× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৫ জুন ২০২১, শুক্রবার, ১৩ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৭)

‘শহীদকে হুমকি দেয়, নির্যাতনের কথা প্রকাশ করলে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলা হবে’

বই থেকে নেয়া

স্টাফ রিপোর্টার
২০ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার
সর্বশেষ আপডেট: ৬:০১ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার ৭ জুন ২০০৭ দিন ৫৬
আজ আবার আমাকে পিজি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আমার পাঁজরের একটি কিংবা দু’টি হাড় ভেঙে গেছে। দু’দিন আগে ইলেকট্রিসিটি চলে যাবার পর আমি চেয়ারে বসেই বিছানায় পড়ে থাকা আমার টর্চলাইটটা নাগাল পেতে চেষ্টা করছিলাম। এর জন্য আমাকে অতিরিক্ত বেশি বাঁকা হতে হয় এবং আমার শরীরের ডান অংশ দিয়ে চেয়ারের প্লাস্টিকের হাতলে পুরোপুরি ভার রাখতেই আমি শরীরের ভেতরে মট করে কিছু ভাঙার শব্দ পেলাম। সঙ্গে সঙ্গে আমার গোটা শরীরে ছড়িয়ে পড়লো ব্যথার এক তীব্র প্রদাহ। আমার মনে হলো, পাঁজরের অন্তত একটা হাড় ভেঙে গেছে। এরপর প্রতিদিনই পাঁজরের ব্যথা উত্তরোত্তর বাড়তে থাকে। গতরাতে আমি একরত্তিও ঘুমোতে পারিনি।
এর ফলে আমার মনে পড়ে গেল ১৯৮২ সালে নোয়াখালীতে আমার জীবনের এক মহাদুর্ঘটনার কথা।
বেগম জিয়ার সঙ্গে পাজেরো গাড়িতে করে ঝড় উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে কুমিল্লার কাছাকাছি রাত তিনটার দিকে আমাদের গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়। সে সময় আমার পাঁজরের ৭টি হাড় ভেঙে গিয়েছিল।
কিন্তু এবারে খুব সম্ভবত অতি পুরনো মেশিনে ভুল এক্স-রে গ্রহণের কারণে এক্স-রে প্লেটে কোনো কিছু ধরা পড়েনি। ব্যথা ক্রমশ তীব্র আকার ধারণ করেছে। এমনকি নিঃশ্বাস নিতেও আমার কষ্ট হচ্ছে। আসলে পাঁজর ভাঙার তেমন কোনো তাৎক্ষণিক চিকিৎসাও নেই। ব্যথা পুরোপুরি উপশম হতে হতে ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ সময় লেগে যায়। কোনো কোনো সময় ব্যথা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে অব্যাহত থাকে। আমার গেল বারের দুর্ঘটনার সময়ে ঠিক এমনটাই ঘটেছিল। আমার শরীর যে ভেতরে ভেতরে কতটা দুর্বল ও ভঙ্গুর এটা তার এক প্রকৃষ্ট প্রমাণ। সামান্য একটু বাঁকা হওয়াতেই পাঁজর ভাঙার মতো গুরুতর অবস্থা! এখন আমাকে নিঃশ্বাস স্বাভাবিক করার ব্যায়াম করতে হবে এবং ব্যথা সহ্য করতে হবে দীর্ঘকাল পর্যন্ত।

শুক্রবার ৮ জুন ২০০৭ দিন ৫৭
আমার লেখার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। প্রত্যেকদিন গড়ে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ধরে চলছে পড়ালেখার কাজ। হাতে লিখছি দৈনিক ৪ থেকে ৫ পৃষ্ঠা।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর আমার লেখা শেষ হয়েছে। এখন বিচার বিভাগের পৃথক্করণ, মানবাধিকার কমিশন ও ন্যায়পাল সংস্কার বিষয়ে বিএনপি সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে লিখছি। প্রতিষ্ঠান-বিনির্মাণ প্রক্রিয়ায় আমাদের সরকার ছিল দারুণভাবে ব্যর্থ।
গত তিনদিন ধরে চলছে অবিরাম বৃষ্টি। গতরাতে ছাদের ফুটো দিয়ে পানি পড়তে থাকায় দুটি প্লাস্টিকের পাত্র এনে মেঝে প্লাবিত হওয়ার পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। ঠাণ্ডা হাওয়ায় ঘুম হয়েছে আরামে।
আমি যে বিল্ডিংটাতে থাকি সেটা পুরনো। যথাযথ তদারকিবঞ্চিত উঁচু ছাদ, স্যাঁতসেঁতে দেয়াল; ধুলাবালিময় চুনের আস্তরণের বড় বড় পলেস্তারা অনবরত খসে পড়ায় আমার বইপত্র ও টেবিল-চেয়ারের ওপর ধুলার প্রলেপ পড়ে যায়। প্রতিদিন দু’বার করে আমাকে সেগুলো সাফ করতে হয়।
প্রতিদিন আমি শুনি পাখিদের সুমিষ্ট গান। তাদের কণ্ঠস্বরের অভিব্যক্তি এত পরিষ্কার যে, মাঝেমধ্যে মনে হয় আমি ওদের ভাষা বুঝতে পারছি। কারো কারো গলার স্বর অত্যন্ত মিষ্টি ও স্পষ্ট। এর আগে এত মনোযোগ দিয়ে পাখির গান শোনার কোনো সুযোগ আমার হয়নি। ওরা সব মুক্ত জীবনের অধিকারী। যেখানে খুশি উড়ে যেতে কোনো বাধা নেই। আমাদের মতো বন্দী নয় ওরা। পাখিগুলোর কি সৌভাগ্য!

শনিবার ৯ জুন ২০০৭ দিন ৫৮
তিনদিন আগে ঘটে গেছে দারুণ এক অনভিপ্রেত ঘটনা। আমার ব্যক্তিগত সহকারী শহীদ আজ জানালো কয়েকজন সাদা পোশাকধারী যৌথবাহিনীর সদস্য আমার বাড়ির সামনে থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায়। একটি মাইক্রোবাসে করে চোখবাঁধা অবস্থায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এক অজানা গন্তব্যে। খুব সম্ভবত সেই একই অন্ধকূপে। আন্ডারওয়্যার বাদে তার সমস্ত কাপড়চোপড় খুলে নেওয়া হয়, মেঝেতে শুইয়ে দিয়ে একজন তার বুকের উপর এবং আরো দুজন দু’বাহুর উপর দাঁড়িয়ে প্রচণ্ড চাপ দেয় পা দিয়ে। এ অবস্থায় ওরা তাকে আমার এবং হাসনা সম্পর্কে বেশ কিছু প্রশ্ন করে। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়। এরপর অন্য একটি গ্রুপ এসে অন্য এক কায়দায় তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালালে এক পর্যায়ে সে অচেতন হয়ে পড়ে। জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর সে নিজেকে আবিষ্কার করে একটি শয্যায়। ঠিক এ সময়ে আবার তার ওপর নির্যাতন চালানো শুরু হলে সে বমি করতে থাকে।
এরপর ওরা শহীদকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। তার হাতে একটি পিস্তল দিয়ে পিস্তলটি ওদের দিকে তাক করতে বলে। এভাবে পিস্তল তাক করা অবস্থায় ওর তিনটি ছবি তোলা হয়।
শহীদ একজন অসুস্থ ব্যক্তি। মাত্র কিছুদিন আগে ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে এবং তার কিডনিও ভালোভাবে কাজ করছে না। সে আমার কাছে অত্যাচারের যেসব বর্ণনা দিয়েছে আমি ভাষার আকারে সেগুলো সব লিখে প্রকাশ করতে পারবো না। যখন টয়লেট ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে কিছুক্ষণের জন্য তাকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তখন সেখানে সে কমপক্ষে একটি বুলেটবিদ্ধ মৃতদেহ স্বচক্ষে দেখেছে। অন্যত্র তার চোখে ধরা পড়েছে শুকিয়ে যাওয়া রক্তের অনেক চিহ্ন। এ পর্যায়ে মৃত্যুভীতি তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। তাকে বলা হয় সে যেন এসব ঘটনা কারো কাছে প্রকাশ না করে এবং হুমকি দেয়া হয় যে, প্রকাশ করে দিলে ক্রসফায়ারে তাকে মেরে ফেলা হবে। এ কারণেই পিস্তল হাতে তার ছবি উঠানো হয়েছে বলে তাকে বলে দেওয়া হয়। তার জন্য আমি কী করবো বা তাকে কী বলবো, আমি নিজেই বিবেচনা করতে অক্ষম। আল্লাহ যেন তার প্রতি সদয় হোন।
বড়দা, খোকন ও কচি এসেছিল আমাকে দেখতে। জেলগেটের বদ্ধ প্রকোষ্ঠে মিলিটারি এজেন্টদের কড়া প্রহরা ও নজরদারিতে বন্দিদের দেখা করতে হয় দর্শনার্থীদের সঙ্গে।

রবিবার ১০ জুন ২০০৭ দিন ৫৯
আজ ছিল অ্যালকোহল মামলায় আমার বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের দিন। সেই সিটবিহীন আরামহীন প্রিজন ভ্যানে করে আমাকে নেওয়া হয় কোর্টে। শত শত আইনবিদ এবং সাধারণ মানুষ সেখানে আমাকে অভ্যর্থনা জানায়। আইন অনুসারে আমার বা আমার আইনজীবীদের কাছে এফআইআর, চার্জশিট এবং ফৌজদারি আইনের ১৬১ ধারা। মোতাবেক বিবৃতির কপি সরবরাহ করতে না পারায় ১৭ জুন পর্যন্ত আদালত মুলতবি করা হয়। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ খ ধারাবলে যাতে করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আমাকে কঠোরতর সাজা দেওয়া যায়। অথচ আমার বিরুদ্ধে বড়জোর যে অভিযোগ উঠতে পারতো তা হলো পারমিট ছাড়া অ্যালকোহল সেবনের অভিযোগ যা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতাভুক্ত। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে, আমি সেগুলো বাংলাদেশে চোরাচালান করে এনেছি বিক্রি করার জন্য। কাজেই চোরাচালানীর মামলায় অভিযুক্ত হলে এবং সাজা পেলে আমার পরিচয় হবে একজন স্মাগলার হিসেবে। কি চমকপ্রদ কৌশল! এতে কেমন একটা ঘটনা ঘটবে? লোকজন কি বিশ্বাস করবে যে, আমি একজন স্মাগলার? লোকজনের কথা বাদ দেওয়া হোক, বিচারক এবং বাদীপক্ষই কি তা বিশ্বাস করবেন? তাহলে কেন এই নাটকীয়তা? এর প্রধান কারণ হলো, দেশ চালানোর জন্য এখন কেন্দ্রীয় কোনো একক নেতৃত্ব নেই, নেই ক্ষমতায়নের বিভিন্ন স্তরের মধ্যে কোনো ধরনের সমন্বয়। দ্বিতীয়ত, ওদের দিকনির্দেশনায় পরস্পরবিরোধিতা এখানে প্রকট হয়ে উঠেছে। তাদের অভিযান মূলত দুর্নীতির বিরুদ্ধে, কারো বাড়িতে অ্যালকোহল পাওয়া না পাওয়ার সঙ্গে এর সম্পর্ক কোথায়? তৃতীয়ত, এ হলো ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এক সুগভীর চক্রান্তের ফল। দুর্নীতির নাম করে সমাজের রাজনৈতিক আচ্ছাদন বিনষ্ট করা এবং সেনাবাহিনীসহ গোটা সমাজব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল, ভঙ্গুর ও নাজুক করে তোলাই হলো এর সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য। রাজনীতিবিদদের চরিত্রহনন, অপদস্তকরণ এবং ভাবমূর্তি বিনষ্টকরণ এই সুবৃহৎ পরিকল্পনারই একটি অংশ।
আমার বড় বোন নাফিসাকে আজ এই আদালত কক্ষে দেখে আমি একই সঙ্গে বিস্ময় এবং আনন্দ বোধ করেছি। সুদূর উত্তরা থেকে সে এই কোর্টরুমে এসেছে আমাকে দেখতে। তার কুশল জিজ্ঞেস করার জন্য কাছাকাছি গেলে তার দু’চোখ পানিতে ভরে আসছিল।

সোমবার ১১ জুন ২০০৭ দিন ৬০
গত তিনদিন ধরে পরিপূর্ণ বর্ষার ছোঁয়া পাচ্ছি।
দেশজুড়ে চলছে অবিরাম বর্ষণ। চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে পাহাড়ের ভূমিধসে কমপক্ষে ৭৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
পত্রিকার পাতাগুলো দুর্নাম, চরিত্রহনন ও সরকারের সরবরাহ করা ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্যসম্বলিত খবর দিয়ে ভরা। রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আমলা যে কাউকেই গ্রেপ্তার করা হোক না কেন, পুলিশ-রিমান্ডের নামে তাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অচেনা গন্তব্যে, সেখানে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে এমন কিছু বলতে তাদের বাধ্য করা হচ্ছে যা একেবারেই সত্য নয়। কোনো কোনো সময় নির্যাতনের কারণে বা মৃত্যুভয়ে ভীত হয়ে জিজ্ঞাসাকারীদের খুশিমতো তারা সবকিছু স্বীকার করে নেন এবং আরো বিকৃত আকারে পত্রিকার পাতায় সে সবকে স্বীকারোক্তি বলে ছাপানো হয়। প্রায় প্রত্যেক পত্রিকায় প্রধান প্রধান খবরগুলো তাই অভিন্ন।
দুর্নীতি দমনের নামে নিয়ন্ত্রণবিহীন ও স্বচ্ছতাবিহীন যে অত্যাচার ও নির্যাতন চালানো হচ্ছে শেষ পর্যায়ে এসে তার এক মারাত্মক প্রতিক্রিয়া ঘটতে বাধ্য। বেশির ভাগ লোক, এমনকি বেসামরিক সরকারে অধিষ্ঠিত কর্তাব্যক্তিরাও কোনোদিন জানতে পারবে না আমার ব্যক্তিগত সহকারী শহীদের মতো মানুষের ওপর কী ধরনের নির্যাতন চালানো হয়েছে। কী অমানুষিক আচরণ করা হয়েছে ওর সঙ্গে। অত্যাচার ও নির্যাতন সবসময়ই প্রত্যাঘাত করে একই ধারাবাহিকতায় তা খুব বেশিদিন অব্যাহত থাকতে পারে না।

মঙ্গলবার ১২ জুন ২০০৭ দিন ৬১
বর্তমান সামরিক বাহিনীর পরিকল্পনা হলো নিজস্ব চেইন অব কমান্ড ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে পর্দার অন্তরাল থেকে রাষ্ট্র পরিচালনায় মুখ্য ভূমিকা পালন করা। অতঃপর হাসিনা ও খালেদাকে দেশের ভেতরে বা বাইরে যেকোনো প্রক্রিয়ায় নিষ্ক্রিয় রেখে নিজেদের আশীর্বাদপুষ্ট পুরনো কিংবা নতুনভাবে সংগঠিত করা কিছুসংখ্যক রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে ঘরোয়া রাজনীতির একটি প্রক্রিয়া চালু করা। ফলে দেশে বাস্তব অর্থে কোনো বিরোধী দল থাকবে না- সংবাদপত্রের থাকবে না বাস্তব কোনো স্বাধীনতা। মুখরক্ষা ধরনের একটা নির্বাচনের মাধ্যমে বিশ্বকে দেখানো হবে যে, দেশে অধিষ্ঠিত হয়েছে একটি নির্বাচিত সরকার- ঠিক যেমনটি আছে আফগানিস্তানে। পাকিস্তানি কায়দায় নিজের হাতে বানানো সরকারের নেপথ্যে অবস্থান করবে সেনাবাহিনী এবং দীর্ঘদিন যাবৎ তারা দেশে রাজনৈতিক ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে যাবে। জেনারেল মইন ইউ আহমেদ ঠিক এরকমই করতে চাচ্ছেন। কিন্তু কারো ভুলে গেলে চলবে না যে, সর্বশক্তিমান পরিকল্পনাকারী হলেন মহান আল্লাহ তা’আলা। তাদের এই পরিকল্পনা ব্যর্থ হতে বাধ্য।
সরকারের সাথে সমঝোতা করে আরেকবার দেশ ছেড়ে চলে গেলে শেখ হাসিনা মারাত্মক ভুল করবেন।

(চলবে..)

আরো পড়ুন-
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৪)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৫)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৬)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৭)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৯) 
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১০)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১১)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১২)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৩)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৪)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৫)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৬)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৭)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৮)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৯)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২০)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২১)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২২)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৩)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৪)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৫)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৬)

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর