× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ১ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

পাটুরিয়ায় ২০ লাখ টাকার চাঁদা না পেয়ে ছাত্রলীগের হামলা, ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ থেকে
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা ছাত্রলীগের ২০-২২ জনের একটি দল বেশকিছু দিন ধরে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় সড়ক উন্নয়ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদার টাকা না দেয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানের নির্মাণকাজে ব্যবহৃত অন্তত ২৫ লাখ টাকার দু’টি ভেকু ভাঙচুর করেছে উপজেলা ছাত্রলীগের ওই নেতারা। এরা সবাই উপজেলা ছাত্রলীগের বর্তমান দুই সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারী বলে স্থানীয়দের দাবি। এ ছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই কোম্পানির ব্যবস্থাপক, সহকারী ব্যবস্থাপক ও স্টোর ম্যানেজারকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জিম্মি করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে কোম্পানির ২ লাখ ২২ হাজার টাকা লুটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাব-কোম্পানি এমএম এন্টারপ্রাইজ প্রোপাইটার মো. আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে গেল বুধবার রাতে ৯ জনকে আসামি করে শিবালয় থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। মামলা দায়েরের পর থেকে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন আমিনুল ইসলাম। মামলার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-পাটুরিয়া সড়কে ফোর লেইনের কাজ চলছিল। এই কাজের দায়িত্ব পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনডিই।
প্রতিষ্ঠানের কাছে বালু ভরাটের সাব কন্ট্রাক নিয়ে এমএম এন্টারপ্রাইজ কাজ করে আসছিল। ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে বেশকিছু দিন ধরে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের বেশ কয়েকজন নেতা ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে চলতি মাসের ১২ তারিখে রাত ১১টার দিকে পাটুরিয়া ঘাটের ট্রাক টার্মিনাল এসডিই কোম্পানির ম্যানেজার আইনাল হক, এমএম এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার আলমগীর হোসেন, কোম্পানির কর্মরত রাজিব, ভেকু  ড্রাইভার মতিনসহ বেশ কয়েকজনের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এ সময় এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও মো. নাঈম, মতিন, আনিছুর রহমান, আরিফ, ইকবাল, ইসমাইলসহ অন্তত ২০-২২ জনের একটি দল তাদের মারধর করে এবং দুটি ভেকু ভাঙচুর করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ টাকাসহ মালামাল ছিনিয়ে নেয়। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে ক্ষমতাধররা বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি দেখিয়ে চলে যায়। মামলার বাদী আমিনুল ইসলাম জানান, আমাদের কাছে বেশকিছু দিন ধরে ওই চক্রটি ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা আমাকেসহ কোম্পানির অন্য লোকদের মারধর করে ২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। প্রথম দিকে ভয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার সাহস পাইনি। পরে সবার সঙ্গে আলোচনা করে ১৪ই এপ্রিল রাতে থানায় মামলা করতে বাধ্য হয়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমি চরম ভয় ও নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। যেকোনো সময় আমার ওপর হামলা হতে পারে। শিবালয় থানার ওসি ফিরোজ কবীর জানান, এ ঘটনায় আমিনুর ইসলাম নামের এক ব্যক্তি ৯ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর