× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

‘লকডাউনে কেউ সাহায্য করছে না’

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার

লকডাউনে রিকশা চালাতে দেয় না। ঘরে খাবার নেই। ভীষণ কষ্টে আছি। এবারের লকডাউনে কেউ কোনো সাহায্য করেনি। খাওয়া-দাওয়া নিয়ে কত যে কষ্টে আছি আল্লাহ্‌ ছাড়া কেউ জানে না। গতকাল শুক্রবার সকালে দীর্ঘ নিশ্বাস ছেড়ে কথাগুলো বলছিলেন খুলনার মৌলভীপাড়া এলাকার রিকশাচালক শাহ আলম। শাহ আলমের মতো একই সুরে খানজাহান আলী রোডের বাসিন্দা সুভাষ বসু বলেন, লকডাউনের কারণে দিনমজুর যারা তারা এখন গৃহবন্দি। সবকিছুই বন্ধ।
যে কারণে কোনো আয় নেই।
মুজগুন্নী এলাকার হতদরিদ্র কুলসুম বেগম জানান, এবার লকডাউনে তেমন কোনো সহযোগিতা পাননি। কেবল বৃহস্পতিবার খুলনা ফুড ব্যাংকের পক্ষ থেকে কিছু ত্রাণ পেয়েছেন। মাথাভাঙ্গা এলাকার ইজিবাইক চালক আনোয়ারুল ইসলাম খোকন বলেন, ইজিবাইক নিয়ে রাস্তায় বের হতে দিচ্ছে না। অনেক কষ্ট করে রোজা রাখতে হচ্ছে। আমাদের প্রতিদিন আয় প্রতিদিন ব্যয়। তা বন্ধ থাকায় খুব কষ্ট করে রোজা রাখতে হচ্ছে। গত বছর লকডাউনের সময় অনেকে সহযোগিতা করেছেন। কিন্তু এবার কেউ কোনো সাহায্য করেনি। আমাদের বসিয়ে রেখেছে কিন্তু কোনো সহযোগিতা করছে না। তিনি জানান, তার মতো ২০ হাজার ইজিবাইক চালক এবারের লকডাউনে কষ্টে রয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চলমান কঠোর লকডাউনে রিকশাচালক, গাড়িচালক, দিনমজুর, কৃষিশ্রমিক, দোকানদার, ফুটপাথের ছোট ব্যবসায়ী এমনকি খেটে খাওয়া কর্মজীবীরা এখন ঘরবন্দি। তাদের জীবন চলছে ভীষণ কষ্টে। অনেকেই খাদ্য সংকটে আছেন। দিন আনে দিন খায় এমন মানুষ এখন সবচেয়ে বেশি বিপদে আছেন। গতবছর লকডাউনে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করলেও এবার তাদের কেউ সহযোগিতা করছে না বলে  অভিযোগ উঠেছে। এদিকে চলমান লকডাউনে নিম্নআয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও পড়েছেন বিপাকে। খুলনা ব্লাড ব্যাংক ও ফুড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সালেহ উদ্দিন সবুজ বলেন, খুলনায় সরকারিভাবে কোনো প্রকার ত্রাণ বিতরণ এখনো আমার চোখে পড়েনি। চাল-ডাল কেউ বিতরণ করেনি। আমাদের মতো কিছু বেসরকারি সংগঠন সামান্য সহযোগিতা করছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ২:৪৫

Government should take care of living of daily labourers to make lockdown successful.

অন্যান্য খবর