× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ৯ মে ২০২১, রবিবার, ২৬ রমজান ১৪৪২ হিঃ

মামুনুলের বিরুদ্ধে মানিব্যাগ-মোবাইল চুরির মামলা

অনলাইন

রুদ্র মিজান
(২ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৯, ২০২১, সোমবার, ৭:৫০ অপরাহ্ন

মসজিদের ভেতর থেকে মানিব্যাগ ও মোবাইলফোন চুরির অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় আসামি করা হয়েছে হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা মামুনুল হককে। গত বছরের ৭ই মার্চ মোহাম্মদপুর থানায় দায়েরকৃত মামলায় এই অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়াও হামলা, মারধরের অভিযোগ করা হয়েছে ওই মামলায়। মামলার সাত নম্বর আসামির স্থলে মামুনুল হকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পিতার নাম অজ্ঞাত বলে এতে উল্লেখ করা হয়। ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাজেদুল হকের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত সোমবার তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থল গত বছরের ৬ই মার্চ মোহাম্মদপুরের সাত মসজিদ এলাকায় সাত গম্বুজ মসজিদ। ওই দিন রাত সাড়ে ৮টায় মামুনুল হক ও তার ভাই মাহফুজুল হকের নির্দেশে জামিয়া রহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসার ছাত্র আসামি ওমর এবং ওসমান মামলার বাদি জি এম আলমগীর শাহীন ও তার সঙ্গে থাকা অন্যদের মসজিদে আমল (ধর্মীয় কাজ) করতে নিষেধ করেন।
তাদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করেন। তাদের মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন মামুনুল হকের লোকজন।
এসময় জি এম আলমগীর শাহীন প্রতিবাদ করলে মামুনুল হক ও তার ভাই মাহফুজুল হকের নির্দেশে ওমর, ওসমান, শাহিন, মাওলানা আনিস, জহির মাদ্রাসার ভেতরে গিয়ে শাহীনের সঙ্গে থাকা সাত-আটজনের উপর হামলা চালায়। এসময় মামলার বাদি শাহীন এগিয়ে গেলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। তাৎক্ষণিকভাবে মামুনুল হকের নির্দেশে মাদ্রাসার ৭০-৮০ জন ছাত্র বের হয়ে শাহীনকে মারধর করে গুরুতর জখম করে। আসামি ওমর ও ওসমান তাদের হাতের লাঠি দিয়ে বাদীকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। ওমরের লাঠির আঘাতে শাহীনের বামচোখ গুরুতর জখম হয়। আঘাতের কারণে নিস্তেজ হয়ে বাদি মসজিদের ভেতরে শুয়ে পড়েন।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, এরপর আসামিরা বাদীর একটি স্যামসাং এ-৫০ মোবাইলফোন, নগদ সাত হাজার টাকা, ২০০ ডলার ও ব্র্যাক ব্যাংকের একটি ডেবিট কার্ডসহ বাদীর মানিব্যাগ নিয়ে যায়। পুনরায় মসজিদে প্রবেশ করলে শাহীনকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয় আসামিরা। রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদ্রাসার মুহতামিম মাহফুজুল হক ও তার ভাই মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে এই মামলায় জড়িত থাকার স্বাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। উক্ত আসামি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে রাষ্ট্র বিরোধী বিভিন্ন বক্তব্যের মাধ্যমে ধর্মভিরু মুসলমান ও মাদ্রাসা ছাত্রদের উস্কিয়ে দেয়। মামুনুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে অজ্ঞাতনামা আসামির নাম-ঠিকানা জানা যাবে। এছাড়াও চোরাই যাওয়া মালামাল উদ্ধার করার লক্ষ্যে, আসামিকে নিয়ে অভিযান পরিচালনা ও জিজ্ঞাসাবাদের নিমিত্তে তার সাত দিনের রিমান্ড প্রয়োজন।
এই রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে সোমবার বেলা ১১টা ৩৩ মিনিটের দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী মামুনুল হকের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলাটি দায়ের করেন মোহাম্মদপুরের চান মিয়া হাউজিংয়ের ৪১/৪০ নম্বর বাড়ির মৃত জি এম আব্দুল হামিদের পুত্র জি এম আলমগীর শাহীন। গত রোববার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Delowar Hossain
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ৬:৩০

আসলে এগুলো কোন মামলা না এসব হচ্ছে ওলামায়ে কেরামদের উপর হামলা। এগুলো শুনলে শিশু বাচ্চার পর্যন্ত হাঁসাহাঁসি করবে। কই দেখলাম মা তো যারা সন্ত্রাসী করে,ডাকাতি করে,ধর্ষণ করে,তাদের কে পুলিশ ধরতে পারে না আর যারা নাকি ইসলাম নিয়ে সত্য কথা বলে তাঁদের কে নাকি আজকে বন্দি করা হয়। এটা মনে করবেন না যে জনগন বুঝেনা, আপনারা যেসব করতেছেন সবগুলা অত্যাচার। মনে রাখবেন আল্লাহ এসব সহ্য করবেন না।

এ কে এম মহীউদ্দীন
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ৯:৩০

চমৎকার! এই না হলে বাংলাদেশ! এখানে বাস করার স্বাদই আলাদা।

Ashraful Alam
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৫:৪৩

এদের শয়তানি দেখে শয়তান ও লজ্জা পায়

nazmul
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ৬:৩৭

খবরটি পড়ে হাসবো না কাদবো বুঝতে পারছি না। এই জালিমদের একদিন এর জবাবদিহী করতে হবে।

MA SHAKUR
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:৪৮

আসলে এগুলো কোন মামলা না এসব হচ্ছে ওলামায়ে কেরামদের উপর হামলা। এগুলো শুনলে শিশু বাচ্চার পর্যন্ত হাঁসাহাঁসি করবে। কই দেখলাম মা তো যারা সন্ত্রাসী করে,ডাকাতি করে,ধর্ষণ করে,তাদের কে পুলিশ ধরতে পারে না আর যারা নাকি ইসলাম নিয়ে সত্য কথা বলে তাঁদের কে নাকি আজকে বন্দি করা হয়। এটা মনে করবেন না যে জনগন বুঝেনা, আপনারা যেসব করতেছেন সবগুলা অত্যাচার। মনে রাখবেন আল্লাহ এসব সহ্য করবেন না।

মোঃ মনিরুজ্জামান
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:২৮

আমি হেফাজত জামায়াত আটরশি চরমোনাই শরশিনা এসবের কোনো দলেরই নই এমনকি বিএনপি আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টিতেও নই। একজন চোখ কান সচল সম্পন্ন সাধারণ মাত্র। প্রশ্ন জাগে লাখ লাখ মানুষের সামনে যিনি পবিত্র ক্বোরআন ও হাদীস নিয়ে কথা বলার সাহস এবং যোগ্যতা রাখেন তিনি কিভাবে নারী কেলেঙ্কারি আর মোবাইল চুরির মতো নিম্ন কাজ করতে পারেন? মামলা বা তাকে বেইজ্জতি করার সীমা থাকা উচিৎ। এসব মানুষ এখন বিশ্বাস করে না। তাকে বা আলেমদের এভাবে এই পবিত্র মাসে হেনস্থা করা মানে সাধারণ মানুষের মনে ধর্মীয় মূল‍্যবোধ জাগ্রত করারই নামান্তর। মহান আল্লাহ্ আমাদের এ কঠিন সময়ে আরও অধিক ধৈর্যশীল করেন যেন

মাহাবুব
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:২৪

আল্লাহ আপনি হেদায়াত ও হেফাজত দুটোই করেন। তবে কখন কোনটা কাকে করবেন আপনিই ভাল জানেন। আপনার কাছ হেদায়াত এবং হেফাজত ভিক্ষা চাই।

Md A Basit
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:১৯

Bullshit our Bangladeshi politic?

আবুল কাসেম
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:১৭

"আর মুমিনগণ যখন সম্মিলিত বাহিনীকে দেখলো তখন তারা বললো আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আমাদের যে ওয়াদা দিয়েছেন এটি তো তাই। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সত্যই বলেছেন। এ ঘটনা তাদের ঈমান ও আত্মসমর্পণ আরো বাড়িয়ে দিলো।’’ সূরা আল-আহযাব। আয়াতঃ২২। "যাদেরকে মানুষেরা বলেছিলো নিশ্চয় লোকেরা তোমাদের বিরুদ্ধে একত্র হয়েছে। সুতরাং তাদেরকে ভয় করো। কিন্তু তা তাদের ঈমান বাড়িয়ে দিয়েছিলো এবং তারা বলেছিলো ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতোইনা উত্তম অভিভাবক’! অতঃপর তারা ফিরে এসেছে আল্লাহর পক্ষ থেকে নিআ'মত ও অনুগ্রহসহ। কোনো মন্দ তাদেরকে স্পর্শ করেনি এবং তারা আল্লাহর সন্তুষ্টির অনুসরণ করেছিলো। আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল।’’ সূরা আলে ইমরান। আয়াতঃ১৭৩-১৭৪। ‘‘আর তুমি ভরসা করো এমন চিরঞ্জীব সত্তার ওপর যিনি জীবিত এবং কখনো মরবেন না। তাঁর স্বপ্রশংসিত পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করো। নিজের বান্দাদের গোনাহের ব্যাপারে কেবল তাঁরই জানা যথেষ্ট।" সূরা আল ফুরকান। আয়াতঃ৫৮। "আর আল্লাহর ওপরই মুমিনদের ভরসা করা উচিত।’’ সূরা ইবরাহীম। আয়াতঃ১১। ‘‘অতঃপর তুমি যখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে তখন আল্লাহর ওপর ভরসা কর।’’ সূরা আলে ইমরান। আয়াতঃ১৫৯। '‘আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তিনিই তার জন্যে যথেষ্ট।’’ সূরা আত-তালাক। আয়াতঃ৩। ‘‘মুমিন তো তারা, যাদের অন্তরসমূহ কেঁপে উঠে যখন আল্লাহকে স্মরণ করা হয়। আর যখন তাদের ওপর তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় তখন তা তাদের ঈমান আরো বৃদ্ধি করে দেয় এবং যারা তাদের রবের ওপরই ভরসা করে।’’ সূরা আল আনফাল। আয়াতঃ২। "বল, ‘আমার ও তোমাদের মাঝে আল্লাহর সাক্ষ্যই যথেষ্ট, তিনি তাঁর বান্দাদের সম্পর্কে পুরোপুরি ওয়াকিফহাল, আর তিনি সর্বদ্রষ্টা।" সূরা বনী ইসরাইল। আয়াতঃ৯৬। "যে সৎকাজ করবে, সে (কিয়ামতের দিন) উৎকৃষ্টতর প্রতিফল পাবে এবং সেদিন ওরা ভয় ও শঙ্কা হতে নিরাপদে থাকবে।এবং যে মন্দকর্ম করবে (কিয়ামতের দিন) তাকে অধোমুখে নিক্ষেপ করা হবে অগ্নিতে এবং ওদের বলা হবে তোমরা যা করতে তারই প্রতিফল ভোগ করছো।" সূরা আন নামল। আয়াতঃ৮৯-৯০।

আলিম
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:১২

আল্লাহ তাকে হিদায়াত দান করুন ,হিদায়াত কপালে না থাকলে অন্যায় কারিকে ধ্বংস করে দিক ।আল্লাহ কবুল করুন ।

Adv. N. I. Bhuiyan
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:০৮

বাঁদিকে একটি মাদ্রাসার 70 থেকে 80 জন লোক মারধর করল মোবাইল টাকা চুরি করল সেই মামলায় করোনার এই ভয়াবহ ও মারাত্মক আতঙ্কজনক পরিস্থিতির মধ্যে এক বৎসর পরে সাতদিনের রিমান্ড প্রার্থনা সুপরিচিত একজন লোককে তাতে আবার বিচারক 7 দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এখানে বিচারক নিরপেক্ষভাবে বিবেচনা করে আদেশ দিতে পেরেছেন বলে মোটেই মনে হচ্ছে না এজন্যই মৃত্যুর পর আল্লাহর দরবারে বিচারকের বিচার হবে আর একটি মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা দীর্ঘ এক বছরেও একটি মামলায় তদন্ত সম্পন্ন করতে পারলেন না এটা অবশ্যই দায়িত্বে অবহেলার মধ্যে পড়ে এটাও প্রশাসনের দেখা উচিত এখানে মামলায় আসামি হন সকলেই সুপরিচিত এবং ছাত্র গনের অবশ্যই মাদ্রাসায় রেজিস্টারিতে সকলের নাম আছে কেন তদন্তে এত অবহেলা এই বিষয়গুলো বিচারকের অবশ্যই বিবেচনা করা উচিত ছিল

রাহমান মনি
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:৫৫

রোজার মাসে হাসিতেও কিন্তু সংযম দেখাতে হয় । হাসি পেলেও দয়া করে চেপে রাখুন।

আলি
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৭:৫০

মেটাডোর কলম চুরিও একটা মামলা দিন।

abdul wohab
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:৪৩

hasi pacce

No name
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৭:৪০

Mamla gurutor? Zamin nai and 7days Remanded....

Chanakkya
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:১৬

What a ridiculous!Based on a one year old wallet and cell phone pilfering vague and incomplete case and after failing to find the accused since March 2020, he is arrested. The govt could have done netter. Moreover, as the case mentions the father and address is unknown, how come the accused Mamunul is implicated, Why not others known as Mamunul? Even a five year old kid would laugh.

a k azad
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:১১

It is a serious matter!! So, the authority should want remand for 7 years !! If they wanted, they would get because it is a land where everything is possible! May Allah enlighten the blind.

Adnan
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:০৯

ওরে জুক্স

siddq
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:০৯

মামুনুল আমার কোন আত্মীয় স্বজন নন, আমি তাকে কোন পীর মাশায়েখ ও মনে করি না। কিন্তু যখন দেখি তার বিরুদ্ধে বেগুন চূরি মার্কা মামলা দায়ের করা হয় তখন প্রশাসন এর উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ জাগে এবং এর সাথে এদের রুচিবোধ সম্পর্কে প্রশ্ন জাগে।

অন্যান্য খবর