× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

একদিনে আরো ১০১ জনের মৃত্যু

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(৩ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৭, ২০২১, শনিবার, ৪:২৩ অপরাহ্ন

দেশে গত ২৪  ঘণ্টায় করোনায় আরো ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ হাজার ২৮৩জনে। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩৪৭৩জন।
 মোট শনাক্ত ৭ লাখ  ১৫হাজার ২৫২জনে দাঁড়িয়েছে। ২৪ ঘণ্টায়  ৫৯০৭জন এবং এখন পর্যন্ত ৬ লাখ  ৮হাজার ৮১৫জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
 আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য  জানানো হয়েছে।
এতে আরো জানানো হয়, ২৫৭টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫হাজার ৪১৩টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৬হাজার ১৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫১লাখ  ৫০হাজার৬৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ১২শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ।।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Professor Dr.Mohamme
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৯:৩৫

ভারতে আগামী জুনের প্রথম সপ্তাহে অর্থাৎ মাত্র ৪৫ দিন পরে, করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যা পেরোতে পারে ২৩০০! এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে ব্রিটিশ ল্যানসেট কোভিড ১৯ কমিশনের এক রিপোর্টে। সংক্রমণ ও মৃত্যু ঠেকাতে বদ্ধ জায়গায় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা ছাড়া তাদের কোনও উপায় নেই’। এমতবস্থায়, ভারতের সাথে আমাদের সকল দুয়ার বন্ধ করে দিয়ে , দেশের ভিতরে জরুরি ভিত্তিতে ভারত থেকে আমাদানি নির্ভর বিশেষ করে পেয়াজ, চাল, যন্ত্রাংশ জা আমদের দেশে উতপাদন শম্ভব তা করা উচিত। উল্লেখ্য, বাংলাদেহ সরকারের কৃষি মন্ত্রলায়ের সময়োচিত পদক্ষেপ নেয়ার ফলে আমাদের পেয়াজের ঘাটতি নেই । কিন্তু কভিদ -১৯ মহামারী সম্পর্কে ঘাটতি রয়েছে । যে কারনে, ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে, জনপ্রতিনিধিদের আরও কার্যকর ভুমিকা রাখা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি । আন্নথায়, এই মহামারী থেকে পরিত্রান পাওয়া যাবেনা । ১৯১৫ সালে এই একই মহামারীতে ভারতের কোন কোন এলাকা, বিশেষ করে মহারাষ্ট্রে মানুষ মরে শেষ হয়ে গিয়ে ছিল । আমি আজ ওষুধ কিনতে অল্প কিছুক্ষনের জন্য বাইরে গিয়েছিলাম । দেখে মনে হচ্ছিল, আমাদের চেতনার দৈন্য ঘুচবেনা! আমাদের সকলকে মরে প্রমান করতে হবে যে , কবিদ-১৯ সত্যিই ভয়ঙ্কর।

Humayun
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৭:৩১

শুভঙ্করের ফাঁকি ।১৮ কোটি জনসংখ্যার দেশে ১৫ হাজার পরীক্ষা!পরীক্ষা না করলেই ভাল হতো।মানে পরীক্ষা নেই, করোনা ও নেই।যেমন উওর কোরিয়া।দিল্লিতে শনাক্তের হার ২০%,আক্রান্ত 43535 আর মৃত্যু হয়েছে ১৪১ জন।বাংলাদেশের জনসংখ্যা কি দিল্লির চেয়েও কম?দয়া করে পরীক্ষা পরীক্ষা নাটক শেষ করুন ।

Hamid Bhuiyan
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৭:২৯

দিনমজুরদের জন্য অন্নের ব্যবস্থা না করে তাদেরকে লকডাউনের কঠোর বিধি মানানো সম্ভব নয়।

সোহেল
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৪:৪৪

টেস্ট কম করে আক্রান্তের সংখ্যা কম দেখিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ কি বোঝাতে চায় তা মাথায় আসেনা।দেশে আবার কীট সংকট নেইতো!!! বাংলাদেশ বলে কথা!!

Md. Abbas Uddin
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৫:০১

ধর্মহীনতা ও ধর্মান্দতা দুটোই ক্ষতিকর। ধর্ম পালন বা ধর্ম চর্চা মানুষের মনকে সতেজ রাখে এবং সৃষ্টিকর্তার আনুগত্য করে। আর ধর্মহীনতা সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার করে এবং মানুষের আত্মাকে শুকিয়ে রাখে। অন্যদিকে ধর্মান্দতা অনেক ক্ষেত্রে বাস্তুবতাকে মানতে চায় না। ৫ ওয়াক্ত নামাজ প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরজ করা হয়েছে। তাই নামাজের সাথে মহামারীতে সতর্কতার কোন সম্পর্ক নেই। ৫ ওয়াক্ত নামাজের ওজুর সময়ে ভাইরাস-জীবানু অনেকাংশে বিধৌত হয়ে চলে যায়। কিন্তু ১০০% বিপদমুক্ত থাকা যায় না। তাই মসজিদের বাহিরে যেমন মাস্ক পরা জরূরী তেমনি মসজিদের ভিতরও মাস্ক পরা জরূরী। করনায় এই বিপদের মুহূর্তে মসজিদে গেলে দেখা যায় অনেকে হাঁচি-কাশি দিচ্ছেন কিন্তু তাদের মুখে কোন মাস্ক নেই। এইজন্য এখন বাসায় নামাজ পড়তে বাধ্য হচ্ছি (আল্লাহ মাফ করুন)। যাহারা মাস্ক পরে মসজিদে যান তাহারাই প্রকৃত জ্ঞানী ও সচেতন। যাহারা মাস্ক ছাড়া মসজিদে জান আল্লাহ তাদেরকে বাস্তবতা বুঝার তৌফিক দান করুন।

মন্জুর
১৭ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ৩:৪৫

সরকারের উচিৎ পরীক্ষা আরো কমিয়ে দেয়া।তাহলে আক্রান্ত কম দেখাবে।

অন্যান্য খবর