× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ১ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

টিকা নিয়ে শীর্ষ বিজ্ঞানীর ভয়াবহ এক সতর্কতা

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক
(৩ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৭, ২০২১, শনিবার, ১২:৩০ অপরাহ্ন

বিশ্বের একজন শীর্ষ বিজ্ঞানী করোনা ভাইরাস এবং এর টিকা নিয়ে ভয়াবহ এক সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, তাৎক্ষণিকভাবে কোভিড-১৯ এর সব টিকা বন্ধ করুন। না হলে সহসাই ‘অনিয়ন্ত্রিত এক দৈত্যের’ (আনকন্ট্রোল্যাবল মনস্টার) আবির্ভাব ঘটবে। এ সতর্কতা দিয়েছেন বিজ্ঞানী গার্ট ভ্যানডেন বোশে তিনি টিকা গবেষণা বিষয়ক একজন বিশেষজ্ঞ। বিখ্যাত বিভিন্ন কোম্পানি এবং সংস্থায় টিকা আবিস্কার এবং প্রি-ক্লিনিক্যাল গবেষণার সঙ্গে যুক্ত। এর মধ্যে রয়েছে জিএসকে, নোভারটিস, সোলভে বায়োলজিক্যাল এবং বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। এ ছাড়া তিনি গ্লোবাল এলায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই- বা গাভি)-এ ইবোলা টিকা বিষয়ক কর্মসূচির সমন্বয়ক। তিনি বিখ্যাত ভাইরোলজি অ্যান্ড মাইক্রোবায়োলজিস্ট হিসেবে সার্টিফায়েড।
কমপক্ষে ৩০টি প্রকাশনা রয়েছে তার। এ ছাড়া রয়েছে বিপুল অর্জন। বর্তমানে তিনি নিরপেক্ষভাবে টিকা বিষয়ক একজন গবেষক। এসব খবর দিয়ে ‘এ ফাইনাল ওয়ার্নিং’ লিখেছে, তিনি বলেছেন, কোভিড-১৯ এর টিকা একটি ‘ব্রিলিয়ান্ট’ টিকা। এই টিকা কাজ করে একটি নির্দিষ্ট লেভেলে। গার্ট ভ্যানডেন বোশে বলেন, এই টিকা একটি ভুল হাতিয়ার, যা বিশ্বজুড়ে মোতায়েন করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রচণ্ড সংক্রামক প্যাথোজেনের বিরুদ্ধে এটাকে ব্যবহার করা হচ্ছে। ৩রা মার্চ তিনি এক টুইটে লিখেছেন, করোনা মহামারির মধ্যে গণহারে যে টিকাদান কর্মসুচি চলছে তার প্রভাব নিয়ে আমি চরমভাবে উদ্বিগ্ন। এ বিষয়ে আমার বৈশ্বিক সতর্কতা এবং বৈজ্ঞানিক তথ্যপ্রমাণ পড়ুন। এ কথা বলেই তিনি একটি সাইটের লিঙ্ক দিয়েছেন। সেখানে একটি পিডিএফ ফাইল দেয়া আছে। তিনি নিজে সৃষ্টি করেছেন এমন একটি প্রেজেন্টেশনের স্লাইড রয়েছে এতে। এর শিরোনাম- ‘কেন মহামারির মধ্যে গণহারে কোভিড-১৯ এর টিকা ব্যবহার করা উচিত হবে না?’

ড. গার্ট ভ্যানডেন বোশে এতে সতর্ক করেছেন যে, টিকাকে বিশ্বে ব্যাপক বিধ্বংসী এক জীবাণুঅস্ত্রে পরিণত করা হচ্ছে। এতে এক অনিয়ন্ত্রিত দৈত্যের সৃষ্টি করছে বিশ্ব। তার লেখায় তিনি বলেছেন, তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকর একটি ভাইরাসকে ব্যাপক বিধ্বংসী জীবাণুঅস্ত্রে পরিণত করা হচ্ছে। এ অবস্থায় হয়তো কেউ একজন কার্যকারিতা নিয়ে এই পর্যায়ে উপনীত হওয়ার খুব কম পরিমাণ কৌশলের কথাই ভাবতে পারেন।  

গার্ট ভ্যানডেন বোশে মনে করেন ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞ, ক্লিনিকবিদ, বিজ্ঞানীরা স্বল্পকালীন একটি ফলাফলের দিকে দৃষ্টি দিচ্ছেন। তারা বৈশ্বিক জনগোষ্ঠীর পরিণতির দিকে দৃষ্টি দিচ্ছেন না। তিনি বলেন, এটা খুব শিগগিরই প্রমাণিত হবে । প্রমাণিত হবে যে কিভাবে একটি ক্ষতিকর ভাইরাসকে একটি অনিয়ন্ত্রিত দৈত্যে পরিণত করা হচ্ছে। করোনা ভাইরাসের ‘ইমিউন এসকেপ’ বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এড়িয়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি। গার্ট ভ্যানডেন বোশে বলেন, অধিক সংক্রমণযুক্ত বহু ভাইরাল ভ্যারিয়েন্টের উদ্ভব হচ্ছে। এরা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। চলমান টিকাদান কর্মসূচিতে উচ্চ মাত্রায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এড়িয়ে যাবে এসব ভ্যারিয়েন্ট। এ ঘটনায় নতুন ভ্যারিয়েন্টকে প্রতিরোধ করতে পারবে না বর্তমানের কোন টিকাই। এ অবস্থায় আমরা মহামারির মধ্যে যতই মানুকে টিকা দিই ততই ভাইরাস আরো বেশি সংক্রামক হয়ে উঠবে। এসব ভ্যারিয়েন্ট টিকার বিরুদ্ধে কাজ করে। তিনি দাবি করেন তার শিক্ষার্থীদের টিকা বিষয়ক ক্লাসে যে প্রাথমিক মূলনীতি শিক্ষা দিয়ে থাকেন তা হলো- যখন জনগণের মধ্যে কোনো ভাইরাস ভয়াবহ আকারে সংক্রমণ দেখা দেয় তখন সে ক্ষেত্রে কারো টিকা নেয়া উচিত হবে না। এ অবস্থায় টিকা দেয়া হলে রূপান্তরযোগ্য ভাইরাস নতুন আরেকরূপে পরিবর্তন হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
M. Kabir Hussain
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:২৯

ওনার কথার তো মিল পাওয়া যাচ্ছে, বাংলাদেশেও টিকা নেওয়ার পর পরই সংক্রমন হঠাৎ করেই বেড়ে যায় এবং এটা বাড়ছেই।ওনার কথাগুলো মনে হয় আমলে নেওয়া উচিত।

moni molik
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৪:০২

I am agree with him.

জামশেদ পাটোয়ারী
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ২:৪৯

বিশ্বে যতই টিকার বিস্তার হচ্ছে ততই নতুন নতুন ভেরিয়েন্টের আবির্ভাব হচ্ছে। যখন টিকা আসেনি তখনকার কথা ভাবুন তখন ভেরিয়েন্ট ছিল মাত্র একটি। একসময় মনে হচ্ছিল করোনা মনে হয় দুর্বল হয়ে গেছে। যখন টিকা আসলো এবং ব্যাপকভাবে টিকা দেয়া শুরু হলো, সাথে সাথে আসতে শুরু হলো নতুন নতুন ভেরিয়েন্ট। এখন পর্যন্ত যারা টিকা নেয়নি তারাই ভালো আছে। আমার তিন জন আত্বীয় টিকা নেয়ার এক মাসের ভিতর আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তার মাঝে এক দম্পতি মোটামুটি সুস্থ হয়ে বাড়ী আসলো এক সপ্তাহের ভিতর তাদের ১৩/১৪ বছরের ছেলের পজিটিভ এসেছে।

Masud Ahmed
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১০:৩৮

উনার গবেষনা কতটা গ্রহনযোগ্যতা রাখে এক্মাত্র সংশ্লিষ্ঠ বিভাগ ই বলতে পারবে। সাধারন মানুষ হিসাবে আমরা হতাশ ও দ্বিধায় ই থাকলাম।

sagor
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:৩২

AHMAD WASEEF মিথ্যা বলেছে। এখানে উনার পরিচয় দেয়া আছে। উনি মিলিন্ডা-গেটস ফাউন্ডেশন এবং GAVI তেও কাজ করেছেন। https://www.linkedin.com/in/geertvandenbossche/

Ashraful Islam
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৯:১০

Bishobashi ekk veshon shorojontrer sheker .kara eta korchey ta ektu chinta korley bughte parben.

Sujit Kumar Saha
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৩:৪৮

Why not published this article ago? Why so late? I am doubt regarding this article.

Sadeque
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৯:৩৮

Hopefully it's true.

AHMAD WASEEF
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৯:৫৩

Geert Vanden Bossche, who is trained in veterinary medicine, has become an independent researcher for COVID-19 vaccine.. This is a complete misinformation propaganda. He is aligned with known anti vaccine proponents. This article should not have made its way through to manabzamin

Dr. Serajul Hoq
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৮:২২

ভুয়া ও মনগড়া নিবন্ধ। কোন সাইন্টিফিক জার্নালের রেফাররেন্স নেই। মানব মনে ভিতি ছড়ানোর হিন প্রচেষ্টা মাত্র।

ABDUR RAHMAN KHAN
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১২:৪৫

Very significant article. What is going to happen??

Khan
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১০:৪৯

2 nd dose done. Now How redo?

শামসুল
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৭:৫৬

এই একজন গবেষকের কথা শুনে এখন অনেকের মনে খটকা লাগছে অথচ গত দুই বছর ধরে আর অনেক ডাক্তার এই মহামারী ও টিকার বিরুদ্ধে বলে যাচ্ছে কিন্তু কোন মিডিয়া তাদের সতর্ক বানী প্রচার করছে না । এখানে আবার অনেকে ১২ মাস মাস্ক পরার নিয়ম করতে চাইছে । এই মানুষ গুলো কিছু না বুঝেই বিভিন্ন নিয়মের দাবি করে বসে থাকে। মাস্ক আপনার শরীরের ইমিউনকে আর খতিগ্রস্থ করছে , এর পক্ষেও বহু গবেষকের বক্তব্য আছে। মাস্কের কারনে মানুষের আর বেশি ফুসফুস ইনফেকশন হচ্ছে এবং তা থেকে আর জটিল রোগ দেখা দিচ্ছে। আমরা যতই প্রকৃতির বিপক্ষে যাব ততই আমাদের অবস্থা আর খারাপ হতে থাকবে।

A.R.Sarker
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৪:৩২

Mr.Sultan:--- আল্লাহ এ কথাও বলেছেন আমি মানুস কে সব চেয়ে দুর্বল করে সৃষ্টি করেছি। অন্যস্থানে বলেছেন, মর্যাদায় সে আশরাফুল মখলুকাত ।

Md. Abbas Uddin
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৫:২৫

ধর্মহীনতা ও ধর্মান্দতা দুটোই ক্ষতিকর। ধর্ম পালন বা ধর্ম চর্চা মানুষের মনকে সতেজ রাখে এবং সৃষ্টিকর্তার আনুগত্য করে। আর ধর্মহীনতা সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার করে এবং মানুষের আত্মাকে শুকিয়ে রাখে। অন্যদিকে ধর্মান্দতা অনেক ক্ষেত্রে বাস্তুবতাকে মানতে চায় না। ৫ ওয়াক্ত নামাজ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ করা হয়েছে। তাই নামাজের সাথে মহামারীতে সতর্কতার কোন সম্পর্ক নেই। ৫ ওয়াক্ত নামাজের ওজুর সময়ে ভাইরাস-জীবানু অনেকাংশে বিধৌত হয়ে চলে যায়। কিন্তু ১০০% বিপদমুক্ত থাকা যায় না। তাই মসজিদের বাহিরে যেমন মাস্ক পরা জরূরী তেমনি মসজিদের ভিতরও মাস্ক পরা জরূরী। করনায় এই বিপদের মুহূর্তে মসজিদে গেলে দেখা যায় অনেকে হাঁচি-কাশি দিচ্ছেন কিন্তু তাদের মুখে কোন মাস্ক নেই। এইজন্য এখন বাসায় নামাজ পড়তে বাধ্য হচ্ছি (আল্লাহ মাফ করুন)। যাহারা মাস্ক পরে মসজিদে যান তাহারাই প্রকৃত জ্ঞানী ও সচেতন। যাহারা মাস্ক ছাড়া মসজিদে জান আল্লাহ তাদেরকে বাস্তবতা বুঝার তৌফিক দান করুন।

Md. Abbas Uddin
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৫:২৪

সরকারের এই মুহূর্তে যেই জিনিষটি করা জরূরী তাহা হল- ১) "মাস্ক পরার অভ্যেস, ভাইরাস্মুক্ত বাংলাদেশ" এই স্লোগাঙ্কে জরূরী ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা। বছরের ১২ মাসই মানুষ যেন মাস্ক পরে সেই ব্যাপারে মানুষকে সচেতন করে তোলা। ১২ মাস মাস্ক পরলে শুধু করনাই নয়, করনার নুতন-নুতন শক্তিশালী ষ্ট্রেইন এমনকি অজানা অন্যান্য ভাইরাসের ক্ষেত্রেও মাস্ক বিশেষ অবদান রাখবে। শুধু কি তাই, মাস্ক পরলে ফুসফুসের স্বাস্থ্যও ভাল থাকে তাহা বৈজ্ঞানিকগনের গভেষনায় প্রমানিত। শুধু এজমা রোগীরা মাস্ক পরার ক্ষেত্রে একটু সতর্কতার সাথে পরবেন। ২) সকল মানুষকে মাস্ক পরিধানে বাধ্য করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয়া ৩) মানুষ যাহাতে সঠিক নিয়মে মাস্ক পরে সেই ব্যাপারে সচেতন করে তোলা। ৪) সরকার একটি নির্দিষ্ট জায়গা থেকে মানসম্মত সূতি কাপড়ের মাস্ক স্বল্প মূল্যে সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন ৫) মাস্ক পরা ও করনার ব্যাপারে আবেগময় গান তৈরী করে রুট লেভেল পর্যন্ত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে সারা দেশে নিয়মিত ব্যাপক মাইকিং করার ব্যবস্থা করবেন।

Md. Abbas Uddin
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৪:২২

সময় থাকতে সাবধান ! যুগে-যুগে মহামারী প্রতিরোদে মাস্ক পরিধান একটি কার্যকরী ব্যবস্থা হিসাবে প্রমানিত হয়ে আসছে। বিজ্ঞানী "গার্ট ভ্যানডেন বোশে"-এর সতর্কবানীকে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। জরূরী ভিত্তিতে এই মুহূর্ত থেকে সকলকে মাস্ক পরিধানে বাধ্য করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। "মাস্ক পরার অভ্যেস, ভাইরাস্মুক্ত বাংলাদেশ" এই স্লোগান্টিকে জরূরী ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করতে হবে। বৈজ্ঞানিকগন হয়তো করনার একটি ভ্যারিয়েন্টের টিকা বাহির করবেন। কিন্তু করনা যেভাবে ঘন-ঘন তার রুপ পরিবর্তন করে শক্তিশালী রুপে আবির্ভুত হচ্ছে তাতে টিকা দিয়েই একে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তাই চাই 'মাস্ক' 'মাস্ক' এবং 'মাস্ক পরার অভ্যাস গড়ে তোলা। এক্ষেত্রে রুট লেভেল পর্যন্ত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে মাস্ক পরার অভ্যেসের ব্যাপারে ব্যাপক মাইকিং করা জরূরী।

sultan
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৪:১১

এ কে এম মহীউদ্দীন ২০২১-০৪-১৭ ১৩:৪২:০১ দেখা যাচ্ছে কেউ বেশি কিছু জানে না। অনেকে একেবারে কিছুই জানে না তাও ভাবে বিরাট পণ্ডিত সে। এক অন্ধ আরেক অন্ধকে পথ দেখায়। হায়রে ক্ষুদ্র মানুষ! তার আবার কতো আস্ফালন। মানুষের মতো এমন বেআক্কেল আর কিছু আল্লাহতা'আলার সৃষ্টিতে আছে কিনা সন্দেহ।----------- Mr. Mohiuddin, Apni esob ki bolsen? Abar pore dekhun ki likhesen? Manusher moto beakkel ar kisui Mohan Allah sristi korenni? Allah bolesen manush sristir sera. Tahole apnio ki be akkel? sobai be akkel? Be akkel apni hote paren, sobai na. Kothagulo songshiodhon korun.

শাহ আলম মানিক
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৩:০২

আমার ও তেমন কিছু মনে হয়েছিল তাই আমি টিকা নিইনি।

fastboy
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৩:৩৮

ঘটনাতো সত্য বলেই মনে হচ্ছে।

মিলন
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৩:৩৪

উনি যা বলেছেন তা Already শুরু হয়ে গেছে।সাউথ আফ্রিকা Variant এর বিরুদ্ধে কোনো টিকাই কাজ করছে না।

এ,টি,এম,তোহা
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১:৫৬

আমিতো ১ম ডোজ দিয়েছি। এটা পড়েতো এখন দ্বন্ধে পড়লাম। কী করবো এখন? ঘটনাতো সত্য বলেই মনে হচ্ছে।

Rahman
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১:৩৭

Absolutely right and agreed with this , as I told so many times, this is not anti COVID-19 vaccine, you are destroying original immune and try to build up artificial immune system! Totally suicidal attempt.

কাজি
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১:৩৩

ভেরিয়েন্ট থেকে বাঁচার জন্য মাস্ক পড়া বন্ধ করা যাবে না। টিকার উপর ভরসা করে মাস্ক পড়া বন্ধ করা যাবে না। স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতেই হবে। এই হল মূল কথা।

Salim
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১২:৫২

So, what is the solution?

এ কে এম মহীউদ্দীন
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১:৪২

দেখা যাচ্ছে কেউ বেশি কিছু জানে না। অনেকে একেবারে কিছুই জানে না তাও ভাবে বিরাট পণ্ডিত সে। এক অন্ধ আরেক অন্ধকে পথ দেখায়। হায়রে ক্ষুদ্র মানুষ! তার আবার কতো আস্ফালন। মানুষের মতো এমন বেআক্কেল আর কিছু আল্লাহতা'আলার সৃষ্টিতে আছে কিনা সন্দেহ।

sheikh mainul islam
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১:৩৫

MAY BE I WILL CORRECT, ONLY ALLAH KNOWS....

মুন্সি আব্দুর রউফ
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ১২:৫৯

Bad News

অন্যান্য খবর