× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

একদিনে ১০১ জনের মৃত্যুতে নয়া রেকর্ড

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(৪ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৬, ২০২১, শুক্রবার, ৪:৫৪ অপরাহ্ন

করোয়ায় প্রায় প্রতিদিনই মৃত্যুতে নয়া রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরো ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনায় মৃত্যুতে একদিনে এটাই সর্বোচ্চ। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ হাজার ১৮২ জনে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪ হাজার ৪১৭ জন। মোট শনাক্ত ৭ লাখ ১১ হাজার ৭৭৯ জনে দাঁড়িয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৬১৪ জন এবং এখন পর্যন্ত ৬ লাখ ২ হাজার ৯০৮ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে আরো জানানো হয়, ২৫৭টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ হাজার ৭০৭ টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৮ হাজার ৯০৬ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
এখন পর্যন্ত ৫১লাখ ৩৪ হাজার ৪৭৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।
২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ৩৬ তাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৪ দশমিক ৭০ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
আবুল কাসেম
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ৯:৩৪

আজকের মৃত্যুর রেকর্ড নতুন মাইলফলক অতিক্রম করেছে। সৃষ্টি করেছে নতুন ইতিহাস। ভঙ্গ করেছে অতীতের রেকর্ড। ভুল প্রমাণিত হয়েছে সবার হিসেব। কয়েক মাস আগেও সকলের ধারণা ছিলো করোনা জয় করা হয়েছে। হিসেবের গরমিলটা হলো এখানে যে, করোনা ভাইরাস কে আমরা শুধুমাত্র একটি অণুজীব বা ভাইরাস মনে করেছি। কিন্তু, আসলে করোনা ভাইরাস হলো আল্লাহ তায়ালার বিশেষ এক সৃষ্টি। আমরা যারা বিশ্বাসী তারা কি করে ভুলে গেলাম, সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা সব কিছুর সৃষ্টিকর্তা? হিসেবের ভুলটা এখানেই। আল্লাহ তায়ালা যখন সবকিছুরই সৃষ্টির রূপকার এবং তাঁর সুক্ষ্ম পরিকল্পনা মতে তিনি সবকিছু সৃষ্টি করেন। একথাটা বুঝতে পারলে আমাদেরকে এটাও মানতে হবে, করোনা ভাইরাস যতোটাই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র হোকনা কেনো তার সুনিপুণ সৃষ্টিকর্তাও মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা। মহা কুশলী আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীর মহা সমুদ্রের তলেদেশে এবং মাটির নিচে কতো বিচিত্র রকমের কতো ক্ষুদ্রাকায় প্রাণী জোড়ায় জোড়ায় পয়দা করেছেন তার কোনো হিসেব মানবেতিহাসের কোনো অধ্যায়ে আবিষ্কার করা সম্ভব হবেনা। সমুদ্র শব্দটি কুরআন মজিদে ২৫ টি সূরায় ৪০ বার বিভিন্নভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালার সৃষ্টি কুশলতা কুরআনুল কারিমে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। সেই তুলনায় করোনা ভাইরাস সৃষ্টি করা তো আল্লাহ তায়ালার জন্য একটা খুবই মামুলি ব্যপার। আর মানুষকে তিনি সৃষ্টি করেছেন যাচাই-বাছাই করার জন্য কর্মের দিক থেকে কে উত্তম, এটা দেখার জন্য। ইরশাদ হচ্ছে, "অতি মহান ও শ্রেষ্ঠ তিনি যাঁর হাতে রয়েছে সমগ্র বিশ্ব জাহানের কর্তৃত্ব। তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতা রাখেন। কাজের দিক দিয়ে তোমাদের মধ্যে কে উত্তম তা পরীক্ষা করে দেখার জন্য তিনি মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন। আর তিনি পরাক্রমশালী এবং ক্ষমতাশালীও।" সূরা আল মুলকঃ১-২। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা কি আল্লাহর মনপুত কাজ করছি? আসলে সমগ্র পৃথিবীর দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই মানুষ আল্লাহ তায়ালার উদ্দেশ্যের বিপরীতে চলছে। মানুষ যখন আল্লাহর উদ্দেশ্য ব্যহত করে তখন আল্লাহও তাদের উপর আজাব চাপিয়ে দেন। করোনা ভাইরাস তেমনই একটি আজাব। মানুষ দেশে দেশে জুলুমের রাজত্ব কায়েম করেছে। কিন্তু মানুষের যেনো কোনো হুঁশ নেই। তাই মানুষের হুঁশ ফেরাতে আল্লাহ তায়ালা মাঝে মধ্যে তাঁর কুদরতি শক্তির মহড়া দিয়ে থাকেন। তবুও যদি মানুষের সম্বিত ফিরে আসে। ইরশাদ হচ্ছে, "মানুষের কৃতকর্মের দরুন জলে স্থলে সর্বত্র বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। আল্লাহ তায়ালা তাদের কতিপয় কাজকর্মের জন্য তাদেরকে শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাতে চান। সম্ভবত তারা ফিরে আসবে।" সূরা আর রোমঃ৪১। ২০১৯ সালের শেষ ভাগে যখন করোনা ভাইরাস পৃথিবীতে হামলে পড়েছে তখন মনুষ্য জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মানুষের ত্রাহি ত্রাহি করুন দশা দেখে আল্লাহ তায়ালা দয়াপরবশ হয়ে মানুষকে ছাড় দিলেন। বিশ্বব্যাপী করোনার প্রকোপ কমে আসতে শুরু করেছে। কিন্তু একটা বিশেষ প্রাণীর বাঁকা লেজ যেমন শত চেষ্টায়ও সোজা হয়না তেমনি মানুষের স্বভাবও বদলালোনা। মানুষ পরষ্পর আরো যুদ্ধংদেহী হয়ে পড়েছে। তাই আল্লাহ তায়ালাও তাঁর ছাড় উঠিয়ে নিলেন। আবার শুরু হয়েছে অতীতের রেকর্ডভাঙা সংক্রমণ। অন্য ধর্মাবলম্বী দেশগুলোর কথা বাদই দিলাম। আমরা তো মুসলিম প্রধান দেশ। আমরা কি শতভাগ আল্লাহর বিধানের অনুগামী? আলেম ওলামাদের হেনস্তা করার জন্য এই রমাদান মাসকেই বেচে নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে কেনো তা বোধগম্য নয়। তাঁদের সঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্য আছে বলে মনে হয়না। ধর্মীয় ইস্যুতেই তাঁরা প্রতিবাদ করেছেন। মুসলিম বিদ্বেষী একজন ব্যক্তির আগমনের প্রতিবাদ ছিলো তাঁদের। যদিও তাঁর আগমন ঠেকাতে শেষ পর্যন্ত তাঁদের অনঢ় অবস্থানের সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে একমত নই। কিন্তু ঢাকায় তাঁদের কর্মসূচি বহির্ভূত মিছিলে সেদিন হামলা করে হাটহাজারি আর ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত ঘটনার বিস্তৃতি ঘটানোর দায় কাদের তা তো স্পষ্ট। বিভিন্ন মিডিয়ার বদৌলতে তা জানা গেছে। রাষ্ট্রের সম্পদ ধ্বংসের কাজে আলেমদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কারা যোগ দিয়েছে সেদিন তাদেরকে খুঁজে বের করা উচিত সে যেই হোকনা কেনো। কিন্তু কর্মসূচি দেয়ার আগে আলেম গণের হিসেবে রাখতে হবে তাঁদের নাম ভাঙিয়ে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি করে কিনা। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করা শরিয়তে জায়েজ আছে কিনা তাও একটা জ্বলন্ত প্রশ্ন। আল্লাহর রাসূল স. মক্কার কয়টা স্থাপনা ধ্বংস করেছেন তা কি কেউ বলতে পারেন? অত্যাচারে টিকতে না পেরে আবিসিনিয়ায় হিজরত করেছেন সাহাবীগণ রা.। এরপর মদীনায় রাসূল স. সহ সবাই হিজরত করেছেন। তবুও মক্কায় অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেননি। আগে ভিমরুলের বাসায় ঢিল ছুঁড়লে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে হুল ফুটিয়ে দিতো। এখন আর সেই পরিস্থিতি নেই। এখন ভিমরুল নিজেই ঢিল মারে। আর অভিযুক্ত করে পাড়ার সেই দুষ্ট ছেলেদের। কিন্তু কারো উপর জুলুম করা থেকে বিরত থাকা বাঞ্ছনীয়। কারণ জুলুম আল্লাহ তায়ালার স্বভাব বিরোধী। তিনি কারো উপর জুলুম করেননা এবং মানুষও একে অপরের উপর জুলুম করতে তিনি নিষেধ করেছেন। ইরশাদ হচ্ছে, "এখানে আমার কথার কোনো রদবদল হয়না। আমি আমার বান্দাদের উপর কোনো জুলুম করিনা।" সুরা কাফঃ২৯। হাদিসে কুদসীতে আল্লাহর আহ্বান হলো, "আবুজর গিফারি রা. থেকে বর্ণিত, নবী করিম সা. তাঁর মহান প্রতিপালকের পক্ষ থেকে বর্ণনা করেন। আল্লাহ বলেন, হে আমার বান্দারা! আমি আমার জন্য জুলুম করাকে হারাম করেছি আর তা তোমাদের পরস্পরের মধ্যেও হারাম করেছি। অতএব তোমরা একে অপরের ওপর জুলুম কোরো না।" সহিহ মুসলিম। হাদিস নম্বরঃ৬৭৩৭। আমাদের কাজে কর্মে কারো প্রতি যেনো জুলুম করা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা বাঞ্ছনীয়। জুলুম আল্লাহ সহ্য করেননা। রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন মজলুমের বদ দোয়া এবং আল্লাহর মাঝে কোনো আড়াল থাকেনা। সুতরাং, রমাদান মাসে সবাই যেনো আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য সুস্থ ও স্বস্তির সাথে সিয়াম পালন করতে পারে সেই পবিত্র পরিবেশ বজায় রাখতে সহযোগিতা করাটাও নিঃসন্দেহে একটি মহান ইবাদত। রোজার মাসেও যদি আমাদের সম্বিত ফিরে না আসে তাহলে কোনো অধিক বড়ো বিপর্যয় আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে কিনা তা ভেবে সত্যিই ভয় হয়। আল্লাহ বলেন, "অতপর তিনি যখন তাদের বিপর্যয় থেকে বাঁচিয়ে দেন তখন তারা সাথে সাথেই জমিনে নাফরমানী শুরু করে দেয়। হে মানুষ এ নাফরমানী তোমাদের নিজেদের বিরুদ্ধেই যাচ্ছে। দুনিয়ার কয়েক দিনের আরাম আয়েশ (ভোগ করে নাও)। অতপর তোমাদের আমার কাছেই ফিরে আসতে হবে। তখন তোমাদের আমি বলে দেবো তোমারা দুনিয়ার জীবনে কি করতে।" সূরা ইউনুসঃ২৩। সুতরাং, আমরা পরষ্পর জুলুম বন্ধ করে ইনসাফের মধ্যে ফিরে আসবো কি?

Banglar Manush
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ৮:২৪

If you observe closely, you will find no Sheikh family member has died of COVID-19. They all are hiding in their rat holes. They have looted more than enough money to live a thousand years in their rat holes without doing any work. You do not hear any activities of people like Sheikh Salim, Sheikh Helal, Sajeeb Joy, Saima Putul, etc., because they are living comfortably in their rat holes. It is the poor people who have to go out everyday to make a living. In doing so, they are catching coronavirus and dying en masse.

Md. Abbas Uddin
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ৭:১৩

সরকারের উদাসীনতা ও সঠিক পরিকল্পনার অভাব এবং অজ্ঞ, অসচেতন, ধর্মান্দ জনগনের করনায় উদাসিনতা ও দুঃসাহস-দম্ভোক্তি বাংলাদেশকে আজ বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

Mamun
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ৫:২৮

এই যে 100+ মৃত্যু কথা বলছে, এই ব্যাপারটাও দেশের বেশীর ভাগ মানুষই বিশ্বাস করেন না।

জাফর আহমেদ
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ৫:২৩

হবে মাত্র শুরু সামনে আরো খারাপ অবস্থা দেখতে অপেক্ষা করুন, যেমন কঠোর লকডাউন নামক তামাশা দেখেছে এদেশের মানুষ নামের প্রানী গুলো, এ প্রানী গুলো মানুষ ও হবে না, সরকার ও তাদের ইচ্ছা কৃত তামাশার লকডাউন দিয়ে শেষ করবে,

Md. Abbas Uddin
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ৬:০৫

কঠোর লকডাউন দেয়ার পর জনগন ভুল সঙ্কেত পাচ্ছে না তো ? বিরোধী দল সহ চারিদিকে সাধারন জনগনের মুখে শুনা যাচ্ছে- "হেফাজত ও অন্যান্য বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের জন্যই লকডাউন দেয়ার উদ্দেসশ্য" ! যদি তাহাই সত্য হয় তবে ভবিষ্যতে যেকোন জরূরী প্রয়োজনে সরকার কোন ঘোষনা দিলে মানুষ তাহা বিশ্বাস করতে চাইবে না এবং জনগনের মধ্যে আইন ভঙ্গ করার একটা প্রবনতা গড়ে উঠার আশংকা রয়েছে যাহা দেশের জন্য কখনো মঙ্গলজনক হবে না। লকডাউনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনগনের মধ্যে সনেহ থাকার যুক্তিও রয়েছে। কারন নুতন ষ্ট্রেইনের শক্তিশালী করনা মোকাবিলায় যেইরকম প্রশাসনি কঠোরতা ও শক্তিশালী প্রচারনা থাকা উচিত ছিল তাহা দেখা যাচ্ছে না। করনার মত মহামারীর ক্ষেত্রে "মাইকিং" একটি গুরুত্বপূর্ন অস্ত্র হিসাবে কাজ করে আসলেও তাহা বর্তমানে দেখা যাচ্ছে না। অথচ করনায় জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য রুট লেভেল পর্কন্ত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে সহজ ভাষায় মাইকিং করা অতীব জরূরী ছিল। করনায় আবেগময় গান তৈরী করে প্রচার করা উচিত। করনার ক্ষেত্রে সরকারের মেধা ও অর্থ বিনিয়োগ লোকসানের নয় বরং লাভের। এতে যেমনি মানুষের জীবন রক্ষা পাবে অন্যদিকে প্রচারনার মাধ্যম মানুষ্কে স্বাস্থ্যবিধি (বিশেষ করে ১০০% মানুষ্কে সঠিক নিয়মে মাস্ক পরিধান) মানাতে পারলে লকডাউন দিয়ে অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রয়োজন হবে না।

অন্যান্য খবর