× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ২৮ রমজান ১৪৪২ হিঃ

সেই চিকিৎসকের সঙ্গে কি হয়েছিল পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটের

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(৩ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৮, ২০২১, রবিবার, ৮:৩৬ অপরাহ্ন
ছবিঃ জীবন আহমেদ

সর্বাত্মক লকডাউন চলাকালে পরিচয়পত্র চাওয়া নিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে একজন চিকিৎসকের বাকবিতন্ডার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। মানবজমিন এর ফটো সাংবাদিক জীবন আহমেদ এ ঘটনার ভিডিও দৃশ্যধারণ করেন। পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তা ভাইরাল হয়। মানবজমিন এর সূত্র ব্যবহার করে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সাংবাদ মাধ্যম এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করে।
পরে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাঈদা শওকত জেনি প্রাইভেট কারযোগে এলিফেন্ট রোডের ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশের সহযোগিতায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার গাড়ি থামিয়ে ডাক্তারের এপ্রোন পরিহিতা জেনির পরিচয়পত্র দেখতে চান। বারবার অনুরোধ করেও তার কাছ পরিচয়পত্র দেখতে পাননি উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা। জেনি জানান, তিনি পরিচয়পত্র বাসায় রেখে এসেছেন।
ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে উঠেন ডাক্তার জেনি।
নিজেকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান দাবি করে পুলিশ সদস্যদের গালিগালাজ করতে থাকেন। তিনি বলেন, করোনায় জীবন গেছে কয়জন ডাক্তারের, আর আপনারা কতজন মরছেন। আমার কাছে আবার চান মুভমেন্ট পাস।
এ সময় নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম কাইয়ুম ওই নারীকে বলেন, আপনি আমাদের ধমক দিচ্ছেন কেন? জবাবে ডাক্তার বলেন, আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলীর মেয়ে। জবাবে ওসি বলেন, আমিও মুক্তিযোদ্ধার ছেলে। আপনি আমাকে শোনাচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধার কথা।
ডাক্তার তখন নিজের পরিচয় সম্পর্কে বলেন, ডাক্তার হয়রানি বন্ধ করতে হবে। আমি বিএসএমএমইউ প্রফেসর, বীর বিক্রমের মেয়ে। আমাকে আপনারা হয়রানি করতে পারেন না। পরে পুলিশের আরেক সদস্য বলেন, আপা আপনাকে তো হয়রানি করা হচ্ছে না। আপনার কাছে পরিচয়পত্র চাওয়া হচ্ছে।
একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ডাক্তার জেনি বলেন, তুই মেডিকেলে চান্স পাস নাই, তাই তুই পুলিশ। আমি চান্স পাইছি তাই আমি ডাক্তার। এসময় নিজ গাড়িতে ওঠে যান ওই নারী চিকিৎসক। এসময় পুলিশের এক সদস্য ওই নারীকে বলেন, আপনি আমাকে তুই তুই করে বলছেন কেন? এক পর্যায়ে পুলিশকে তিনি হয়রানি করলে আন্দোলনের হুমকি দেন। পুলিশ জবাবে বলছে, আমাদের আন্দোলনের ভয় দেখাচ্ছেন।
গাড়ির গ্লাসের সামনে দাঁড়িয়ে তখন ওই নারী ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলছিলেন  ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ। এ সময় ওই নারী ডাক্তার জেনি তাদের বলেন, আর আমি কে, সেটা এখন তোদের দেখাচ্ছি হারামজাদা। এই কথা বলে এক উর্ধ্বতন কাউকে কল করছিলেন। ফোনে ওপরপ্রান্তে থাকা ব্যক্তিকে পুলিশ তাকে হয়রানি করছে জানিয়ে ফোনটি পুলিশ সদস্যের হাতে তুলে দেন কথা বলার জন্য।  এসময় তিনি একটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে বলেন। ফোনে কথা বলেন ম্যজিস্ট্রেট। ওই ডাক্তার তখন তার কাছে পুলিশ সদস্যদের ক্ষমা চাওয়ার দাবি করেন। একপর্যায়ে ডাক্তারের অন্য সহকর্মীরা ঘটনাস্থলে এলে বিষয়টি সমাধান হয়। প্রায় আধা ঘন্টা পরে ডাক্তার জেনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Nazmul
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ৫:৫৬

আামি ভিডিওটি দেখেছি। ভিডিওটির কোথাও পুলিশ বা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক ডাক্তারকে হয়রানী করা হচ্ছে বলেতো মনে হলোনা। বরং ঐ মহিলা কর্তৃক পুলিশ ও ম্যাজিষ্ট্রেটকে সরকারী কাজে বাধাদান করতে ও ভারবালি এ্যাসল্ট করা দেখলাম। এই মহিলা ডাক্তরকে এ্যারেষ্ট করা উচিত ছিল। ঐ মহিলা কর্তৃক পুলিশ ও ম্যাজিষ্ট্রেটকে বিদেশে ডাক্তারদেরকে কিভাবে treat করা হয় তার লেকচার দিতে শুনলাম। এই মহিলা কি জানে না Finland এর Prime Minister কে আইন না মানার কারনে পুলিশ জরিমানা করে। বিদেশে ডাক্তারদের নৈতিকতা সম্বন্ধেও তার ধারনা নাই। বিদেশে এ ঘটনা ঘটলে এই ডাক্তারকে চাকুরীচূত করা হতো। Corona যোদ্বা ডাক্তারদের প্রতি অবশ্যই আমরা কৃতগ্ঙ তবে সবাইকে আইন এর প্রতি শ্রধ্ধাশীল হতে হবে। জানিনা কবে আমরা "তুমি চেনো আমি কে?" এই কালচার থেকে মুক্তি পাব।

AMIR
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৫:১৫

সরকারি মেডিকেল কলেজে (যদি পড়ে থাকে ) ,সরকারি সহায়তায় পড়ে বেয়াদব তৈরী হয়়েছে? (ভিডিও টি দেখে বলতে বাধ্য হলাম) ।

A,K.M Nurul Islam
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৩:১২

She answered that I am a DOCTOR from PG. Not only that she is an associate professor and wearing apron. Was it not enough to satisfy Magistrate and SI of Police. Even that whatever these group have done deserve condemnation . They should have applied common sense instead showing stubborn-ed attitude to this lady doctor.

Bablu
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১১:৫৪

This is one sided News favor by Police only. The way of Language not professional . The Chief Editor of manab Jamin should takecare of this type of report in future .

Monir
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১১:৩৬

পুলিশ মুভমেন্ট পাশের মত আইন জারি করার ক্ষমতা আছে কিনা জানিনা । মন্ত্রনালয়ের প্রজ্ঞাপনে মুভমেন্ট পাশের কোন তথ্য পাইনি ।

আবু তালেব মিয়া
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:১৮

তাঁর আচরণ চিকিৎসক সুলভ ছিলো না। এরা দেশের ও সমাজের কোন উপকারী নয়।

Md. Belal Hossain
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১০:২৩

Female Doctor was should be so soft but we see like as ex. Dr. Sabrina.

Faruque Ahmed
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:২১

কেবল ভোল্টেজের সমস্যা। উভয়ই হ'লউচ্চ ভোল্টেজ চরিত্রের ।

Shobuj Chowdhury
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৭:৩৬

Police and those magistrate would have been okay if they would have represent and protect public interest in all aspects. They are now involved in abduction, unlawful arrest, forced disappearance and extra judicial killings. The doctor is 100% right on her character assessment about the police.

Nazmul
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৭:২৯

আামি ভিডিওটি দেখেছি। ভিডিওটির কোথাও পুলিশ বা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক ডাক্তারকে হয়রানী করা হচ্ছে বলেতো মনে হলোনা। বরং ঐ মহিলা কর্তৃক পুলিশ ও ম্যাজিষ্ট্রেটকে সরকারী কাজে বাধাদান করতে ও ভারবালি এ্যাসল্ট করা দেখলাম। এই মহিলা ডাক্তরকে এ্যারেষ্ট করা উচিত ছিল। ঐ মহিলা কর্তৃক পুলিশ ও ম্যাজিষ্ট্রেটকে বিদেশে ডাক্তারদেরকে কিভাবে treat করা হয় তার লেকচার দিতে শুনলাম। এই মহিলা কি জানে না Finland এর Prime Minister কে আইন না মানার কারনে পুলিশ জরিমানা করে। বিদেশে ডাক্তারদের নৈতিকতা সম্বন্ধেও তার ধারনা নাই। বিদেশে এ ঘটনা ঘটলে এই ডাক্তারকে চাকুরীচূত করা হতো। Corona যোদ্বা ডাক্তারদের প্রতি অবশ্যই আমরা কৃতগ্ঙ তবে সবাইকে আইন এর প্রতি শ্রধ্ধাশীল হতে হবে। জানিনা কবে আমরা "তুমি চেনো আমি কে?" এই কালচার থেকে মুক্তি পাব।

Shah Almuktadir
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৬:০৬

What is this? Police cannot do their job?? She should have behaved!!

Shah Alam
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৬:১০

এই ভদ্র মহিলা আদৌ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কিনা তা নিয়ে সন্দেহ হতে পারে। কারণ ডাক্তার হয়েও শুধু পরিচয় পত্র দেখাতে বলায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে এরূপ অসদাচরণ কোন ভদ্র মহিলা করতে পারে না বলে আমার মনে হয়। তবে সত্যিই যদি তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা জেনারেল শওকত আলীর যোগ্য সন্তান হয়ে থাকেন তাহলে তার এই উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য জাতির কাছে এবং একান্তভাবে ভুক্তভোগী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিকট ক্ষমা চাওয়া বাঞ্ছনীয় বলে আমার মনে হয়। বঙ্গবন্দু-আধ্যাতিক-সৈনিক

জামান
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৪:২৩

অন্যান কাডারদের মত৷ ডাক্তারদেরও চাকরীতে ঢোকার পর টেনিং পদান করা হয় কি

Manik
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৪:১৫

তো এইরকম বা এই ডাক্তার কে যদি প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে দেওয়া হয় তবে দেশের আইন কি হবে কিভাবে চলবে...... চার দিন আগের একটা খবর.....করোনা আইন না মানার জন্য নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী কে পুলিশ ফাইন করেছে.....!!!!!!

Mirza Afzal
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৪:০৬

আমি যতটুকু জানি ডাক্তারদের জন্য লকডাউন প্রযোজ্য নয়, তারপরেও ঐ মেজিসটেট ও পুলিশ ডাক্তার জেনেও ইচছাকৃত হয়রানি করেছে। এদের বিচার হওয়া আবশ্যক।

ফজলু
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৩:৫৯

লাইভে ভিডিওটি দিন। মানুষ আসল তথ্য জানতে পারবে। সাধারণ মানুষ কোন তথ্য সূত্রকেই আর বিশ্বাস করতে পারছে না।

Mahmud
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ২:৩৩

পৃথিবীর সব দেশেই পুলিশের আইনগত অধিকার আছে যে কোন নাগরিকের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার এবং তার পরিচয়পত্র দেখতে চাইবার , তিনি বীর উত্তমের মেয়ে হোন বা বীর বিক্রমের মেয়ে হোন । একজন সুনাগরিকের দায়িত্ত হচ্ছে চাইবা মাত্র সে পরিচয়পত্র দেখানো । কিন্তু মহিলা সেটি না দেখিয়ে যে অসভ্য আচরন করলেন পুলিশের উচিত ছিলো মহিলাকে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা । বুঝতে অসুবিধা হয়না তিনি সরকারী দলের বড় নেতার কন্যা , আর সে ক্ষমতার জোরে তিনি নিজেকে আইনের উর্ধ্বে মনে করেন ।

Khan
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১:৫৯

সাংবাদিক ভাইয়ের উচিত ভিডিও টি আবার ভালোভাবে দেখা.. এই মহামারীর সময়ে ডাক্তারের পরিচয় পত্র দেখতে চাওয়া এক প্রকার ক্ষমতার অপব্যাবহার ছাড়া কিছুই না.. ফাইনালি উপরের মহল থেকে ঠেলা খেয়ে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেট লেজ গুটিয়ে পালালো...

rashed
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ২:২৮

পাপিয়া বলেছে সেটা তো উল্লেখ করেন নি! পুলিশ ,ম্যাজিষ্ট্রেট অশালীন আচরন করেছে সেটাও লিখেন নি!! এমন ভাবে লিখেছেন মনে হচ্ছে সবাই দাঁড়িয়ে ছিল উনি ঝগড়া করতে গিয়েছেন! গ্রেড-৪ (যুগ্ম সচিব) পদ মর্যাদার একজন মহিলার সাথে ৭ম-৯ম গ্রেড এর ম্যাজিষ্ট্রেট আর ১০ম গ্রেড এর এস আই আশালীন আচরন করার মাধ্যমে তাকে উত্তেজিত করে সেটা ভিডিও করেছেন-জাতি দেখেছে। এই মহিলা ডাক্তার হয়ে পাপ করেছেন। বিচার বসান। সাধারন জনগন খুশি হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১২:৩০

ভিডিওতে যা দেখেছি তার সাথে আপনাদের খবরের কোনো মিল নেই, আপনারা পুলিশের হয়ে সাফাই গাইছেন,, আসল কথা হলো আপনাদের পুলিশ কতো কাপ চা বেশি খাইয়েছে???

jewel
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১২:৫১

পুরো ভিডিও এর লিংক দিতে পারেন কি ভাই ? এডিটিং ছাড়া ?

আব্দুল্লাহ
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১১:১৯

অদ্ভুত দেশে বাস করছি আমরা ... করোনার এই মহামারীতে যারা জীবন বিপন্ন করে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে ... অন্য সবাই যখন নিরাপদ দূরত্বে জীবন বাচাঁতে ব্যস্ত ... পেশাগত ও মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই চিকিৎসকরা লড়াই করে যাচ্ছে। তখন আইনের দোহাই দিয়ে সেই চিকিৎসককেই হয়রানি করা হচ্ছে পরিচয় পত্রের দোহাই দিয়ে। অথচ সরকারী প্রজ্ঞাপনে জরুরী সেবার জন্য চিকিৎসকের চলাচল বাধাহীন করা হয়েছে। কেউ কি শুনেছেন কোনদিন যুদ্ধের সময় সেনাবাহিনীর চলাচলের সময় পাস নিয়ে চলাচল করতে হবে ঘন্টায় ঘন্টায়। কি দরকার পড়েছে চিকিৎসকের নিজের ও পরিবারের সদস্যেদের জীবন বিপন্ন করে করোনা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ার। কোথায় তাদের বাহবা দিয়ে সাহস যোগাবে ... তা না করে নানা ছলচুতায় তাদের নৈতিক মনোবল ভেঙে দেওয়ার অপচেষ্টা করে হচ্ছে। আর সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক। পুরো ভিডিও দেখেছে জনগণ। আর রিপোর্টে করলেন উল্টো। মানবজমিনের নিকট এটা আশা করিনি আমরা সাধারণ জনগণ।

Abdullah
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১১:১৩

The impression of the news is one sided, favorable to the enforcers. Field police officials should have more expertise.

jashim uddin
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১২:০১

তার পোসাকই তার পরিচয় বহন করে .ম্যাজিস্ট্রেট/ওসি জায়থাক তাকে সম্মান করা উচিত.

Novel Purification
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১১:৫৭

এই মহামারীতে ডাক্তার হলেন সম্মুখসারীর যোদ্ধা। মানুষকে বাঁচাতে তারা আপ্রাণ চেষ্ঠা করছেন। অনেকে আলিঙ্গন করছেন মৃত্যুকেও। অন্তঃস্থলের গভীর শ্রদ্ধা অবশ্যই তাদের জন্য। তাই বলে তারা অবশ্যই আইনের উর্দ্ধে নন। পুলিশের সাথে একজন ডাক্তারের এমন উর্দ্ধত্তপূর্ণ আচরণ অবশ্যই কাম্য নয়। পুলিশ হাজারো দোষে দুষ্ট আমরা জানি। তারপরও পুলিশকে আমাদের সাহায্য করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এর কোন বিকল্প নেই আমাদের দেশে। আইডি কার্ড পরীক্ষা করার ১০০% অধিকার পুলিশের রয়েছে। আমি মর্মাহত এই শ্রদ্ধেয় (?) ডাক্তারের আচরণে। এমন ডাক্তারের রোগীদের জন্য আমার রইলো সহমর্মিতা।

অহসান
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:৫৫

মহিলার ব্যবহার অনেক রূঢ় ছিল। ডাক্ডার হয়ে তার ব্যবহার ছিল কসাইয়ের মত৷ আইডি কার্ড দেখাতে না৷ পেরে উল্টো দু্র্ব্যবহার করেছেন। তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।

Mohammad Redwan
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:৪০

আপনারা ওইখানে থাকা অবস্থায় সম্পূর্ণ ঘটনা দেখা এবং ভিডিও করা সত্বেও কিভাবে এইরকম এক পাশ জয়ে কথা বলতেসেন আপনারা পুরাই ইয়েলো জার্নালিস্ট। পুলিশের ব্যবহার এতো সুন্দর কবে থেকে, চামচামি না করে সঠিক ভাবে সাংবাদিকতা করুন

জিলানী
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:৩৪

যত এ সব পড়ি দেখি, মনে পড়ে তখন এক প্রশ্ন বার বার উকিঁ মারে আমরা সব কিছুই নিয়ে কি একটু বাড়াবাড়ি করছি না।

Lpndon Eye
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১১:২৭

The Health Care person is an idiot ,not worth registration as a doctor. She should face some music, tell Minister to aend her to England for lesson

এ,টি,এম,তোহা
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:২২

এই যে একটা ঘটনা ঘটলো এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। এখানে কেউ ছোট হতে চায়না; সবাই নিজকে বড় মনে করছে। সবার মনোভাব সবাই বড়। চেইন অব কমান্ড বলে কোন কথা নেই। এধরনের মনোভাব রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার জন্য অশনিসংকেত। ভিডিও র সাথে সংবাদের সামঞ্জস্য খুবই কম। একটা অলিখিত সেল্ফ সেন্সর চলছে সর্বত্র। দেখবো,শুনবো কিন্তু বলবোনা। পুলিশ প্রধানমন্ত্রীকে আইন অমান্যের জন্য জরিমানা করেছে এটা বিদেশের খবর। সেখানে প্রধানমন্ত্রীতো বলেনি আমি কে?

MBRahman
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:২০

ইউনিফর্ম পরা থাকলেই কি ডাক্তার ? পুলিশ যা করেছে সঠিক করেছে । আইনকে মেনে চলাই ভালো । কয়েক মাস পূর্বে দেখলাম হাজী সেলিমের ছেলে সংসদ সদস্য লিখিত গাড়ি নিয়ে নৌ-বাহিনীর কর্মকর্তাকে মেরেছে, তখন ঐ গাড়িতে সাংসদ ছিলেন না । অনেকের গাড়িতে লিখা থাকে ডাক্তার - সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবি- মেজিস্টেট- এই গুলো লিখা বন্ধ করতে হবে । আইন সবার জন্য সমান হওয়া দরকার ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:১৬

মুক্তিযুদ্দ কে সেল করতে করতে এইবার পুলিশ চেক পোষ্টেও মুক্তিযুদ্দ কে সেল করা শুরু করছে।

Imon
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:১৬

ভিডিও না দেখেই বলতে পারি, পুলিশের যেমন আচরণের বর্ণনা এখানে দেওয়া হয়েছে, তা সম্পুর্ন মিথ্যা। বাংলাদেশে এখন এত নম্র আচরণের পুলিশ একজনও নেই। পুলিশ এখন চরম বেপরোয়া, জনগনের টাকায় চাকরি করে জনগনের উপর স্টীম রোলার চালাচ্ছে।

তপু
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:০১

ভুয়া ডাক্তার। একজন সহযোগী অধ্যাপকের এমন আচরণ!

Srizon
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৯:৫৭

There is no similarity with this news and the video.

মোস্তাফিজুর
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৯:৫৪

মানবজমিন ভিডিও লিংকটি দিলে ভাল করতো। প্রতিবেদনটি একপেশে মনে হচ্ছে। পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে ডাক্তার সাহেব এতো বাজে কথা বলবেন বিশ্বাস হচ্ছে না। মতি ভাই, আপনি বিষয়টি দেখুন, প্রতিবেদনে কোন ত্রুটি আছে কি না।

Sadekul islam
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৯:৪৪

Apnader video er sathe ei kotha gula pura puri milse na...akane sudu dr kei dos daoa hyse r unar kotha gulai bola hyse but police r magistrate er kotha thik vabe tule dhora hoy nai...sangbadik der ki amni manus sang ghatik bole???

nayem
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৯:৩৩

তিল কে তাল বানানো ছাড়া আর কাজ কি!

Dr. Adnan
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:১৫

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাকরি করার সময় একবার স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের সভাপতির বউয়ের প্রেশার মাপার জন্য ডিউটি আওয়ারে তার বাসায় যেতে হয়ে ছিল। কোন সিম্পটম নাই, এমনি তার মন চেয়েছিল প্রেশারটা একটু চেক করাবে। আমি বাংলাদেশ সরকারের ফাস্ট ক্লাস গেজেটেড অফিসার, বগলে প্রেশার মাপার মেশিন নিয়ে তার বাড়ির দিকে রওনা হয়েছিলাম। আজকে আর আমি নামকাওয়াস্তে ফাস্ট ক্লাস অফিসার না, সত্যি সত্যি ফাস্ট ক্লাস চাকরি করি। গলায় NHS এর আইডি কার্ড দেখলে আশেপাশের মানুষের চোখে স্পষ্ট সমীহ দেখতে পাই। এর জন্যে অবশ্য আমাকে শিকড় ছেড়ে আসতে হয়েছে। এই সাহস সবার হয় না, আমারও ছিল না। স্ত্রী যদি আমাকে ফুল সাপোর্ট না দিত তবে আমিও আজকে বাংলাদেশের রাস্তায় কোন পুলিশ ফাঁড়ির সামনে ক্যাবলা মার্কা হাসি দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতাম, আর কেন 'মুভমেন্ট পাস' ছাড়াই আমাকে হাসপাতালে যেতে দেয়া উচিৎ সেটা 'তাহাদিগকে' বুঝানোর চেষ্টা করতে গিয়ে গলদঘর্ম হতাম। আপনাদের হৃদয়ে অসুখ হলে ভারতের দেবী শেঠি লাগে, নিজের দেশের মানুষের টাকায় নিজেদের নদীতে ব্রিজ বানাতে চীন-জাপান থেকে ইঞ্জিনিয়ার আনা লাগে। এই আপনারাই আবার আফসোস করেন, আহারে দেশের মেধাবীরা সব বিদেশমুখী! আর যারা দেশে থাকে, তারা গবেষণা বাদ দিয়ে নীলক্ষেত থেকে চটি বই কিনে বিসিএসের নেশায় মঙ্গোলিয়ার প্রেসিডেন্টের নাম মুখস্ত করে। করবে না? এছাড়া আর কোন উপায় খোলা রেখেছেন তাদের সামনে? "পাওয়ার অ্যাবিউজ" এর ক্ষেত্রে দুনিয়ার বুকে একদম প্রথম সারিতে থাকা বাংলাদেশে- এক কালে গাঁজা খেয়ে টেম্পুর হেলপারি করা, আজকের রাজনৈতিক পাতি নেতা; মন চাইলেই হাসপাতালে ঢুকে ডাক্তারকে চড়-থাপ্পড় লাগিয়ে শীষ দিতে দিতে চলে যায়। ঘুষ দিয়ে বাগে আনতে না পেরে ইঞ্জিনিয়ারকে মেরে তার লাশটা ডোবায় ফেলে দিয়ে যায়। স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের একটা সময়ে একজন চিকিৎসককে তার কর্মস্থলে যাবার পথে রিক্সা থেকে নামিয়ে দিয়ে পায়ে হেঁটে যেতে বলে যখন কোন পুলিশের হাবিলদার, তখন আপনি বা আপনাদের তৈরি রাষ্ট্র ব্যবস্থা তাদেরকে কি বার্তা দিচ্ছেন, বলুন তো? এই আপনারাই আবার কোন মুখে বলেন "হায় হায়! সব মেধা পাচার হয়ে গেল" ? এতো হিপোক্রেট কেন আপনারা? দেশে নাকি আজ ঝুম বৃষ্টি হচ্ছে! ফেলে আসা বন্ধুদের ফেসবুক পোস্ট দেখে জেনেছি, বসে বসে বৃষ্টির ছবি দেখছি। ঝুম বৃষ্টি আমার খুব প্রিয়। প্রখর রোদের পরে প্রথম বৃষ্টি হলে মাটির যে সোঁদা গন্ধ ছড়ায় সে গন্ধে আমার ঘোর লেগে আসে। কালবৈশাখী ঝড়ের পরে দক্ষিণের আমগাছ গুলোর নীচে কাদায় পা ডুবিয়ে আম কুড়ানোর স্মৃতি আমার হৃদয়ের একদম গহীনে অনেক যতনে আগলে রাখা সবচেয়ে প্রিয় স্মৃতি । জীবনে আর কোনোদিন হয়তো সেই মুহূর্ত গুলো ফিরে আসবে না! এটা ভাবতে গেলেই গলার মাঝে কেমন একটা দলা পাকিয়ে আসে। সৎ থেকে, সম্মানের সাথে, একটু ভাল ভাবে বাঁচতে চাওয়া মানুষ গুলোর জন্যে দেশটাকে যারা নরক বানিয়ে রেখেছেন; হাজার হাজার মাইল দূরে, বিলেতের এক ছোট্ট শহরে বসে আমি আপনাদের আজ অভিশাপ দিচ্ছি। @Saiful Islam

Md. Shahid ullah
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:১২

অন্যায়ের জয় হয়েছে। এভাবে অন্যায় পার পেয়ে যায় ক্ষমতার কাছে। দাপটের কাছে।

kuldip
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ১০:১২

পুলিশও নন প্রফেশনাল আচরণ করেছে।

সান্তনু
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৯:০২

পুলিশের এই জাতীয় হয়রানি বন্ধ হওয়া উচিত । এ কেমন আইডি চেক ? পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট কি তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করবেন চিকিৎসকের আইডি চেকের নামে ?

ভেসেল
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৮:৫৮

এই প্যানডেমিকের মধ্যে পুলিশ কেন একজন চিকিৎসকের আইডি চেক করার জন্য গাড়ি থামাবে ? এইটুকু কমন সেন্স ও কি বাংলাদেশের পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেটের নেই ! এই লকডাউনে পুলিশের কাজ কি তবে দেশের মূল চালিকাশক্তি ( বর্তমান পরিস্থিতিতে) হাসপাতালের চিকিৎসকের হয়রানি করা ?

জাফর আহমেদ
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৮:৫৪

মে ভাবে দিন দিন মুক্তি যোদ্ধ বা তাদের সন্তান জন্ম হচ্ছে , কিছু দিন পর বাংলাদেশে আর মানুষ থাকবে না

মাজহারুল
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৮:৪০

আপনি ভুল তথ্য উপস্থাপন করছেন আমি ভিডিও টা পুরো দেখেছি পুলিশের উচিত হয়নি একজন নারী চিকিৎসক কে এভাবে হয়রানি করা চিকিৎসক হয়রানি বন্ধ করুন আর দোষী পুলিশ সদস্যের তদন্ত পূর্বক বিচার করা হোক

Citizen
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৯:৩৮

Police and Magistrate, both are public servants; regularly they must meet many public and address many public issues. They must have learnt how to handle any such situation. Why did they ask for doctor's ID? Looking at her in her car did they doubt her to be a doctor? What was the intention of the police and magistrate? To harass the lady doctor?

ZAHED
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৯:৩৮

আমাদের সবারি সহনশীলতার বড্ড অভাব । ক্ষমতার যোগসূত্রের মনশক্তির অনেক তেজ - এটা আমরা সবাই বুঝি ! দায়িত্তপ্রাপ্ত কর্তারা নিজেদের জাজমেন্ট দিয়ে বিষয়টি হ্যান্ডল করতেন যদি, তাহলেই হতো । কেননা, এ দেশে ভুয়া পরিচয়পত্র ধারী বহুজন আছেন । সুতরাং পরিচয়পত্র প্রদর্শন চলাচলের একমাত্র হাতিয়ার বিবেচনা নাও হতে পারে ।

Suranjan
১৮ এপ্রিল ২০২১, রবিবার, ৮:০১

পুরো ভিডিও দেখেছি, দেখার পরেও দেখি এই সংবাদ এর সাথে আচরণ গত অনেক ফারাক। পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর তো উচিত ই হয় নাই এই কাজ টা।আপনার লিখিত নিউজ ও উল্টো।

অন্যান্য খবর