× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ২৮ রমজান ১৪৪২ হিঃ

প্রণোদনা প্যাকেজের একটা অংশ ‘অনুদান’ হিসেবে চান ব্যবসায়ীরা

অনলাইন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
(৩ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৮, ২০২১, রবিবার, ৭:৩৬ অপরাহ্ন

করোনাভাইরাসের ক্ষতি মোকাবিলা এবং অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে দেয়া প্রণোদনা প্যাকেজের একটা অংশ ‘অনুদান’ হিসেবে চান ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই)। রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআইয়ের যৌথভাবে আয়োজিত ৪১তম পরামর্শ সভায় এ প্রস্তাব দেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম। ভার্চ্যুয়ালি এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। এ ধাক্কা যদি আরেক প্রান্তিক অব্যাহত থাকে, তাহলে এ দেশের ছোট-বড় শিল্পমালিকরা বিপাকে পড়তে পারেন। ক্ষতি মোকাবিলায় প্রণোদনার ছাড় করা অর্থের একটা অংশ ‘অনুদান’ হিসেবে দেয়া জরুরি। এক্ষেত্রে বৃহৎ শিল্প মালিকদের জন্য দেয়া প্রণোদনার ছাড় করা অর্থের ৫ শতাংশ এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ অনুদানে রূপান্তর করা উচিত।’ এ ছাড়া কৃষি খাতে যেসব প্রতিষ্ঠান প্রণোদনার অর্থ পেয়েছে, তাদেরও ৫০ শতাংশ অর্থ অনুদান হিসেবে ঘোষণা দেয়ার দাবি জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে মোট এক লাখ ২৪ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে সরকার। এ অর্থের সিংহভাগই ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। খাতভিত্তিক এ প্রণোদনার একটি অংশ অনুদান হিসেবে চান ব্যবসায়ীরা। এদিকে আগামী দুই বছরের মধ্যে আমদানি পর্যায়ে অগ্রিম আয়কর ও আগাম ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানায় এফবিসিসিআই। সংগঠনটি মনে করে, করোনার সময় ব্যবসা-বাণিজ্য কমে গেছে। সবকিছু আবারও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ সময়ে অগ্রিম আয়কর ও আগাম ভ্যাট প্রত্যাহার করা হলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নগদ টাকার প্রবাহ বাড়বে। ওদিকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে উৎসে কর ০.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত ০.২৫ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান। এ ছাড়া পোশাক রপ্তানিতে নগদ সহায়তার ওপর উৎসে কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করার দাবি জানান তিনি। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আহসান খান চৌধুরী বলেন, বাঙালির স্বাভাবিক খাদ্য মুড়ি। বর্তমানে ১৫ শতাংশ হারে মুড়ির ওপর ভ্যাট দিতে হচ্ছে। করোনার সময়ও মুড়ির ওপর ভ্যাট গুণতে খারাপ লাগে। র-সুগার আমদানির ওপর এখন প্রতি কেজিতে ২৭ টাকা পর্যন্ত ব্যয় করতে হয়। এটিও কমানো জরুরি। ই-কমার্স খাতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতির দাবি জানান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির। তিনি বলেন, উদীয়মান এ খাতের বিকাশে ভ্যাট প্রত্যাহার অত্যন্ত জরুরি। এ ছাড়া ডিজিটাল লেনদেন ভ্যাটমুক্ত রাখার দাবি জানান। সাইবার সিকিউরিটির ডিভাইস ও সফটওয়্যার ডিউটি ফি ন্যূনতম পর্যায়ে আনার দাবি করা হয়। পাশাপাশি আইটি খাতের সফটওয়্যার রফতানি বাড়াতে ৫০০ কোটি টাকার তহবিল চায় বেসিস। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, জাতীয় বাজেটে ব্যবসায়ীদের দাবি-দাওয়া বা চাওয়া যুক্তিসঙ্গত। অযৌক্তিক কোনও চাওয়া থাকে না। তারা দেশের নিবিড় অর্থনীতির চালিকাশক্তি। ব্যবসায়ীদের সুযোগ বাড়িয়ে দিলে দেশও উন্নত হয়। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো মানে দেশকে শক্তিশালী করা। এটা দেশের স্বার্থে করতে হবে। ব্যবসায়ীদের সুযোগ দিলে একদিকে রাজস্ব আয় বাড়বে, অপরদিকে কর্মসংস্থানও বাড়বে। তাই তাদের দাবিগুলো যথাসম্ভব বিবেচনা করা হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রেখে যাওয়া বাংলাদেশকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে উল্লেখে করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আপনারা যদি দেশকে উজাড় করে দেন, তাহলে ঠকবেন না। আপনাদের নিজের যেমন আয় বাড়বে, তেমনি দেশের কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Raju
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:৫৬

এই প্রনোদনার অর্থ শ্রমিক দের স্বর্থে কতটুকু ব্যবহার হচ্ছে? নাকি করোনার নমে এটাও লুটে নিয়ে বিদেশে পাচার হবে? আবার এটা ফেরত না দেওয়ার জন্য এখন অনুদান বলার চেষ্টা করা হচ্ছে। তেল্লা মাথায় মাখ তেল।

Faruque Ahmed
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:২৬

For the total Go to Firmgate over bridge to get Onudan. Partially can be accept.

Mirza Afzal
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৪:২৩

অবশ্যই সকল শ্রেনির ব্যবসায়িকে অনুদান দেয়া অতি আবশ্যক।

Siddq
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১১:৫১

These are basically opportunistic beggars. While all Bangladeshi people irrespective of their profession are suffering due to low level economic activities, These bastard crooks want free money from the government. This is nothing but their hereditary congenital behavior.

Suza
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১১:২৫

কিসের জন্য তাদেরকে প্রণোদনার টাকা দিতে হবে ব্যবসায়ীদের আমার বোধগম্য না। আর কতো টাকা লুটেপুটে খাবে। সারা দেশটাই খেয়ে ফেলেছে লুটেরার দল। এরা জানে শুধু নিজের আখের গোছাতে। এই ব্যবসায়ীরা গতকাল শ্রমিকদের গুলি করে মেরেছে।

Banglar Manush
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:৫৬

Business people: We are poor! Give us more money!! The general public does not need any money; they are used to less money. We are used to more money. So, give us more money! Give us more people's money!! Give us more free money!!!

তপু
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৯:০২

মামা বাড়ির আবদার!

অন্যান্য খবর