এসব দেখে মনে হচ্ছে রাত অনেক গভীর হয়েগেছে,,, সুবহে সাদিক একদম সন্নিকটে।

samsulislam
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৮:১৪

৭৩ জাহান্নামিদের মধ্যে আপনারা কত নম্বরে?

আবুল কাসেম
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৭:৪৫

কেউ যদি প্রমাণ করতে পারেন আলেম ওলামাদের কারণে আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে গজব নাজিল করেছেন তাহলে চ্যালেঞ্জ রইলো। কিন্তু, আমি প্রমাণ করে দেবো আল্লাহর পথে, আল্লাহর দিকে আহ্বান কারীদের বিরোধিতা কারীদেরকে যুগে যুগে আল্লাহ তায়ালা আজাব-গজব দিয়ে পৃথিবী থেকে নির্মুল করে দিয়েছেন। কুরআনের বহুস্থানে অতীত জাতিসমূহের ধ্বংসের ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে, "এদের আগে নূহের জাতিও এভাবে অস্বীকার করেছিলো, তারা আমার বান্দা নূহকে মিথ্যা সাব্যস্ত করেছে, তারা তাকে পাগল আখ্যায়িত করেছে, তাকে ধমক দেয়া হয়েছিলো। অবশেষে সে তার রব কে ডাকলো। অবশ্যই আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। অতএব তুমিই প্রতিশোধ নাও। এরপর আমি প্রবল বৃষ্টির পানি বর্ষণের জন্য আকাশের দুয়ারগুলো খুলে দিলাম। ভূমির স্তর বিদীর্ণ করে প্রচণ্ড প্রস্রবনে পরিনত করলাম। অতপর আসমান জমিনের পানি এক জায়গায় মিলিত হলো এমন একটি কাজের জন্য যা আগে থেকেই ঠিক করে রাখা হয়েছিলো।তখন আমি তাকে কাঠ ও পেরেক দিয়ে নির্মিত যানে উঠিয়ে নিলাম। যা আমার দৃষ্টির সামনে বয়ে চললো। এটি ছিলো সে ব্যক্তির জন্য একটি বিনিময়, যাকে অস্বীকার করা হয়েছিলো। আমি (জলযান সদৃশ) সে জিনিসটাকে (পরবর্তী মানুষদের জন্য) একটি নিদর্শন হিসেবে রেখে দিয়েছি। কে আছে শিক্ষা গ্রহণ করার? আ'দ জাতির লোকেরাও (আমার নবীকে) মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। আমার আজাব কেমন কঠোর ছিলো এবং আমার সতর্কবানী! এক স্থায়ী কুলক্ষণের দিনে আমি তাদের ওপর প্রবল বায়ু প্রেরণ করেছিলাম। তা মানুষদের এমনভাবে ছুঁড়ে মারছিলো যেনো তা খেজুর গাছের এক একটি উৎপাটিত কাণ্ড। (হ্যাঁ দেখে নাও) কেমন কঠোর ছিলো আমার আজাব, আর আমার সতর্কবানী! অবশ্যই আমি উপদেশ গ্রহণের জন্য কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি, কে আছে তা থেকে শিক্ষা গ্রহন করার? সামুদ সম্প্রদায়ও সতর্ককারীদের মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিলো।" সূরা আল ক্কামারঃ৯-২৩। সামুদ জাতির ওপর আজাবের কথা ইরশাদ হচ্ছে, "অতপর আমি তাদের ওপর প্রেরণ করলাম মাত্র একটি গর্জন। এতেই তারা শুষ্ক শাখাপল্লব নির্মিত জন্তু জানোয়ারদের দলিত খোয়াড়ের মতো হয়ে গেলো। বোঝার জন্য আমি কুরআন সহজ করে নাজিল করেছি। উপদেশ গ্রহণ করার মতো কেউ আছে কি? লূতের জাতির লোকেরাও সতর্ককারীদের মিথ্যাবাদী বলেছিলো। আমি তাদের ওপর প্রেরণ করলাম পাথর বৃষ্টি। লূতের পরিবার পরিজন ও তার অনুসারীদের বাদে, রাতের শেষ প্রহরেই আমি তাদের উদ্ধার করে নিয়েছিলাম।" সূরা আল ক্কামারঃ৩১-৩৪। ফেরাউনে কথা বলা হয়েছে এভাবে, "ফেরাউনের জাতির লোকদের কাছেও আমার পক্ষ থেকে সতর্ককারী এসেছিলো। কিন্তু, তারা আমার সমূদয় নিদর্শন অস্বীকার করেছে। আমিও তাদের পাকড়াও করলাম- যেমন করে সর্বশক্তিমান সত্তা বিদ্রোহীদের পাকড়াও করে থাকেন। (তোমরা কি সত্যিই মনে করেছো) তোমাদের (সমাজের) এ অস্বীকারকারীরা তোমাদের পূর্ববর্তী কাফেরদের চেয়েও শক্তি ও ক্ষমতায় উৎকৃষ্ট? অথবা কিতাবের কোথাও কি তোমাদের জন্য অব্যাহতি আছে? অথবা তারা বলছে আমরা হচ্ছি একটি অপরাজেয় দল। অচিরেই এ দল টি শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়ে যাবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালাতে থাকবে।" সূরা আল ক্কামারঃ৪১-৪৫। কুরআন মজিদে অবাধ্য আ'দ জাতির কথা বলা হয়েছে এভাবে, "আর আ'দ এর অবস্থা ছিলো এই যে, তারা পৃথিবীতে অযথা অহংকার করে ঘুরে বেড়াতো এবং বলতো, আমাদের অপেক্ষা অধিক শক্তিধর কে? অথচ তারা চিন্তা করে দেখেনি যে আল্লাহ তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি শক্তির দিক থেকে তাদের অপেক্ষা অধিকতর প্রবল। বস্তুতঃ তারা আমার নিদর্শনাবলী অস্বীকার করতেই থাকল। অতঃপর অশুভ দিনগুলোতে আমি তাদের উপর প্রেরণ করলাম ভীষণ ঝঞ্ঝাবায়ু যাতে তারা পার্থিব জীবনে লাঞ্ছনার আযাব আস্বাদন করে। আর পরকালের আযাব তো আরও লাঞ্ছনাকর, আর তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।" সূরা হা-মীম আস্ সাজদাঃ১৫-১৬। যারা নবীদের হত্যা করতে চেয়েছিলো তারা-ও আসমানী আজাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরশাদ হচ্ছে, "তারা তো নবী হত্যার পরিকল্পনা করল আর আমরাও তাদের শাস্তির সিদ্ধান্ত নিলাম। তাদের পরিকল্পনা আমার জানা ছিল কিন্তু আমার পলিকল্পনা তারা অবগত ছিল না। এখন দেখে নাও তাদের ভয়াবহ চক্রান্তের কি নিদারূণ পরিণতি হয়েছিল। আমার কঠিন গজব কিভাবে ধ্বংস করেছিল তাদেরকে ও তাদের অভিশপ্ত জাতিকে, এতে জ্ঞানীদের জন্যে রয়েছে অনুভব করার নিদর্শন।" সূরা আন-নমলঃ৫০-৫২। এখন অজ্ঞ লোকদের ব্যপারে আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে ইরশাদ করেন, "কিছু মানুষ আল্লাহ পথ থেকে বিচ্যুত করার উদ্দেশ্যে অজ্ঞতাবশতঃ অবান্তর কথাবার্তা (গান-বাজনা) ক্রয় করে আর আল্লাহর পথকে ঠাট্টা-বিদ্রোপ করে। ওদের জন্যই রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি।"সুরা লোকমানঃ৬। উপরের উদাহরণ হতে বুঝতে অসুবিধার কথা নয়, কি জন্য কার ওপর আল্লাহ তায়ালা আসমানী আজাব নাজিল করেছেন। সাজানো ঘটনায় আলেমদের হয়রানি করা থেকে বিরত থাকা উচিত। নবী রাসূল স. ও সাহাবা রা. ব্যতিত কোনো মানুষই দোষ ত্রুটি, ভুল ও গুনাহের ঊর্ধ্বে নয়। কিন্তু, আলেমদের গোনাহ বা ভুলের পরিমাণ আমাদের সাধারণ মানুষের গোনাহের পরিমাণ- এর চেয়েও কি বেশি? কক্ষনে নয়। আমরা সামাজিক অপরাধে ডুবে আছি। আলেমগণ কিন্তু তা নন। সুতরাং আলেমদের বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করা উচিত।

Md. Harun-ur-Rashid
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৭:৪২

We no need lebasi alem, we need deen e hakkani alem. Our prophet (PBUH) and Sahabe keram never asked for gajab. I think your bad work will be cause of 'gajab" .Allah need truly Mumin peoples but not fake alem who did bad work like Mominul. Alllah may hefajot us from Hefajot dal.

সেলিম
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:৪০

আপনাদের মতো হুজুর নামধারীদের জন্যই আল্লাহ যুগে যুগে গজব নাজিল করেন। আপনাদের মনে শুধু হিংসা। আপনারা কোন আইন মানেন না, কথায় কথায় শুধু ফতোয়াবাজি করেন। মাদরাসাগুলোকে মানিয়েছেন সমকামের আঁখড়ায়। অন্যের বউকে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেও আপনাদের কোন পাপ হয় না। আপনাদের কথা শুনলে ফেরেসতারাও ভাগবে আশপাশ থেকে। মানুষকে মহব্বত করেন ঘৃনা নয়

Ashik
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:৩৫

মামুনুল হক রিসোর্টে ধরা খাওয়ার পর বলছেন এটা তার ব্যক্তিগত বেপার এবং সে তার স্ত্রীকে নিয়ে যে কোন স্থানে যেতে পারবে۔ তাই যদি হয় তাহলে সে কি সিনেমা হল এবং পার্কেও তার স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যেতে পারবেন ? আল্লাহর গজব আপনাদের জন্যই বেশি হয় !

ফরিদ আহম্মেদ
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:০৬

এই জুলুমবাজদের হাত থেকে বাচতে হলে মাঠে নামতে হবে।এবং ঠিক করতে হবে গন্তব্য।আল্লাহ আপনাদের সহায় হবেন

সেলিম
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:৫৭

আপনাদের মতো হুজুর নামধারীদের জন্যই আল্লাহ যুগে যুগে গজব নাজিল করেন। আপনাদের মনে শুধু হিংসা। আপনারা কোন আইন মানেন না, কথায় কথায় শুধু ফতোয়াবাজি করেন। মাদরাসাগুলোকে মানিয়েছেন সমকামের আঁখড়ায়। অন্যের বউকে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেও আপনাদের কোন পাপ হয় না। আপনাদের কথা শুনলে ফেরেসতারাও ভাগবে আশপাশ থেকে। মানুষকে মহব্বত করেন ঘৃনা নয়

শিকদার
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:৪৪

কিছু মানুষের কমেন্ট দেখে লজ্জা পাই। এতটা নির্লজ্জ কীভাবে দলকানারা হতে পারে? মিথ্যাবাদীদের ধ্বংস অনিবার্য।

Abdul hamid
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:৩৮

পাকড়াও???????? এটা কোন দেশি শব্দ???

Shahab
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:৩৭

There are bomb maker nation saw 2005 August 17 in Bangladesh.

Ranbi Badal
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:২১

আল্লাহর গজব পরে। সন্ত্রাসিদের উপর পুলিশের গজবে দেশবাসী খুশি ।

আবুল কাসেম
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:১৪

আম্বিয়ায়ে কেরাম আলাইহিমুসসালাম এবং সাহাবায়ে কেরাম রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহুম ব্যতিত যে যতো বড়ো ওলী আল্লাহ-ই হোকনা কেনো কেউ ভুলের ঊর্ধ্বে না। মানুষ মাত্রই ভুল হয় এবং হবে। তাই বলে আলেম ওলামাগণকে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা নিজেরা অসংখ্য ভুলের মধ্যে ডুবে আছি। ভূপেন হাজারিকা গেয়েছেন, 'পুরনো ইতিহাস ফিরে এলে লজ্জা কি তুমি পাবেনা- ও বন্ধু?'

শহীদ আহমদ
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:০৯

ঈমান আকিদা ধ্বংসকারী সকল আয়োজনের বিরুদ্ধে সকল মোমেনকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এটা সকলের ঈমানি দায়িত্ব।

Motin
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:০৭

চাচারা আল্লাহ কি শুধু আপনাদের জন্য? রাজনৈতিক দল না হয়েও নিজেরা সরকার পতনের ডাক দিবেন এ কেমন কথা??? ইসলামিক লেবাছে অন ইসলামিক কাজ করবেন, দেশের কোটি কোটি টাকা ক্ষতি করবেন, তা কি হবে?এখন শুনলাম বড় হুজুর কে আপনারা মেরে ফেলেছেন, যদি তা সত্যি হয় পরম করুণাময় আল্লাহ তাআলা আপনাদের এই রমজানে ধ্বংস করে দিবেন মামুনুল হক এর মত। মামুনুল হক অন্যের বউ নিয়ে রিসোর্টে গেছে এখন আপনাদের ফতুয়া কোথায়? ফতোয়াবাজি বন্ধ করুন বন্ধ করুন বন্ধ করুন।।।

কাজি
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:০৩

ইসলামের মূল শত্রু বিকৃত উলেমা সম্প্রদায়। বিধর্মীরা ইসলামের অনিষ্ট করতে পারবে না। এরা পারবে। এরা বিকৃত ধার্মিক।

কাজি
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩:৫৯

লুত সম্প্রদায় যে প্রকার পাপে লিপ্ত ছিল, আজকে লম্বা পোশাক ধারী তথ্য কথিত আলীম একই ধরনের পাপে লিপ্ত। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে জঘন্য কাজ করার অপরাধে গ্রেফতার হচ্ছে। ঘরে বউ থাকতে এ পাপ তাদের বাতিক, যা লুত সম্প্রদায়ের মধ্যে ছিল। করোনা মহামারী তাদের পাপের শাস্তি। তাদের পাপের শাস্তি জনগণ ভোগ করছে। সরকারের কাজ এদের শাস্তি বিধান করা। ইসলামী পোশাকধারি ইসলামের বিরাট শত্রু। এদের ধরে ধরে সাজা না দিলে দেশে আল্লাহ্'র বড় গজব নামবে। সরকারের কাছে আকুল আবেদন ক্ষমা করবেন না। পোশাক দেখে ভুল করবেন না। এসব মেকি পোশাক।

ওমর ফারুক
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩:৫৬

অসামাজিক কাজে লিপ্ত কথিত মাওরানাকে সমর্থন দিয়ে তার কার্যকলাপকে স্বিকৃতি দিবেন এটা কি ইসলামিক নীতি? আিন শৃঙ্খলা বিরোধি কাজ করবেন আবার বলবেন আল্লাহর গজবের কথা। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ই শ্রেস্ঠ বিচারক। আপনাদের এহেন কার্যকলাপের সমর্থনে গজব এত সহজে আল্লাহ দিবেন না। দেশের শৃঙ্খলা, আইন পরিস্থিতি রক্ষায় দেশের শাসক ব্যবস্থা নিলে াাাপারা কি সংশোধিত হতে পারেন না?

Mahbub
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩:৩৬

ইসলাম এর নামে ইসলাম বিরোধী, অনৈতিক কাজ করবেন, জঙ্গি তৎপরতা চালাবেন আর আল্লাহর গজব এর কথা বলবেন তা তো হয় না। ইসলামের সঠিক পথে আসুন,অপব্যখ্যা থেকে বীরত থাকুন।

অন্যান্য খবর