× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

করোনা প্রধানত ছড়ায় বাতাসের মাধ্যমে

প্রথম পাতা

মানবজমিন ডেস্ক
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার

করোনাভাইরাস প্রধানত বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে শক্তিশালী প্রমাণ পেয়েছেন বিশেষজ্ঞদের একটি টিম। বৃটিশ চিকিৎসা-বিষয়ক ম্যাগাজিন দ্য ল্যানচেটে এ নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই ওই রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, করোনাভাইরাস এসএআরএস-কোভ-২ প্রধানত বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় এমন সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং দৃঢ় প্রমাণ পাওয়া গেছে। ফলে জনস্বাস্থ্যবিষয়ক যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয় চিকিৎসার জন্য, তা ব্যর্থ হয়। এর কারণ প্রধানত বাতাস থেকে এই ভাইরাস ছড়ায়। এতে মানুষ অনিরাপদ হয়ে পড়ে এবং বাতাসের মাধ্যমে এই ভাইরাসের বিস্তার ঘটে। এমনটা বলেছেন, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিজ্ঞানীরা।
এর মধ্যে রয়েছে কো-অপারেটিভ ইনস্টিটিউট ফর রিসার্স ইন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস (সিআইআরইএস) এবং ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো বৌলডারের একজন রসায়নবিদ হোসে লুইস জিমেনেজ।
তিনি বলেছেন, বাতাসের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পক্ষে ব্যাপক তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। বড় বড় ড্রপলেট বা হাঁচি কাশির বড় বড় যেসব বিন্দু আকারে জলীয়বাষ্প বেরিয়ে যায় তার মাধ্যমে এই সংক্রমণ ছড়ানোর পক্ষে প্রমাণ কম। তিনি দাবি করেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক এজেন্সিকে সংক্রমণ বিষয়ে বিজ্ঞানসম্মত বর্ণনা প্রচার করা খুব জরুরি। যাতে বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমণ কমিয়ে আনা যায়। এই গবেষণা দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের তৃষ গ্রিনহাফ। বাতাসের মাধ্যমে যে এই ভাইরাস প্রধানত ছড়ায় তার পক্ষে যুক্তি হিসেবে ১০টি পয়েন্ট উত্থাপন করেছেন। এর শীর্ষে রয়েছে স্কাগিট চোইর প্রাদুর্ভাবের মতো সুপার স্প্রেডার। এতে একজন মাত্র আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে ৫৩ জন আক্রান্ত হতে পারে। ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, অভিন্ন কোনো তল স্পর্শ করা বা অন্য কোনো কিছুর মাধ্যমে এই সংক্রমণ ব্যাখ্যা করা যায় না। উপরন্তু করোনা ভাইরাস সংক্রমণ অধিকহারে ইনডোর বা আবদ্ধ ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার হার বেশি। ঘরের বাইরে বা আউটডোরে এই সংক্রমণের হার কম। ফলে ইনডোরে ভেন্টিলেশন বা বাতাস যাতায়াতের পথ খোলা রাখার মাধ্যমে এই সংক্রমণকে অনেকাংশে কমিয়ে রাখা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে নীরব সংক্রমণে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তি থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমনভাবে আক্রান্ত হওয়ার শতকরা হার মোট সংক্রমণের মধ্যে শতকরা কমপক্ষে ৪০ ভাগ। বিশ্বজুড়ে এই নীরব সংক্রমণ করোনা ছড়িয়ে পড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। হোটেলে পাশাপাশি রুমে অবস্থানকারী মানুষদের ওপর গবেষণা করা হয়েছে এসব বিষয়ে। হোটেলের যেসব মানুষ করোনায় আক্রান্ত হননি কখনো বা তাদের মধ্যে কখনো লক্ষণ দেখা যায়নি- এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে এই ভাইরাসও ছড়ায়।
পক্ষান্তরে এই টিমটি দেখতে পেয়েছেন, বড় বড় ড্রপলেটের মাধ্যমে সহজেই এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে এমন খুব সামান্যই প্রমাণ পেয়েছেন তারা। এসব ড্রপলেট দ্রুতই বাতাসে মেশে এবং তলকে সংক্রমিত করে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
শাজিদ
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৭:০৭

১০০% সঠিক। দেশে যতই জুলম জালেমী খুন খারবী ধ্বর্ষণ ব্যভিচার বাড়বে তার সাথে পাল্লা দিয়ে করোনাও বাড়বে, এই বৃদ্ধি আল্লাহর কুদরতি বাতাসই ছড়াবে। ও বিজ্ঞানীর দল এখন বাস ছাড়া বাঁচ। আলো তাপ বাতাস পানি সহ আরও অনেক কিছু ফ্রি পাচ্ছিলে অথচ কে ফ্রি দিচ্ছিল কখনও ভাব নাই, বাতাস ছাড়া নিঃশ্বাস চলেনা আজ সেই বাতাই “কাল” হয়ে গেল।

অন্যান্য খবর