× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

মিনা পাল যেভাবে হয়ে উঠেন কবরী

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার

অত্যন্ত অল্প বয়সেই চলচ্চিত্রের নায়িকা হিসেবে অসংখ্য মানুষের হৃদয় জয় করে নিয়েছিলেন কবরী। চলচ্চিত্রে তার যাত্রাটাও হয়েছিলো মনে রাখার মতো। ১৯৫০ সালে জন্ম নেয়া এ অভিনেত্রীর জন্মসূত্রে নাম ছিল মিনা পাল। সেই মিনা পালই পরবর্তীতে নিজের অভিনয়ের ম্যাজিকে বরেণ্য অভিনেত্রী কবরীতে পরিণত হন। ১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ ছবির মধ্য দিয়ে সিনেমায় অভিষেক হয় তার। সেই ছবিতে ‘পরানে দোলা দিলো এই কোন ভোমরা’ গানের মাধ্যমে মাত্র ১৩ বছরের এক কিশোরীকে নায়িকা হিসেবে দর্শকদের কাছে পরিচিতি করান পরিচালক। প্রথম ছবিতেই করলেন বাজিমাৎ। খেতাব পেয়ে গেলেন মিষ্টি মেয়ের।
কিশোরী মিনা পালকে রাতারাতি অভিনেত্রী কবরী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের কোনো বাংলা ছবি হিসেবে তাসখন্দ চলচ্চিত্র উৎসবে ‘সুতরাং’ ব্যাপক সম্মান পায়। ছবিটি মুক্তি পেলে নায়িকা হিসেবে কবরী দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হন। তারপর জনপ্রিয় নায়িকা হিসেবে চলচ্চিত্র দুনিয়ায় কবরীর শুধুই দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা। একদিকে দক্ষ অভিনয় অন্যদিকে মনকাড়া হাসি দিয়ে সহজেই তিনি দর্শকমন হরণ করেন। এক সাক্ষাৎকারে কবরী বলেছিলেন, ‘সুতরাং’ সিনেমার কিশোরী কবরী দর্শকদের কাছে যে এতটা জনপ্রিয়তা পাবে, সেটা তিনি ভাবতেই পারেননি। শুরুর দিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসে তাকে প্রচুর রিহার্সাল করতে হয়েছিল ভাষা থেকে চাঁটগাইয়া আঞ্চলিক টান এবং কথায় নাকি নাকি ভাব দূর করতে।

কবরীর ভাষায়, চোখ তুলে তাকাতে সাহস পেতাম না, খুব লজ্জা পেতাম। সব দত্তদা (সুভাষ দত্ত) শিখিয়েছেন। কিন্তু ‘সুতরাং’-এর পর আমাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। এরপরের দুই দশকে ‘রংবাজ’, ‘নীল আকাশের নীচে’, ‘দ্বীপ নেভে নাই’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘সুজন সখী’, ‘সারেং বৌ’য়ের মতো বহু ব্যবসাসফল এবং আলোচিত সিনেমায় প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেন। এ ছাড়া নায়করাজ রাজ্জাক চলচ্চিত্রের নীল আকাশের নীচে সদর্পে বিচরণ করতে পেরেছেন কবরীর মতো নায়িকা পেয়েছিলেন বলে। মিঞা ভাই খ্যাত ফারুক চলচ্চিত্রের নীল দরিয়ায় নাও চালিয়ে সফল হয়েছিলেন কবরীকে পাশে পেয়েছিলেন বলেই। বুলবুল আহমেদের ক্যারিয়ারেও সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়িকা কবরী। নায়ক আলমগীরের কাছেও কবরী ছিলেন অনবদ্য এক অভিনেত্রী। উপমহাদেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটকের ছবি ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ সিনেমার নায়িকা হয়ে অভিনয় করে আরো একবার সাড়া ফেলেন কবরী। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সিনেমায় পুরোপুরি মনোযোগী হন এ নায়িকা। এরপর শতাধিক ছবিতে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন তিনি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর