× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

‘কবরীর তুলনা কবরী নিজেই’

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার

বাংলা চলচ্চিত্রের মিষ্টি মেয়ে কবরী সারোয়ার চলে যাওয়ায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। কিংবদন্তি এ অভিনেত্রীর মৃত্যুতে মুষড়ে পড়েছেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী চিত্রনায়ক আলমগীর। প্রায় ২৫ টির মতো সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা। তাদের 'লাভ ইন সিমলা' সিনেমাটি প্রেমের সিনেমায় একটি মাইলস্টোন।

মানবজমিনের এই প্রতিবেদক যখন মুঠোফোনে কথা বলেন শুরুতে কিছুক্ষণ চুপ থাকলেন আলমগীর। তারপর ভারি কন্ঠে তিনি বলেন, কবরীর সঙ্গে আমার ৫০ বছরের স্মৃতি। অসাধারণ একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তার চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না।
কবরীর সঙ্গে কাটানো স্মৃতির কথা বলে শেষ করা যাবে না উল্লেখ করে এই নায়ক বললেন, প্রতিদিনি ঝগড়া হতো দুই-তিন বার করে, আবার মিলেও যেতাম। এরকম একটা বন্ধুত্ব ছিল ওনার সঙ্গে। অত্যন্ত স্নেহ করতেন। আমরা তিন জন একটা গ্রুপ ছিলাম। সত্তর দশকের কথা বলছি। আমি, চিত্রগ্রাহক মাহফুজ আর কবরী তিন জনের একটা গ্রুপ ছিল। আমরা খুব আড্ডা মারতাম একত্রে। আমাদের অনেক স্মৃতি আছে। ওনার (কবরী) বাসাতেই আড্ডা মারতাম। তারপর গাড়ি নিয়ে বের হতাম। তখন ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে খাওয়াতে নিয়ে যেত। আমাদের পয়সা ছিল না। এফোর্ট করতে পারতাম না। একবার শুটিং করছি কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে, হঠাৎ করে এসে বললেন, চলেন ঘুরে আসি। ওনার গাড়িতে উঠলাম। পরে তিনি ড্রাইভারকে বললেন চট্টগ্রাম চলো। অমি বললাম চট্টগ্রাম যাবো! অবাক হয়ে গেলোম। পরে গেলামও। পরদিন আবার এসে শুটিং করলাম। 'আমার জন্মভূমি' সিনেমার শুটিংয়ের স্মৃতি টেনে এনে আলমগীর আরও বলেন, আমরা তখন তো নতুন আর্টিস্ট। আমরা কোথায় থাকবো, কী করবো সব তো জানার কথা না। প্রোডাকশন থেকেও দেখতো না। তবে উনি কিন্তু সবারই খোঁজ খবর নিতেন। 'আমার জন্মভূমি' সিনেমার শুটিংয়ের সময় আমাকে কোনো রুম দেয়া হয়নি। একটা বড় বারান্দা ছিল ওইটাতে খড় বিছিয়ে বিছানা করে ঘুমিয়েছিলাম। পরের দিন এটা উনি দেখলেন। দেখেই টাকা দিয়ে চকি, চাদর, বালিশ এনে ঘুমানোর ব্যবস্থা করে দিলেন। এগুলো অসাধারণ ব্যাপার। এমন স্মৃতি অনেক আছে। ব্যক্তি কবরী আর অভিনেত্রী কবরীকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? আলমগীর উত্তরে বলেন, মানুষ কবরীকে আমি মূল্যায়ন করতে চাই। কবরীর তুলনা কবরী নিজেই। অভিনেত্রী কবরীকে মূল্যায়ন করার মতো ধৃষ্টতা আমার নেই। সবশেষ, ‘এই তুমি সেই তুমি’ নামের একটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করছিলেন কবরী। সেই ছবিতেও আলমগীরের অভিনয় করার কথা ছিল। কিন্তু মহামারী করোনাভাইরাসের কারনে সিনেমাটিতে কাজ করতে পারেনিনি বলে জানান আলমগীর।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর