× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ২৮ রমজান ১৪৪২ হিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব

ক্ষয়ক্ষতিতেও লুটের আয়োজন

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া তাণ্ডবে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিরূপণে পুকুরচুরির অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের বিরুদ্ধে। গত ২৬শে মার্চ হেফাজতের বিক্ষোভের সময় শহরের কাউতলী এলাকায় অন্যান্য অফিসের সঙ্গে এই অফিসে হামলা হয়। এ সময় দ্বিতল অফিসের নিচতলা এবং ওপর তলার কয়েকটি কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। একটি কক্ষে আগুনে একটি চেয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ছাড়া সামনের বাগানের কয়েকটি লাইটপোস্ট উঠিয়ে নেয়া হয়। এতে সর্বসাকল্যে লাখ দুই টাকার ক্ষতি হলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেখানো হয় ৬০ লাখ টাকা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পঙ্কজ ভৌমিক এ বিষয়ে সড়ক সার্কেলের কুমিল্লা তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর কাছে গত ৬ই এপ্রিল একটি চিঠি দেন। এতে ক্ষয়ক্ষতির একটি বিবরণ দিয়ে অফিস মেরামত ও নবায়নে ৬০ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে দাবি করেন।
তার দেয়া বিবরণে অফিসের প্রধান গেট, গেটের ওপর স্থাপিত সড়ক বিভাগের লগো সংবলিত বোর্ড, গেটের সিকিউরিটি বক্সের দরজা ও জানালার থাইয়ের কাচ, অফিস সংলগ্ন বাগানের ফুলগাছ, ২০-২৫টি লাইটপোস্টসহ বাল্ব বক্স, ৪টি সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলা হয় বলে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অফিসের নিচতলা থেকে দ্বিতীয়তলা পর্যন্ত জানালার সমস্ত কাচ ভাঙচুর এবং হাত ধোয়ার একটি বেসিন ভাঙা হয়। নিচতলার দুটি রুমে বাইরে থেকে আগুন দেয়া হলে ওইসব কক্ষে থাকা চেয়ার-টেবিল, আসবাবপত্র আগুনে পুড়ে যায় বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু সরজমিন দেখা গেছে, আগুনে শুধু নিচতলার একটি কক্ষে কর্মকর্তার একটি চেয়ার আংশিক পুড়েছে। সিকিউরিটি বক্সের প্লাস্টিক দরজা ভাঙলেও কি ধরনের দরজা ভেঙেছে তা উল্লেখ করা হয়নি। ২০-২৫টি লাইটপোস্টসহ বাল্ব বক্স লুট করে নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হলেও অফিসের সিঁড়ির নিচে লাইটপোস্ট পড়ে থাকতে দেখা যায়। এভাবে ইচ্ছামতো হিসাব দিয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়কের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী পঙ্কজ ভৌমিক বলেন, অনুমানভিত্তিক ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা হয়েছে। তবে অন্যান্য অফিস থেকে তিনি কমই করেছেন। জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর