× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ১ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

রামগঞ্জের ছাত্রদল কর্মী ঢাকায় আওয়ামী লীগ নেতা

বাংলারজমিন

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে কামরুজ্জামান শুভ নামে এক ছাত্রদল কর্মী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের মাঝে ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সূত্র জানায়, উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুর রহমান বাচ্ছুর ছেলে কামরুজ্জামান শুভ ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং তার পরিবারের সকলে বিএনপির রাজনীতি করে। কয়েক মাস পূর্বে শুভ দল পাল্টিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য হওয়ার চেষ্টা চালায়। কিন্তু ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতারা তাকে জায়গা দেননি। পরে তার ব্যবসার সুবিধার্থে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদককে ম্যানেজ করে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে গত ১লা মার্চ ২০২১ইং কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাকির হোসেন মোল্যা জানান, শুভ আমাদের কাছে অনেকবার এসেছেন যেকোনো কিছুর বিনিময়ে তাকে আওয়ামী লীগের সদস্য করার জন্য। আমরা জানি সে অতীতে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বাবা ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি।
তাই আমরা তাকে সদস্য করতে পারিনি। পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল আহম্মেদ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সৈকত মাহমুদ সামছু, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি কামরুল হাসান ফায়সাল মাল, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান শুভসহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে আওয়ামী পরিবারগুলোর ওপর পাশবিক নির্যাতনসহ নানাভাবে হয়রানি করা লোকেরা আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান পাওয়ায় ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতারা বাদ পড়ে যাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান শুভ জানান, আমার বাবা এক সময় বিএনপির সমর্থক ছিল এটা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ জানে। আমি ২০১১ইং সালে ছাত্রলীগের ডোনার ছিলাম। কেন্দ্র সকল বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে আমাকে সদস্য করেছে। এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আ.ক.ম রুহুল আমিন জানান, অনুপ্রবেশকারীরা দলের জন্য অশুভ। যেই লোক কখনো আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে রাজনীতি করেনি। সে কীভাবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য হয়- এটা খুবই দুঃখজনক।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর