× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৭

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী থেকে
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গোলাগুলি, সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আরমান (৪৩), মির্জা কাদেরের ছেলে তাশিক মির্জা (২৯), মিরাজ (৩৩)সহ দুই গ্রুপের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার বিকালে কোম্পানীগঞ্জ থানার গেটের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য মতে, দুপুর ৩টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের অনুসারীরা ত্রাণ বিতরণ শেষে বসুরহাট বাজারে আসেন। তখন মির্জা অনুসারী শাহদাত সিফাত ফেসবুক লাইভে এসে উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ নেতাদের অকথ্য ভাষায় চরিত্র হনন করে বক্তব্য দেন। তার এ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেখে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা দুপুর ৩টার দিকে বসুরহাট বাজারে থানার সামনে জড়ো হয়ে কাদের মির্জার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। খবর পেয়ে কাদের মির্জার ছোট ভাই শাহদাত হোসেন ও ছেলে তাশিক মির্জা পৌরসভা থেকে তাদের অনুসারীদের নিয়ে জিরো পয়েন্ট হয়ে থানার সামনে মুখোমুখি অবস্থান নেন।
এ সময় দুই গ্রুপের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় কাদের মির্জা অনুসারী রাসেল ওরফে কেচ্ছা রাসেল গুলি ছুড়লে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পর্যায়ে কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জা উপজেলা যুবলীগ সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী রুমেলকে আটক করে নিয়ে যেতে চাইলে দ্রুত পরিস্থিতি পাল্টে যায় এবং দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হন। এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান, তিনি এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর