× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

মিয়ানমারের ইতিহাসে এই প্রথম জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন

অনলাইন

তারিক চয়ন
(৪ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৬, ২০২১, শুক্রবার, ৬:০১ অপরাহ্ন

মিয়ানমারে চলমান সামরিক জান্তাবিরোধী আন্দোলনে শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করেছেন। দেশটির সদ্য ক্ষমতাচ্যুত পার্লামেন্ট সদস্য, অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভের নেতা ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের উক্ত সরকারে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। মিয়ানমারের 'ভারপ্রাপ্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট' মান উইন খাইং থানকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়- জাতীয় ঐক্যের সরকারের ঘোষণা দিয়ে দেশটির কিংবদন্তি গণতান্ত্রিক কর্মী মিন কো নাইং ১০ মিনিটের এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘আপনারা দয়া করে জনগণের সরকারকে স্বাগত জানান। জনগণের আকঙ্খা ছিল জাতীয় ঐক্যের সরকারের। প্রাথমিকভাবে এই সরকারের কয়েকটি পদ নির্ধারিত হয়েছে। আমরা সামরিক শাসনের মূলোৎপাটনের চেষ্টা করছি, তাই আমাদের বহু আত্মত্যাগ করতে হবে।’

তিনি জানান, এই ঐক্যের সরকারের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হবে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়। তবে এ নিয়ে জান্তা সরকারের কাছ থেকে এখনো কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।

এদিকে আল জাজিরা জানায়- ক্ষমতাচ্যুত সংসদ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত জাতিসংঘে মিয়ানমারের আইনপ্রণেতাদের দূত ড. সাশা বলেছেন, মিয়ানমারের ইতিহাসে এই প্রথম জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠিত হলো।
এতে বলা হয়- মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট মান উইন খাইং থানকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর হাতে উৎখাত হওয়া আইনপ্রণেতারা বেসামরিক সরকার গঠনের ঘোষণা দেন। জান্তার ধরপাকড় এড়াতে আত্মগোপনে থাকা অং সান সু চির দল ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেতারা ওই সরকার গঠনের ঘোষণা দেন। এনএলডির জ্যেষ্ঠ নেতা মান উইন খাইং থানকে তখন ভারপ্রাপ্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
কাজি
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১:১৯

এই সরকারকে সমর্থন করে ও স্বীকৃতি দিয়ে বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলি সাহায্য দিতে পারবে। যদি তারা সামরিক বাহিনীকে যুদ্ধ করে পরাজিত করতে চায়। এ ছাড়া সমাধান দেখছি না।

এ,টি,এম,তোহা
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ৯:৫৩

এটা কোন জাতীয় সরকার নয়; সুচির দল নিজেদের অস্তিত্ব দেখাতে নানান জাতি গোষ্ঠীর নেতাদের ব্যবহার করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় কারেন, চিন, শানি, মন, কারেন্নি ও তাং গোষ্ঠীর নেতাদের এই ছায়া সরকারে রাখলেও রোহিঙ্গাদের কোন প্রতিনিধিত্ব রাখা হয়নি। এই সরকার কারো স্বীকৃতি পাবেনা বরং দেশদ্রোহী হিসেবে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াবে।

আনিস উল হক
১৬ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার, ৭:৪১

রোহিঙ্গারা ভাগ পেল কেন না?

অন্যান্য খবর