× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১১ মে ২০২১, মঙ্গলবার, ২৮ রমজান ১৪৪২ হিঃ

ডাক্তার-পুলিশ বাকবিতণ্ডা : পাল্টাপাল্টি বিবৃতি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার
(৩ সপ্তাহ আগে) এপ্রিল ১৯, ২০২১, সোমবার, ৯:৩৬ অপরাহ্ন

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে চিকিৎসক, পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটের বাক-বিতণ্ডার ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশের কর্মকাণ্ডের  প্রতিবাদ জানিয়েছে, বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়। অন্যদিকে ডাক্তারের অসৌজন্যমূলক কর্মকাণ্ডের  প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ এসোসিয়েশন সার্ভিস।
ডক্টরস ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ডা. শাহ মো. জাকির হোসেন সুমন স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ১৮ই এপ্রিল ২০২১ এ রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাইদা শওকত জেনীর ব্যবহৃত গাড়িতে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো, স্টিকার এবং বিশেষ অনুমতি থাকা সত্ত্বেও তা অন্যায়ভাবে আটকানো হয়। তিনি নিজের পরিচয় দেয়ার পরেও বাগবিতণ্ডায় জড়ানো হয়। এছাড়াও তাকে উত্তেজিত করার উদ্দেশ্যে ‘ভুয়া চিকিৎসক’ এবং ন্যক্কারজনকভাবে ‘পাপিয়া’ নামে অভিহিত করা হয়। পরবর্তীতে সেই বাকবিতণ্ডার দৃশ্য খণ্ডাকারে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ইলেট্রনিক মিডিয়াতে ছড়ানো হয়। এতে সারা দেশের চিকিৎসক সমাজের মধ্যে প্রচণ্ড  ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশন (বিডিএফ) উক্ত ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

এতে আরো বলা হয়, দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে করোনাকালীন সময়ে ফ্রন্টলাইনার হিসাবে চিকিৎসকদের মনোবল ধরে রাখা আবশ্যক বলে আমরা মনে করি।
এমতাবস্থায় উক্ত ভিডিও খণ্ডাকারে কে বা কারা কি উদ্দেশ্যে ভাইরাল করেছে, সেটি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। উপরন্তু লকডাউন চলাকালীন সময়ে চিকিৎসকবৃন্দ যাতে  নির্বিঘ্নে কর্মস্থলে যাতায়াত করতে পারেন সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা একান্ত কাম্য। উক্ত ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে লকডাউনের সময়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন লঙ্ঘন করে চিকিৎসকদের কর্মস্থলে যেতে হেনস্তার সঙ্গে জড়িত সকলকে বিচারের আওতায় আনার দবি জানায় বাংলাদেশ ডক্টরস ফাউন্ডেশন (বিডিএফ)।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ডা. মোছা. সাঈদা শওকত দায়িত্ব পালন শেষে অত্র প্রতিষ্ঠানের লোগো সম্বলিত গাড়িতে আরোহিত অবস্থায় এলিফ্যান্ট রোডে পৌঁছার পর কর্তব্যরত পুলিশের টহলদল কর্তৃক তাকে থামানো হয়। পরিচয় চাওয়া হলে তিনি নিজেকে চিকিৎসক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত থাকার পরিচয় জানান। পক্ষান্তরে, উক্ত টহলদল তার চিকিৎসক পরিচিতিকে ‘ভুয়া’ বলে অভিহিত করে। অসৌজন্যমূলকভাবে তাকে গাড়ি থেকে নামতে বলা হয়। এ সময় তিনি তার নাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সম্বলিত অ্যাপ্রোন পরিহিত অবস্থায় ছিলেন। উল্লেখ্য, অ্যাপ্রোন বিশ্বব্যাপী চিকিৎসকগণের পরিধেয় পেশাগত পোশাক হিসেবে বিবেচিত হয়। পরবর্তীতে, দায়িত্ব পালনকারী পুলিশের আচরণে এবং তার পরিচিতি ভুয়া হিসাবে অভিহিত করার প্রেক্ষিতে ডা. মোছা. সাঈদা শওকত বিক্ষুব্ধ হন এবং পুলিশের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডায় লিপ্ত হন, যার খণ্ডকালীন সচিত্র প্রতিবেদন সামাজিক মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে।

বিষয়টি চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, এ ঘটনা দেশব্যাপী চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করার শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। চিকিৎসককে হয়রানির প্রতিবাদ জানিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীগণের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, চিকিৎসকের অসৌজন্যমূলক আচরণের কথা উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন। এসোসিয়েশনের সভাপতি মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, ওই ঘটনা পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, পুলিশের উপস্থিতিতে একজন বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনৈক চিকিৎসককে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তিনি অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একজন পেশাদার ও সচেতন নাগরিকের কাছ থেকে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি শুধু এই পুলিশ সদস্যদেরই অপমান করেননি, গোটা পুলিশ বাহিনীকেই কটাক্ষ ও হেয় প্রতিপন্ন করেছেন যা মিডিয়া চিত্রে প্রতীয়মান। শুধু তাই নয় তিনি নিজ পেশার পরিচয় বাদ দিয়ে অপ্রাসঙ্গিক পরিচয় তুলে ধরে পুলিশ ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর সামনে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন এবং জাতির সামনে মুখোমুখি দাঁড় করানোর অপচেষ্টা করেছেন। উক্ত চিকিৎসক বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাদানুবাদকালে যে শব্দ প্রয়োগ করেছেন তা অত্যন্ত অরুচিকর ও লজ্জাজনক। তিনি কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ‘তুই’ বলে সম্মোধন করেছেন এবং আর ‘আমি কি সেটা এখন তোদের দেখাচ্ছি হারামজাদা’ বলে হুমকি দিয়েছেন।

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ সদস্যকে চিকিৎসক কর্তৃক অপেশাদার অরুচিকর আচরণে বাংলাদেশ পুলিশের প্রতিটি পুলিশ অত্যন্ত মর্মাহত। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন উক্ত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের বৈধ আদেশ লঙ্ঘন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের নিকট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশন ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
shamsuirrahman
২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ১১:৩৭

আমরা সবাই বড়। কেউ কারো তেকে কম নই। এটাই আমাদের কৃষ্টিকালচার।

MAJUMDER SANTOSH
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ১১:১৩

আমরা শিক্ষিত হয়েছি, কিন্তু মানুষ হইনি .................................

Imrul
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:৩৩

We saw this video face book. I think she (DR) doesn't care anyone. But also bangladesh police department should need more training. How to talk to public. It's shame for both of them.

AMIR
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:১৩

তিনি কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ‘তুই’ বলে সম্মোধন করেছেন এবং আর ‘আমি কি সেটা এখন তোদের দেখাচ্ছি হারামজাদা’ বলে হুমকি দিয়েছেন।-----এই মুহূর্তে ডাঃ, পুলিশ উভয়কেই দেশের খুব প্রয়োজন। উদ্দিষ্ট ঘটনায় উভয় ই নিজের জ্যোতিতে উদ্ভাসিত হতে ব্যার্থ হয়ে দৃৃষ্টিকটুভাবে মুক্তি যোদ্ধার ঘাডে় শওয়ার হয়েছে! কর্তব্যরত অবস্থায় প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যাাক্তির অন্য পরিচিতি উয্য থাকে যেটা এখানে এক পক্ষ নিরলজ্জভাবে লঙ্গন করেছে নিজের শিক্ষা, সাধারন জ্ঞ়ান জলাঞ্জলি দিয়ে: বেয়াদবিও চোখে পরার মত।

MD. BILLAL HOSSAIN
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:০৯

It's very shame! Shame !! Shame !!! As an Associate Professor (সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাইদা শওকত জেনী) / ''A FREEDOM FIGHTERS CHILDREN'S MALICIOUSLY & POWER''. Those who are freedom fighter's child, he/she should good behave. . পুলিশ ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর সামনে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন / উক্ত চিকিৎসক বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাদানুবাদকালে যে শব্দ প্রয়োগ করেছেন তা অত্যন্ত অরুচিকর ও লজ্জাজনক। কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের ‘তুই’ বলে সম্মোধন করেছেন এবং আর ‘আমি কি সেটা এখন তোদের দেখাচ্ছি হারামজাদা’ বলে হুমকি দিয়েছেন।

MD. HABIB MIA
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ১০:০৮

মতামত প্রকাশের কিছুই নেই । আমরা দেখলাম আর অবাক হয়ে চেয়ে রইলাম । উভয়েই প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী আর এদের যদি এরকম আচরণ হয় তাহলে সাধারণ জনগণের সঙ্গে এদের আচরণ কি হয়ে থাকে সেটা আমরা সকলেই আবার নতুন করে উপলব্ধি করলাম । ভদ্র আচরণ করতে পয়সা লাগে না । আপনি পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট আর ডাক্তার হয়েছেন বলে এ ধরনের আচরণ করবেন এটা কোন ভাবে আশা করা যায় না । আমরা শিক্ষিত হয়েছি, কিন্তু মানুষ হইনি ।

এ কে এম মহীউদ্দীন
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ৯:৩৭

আমরা সবাই একই রকম।

Imran
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ৯:২৮

বাংলাদেশ পুলিশ দেশের সাধারন নাগরিক দের কে কখনও শ্রদ্ধা সাম্মান করে না। পুলিশ কারনে অ কারনে যেই কোন নাগরিকের গায়ে হাত তুলে যা কোন সভ্য দেশে পেশাদার বাহিনী করেনা। অপরাদি সাব্যস্ত হলে সাজা দিবে আদালত। পুলিশের কাজ হচ্ছে সন্দেহ ভাজন নাগরিককে আদালতে সপরদ করা সাজা দেয়া নয়। বাংলাদেশের পুলিশ দেশের সকল মানুষকে অপ্রাদির দৃষ্টিতে দেখে। আমার জানা মতে বাংলাদেশের ৯৫% মানুষ পুলিশের কাছথেকে কোন সহযোগিতা পান্না। পুলিশের প্রশিক্ষন পরিবর্তন হওয়া উচিৎ।

মনজুর কাদের
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার, ৮:৫৬

মানুষকে আসলে সভ্য হতে হয়। আমরা কেবলি সভ্যতা বিসর্জন দিয়ে তর্কে জিততে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। নারী চিকিৎসকের কিছু শব্দ শুনে আমি তাজ্জব বনে গেছি, আবার প্রশাসনের লোকদের ইগো জনিত আচরন দেখেও বিচলিত হয়েছি। কোথাও এখন আর মহানুভব মানুষের দেখাই মিলছে না। আহা রবীন্দ্রনাথ কতো আক্ষেপ করেই না লিখেছিলেন, "নিজেরে করিতে গৌরব দান নিজেরে কেবলি করি অপমান""

জিলানী লন্ডন
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১:০২

এটা ত অত্যন্ত সুক্ষ ব্যপার এত জটিল হওয়ার কারণ কি বুঝতে পারলাম। একজন ব্যক্তি কে দেখলেই ত বুঝতে কঠিন হয় না তিনি কি সত্য অথবা মিথ্যা বলতেছেন। তাছাড়া দুই সংগঠনই প্রচন্ড জন সেবা চাপের সন্মোখীন।

মোহাম্মদ নোমান
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ১১:১৫

কোন মন্তব্য করবো না।শুধু শান্তি চাই।

Kafi
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:৫৯

বুজলাম ঠিক আসে দুইজনই মুক্তিযোদ্ধর সন্তান এবং সরকারি চাকরিজীবী. কিন্তু তাদের ব্যাবহার কিন্তু কোনো এডুকেটেড ব্যাক্তির মতন না. সমস্যাটা ঠান্ডা মাথায় সমাধান করা যেত. এতে সময় ও কম লাগতো ঝামেলা ও কম হতো. মাথা গরম করা আমরা বাঙ্গালীর একটা অভ্যাস.

rafiq
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:৩৫

পুলিশরা নিজেদেরকে সব কিছুর উদ্ধে মনে করে, তাদের প্রতি কোন সাধারণ নাগরিকের সম্মান নাই। পুলিশ নিজেকে কখনোই জনগণের সেবক মনে করেনা। জনগণের ভ্যাটে সরকারি লোকদের আলিশান জীবন চলে।

Borno bidyan
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:১৩

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস এসোসিয়েশনের বিবৃতি একপেশে এবং অসৌজন্য মূলক! একজন ডাক্তারের পোশাক ও গাড়িতে লাগানো স্টিকার দেখে সব কিছু বোঝা যায় ! যদি কোনো কারণে সে আইডি দেখাতে ভুলে যায় তবে তাকে সতর্কতা মূলক বাক্য দ্বারা বলা যেত যে ম্যাম এরপর যখন বের হবেন তখন আইডি সঙ্গে রাখবেন ! এটা হতো পুলিশি সৌজন্যতা ! উভয়পক্ষ সরকারী কর্মচরী, জনগণের সেবক! কিন্তু তাদের উভয়েরই আচরণে প্রতীয়মান ছিলো না !একজন ভদ্র মহিলাকে উত্তেজিত করার মতো সব উপাদানই খণ্ডিত ভিডিওতে ছিলো !

সুলতান
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৯:০২

পুলিশে কিছু আছে ওরা মন করে পুলিশের পোশাক পরলেই ক্ষমতার উচ্চ আসন পেয়ে গেছে তারা। তখন আইনের তোয়াক্কা না করে মানুষের উপর নিজেদের ক্ষমতা চালিয়ে দেয় বিন্দু মাত্র আইনের তোয়াক্কা করে ন। পুলিশের যানা উচিত যে একজন ডাক্তার দেশের পেসিডেন্টের উপরে। তাই দয়া ও মেহের বানি করে এ সত্যটি বেয়াদব পুলিশকে যানিয়ে দিন। বাকি সবই মহান আল্লাহ্ ভাল জানেন। আল্লাহ্ হু আকবর। লা-ইলাহা ইল্লালা মোহাম্মদ রাসুল আল্লাহ্।

খুদিরাম
১৯ এপ্রিল ২০২১, সোমবার, ৮:৫৪

কোন সন্দেহ নাই যে করোনাকালে পুলিশের বাড়াবাড়ি চুরান্ত সীমা অতিক্রম করেছে। একজন চিকিৎসক পরিচয় দেয়া সত্বেয় যদি এভাবে লাঞ্চিত হতেপারে তাহলে সাধারন মানুষের কি অবস্থা তা সহযেই অনুমেয়। সরকারী অস্ত্র হাতে থাকলেই এরা মানুষের সাথে পাখি শিকারের প্রাক্টিস করে। তবুও কপাল ভাল যে ঐ নারি চিকিৎসকের সাথে শেষমেশ তা হয়নি।

অন্যান্য খবর