× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

‘স্বায়ত্তশাসন পরিপন্থী’ ইউজিসির অভিন্ন নীতিমালা খুবি শিক্ষক সমিতির প্রত্যাখ্যান

শিক্ষাঙ্গন

স্টাফ রিপোর্টার
(৩ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৯, ২০২১, সোমবার, ৭:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ আপডেট: ৭:২২ অপরাহ্ন

অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক প্রেরিত ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের নির্দেশিকাটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) শিক্ষক সমিতি প্রত্যাখ্যান করেছে। একই সঙ্গে দাবি জানিয়েছেন নীতিমালাটি প্রত্যাহারের।

রেবিবার খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মোঃ ওয়ালিউল হাসানাত এবং সাধারণ সম্পাদক ড. তানজিল সওগাত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ১২ই এপ্রিল শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় সংখ্যাগরিষ্ট শিক্ষক এ নীতিমালা প্রত্যাখান করেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইউজিসি কর্তৃক প্রেরিত নিয়োগ ও পদোন্নয়নের নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা নির্ধারণের নির্দেশিকাটি (স্মারক নং: ১৬৫(১১)/২০১৭/১৬৯৫) বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সুযোগ-সুবিধার তারতম্য এবং বৈশিষ্ট্যগত স্বাতন্ত্রকে গুরুত্ব না দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আন্তঃবৈষম্য বাড়াবে ও স্বায়ত্তশাসন খর্ব করবে। প্রেরিত নির্দেশিকায় পদোন্নতির ক্ষেত্রে চাকুরীর সময়কাল ও প্রকাশনার সংখ্যাকে প্রাধান্য দেয়ার ফলে শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান মূল্যায়নের সুযোগ কমে যাবে। এই নীতিমালায় শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো, গবেষণার অর্থায়ন বা উচ্চশিক্ষায় বৃত্তি সম্পর্কিত কোনো দিক-নির্দেশনা না থাকায়, প্রত্যাশিত যোগ্যতা অর্জনে নির্দেশিকাটি সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে না। প্রেরিত নীতিমালা বিষয়ক নির্দেশিকাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান স্বায়ত্তশাসন-বিরোধী, বৈষম্যমূলক ও মেধা বিকাশের অন্তরায় হওয়ায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এই নির্দেশিকা প্রত্যাখ্যান করছে এবং দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তানজিল সওগাত বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মূলত জ্ঞান চর্চা এবং জ্ঞান বিকাশের জায়গা। শুধুমাত্র পাঠদান এখানে মূল উদ্দেশ্য না। অথচ এই নীতিমালাতে জ্ঞান চর্চা বা বিকাশের থেকেও একজন শিক্ষক কতবছর চাকরি করেছে অর্থাৎ অভিজ্ঞতার সাংখ্যিক গুরুত্বকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
যার ফলে  বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সামগ্রিক জ্ঞান চর্চা ও বিকাশের  সুযোগ কমে গেছে। একারণে শিক্ষক সমাজ এই নীতিমালাটি সম্পূর্ণ প্রত্যাখান করেছে ও প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর