× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ৯ মে ২০২১, রবিবার, ২৬ রমজান ১৪৪২ হিঃ

করোনা মহামারির মধ্যেও উৎপাদন-রপ্তানি অব্যাহত রাখা বড় অর্জন: সালমান এফ রহমান

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(২ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৮, ২০২১, রবিবার, ৫:৫৯ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য সালমান এফ রহমান বলেছেন, করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশের শিল্প কারখানাগুলো উৎপাদন এবং রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে, এটা অনেক বড় অর্জন।

রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক্সপোর্ট কম্পিটেটিভনেস ফর জবস (ইসিফোরজে) কর্মসূচির অংশ হিসেবে কোভিড-১৯ উদ্যোক্তা বান্ধব তহবিলের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে (ভার্চ্যুয়ালি) এ কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি অগ্রগতির ক্ষেত্রে বিশ্ব ব্যাংকের অবদান আছে উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান বলেন, এক্সপোর্ট কম্পেটেনটিভেনেস ফর জব (ইসিফোরজে) প্রজেক্টের জন্য বিশ্বব্যাংককে আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিশ্বব্যাংকের সহযোগী মনোভাবের কারণে বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারবাহিকতা অনেক দূর এগুতে পেরেছে।

সালমান এফ রহমান বলেন, রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি সরকারের সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ তো আছেই। উভয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ প্রকল্প ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশের অগ্রতির পুরো কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের কারণেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. জাফর উদ্দিন এবং বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর (বাংলাদেশ ও ভুটান) মার্সি মিয়াং টেম্বন এ ওয়েবিনারে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ইসিফোরজে প্রকল্পের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান।

আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রকল্পের কার্যক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় এটি একটি মাইলস্টোন উদ্যোগ। স্থানীয় বাজার তো বটেই, বৈদেশিক বাজারে রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত উদ্যোক্তারাও এর মাধ্যমে উপকৃত হবেন। পিপিই ও চিকিৎসাসামগ্রী উৎপাদনে যুক্ত উদ্যোক্তারা বিনিয়োগ সহায়তা পাবেন।

প্রকল্পের আওতায় গড়ে তোলা হয়েছে কোভিড-১৯ এন্টারপ্রাইজ রেসপন্ড ফান্ড (সিইআরএফ)। এর মাধ্যমেই অনুদান আকারে বিনিয়োগ সহায়তা দেয়া হবে উদ্যোক্তাদের।
রোববার থেকেই আবেদন করা যাচ্ছে। অনুদান পাওয়া যাবে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ ডলার পর্যন্ত।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, যেসব প্রতিষ্ঠান পিপিই পণ্য উৎপাদন করে স্থানীয় বাজার ও রপ্তানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য এ অনুদান। দেশীয় ও বৈদেশিক প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে কোনো উদ্যোক্তা যদি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতা করে বৈচিত্র্যপূর্ণ পিপিই সামগ্রী উৎপাদন করতে সক্ষম হন, তারাই এ অনুদানের জন্য বিবেচিত হবেন।

অনুদান আবেদনকারী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিভুক্ত হলে এ প্রকল্প থেকে ৬০ শতাংশ অনুদান পাবেন আর আবেদনকারীর অংশগ্রহণ থাকবে ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া বৃহৎ শিল্পের ক্ষেত্রে অনুদানের পরিমাণ হবে ৫০ শতাংশ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:২২

অনেক অনেক গুনী মানুষ। আমাদের ভাগ্য খারাপ, আমরা রাষ্টীয় ভাবেতার সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছি।

Md. Abbas Uddin
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৭:৫১

সকল মানুষকে সঠিক নিয়মে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা গেলে লকডাউনের প্রয়োজন হত না।

অন্যান্য খবর