× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ১ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ
মানবজমিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ

কলাপাড়ায় ঘর বরাদ্দে অনিয়মের তদন্ত শুরু

বাংলারজমিন

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার ষষ্ঠ পৃষ্ঠায় গত ১৩ই এপ্রিল ২০২১ ইং তারিখে ‘কলাপাড়ায় ঘর বরাদ্দে হরিলুট’ শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর মাঠ পর্যায়ে তদন্তে নেমেছে প্রশাসন। গত রোববার দুপুরে উপজেলার ধূলাসার ইউনিয়নের তারিকাটা গ্রামে গিয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জিএম সরফরাজ। তদন্তের সময় উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি ও ঘর বরাদ্দে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতরা উপস্থিত ছিলেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, প্রকল্প পরিচালকের নির্দেশনায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লিখিত ভুক্তভোগীদের লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করা হচ্ছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকল্প পরিচালকের বরাবরে প্রেরণ করা হবে।
এদিকে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আড়াই কোটি টাকা লোপাটের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশের পর ধূলাসার ইউনিয়নের তারিকাটা গ্রামের ভুক্তভোগী বাদলকে মুঠোফোনে কলাপাড়া ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক তার সঙ্গে সন্ধ্যায় দেখা করতে বলেন। এ ছাড়া তদন্ত কর্মকর্তার কাছে সত্যতা প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন।
ভুক্তভোগী বাদলকে তিনি টিউবওয়েলসহ সকল সরকারি সুবিধা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে আশ্বস্ত করে ঘর পেতে টাকা পয়সা দেয়ার কথা না বলার জন্য অনুরোধ করেন, যার অডিও রেকর্ড সংরক্ষিত।
এর আগে ধানখালী ইউপি চেয়ারম্যান রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার, লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান তপন বিশ্বাস ও মিঠাগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান হেমায়েত উদ্দিন হিরণ কাজী বাদলকে বালিয়াতলী ডেকে নিয়ে ঘর বরাদ্দে টাকা দেয়ার কথা না বলতে অনুরোধ করাসহ নানাভাবে আর্থিক প্রলোভন দেখায়। এবং ধূলাসার ইউপি চেয়ারম্যান আ: জলিল আকন মুঠোফোনে তদন্ত কর্মকর্তার সামনে কিছু না বলতে বলাসহ ঘর তৈরিতে ব্যবহৃত পচা ইট সরিয়ে রাখতে অনুরোধ করেন। এরপর গত রোববার কলাপাড়া ইউএনও আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক, পিআইও মো. হুমায়ুন কবির, সিপিপি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানসহ উল্লিখিত চার চেয়ারম্যান তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে উপস্থিত থাকলেও ভুক্তভোগী বাদল তদন্ত কর্মকর্তার কাছে নির্ভয়ে ঘর বরাদ্দে টাকা পয়সা লেনদেনসহ নিম্নমানের উপকরণ সামগ্রী ব্যবহারের সত্যতা তুলে ধরেন। পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জিএম সরফরাজ আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রকল্প পরিচালক মহোদয়ের নির্দেশনায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লিখিত ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গ্রহণ করা হচ্ছে। কলাপাড়ার ধূলাসার ইউনিয়নের তারিকাটা গ্রামে গিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে, যা চলমান আছে। এগুলো যাচাই- বাছাই করে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকল্প পরিচালকের বরাবরে প্রেরণ করা হবে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর