× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৬ মে ২০২১, রবিবার, ৩ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

দাকোপে বেড়িবাঁধে ভাঙন, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

বাংলারজমিন

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

দাকোপে পৃথক দুটি স্থানে বেড়িবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। খলিশা এলাকায় জোয়ারের পানি ঢুকে তরমুজসহ কৃষকের প্রায় ৫০ লাখ টাকারও বেশি মূল্যের ফসলের ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসনের সহযোগিতায় পানি আটকানো সম্ভব হয়েছে। জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩১ নং পোল্ডারের অধীন পানখালী ইউনিয়নের খলিশা এলাকায় গত সোমবার আনুমানিক ৩শ’ মিটার বেড়িবাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দেয়। গতকাল সকাল পর্যন্ত ওই স্থান দিয়ে নদীর পানি ঢুকে পানখালী ইউনিয়ন এবং চালনা পৌর এলাকার ৪টি গ্রামের ফসলের মাঠ লবণ-পানিতে তলিয়ে যায়। এ ছাড়া ভাঙন এলাকায় বিপুল রায় এবং অনাদী রায় নামের দুটি পরিবারের বসতবাড়ী নদীর অংশ হয়ে যায়। এতে চাষিদের আনুমানিক ১ হাজার বিঘা জমির ধানসহ তরমুজ এবং সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
সূত্র মতে, পানি উন্নয়ন বোর্ড ওই এলাকায় বিকল্প বাঁধ নির্মাণের জন্য বেশ আগেই ঠিকাদার নিয়োগ দেয়। কিন্তু যথা সময়ে কাজ শুরু না হওয়ায় এবং স্থানীয়দের অসহযোগিতায় মাটি না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত বাঁধ ভেঙে এলাকায় লবণ-পানি ঢুকে ক্ষয়ক্ষতি হয়।
গতকাল সকালে দাকোপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিন্টু বিশ্বাস ঘটনাস্থলে থেকে বাঁধ নির্মাণ কাজ তদারকি করেন। এ সময় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ শেখ আবুল হোসেন, চালনা পৌরসভার মেয়র সনত কুমার বিশ্বাস, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল কাদের, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শেখ আব্দুল কাদের, পাউবোর শাখা কর্মকর্তা মধুসুদন মল্লিক, ইউপি সদস্য জ্যোতি শংকর রায় উপস্থিত ছিলেন।
ইতিমধ্যে পানি আটকানো সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে। অপরদিকে একই পোল্ডারের অধীন তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের ঝালবুনিয়া এলাকায় বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। তবে সেখানে বড় ধরনের ক্ষতির আগেই পানি আটকানো সম্ভব হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ৩৬ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তরমুজ ২.৬৯ হেক্টর মুগডাল ০.৬৭ হেক্টর, ধান ১ হেক্টর, ভূট্টা ০.১০ হেক্টর ফসলি জমির ফসল নদীর পানিতে ডুবে ৫০২৮৮০০ পরিমাণ টাকা কৃষকদের ক্ষতিসাধিত হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর