× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

সুন্দরবনের বনরক্ষীদের বিরুদ্ধে মৌয়াল নির্যাতনের অভিযোগ

বাংলারজমিন

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার

চাহিদামতো মধু না পেয়ে পাঁচ মৌয়ালকে আটক করে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে সুন্দরবনের কতিপয় বনরক্ষীর বিরুদ্ধে। গত শুক্রবার বিকালে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কোকিল মনি টহল ফাঁড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতরা হচ্ছেন- সুন্দরবন সংলগ্ন উপজেলার সোনাতলা গ্রামের বাসিন্দা মো. শহিদুল হাওলাদার (৩৩), মো. ছলেমান হাওলাদার (২৯), মো. রফিকুল গাজী (৪১), মো. আফজাল হোসেন (৪৩) ও রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. বেল্লাল হোসেন (২৭)। এ ছাড়া বনরক্ষীদের কাছে মৌয়ালদের জমা রাখা ৫০ মণ মধু, ৩০ হাজার টাকার বাজার ও নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্যাতনকারীরা আত্মসাৎ করেন বলে জানায় মৌয়ালদের স্বজনরা। মৌয়ালদের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন, নাছিমা বেগম, ও খাদিজা বেগমসহ কয়েকজন বলেন, ১লা এপ্রিল ওই মৌয়ালরা সুন্দরবনের শরণখোলা স্টেশন হতে ১৫ দিনের পাস (অনুমতি) নিয়ে সুন্দরবনে মধু আহরণের উদ্দেশ্যে যায় তারা। পারমিট নবায়নের জন্য ১৫ই এপ্রিল তারা বন বিভাগের কোকিলমনি টহল ফাঁড়িতে যায়। প্রতি বছরের মতো ওই টহল ফাঁড়িতে আগে থেকেই মৌয়ালরা তাদের আহরিত মধু, নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল ও নগদ টাকা জমা রাখেন। সে জন্য কোকিলমনি টহল ফাঁড়ির বনরক্ষীদের এক কেজি করে মধু দেয়ার চুক্তি হয়।
কিন্তু ওই টহল ফাঁড়ির (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা ফরেস্টার মো. আবুল হোসেনের নেতৃত্বে এ বছর মৌয়ালদের কাছে দুই কেজি করে মধু দাবি করেন বনরক্ষীরা। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বনরক্ষী রিয়াজ তার সহকর্মীদের নিয়ে মৌয়াল শহিদুলকে আটক করে মারধর করেন। এ দৃশ্য দেখে সকল মৌয়ালরা মিলে তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা চালায়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্য হাতাহাতি হলে পার্শ্ববর্তী স্টেশনের কোষ্টগার্ড সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে বনরক্ষীরা মৌয়ালদের পাঁচ জনকে আটক করে পারমিট নিয়ে নেয় এবং তাদের হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করে। জানতে চাইলে বন বিভাগের কোকিল মনি টহল ফাঁড়ির কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন (ফরেস্টার) দাবি করেন, মৌয়ালরা অভয়ারণ্য এলাকায় ঢুকে গোলপাতা ও জ্বালানিকাঠ সংগ্রহ করায় তাদেরকে আটক করা হয়েছ। তাদের বন আইনে মামলা দিয়ে কোর্টে চালান করা হয়েছে। মৌয়ালদের সকল অভিযোগ মিথ্যা।  

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর