× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৩ মে ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৩০ রমজান ১৪৪২ হিঃ

শঙ্কা বাড়ছে শোবিজে

বিনোদন

ফয়সাল রাব্বিকীন
২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে অন্য সব কিছুর মতোই থমকে গেছে শোবিজ অঙ্গন। এরইমধ্যে করোনার হানায় অনেক তারকাই চিরবিদায় নিয়েছেন। আবার প্রতিনিয়তই তারকাদের আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছে। সম্প্রতি করোনায় মারা গেছেন বরেণ্য অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী। আরেক বরেণ্য চলচ্চিত্র অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুকও সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনিও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এদিকে এরইমধ্যে করোনায় প্রাণ গেছে আলী যাকের, মিতা হক, সাদেক বাচ্চু, ফরিদ আহমেদ, জানে আলমদের মতো গুণী ব্যক্তিত্বদের। শুধু তাই নয়, জীবনের পাশাপাশি জীবিকা নিয়েও শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন চলচ্চিত্র, টিভি ও সংগীত সংশ্লিষ্টরা।
কারণ করোনায় গত বছর এ অঙ্গনগুলোর কাজ বন্ধ ছিল টানা কয়েক মাস। সেই ক্ষতিই এখনো পুষিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি। তার ওপর আবার করোনার এমন তাণ্ডবে শিল্পীরা শঙ্কা ও অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। লকডাউনের ফলে এরইমধ্যে কাজ অনেকটাই বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে চলচ্চিত্রের কাজ বড় টিম নিয়ে করতে হয় বলে এ অঙ্গনের শুটিং প্রায় বন্ধ। কারণ বড় টিম নিয়ে শুটিং করলে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বেশি থাকে। এদিকে করোনার কারণে ঈদের ছবি নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বেশকিছু বড় সিনেমা এবার ঈদে মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু করোনার এমন পরিস্থিতিতে ঈদে ছবি মুক্তির পরিকল্পনার বিষয় থেকে অনেক প্রযোজকই পিছপা হয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে টিভি নাটকের অবস্থাও একই। অনেক শিল্পী লকডাউনের আগে থেকেই শুটিং বন্ধ রেখেছেন। অপূর্ব, নিশো, নুসরাত ইমরোজ তিশা, মেহজাবিন, তানজীন তিশা, অপর্ণা, নাদিয়া আহমেদের মতো তারকারা কাজ বন্ধ রেখেছেন। আর যারা করছেন তারাও কম কাজ করছেন। যার ফলে ঈদের নাটক নিয়েও একটা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে সংগীতের অবস্থা আরো খারাপ। কারণ শিল্পী-মিউজিশিয়ানদের আয়ের সব থেকে বড় মাধ্যম স্টেজ শো বন্ধ রয়েছে। এই সময়ে ঈদের গান নিয়েও শিল্পী, সুরকার, গীতিকার ও সংগীত পরিচালকদের ব্যস্ত সময় পার করার কথা থাকলেও হয়েছে তার উল্টো। গান প্রকাশের পরিকল্পনাও কমিয়ে এনেছেন অডিও প্রযোজকরা। শোবিজের সার্বিক এই অবস্থা নিয়ে পরিচালক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান বলেন, এটা কঠিন সময়। সিনেমার মানুষদের জন্য ধৈর্য্য পরীক্ষার সময়। সময়টা শঙ্কারও বটে। তবে আমি বিশ্বাস করি অন্ধকারের পর আলো আসে। তাই আমরাও তার জন্য অপেক্ষা করবো। খুব দ্রুতই করোনা পরিস্থিতি ঠিক হলে আমরা আবার শুটিং করবো, সিনেমা মুক্তি দিবো। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে ক্ষতিটা পুষিয়ে নিতে আমাদের সুবিধা হবে। বিষয়টি নিয়ে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর বলেন, অন্য অনেক কিছুর মতোই সংগীতের কার্যক্রম থমকে গেছে। গত বছরের মতো এ বছরও স্টেজ বন্ধ হলো। তবে আমি আশাবাদীর দলে। টিকে থাকাটা কঠিন হলেও এই পরিস্থিতি কেটে গিয়ে সামনে ভালো দিন আসবে সেটাই প্রত্যাশা করি। ছোট পর্দার ব্যস্ত অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী বলেন, লকডাউনের আগেই কাজ বন্ধ রেখেছি। কারণ এই সময়ে নিরাপত্তাটা জরুরি। যদিও অনেকের জীবিকায় প্রভাব পড়বে। তারপরও বলবো বেঁচে থাকলে সামনে অনেক কাজ করা যাবে। আপাতত নিরাপদ থাকাটাই শ্রেয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর