× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

চালের দাম বৃদ্ধির কারণ জানালেন অর্থমন্ত্রী

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(৪ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৫, ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৫:০২ অপরাহ্ন
ফাইল ছবি

করোনার কারণে কৃষকরা ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় চলতি বছর চালের সরবরাহ কম হয়েছে, ফলে বাজারে চালের দাম বেশি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়ালি প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

৮-১০ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতির পরও বাজারে চালের দাম অনেক বেশি, এর কারণ জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ধান, চাল এবং গম প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। আমরা দাবি করি- আমরা খাদ্যশস্যে স্বাবলম্বী। খাদ্যশস্যে আমরা স্বাবলম্বী হতে পারি সেই বছর যে বছর আমাদের প্রকৃতি স্বাভাবিক থাকে। যদি প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ আসে সেটা আমরা মেইনটেইন করতে পারি না। আমাদের এখানে যে পরিমাণ জমি, দক্ষতা ও সক্ষমতা আছে তা যথাযথ কাজে লাগাতে পারলে আমরা সফল সেই বছর।

তিনি বলেন, গত বছরও আমাদের অনেক বোরো নষ্ট হয়েছে, সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য একটি প্যাকেজ নেয়া হচ্ছে, সেভাবেই কাজটি করা হচ্ছে। ভারতেও সেভাবে কৃষিতে সফলতা পায়নি। আমাদের পাশের যেসব দেশ যেমন থাইল্যান্ড তাদেরও ঘাটতি আছে।
করোনাভাইরাসের কারণে সারাবিশ্বই আমাদের চেয়ে অনেক দেশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এর কারণে কৃষিকাজ কৃষকরা করতে পারেনি। স্বাভাবিক কাজ যেমন ব্যাহত হয়েছে তেমনি কৃষিও ব্যাহত হয়েছে। এর কারণে সরবরাহ কমে গেছে, ফলে চালের দামটা বেশি।

অর্থের অপচয়রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের পরামর্শের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট প্রণয়নের জন্য আমাদের একটি টিম আছে, সেই টিম কাজগুলো করবে। আমরা পরামর্শগুলো পেয়েছি, সেগুলো আমরা বিবেচনা করবো।

গণমাধ্যম নেতৃবৃন্দের বিভিন্ন পরামর্শের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, শাইখ সিরাজ খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষিতে ভর্তুকি বাড়ানো, পোল্ট্রি শিল্পের দিকে নজর দিতে পরামর্শ দিয়েছেন। নঈম নিজাম নিউজপ্রিন্টের ওপর আরোপিত কর কমানো, করপোরেট ট্যাক্স কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া আমাদের বিভিন্ন কাজ সময়মতো হয় না বলে অপচয় হয়, সেই অপচয় বন্ধ করার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, চ্যানেল আইয়ের বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম আলোচনায় অংশ নেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
AMIR
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ১০:০৮

চালের দাম বৃদ্ধির কারণ জানালেন অর্থমন্ত্রী------ বৃদ্ধির কারণ জানালেন, দাম কমানোর জন্য কি কি ব্যাবস্থা নিয়েছেন সেটা তো জানা গেল না!

Hasa
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১২:০৯

Aktu valo thaka din

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৭:২১

আমার মনে হয়, তিনি অযুক্তিক ও অপ্রাসঙ্গিক কথাবর্তা বলছেন। চারদিকে গ্লাস লাগানো এসি রুমে থেকে এসির সম্পর্কে কথা বললে চলবে না। বাস্তবতা আসতে হবে। গ্রামের মানুষের সাথে করোনার কোন সম্পর্ক নেই। তার করোনাকে ভয় পায় না। তারা জীবনের চেয়ে জীবিকাকে বেশি ভয় পায়। সেখানে করোনা তারা ভয় পায় নি। চালের দাম আস্তে বাড়ছে যে আমারা অতীত কখনো এমন দেখিনি। তেলের দামসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সব কিছুই আস্তে আস্তে বাড়ছে। আপনি বললেন যে, কারোন্র কারনে প্রান্তীক চাষীরা ধান চাষ করতে পারেনি। আমার মনে হয় হয় মন্ত্রী হাওয়ায় পরে কোন দিন তিনি গ্রামে যান নি। গ্রামের প্রান্তিক মানুষের সাথে মিশলে হয়তো এমন বলতে পারতেন না। তবে প্রকৃতিক কারনে অনেক সমস্যা হতে পারে। সেটা আমরা নির্দিধায় মেনে নিতো কোন সমস্যা হয় নি।

Md. Shahid ullah
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৮:০৩

মাঠ পর্যায়ে কৃষি নিয়ে সরকারের অনেক গবেষণার প্রয়োজন। বর্তমানে প্রচলিত নানান প্রকল্প, কার্যক্রম, কৃষক প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা, মাঠ দিবস, উদ্বুদ্ধকরণ ভ্রমণ এসবের কোনটা দরকার আর কোনটা অপ্রয়োজনীয় তার চিন্তা-ভাবনা করতে হবে। প্রণোদানা বাদ দিয়ে কৃষকদের বিনা সুদে মৌসুম ভিত্তিক কিস্তি আদায়ে ঋণ দেয়া যায় কিনা, মনিটরিং নামে উপজেলা পর্যায়ে উব্র্ধতনদের ভ্রমণ সংকুচিত করে, সম্মানী ভাতা বিলুপ্ত করে ব্লক পর্যায়ে স্বল্প সময়ে আসন্ন ফসলের উপর, রোগ-বালাইয়ের উপর কৃষক প্রশিক্ষণ দেয়া যায় কিনা ভাবতে হবে।

Bodrul
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:৩৬

Fiance minister apni koi?

ওমর ফারুক
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:২৭

অযৌক্তিক। অর্থমন্ত্রী তার নিজ এলাকার রোকদের কোজ নিরে েেেম বক্তব্য দিতে পারতো না। এতে প্রমানিত সে নির্বাচিত হওয়ার পর নিজ এলাকার সাথে সংযুক্ত নয়। নিজে যদি তার নিজ অস্তিত্ব ভুলে গিয়ে পরের তোষামোদি করে তার কাজ থেকে কি আশা করা যায়?

Tuheen
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৫:৫৭

সব জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। আপনার আর আপনার দলের লোকদের তো চিন্তা নেই তারাই তো লাভবান হবেন মরি শুধু আমরা কি আসে যায়

Mahbub
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:৫৭

No comment for finance minister, seem we are living outside of Bangladesh.

কাজি
১৫ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:০৯

কৃষি কাজ করোনায় বাধাগ্রস্ত হয় নি। ঢাকা শহরে ধান উৎপাদন হয় না। গ্রামে হয়। গ্রামের লোক করোনা কি তাই জানে না। অতএব এ যুক্তি যথোপযুক্ত নয়।

অন্যান্য খবর