× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৪ মে ২০২১, শুক্রবার, ১ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ
জীবন বনাম জীবিকা

লকডাউনের বিকল্প কি?

প্রথম পাতা

লুৎফর রহমান ও নূরে আলম জিকু
২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার

এক বছরের বেশি সময় ধরে করোনায় বিপর্যস্ত জনজীবন। নানা বিধিনিষেধে বন্দি মানুষ। মহাসংকটে অনেকের জীবিকা। এক বছরের মাথায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও ফের দ্বিতীয় ঢেউয়ে এলোমেলো সবকিছু। সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ায় কঠোর লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রথম দফায় ৯ দিনের ‘লকডাউনের’ পর এখন আরো দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। এই লকডাউন চলাকালে সংক্রমণ পরিস্থিতি কিছুটা কমে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন দৈনিক কিছুটা কম রোগী শনাক্ত হচ্ছে।
তবে প্রাণহানি এখনো শতকের কাছাকাছি। সংক্রমণ পরিস্থিতিতে কিছুটা লাগাম টানা গেলেও মানুষের জীবিকার প্রশ্নটি এখন সামনে। লকডাউনের কারণে অনেকে কাজ হারিয়ে বসে আছেন ঘরে। কাজ না থাকায় খাদ্য সংকটে পড়েছেন অনেকে। সরকারিভাবে বড় কোনো সহায়তা কার্যক্রম না থাকায় খেটে খাওয়া মানুষ বেশি বিপাকে পড়েছেন এই লকডাউনে। এ অবস্থায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী লকডাউন কতদিন চালু রাখা যাবে বা এর বিকল্পই বা কী হবে এ নিয়ে নানা আলোচনা রয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, লকডাউন দিতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনেই জীবন-জীবিকা স্বাভাবিক রাখতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একইসঙ্গে দেশের উৎপাদন ও অর্থনীতি সচল রাখতে হলে ব্যবসা-বাণিজ্যও চালু রাখতে হবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই মুহূর্তে করোনার টিকা একটি বড় অস্ত্র। দেশে টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে চলছে। সামনে এটি আরো জোরদার করতে হবে। অধিকাংশ মানুষ টিকা গ্রহণ করলে করোনার প্রকোপ এমনিতে কমে আসবে। এজন্য টিকা প্রয়োগে সব ধরনের অনিশ্চয়তা দূর করতে হবে। প্রয়োজনে টিকা কূটনীতি জোরদার করতে হবে।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা এবং সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন মানবজমিনকে বলেন, লকডাউন নয়। করোনার সংক্রমণ রোধে সরকার কিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। এর আগে সভা সমাবেশ ও বিয়ের অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থানে জনসমাগম বন্ধ করতে বলেছে। আমাদেরকে এসব দীর্ঘ সময় মেনে চলতে হবে। তবে করোনার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোকে শনাক্ত করতে হবে। কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় এসব বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করা যেতে পারে। তবে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কঠোর হতে হবে। সেখানে চলমান বিধিনিষেধ দীর্ঘ সময় চলতে পারে। সেটা এলাকাভেদে হতে পারে। সেক্ষেত্রে ওইসব এলাকায় বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তা না হলে করোনার সংক্রমণ আরো বাড়তে পারে। তবে দীর্ঘ সময় এসব বিধিনিষেধ চললে মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা দিতে হবে। মানুষ যাতে সহযোগিতা পেয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে পারে। কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মানুষজন সামাজিক দূরত্ব মেনে, স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে কাজকর্ম করলে করোনা ছাড়ানোর সম্ভাবনা কমবে। তবে করোনার সংক্রমণ রোধে সরকারের বিধিনিষেধ কার্যকর করতে হলে সম্মুখসারির যোদ্ধা ও যারা কর্মহীন হয়ে পড়েছেন তাদেরকে সরকারি সহায়তা দিতে হবে। কর্মহীনদের সহায়তা দিতে না পারলে তারা স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলাচল করবে এতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়াবে। তিনি বলেন, যারা এখনো আক্রান্ত হয়নি তাদের মধ্যে করোনা নিয়ে অনীহা দেখা দিয়েছে। তারা স্বাস্থ্যবিধি মানতে চাইছেন না। ফলে চলতি সময়ে তরুণদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে দেখেছি। এমনভাবে চলতে থাকলে দেশে আবার করোনার তৃতীয় ঢেউ আসবে। কাজেই আমাদের সবাইকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে।  

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন মানবজমিনকে বলেন, দেশে চলমান লকডাউন বেশি দিন চললে নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তি বাড়বে। তারা তো কাজকর্ম না করলে খেতে পারবে না। তাদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। করোনাভাইরাসের চলমান পরিস্থিতিতে লকডাউনের বিকল্প হচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে মানুষকে টিকা দেয়া নিশ্চিত করা। ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষের মধ্যে টিকা দেয়া সম্ভব হলে ঝুঁকি অনেকটা কমে যাবে। এছাড়া যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি সেক্ষেত্রে লোকাল এরিয়া ভিত্তিক লকডাউন দেয়া যেতে পারে। যেমনটা ২০২০ সালে শুরু করেছিল। যদিও বাস্তবায়ন অনেকটা কঠিন। লকডাউনের বিকল্প হচ্ছে সংক্রমণের গতি কমানো, আর  এই গতি কমাতে হলে সরকারি বেসরকারি সকল পর্যায়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, মাস্ক পরা ও হাত ধোয়া নিশ্চিত করতে হবে। জনসমাগম থেকে বিরত থাকতে হবে। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মানলে লকডাউনের প্রয়োজন হয় না।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ও অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ লকডাউন পরিস্থিতি নিয়ে তার মতামতে বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুর হার ১০ থেকে ১৫। বাকি ৮৫ ভাগ সুস্থ হয়ে যাবে। কিন্তু দারিদ্র্যের কশাঘাতে অপুষ্টির শিকার হলে ধুঁকে ধুঁকে মরতে হবে অনেককে। লকডাউনে সচ্ছল ধনি মানুষ তার বড় বাসায় সোশ্যাল ডিসট্যান্স মানতে পারে, কিন্তু ঝুপড়ি ঘরে থাকা মানুষগুলো লকডাউনে একে অন্যের সঙ্গে গাদাগাদি করে থাকতে বাধ্য হয় দিনের বেশিরভাগ সময়। লকডাউন দিলে মৃত্যুঝুঁকি কমানোর দরুন শান্ত্তিতে থাকে সচ্ছল মানুষ। কিন্তু ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভোগা মানুষদের জন্য লকডাউন কোনো শান্তির বার্তা আনে না। বরং তারা করোনার ঝুঁকি নিতে রাজি, কিন্তু আশু ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভুগতে রাজি নয়। লকডাউনে কল কারখানা খোলা রাখার অনুমতি যারা নিতে পেরেছে তারাই আবার প্রণোদনার অর্থ বেশি আদায় করতে পেরেছে। আর লকডাউনে যাদের কলকারখানা বন্ধ রাখতে হয়েছে এদের বেশিরভাগই বঞ্চিত হয়েছে কোনোরকম প্রণোদনা পেতে। ধনি দেশগুলোর পক্ষে লকডাউন কার্যকর করা সম্ভব, কিন্তু স্বল্পআয়ের দেশে লকডাউন কার্যকর করা কঠিন। তাই স্বল্পোন্নত দেশে লকডাউন দিয়ে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমানো যাবে না। করোনার কারণে শিক্ষায় যে ধনি-দরিদ্র বৈষম্য তৈরি হয়েছে তাতে ভবিষ্যৎ আয় বৈষম্য আরো বাড়তে পারে।? লকডাউন ধনি-বান্ধব, দরিদ্রবান্ধব নয়। সরাসরি খাদ্য সহায়তা দিয়ে অতি দরিদ্রদের হয়তো বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব কিন্তু ছোট ছোট শিল্প উদ্যোগগুলো ধ্বংস হলে সেগুলো আবার গড়ে তোলা মুশকিল। জীবন-জীবিকার সমন্বয়ে বাঁচতে হলে ভাবতে হবে, এখনই নিতে হবে অন্তত এক বছরের সার্বিক পরিকল্পনা। নয়তো বারবার লকডাউনের অপচয়ে পড়ে অর্থনৈতিক ক্ষতির বোঝা বাড়বে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদদের পর্যালোচনা ও পরামর্শ ছাড়াও করোনা সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির তরফেও এর আগে লকডাউন নিয়ে নানা পরামর্শ দেয়া হয়েছে। শুরুতে সংক্রমণ কমাতে জোনভিত্তিক লকডাউন দেয়ার পরামর্শ ছিল। করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় এ ধরনের লকডাউন দেয়ার পরিকল্পনা নেয়া হলেও তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। ওয়ারি বা পূর্ব রাজাবাজারের অভিজ্ঞতা থেকে বিশেষজ্ঞরা সফলতার কথা জানিয়ে ছিলেন। অবশ্য তখন সংক্রমণ পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে ছিল। কমিটির একজন সিনিয়র সদস্য এ বিষয়ে মানবজমিনকে বলেন, এলাকাভিত্তিক লকডাউন এখনো হতে পারে। যেখানে সংক্রমণ অতি উচ্চমাত্রায় সেখানে লকডাউন করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে জেলা, উপজেলা, থানা, ওয়ার্ড বা পাড়াভিত্তিক লকডাউন হতে পারে। তিনি বলেন, এখন যে পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে তাতে সব পক্ষের মতামত নেয়া হচ্ছে কিনা জানি না। সবার মতামত নেয়া হলে জীবন ও জীবিকা রক্ষা করার কৌশল নির্ধারণ সহজ হবে বলেও তিনি মনে করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
SJ
২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৬:৪২

অনুরোধ করছি আমার প্রতিটা মতামত পাবলিস্ট করতে। তৃক্ত হলেও সত্যি যে, বিশ্ব গবেষক ও বিজ্ঞানীগণ যথেষ্ট ব্রেইন আপুষ্টিতে ভুগছেন, নিত্য নতুন কথা বলছেন যাহা শিশু বেলার ছড়া গল্পের মতো হয়। কেউ বলে টিকা নিশ্চিত করতে হবে। শুনে রাখো বিশ্ব মানব জাতি, সকলেই ঘোর ভ্রান্তিতে আছো। বাংলাদেশে করোনার টিকা আসা পূর্ব পর্যন্ত করোনা প্রায় বিলুপ্ত ছিলো । মানুষজন ভুলেই গিয়েছিলো করোনাকে । টিকা প্রয়োগের পর থেকে থেকেই শুরু হলো দ্বিতীয় ঢেউ। তবে উহা ঢেউ নয়। যাহারা বলে করোনা মোকাবেলা ইহা তাহাদের পরাজয়। আমি গবীর ভাবে অনুমান করি যে, মানুষ যতবার করোনা মোকাবেলার ফন্দি এটেছে করোনা ততবারই বিপরীত মুখী আঘাত করে ফন্দিকে পন্ডু করেছে।অতএব করোনা থেকে বেচে থাকার চেষ্টা করা যেতে পারে তবে মোকাবেলা নয়। 1. আল্লাহকে ভরসা করা ক্ষমা চাওয়া. 2. দেশ ব্যাপী রাষ্ট্রীয় অনুপ্রেরণায় আল্লাহর নিকট ক্ষমা চেয়ে মুক্তির দয়া প্রার্থনা করা। 3. লক ডাউন স্থায়ী ভাবে বন্দ করা।কারন স্রষ্টা উন্মুক্ত পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন, লক দিয়ে নয়। 4. জনবহুল পরিবেশ ও রুগীদের নিকটবর্তী হলে মাস্ক পরতে উৎসাহিত করা। মাস্ক অল টাইম পরলে শরীর অক্সিজেনের ঘাড়তিতে পরবে।মনে রাখবেন মাস্ক যদি এতটাই উপকারী হতো তবে প্রতিটা শিশুই মাস্ক পরে জন্ম হতো। 5.করোনা মানুষের ফুসফুসকে আক্রান্ত করে মেরে ফেলে । তবে কি মানুষের ফুসফুজ অতি দুর্বল অবস্থানে নেই? মানুষের ফুসফুস মানুষই দুর্বল করে দিচ্ছে । 6. পোল্টি মুরগী, কোমল পানি, চিনি এই তিন খাদ্য যথা সাদ্য বাদ দিতে হবে । 7. ফল, সবজি, গ্রীন শাক প্রতিদিন যৎসম্বব খেতে হবে । 8. অতি উল্লাস পরিহার করা । 9. প্রতিদিন 10-12 বার বুক ফুলিয়ে লম্বা নিঃশাস নেয়া। 10. কর্ম সমাপ্তির পর বাসায় অবস্থান করা, অযথা ঘুরতে বেড়ানো বন্দ করা ।ইত্যাদি ইত্যাদি । করোনা স্বল্প কালীন কোনো বেদী নয় । করোনা অতীতে ছিলো বর্তমানে আছে ভবিষ্যতে থাকবে।লক ডাউনে রাখতে হবে প্রথমত করোনা রুগীকে দ্বিতীয়ত সকল রুগীকে।।

Md Ali Haider
২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ২:২৬

লকডাউ‌নের বিকল্প হল, র‌বীন্দ্রনা‌থের জুতা আ‌বিস্কা‌রের ফর্মূলা! সাড়া দেশ লকডাউন না ক‌রে ক‌রোনা আক্রান্ত‌কে সনাক্ত ক‌রে তা‌কে লক কর‌তে হ‌বে।এজন‌্য বেশ‌ি বে‌শি পরীক্ষার ব‌্যবস্থা কর‌তে হ‌বে। যত বেশ‌ি পরীক্ষা, তত কম সংক্রমন

MD Saidul
২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ১১:৩৭

করোনা থেকে বাহিরে ঘুরলে নিস্তার পাওয়া ও জীবন যাত্রা চলমান রাখার উপায় ....... আমার কথার কোনো ভিত্তি নাই ও এইটা আমার ধারণা থেকে লিখা .... যদিও পাগলের বক্তব্য ....কিন্তু কাজে দিতে পারে ......... আমাদের দেশে পলিথিন এর মুল্য অনেক কম ও সহজে পাওয়া যায় ..... পুরাই পলিথিন এর জামা রেইন কোট এর মতো পড়তে হবে ..... মুখমন্ডল সামনে ও হেলমেট পলিথিন এর আবরণ থাকবে .... স্বাস নেওয়ার জন্য মাস্ক এর মতোন ব্যবস্থা থাকবে যেন বাহিরের ধুলা ও জীবানু প্রবেশ করতে না পারে ... পায়ে জুতা ও মোজা পড়তে হবে .... হাতে ও হাত মোজা বা হ্যান্ড গ্লোপস থাকবে ... সর্ব শেষ বাড়িতে ঢোকার সময় বাড়ির বাহিরে চলমান পানিতে ব্যবহার করা সব কিছু ওয়াশ করে তার পরে খুলে গোসল করে বসাতে ঢুকতে হবে ....... এই ক্ষেত্রে অধিক পোশাক রাখতে হবে একটা শুখাতে দিয়ে আর একটা ব্যবহার করতে হবে ....যদিও পলিথিন শুখাতে সময় অনেক কম লাগে .......তবে জুতা ও হাত মোজা শুখাতে অনেক সময় লাগবে ..... এই পোশাক বার বার ব্যবহার ও করা যাইবে ...... বাহিরে পণ্য সামগ্রী ক্রয় ও বিক্রয় করার উপায় সমূহ ...... বিক্রয় ও ক্রয় কৃত সকল পণ্য প্যাকেট জাত হইতে হবে ...... বাসায় ঢোকানোর সময় বাসার বাহিরে চলমান পানিতে পণ্য সমূহ প্যাকেট ধুয়ে নিতে হইবে ...তার পরে বসাতে পণ্য গুলো ঢোকাতে হইবে ..... আমরা তো মাস্ক পরিধান করে বাহিরে বের হচ্ছি পোশাকে তো ভাইরাস ধরবে সব খানেই ছড়াবে ভেবে দেখেন ... স্বাবিক কার্যক্রম চলমান থাকলো ভাইরাস ছড়ানোর ভয় ও থাকবে না .....

Mustafa Ahsan
২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৪:১১

বাংলাদেশেতো লকডাউন না এটা মোল্লা ডাউন চলছে।শুধু শুধু সবকিছু বন্ধ করে লকডাউন এর নামে জনজীবন এবং দরিদ্র মানুষের আয় ইনকাম বন্ধ করে নিত্য পরয়জনীয় জিনিষ পত্রের দাম ক্রয় ক্ষমতার বাইরে নিয়ে যেয়ে জনদূর্ভোগ এর জন্ম দেওয়া হচ্ছে। এর থেকে ভাল হয় গোয়েনদাদের লিষ্ট ওয়াইজ একদিনে সেহরীর পর থেকে ইফতারের আগে পর্যন্ত (যেহেতু রোজা রাখার সুযোগ দিতে হবে)সব মোল্লাডাউন করলেই হয়।এখনতো জনগন থানার সামনে বাংকার বানিয়ে যুদ্ধ যুদ্ধ খেলার মরতবা আর লকডাউন কি কারনে বুঝেই গেছে তাই সবাইকে এই ঘরবন্দি আযাব থেকে রেহাই দেওয়া হোক।

ক্ষুদিরাম
২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ৩:১৪

গত বছর থেকেই বলে আসছি লকডাউন কোন সমাধান নয় বরং আমাদের মত অর্থনীতি ভংগুর দেশে লকডাউন আরো বড় সমস্যা তৈরি করে। কে শুনে কার কথা !! বরং একটা কূশীল সমাজ, দুর্নীতিবাজ আমলা সমাজ আর কিছু পথভ্রস্ট মিডিয়া সমাজ লকডাউনের গীত গাইতে গাইতে যেন মুখ দিয়ে ফেনা বের করে ফেলেছে। কারন মাস শেষে তারা ঠিকই সরকারী বেতন/ উপঢৌকন পাবে আর নাকে তেল দিয়ে ঘুমাবে। অথচ এখন যখন বুঝেছে লকডাউনের ধাক্কা একসময় তাদেরও ভাটিতে নিয়ে যেতে পারে কেবল তখনই তারা লকডাউনের বিকল্প খোজার চেস্টা করছে। লাখো মানুষ মরলেও এদের কিছু যায় আসে ? এদের কেবলই যায় আসে তখন যখন নিজেরাও একটু ঝুকির মধ্যে পরে যায়।

শহীদ
২২ এপ্রিল ২০২১, বৃহস্পতিবার, ৪:১৩

লকডাউনের বিকল্প লকডাউন শেষ হওয়ার পর নয়, আগেই ভাবা উচিত ছিল। সাধারণ মানুষ সে সরকারি দলের লোক হোক বা অন্য দলের হোক লকডাউনের কারণে যথেষ্ট অসন্তুষ্ট। আমাদের পুলিশ বাহিনীর সদস্যগণ লোক সমাগম হ্রাস করতে পারতেন। তবে পুলিশ বাহিনী মারমুখী আচরণ না করে জনগণের সাথে ভাল ব্যবহার করতেন কিনা সেটা ভিন্ন কথা। মার্কেটসহ বিভিন্ন স্থানে উপচে পড়া ভিড় সামলালে হয়তো লকডাউনের বিকল্প ভাবা যায়। নগরীর ময়লা-্আবর্জনা সকাল 6 টার আগে অপসারণ করতে হবে। নগরীর নালা-নর্দমা সমুহে জীবানুনাশক স্প্রে করতে হবে। জনগণকে যত্র তত্র থুথু ও অন্যান্য ময়লা ফেলা থেকে সতর্ক করতে হবে। নিকট দুরত্ব বজায় রাখতে, ধুলোবালি ও অন্যান্য জীবানু থেকে মুক্ত থাকতে মাস্ক পরিধান, হাত ধোয়ার উপর মিডিয়ায় জোরালো প্রচার চালানো যেতে পারে।

জিলানী, লন্ডন
২১ এপ্রিল ২০২১, বুধবার, ১:০৭

যত বেশি টেস্ট হবে তত কম লকডাইন হবে, যাদের উপসর্গ থাকবে তারাই লকডাইনের আয়তায় থাকবে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ ত তাই। যারা এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ তাদের (বৈজ্ঞানিক) তা পরামর্শ দুটো কারণে বাস্তবতা আসতেছে না (১)রাজনৈতিক কারণে (২)গরীবি কারণে। আর এই দুটোর সাথে সম্পর্কিত অন্যান্য কারণ সমুহ।

অন্যান্য খবর