× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীসেরা চিঠি
ঢাকা, ২৫ জুন ২০২১, শুক্রবার, ১৩ জিলক্বদ ১৪৪২ হিঃ
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩৭)

‘প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যদের বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি’

বই থেকে নেয়া

স্টাফ রিপোর্টার
৩০ এপ্রিল ২০২১, শুক্রবার
সর্বশেষ আপডেট: ১২:২৩ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার ৯ আগস্ট ২০০৭ দিন ১১৯
বিচার প্রশাসনের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ, জরুরি আইনের নিবর্তনমূলক ধারাসমূহের প্রয়োগ, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পক্ষ সমর্থন না করার জন্য আইনজীবীদের ওপর ভীতি প্রদর্শনসহ আত্মপক্ষ সমর্থনের পথে সম্ভাব্য সকল রকমের অন্তরায় সৃষ্টি করা সত্ত্বেও শেখ হাসিনার মামলায় হাইকোর্ট ডিভিশনের সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে সরকারকে প্রবলভাবে নাড়া দিয়েছে এবং প্রমাণ করেছে যে, আইনগত যুদ্ধের পালা অব্যাহত থাকবে। সরকার প্রমাণ উপস্থাপিত না করেই সকলকে দুর্নীতিবাজ হিসেবে আখ্যায়িত করছে এবং সংবাদপত্রগুলো তাল মেলাচ্ছে ওদের সঙ্গে। এ ধরনের কাজে তারা তাদের রুষ্টবাদী একটি মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটাচ্ছে। কিন্তু তারা জানে না যে, সুবিচারের সর্বোচ্চ ক্ষমতা একমাত্র মহান আল্লাহ্র।

শুক্রবার ১০ আগস্ট ২০০৭ দিন ১২০
প্রতিদিন জেলখানার দেওয়া যৎসামান্য খাবারের জন্য আমরা অপেক্ষা করি অধীর আগ্রহে। বেলা একটার জায়গায় আজ দুপুরের খাবার এসেছে পৌনে তিনটায়। কিন্তু এ ব্যাপারে আমাদের করণীয় কিছু নেই। জেল কর্তৃপক্ষের সরবরাহ ব্যবস্থায় বিলম্বের কারণে মাঝে মাঝে নাকি এমনটি ঘটে।
আমার ছোট ঘরটিতে বেশির ভাগ সময় কাটে লেখালেখি করে এবং প্রার্থনায়। সহবন্দিদের সঙ্গে মাঝে-মধ্যে দেখা হয় প্রশস্ত খোলা বারান্দায়।
আমাদের বেশির ভাগ আলোচনাই থাকে রাজনীতিসংক্রান্ত। ওদের মধ্যে খুব কম জনেরই পড়াশোনা বা লেখালেখির অভ্যাস রয়েছে। বর্তমানে চম্পাকলি নামে অভিহিত ২৬ নং সেলে রয়েছে ১২টি কামরা যার অধিকাংশই বন্দিদের দখলে। রাঁধুনী ও তাদের সহযোগীরা সারা দিনই নাস্তা, দুপুর ও বিকেলের খাবার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকে। এদের সবাই লম্বা সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত বিধায় সন্ধ্যার অন্ধকার নেমে আসার আগেই তাদের নিজ নিজ সেলে ফিরে যেতে হয়। কাজেই সন্ধ্যার আগেই রাতের খাবার রান্না করে আমাদের খাবার যার যার পাত্রে ভরে বিদায় নিতে হয় তাদের।
বিকেলের দিকে বাগানে বা সামনের চত্বরে প্রায় সকলেই ঘণ্টাখানেক হাঁটাহাঁটি করেন। শারীরিক ব্যায়ামের জন্য এ সময়টুকু যথেষ্ট। তারেক রহমান বাগান করার প্রতি কিছুটা আগ্রহ দেখাচ্ছে। সূর্যাস্তের আগে বারান্দায় মিনিট পনেরো পায়চারী করা আমার অভ্যাসে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার ১১ আগস্ট ২০০৭ দিন ১২১
গতকাল শহরে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। কয়েকজন সাবেক প্রধান বিচারপতিসহ অনেক আইনজীবী তাতে অংশ নিয়েছেন। ওরা বিচারবিভাগের স্বাধীনতা ও পৃথক্করণ নিয়ে আপ্তবাক্য উচ্চারণ করেছেন, কিন্তু বিদ্যমান অবস্থা নিয়ে টুঁ-শব্দটিও উচ্চারণ করেননি। নিঃসন্দেহে এ ছিল ক্ষমতাসীনদের একটি একান্ত আয়োজন।
ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতাকাল দীর্ঘায়িত ও সুসংহত করার লক্ষ্যে সরকারের দোসর হিসেবে কর্মরত নির্বাচন কমিশন জরুরি অবস্থা জারির ছয় মাস পরে ছবিসহ নতুন ভোটার তালিকা প্রণয়নসংক্রান্ত একটি অর্ডিন্যান্স জারি করেছেন। এটি ছিল সুপ্রিম কোর্টের একটি সিদ্ধান্তের (১১ বিএলসিএডি ১১৩) সুস্পষ্ট বরখেলাপ। সেই সিদ্ধান্তে নির্বাচন কমিশনকে শুধুমাত্র বিদ্যমান ভোটার তালিকা আপডেট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচন অনুষ্ঠান বিলম্বিত করে ক্ষমতাসীনদের অবস্থান দীর্ঘায়িত করাই হলো এই অর্ডিন্যান্স জারির মূল উদ্দেশ্য। ছবিসহ ভোটার তালিকা গোটা দুনিয়ায়। একটি বিরল দৃষ্টান্ত। এমনকি বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারত কিংবা প্রাচীনতম গণতান্ত্রিক দেশ যুক্তরাজ্যেও ছবিসমেত ভোটার তালিকার প্রচলন নেই। নতুন ভোটার তালিকা প্রণয়ন করতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের বাইরেও ১২৩ অনুচ্ছেদে বিধৃত ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করে গণতন্ত্র ও প্রজাতন্ত্র নামের সংবিধানের দু’টি অলঙ্ঘনীয় শর্ত লঙ্ঘন করে এক অমার্জনীয় অপরাধ করেছে।

রবিবার ১২ আগস্ট ২০০৭ দিন ১২২
কারাপ্রশাসনে শৃঙ্খলাবোধ এবং সমন্বয়ের বিন্দুমাত্র অস্তিত্ব নেই। অথচ এখানে রয়েছে স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অবাধ রাজত্ব। খাবারের সরবরাহ কখনোই সময়ানুগ নয়। ডাক্তারের দেখা পাওয়া দুষ্কর- ওষুধ পাওয়া যায় না। শিশু ও বৃদ্ধসহ আগত শরণার্থীদের জেলগেটের বাইরে কমপক্ষে দুই-তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। কোনো দরখাস্ত কিংবা ওকালতনামা সই করাতে অজুহাত বিশেষে কখনো কখনো ৪-৫ দিনও সময় লেগে যায়। আমাদের মতো সুবিধাপ্রাপ্তদের বেলায়ই যদি এমনটি ঘটে তবে সাধারণ একজন বন্দির ক্ষেত্রে কি ঘটছে তা সহজেই অনুমান করা যায়। দুঃখজনক ব্যাপারে হলো, এ অবস্থার কোনো প্রতিকার নেই।

সোমবার ১৩ আগস্ট ২০০৭ দিন ১২৩
প্রধান বিচারপতি এম রুহুল আমিন গতকাল এক বৈঠকে বলেছেন যে, জাতীয় ক্রান্তিকালের যে কোনো সময়ের ন্যায় ভবিষ্যতেও বিচার বিভাগ তার বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনের পালা অব্যাহত রাখবে। সংবাদটি পড়ার সময় আমার গোটা শরীর রোমাঞ্চিত হয়ে উঠেছে। তিনি কি সত্যি সত্যিই তাই বিশ্বাস করেন? তিনি কি এটা বোঝাতে চাইছেন যে, সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানকে সমুন্নত রাখার এবং জরুরি আইনের নিগ্রহ থেকে জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের নিশ্চয়তা দেবে? এর আগে লতিফ মির্জা, শাহজাহান এবং অরুণা সেনের মামলার মতো দৃষ্টান্ত রেখে এবার কি সুপ্রিম কোর্ট তার সে সুমহান ও স্বর্ণালী যুগের দৃষ্টান্তের প্রতিফলন ঘটাতে পারবে?
অবশ্য আমাদের সময় পত্রিকায় প্রধান বিচারপতির তীব্র সমালোচনা করে বিচারপতি নাইমুদ্দিন আহমেদের একটি বক্তব্য পড়ার পর আমার এই সন্দেহ দূরীভূত হয়েছে। বিচারপতি রব্বানীও বলেছেন, প্রধান বিচারপতি যা বলছেন তা তিনি স্বয়ং বিশ্বাস করেন না। কথা দিয়ে কথা রাখার নজির তার নেই। প্রধান বিচারপতির ব্যাপারে তার এ রকম ধারণার কথা তিনি উল্লেখ করেছেন। আসলে এই গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য যোগ্যতা, ব্যক্তিত্ব, জ্ঞান কিংবা সততা কোনোটাই তার নেই। একজন বিচারক যদি হন ক্ষুদ্র জ্ঞানসম্পন্ন এবং নীচু মনের, সাধারণ জনগণ তার কাছ থেকে সুবিচার আশা করতে পারে না। মহান আল্লাহ্ তা’আলা তাদের সুউচ্চ সম্মানের যে আসনে বসিয়েছেন তারা তার অসম্মান করছেন। শেষ পর্যন্ত তাদের কী অবস্থা হয় অবশ্যই তা হবে একটি দেখার বিষয়।

মঙ্গলবার ১৪ আগস্ট ২০০৭ দিন ১২৪
সেনাবাহিনী প্রধানের পৃষ্ঠপোষকতায় সরকার ক্ষমতা সুসংহতকরণের যে উদ্যোগ নিয়েছেন শেষ পর্যন্ত তাতে সফলতা আসবে না। কারণ তারা পরিষ্কার মন নিয়ে এগিয়ে আসেননি। বহিঃশক্তির ক্ষমতা বিন্যাসের সহায়ক শক্তি হিসেবে আকস্মিকভাবে এ সরকারের উদ্ভব ঘটেছে। নিজেদের কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এদের নেই। নেই এদের কোনো বৈধ ভিত্তি। দুর্নীতি উচ্ছেদ কিংবা ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের অধিকার তাদের দিয়েছে কে? চাঁদাবাজির অজস্র মামলা দায়ের করে এবং নির্বাচন কমিশনকে বাদ দিয়ে সেনাবাহিনীর একটি টিমের মাধ্যমে নয়া ভোটার তালিকা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নিয়ে পক্ষান্তরে সরকারি কর্মকর্তারা নিজেদের পকেট ভারি করারই একটি পন্থা উদ্ভাবন করেছে।

বুধবার ১৫ আগস্ট ২০০৭ দিন ১২৫
সারা দেশে উদযাপিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী। রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও সশস্ত্রবাহিনীর তিন বিভাগের প্রধান জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে টুঙ্গিপাড়া গিয়েছেন। ১৯৮৩ সালে আমার লেখা বাংলাদেশ: শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনকাল বইয়ে বঙ্গবন্ধুর বিশদ মূল্যায়ন করা হয়েছে। তার সমস্ত ব্যর্থতা ও সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমি তাকে আমাদের ইতিহাসের মহানতম নায়ক হিসেবে উল্লেখ করেছি। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়েই তার সমাধি রচিত হয়নি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তার নাম প্রবাদবাক্যের মতোই ভাস্বর হয়ে থাকবে। কিন্তু আজ বঙ্গবন্ধুকে বিতর্কিত এবং খণ্ডিত করার জন্য আওয়ামী লীগ এবং তাদের দলীয় কিছু বুদ্ধীজীবীই দায়ী।
আমার এ কারণে দুঃখ হয় যে, আমার অক্লান্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও আমি সরকারের বিরোধিতার কারণে আপিল বিভাগে জমে থাকা সেই জঘন্যতম হত্যাকাণ্ড মামলার শুনানি শুরু করাতে পারিনি। আমি এমনও যুক্তি দেখিয়েছি যে, মুজিব যখন নিহত হন তখন বিএনপি’র জন্যই হয়নি। কাজেই আপিল শুরু না করে বিএনপি এর দায়ভার বহন করতে যাবে কেন? কিন্তু প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যদের আমি তা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। এজন্য ব্যক্তিগতভাবে আমি লজ্জিত এবং নিজেকেই আমার কাছে ছোট বলে মনে হয়।
আজ বেগম খালেদা জিয়ারও জন্মদিন।

বৃহস্পতিবার ১৬ আগস্ট ২০০৭ দিন ১২৬
আমার ট্যাক্স গ্রহণে একতরফাভাবে অস্বীকৃতি জানানোর ফলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে দায়ের করা অনাদায়ী ট্যাক্স পরিশোধের জন্য আমার এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বিভাগ শুধু আমার হিসাবমতে দেখানো ৩ কোটি ৮৪ লক্ষ ৫১ হাজার ৯ শত ৯১ টাকা গ্রহণের জন্যই রাজস্ব বোর্ডকে নির্দেশ দিয়ে রুল জারি করেনি, উপরন্তু আমার ফ্রিজ করা ব্যাংক একাউন্ট থেকে সেই টাকা উত্তোলনেরও নির্দেশ দিয়েছে। এ ছিল আমার প্রতি মহান আল্লাহ্ তা’আলার এক প্রত্যক্ষ আশীর্বাদ। এ ব্যাপারে শুধু একটি রুল আশা করেছিলাম। কিন্তু বিচারপতি আবদুর রশীদের বেঞ্চ থেকে এমন ধরনের সরাসরি নির্দেশ আমার একেবারেই প্রত্যাশিত ছিল না। এর ফলে আমার অনেক সমস্যার সমাধান হবে। এজন্য ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক ও খোকনকে আমি ধন্যবাদ জানাই। অন্যান্য আবেদনের মতো রিট আবেদনের খসড়া তৈরি করেছিলাম আমি নিজে এবং গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যদের নজর এড়িয়ে আমাকে দেখতে আসা একজনের কাছে জেলগেটে তা গোপনভাবে পাচার করে দেওয়া হয়েছিল। অন্যান্য খসড়াগুলো সাধারণত আদালত চলাকালে কিংবা আমি হাসপাতালে অবস্থানকালে পাচার করা হয়েছে। আমার লেখা পাণ্ডুলিপিও একই কায়দায় পাঠানো হয়েছে বাইরে। আমার সকল খসড়ার চূড়ান্ত সংশোধনীর জন্যও একই কায়দা বারবার অবলম্বন করা হয়েছে। আসলে প্রকাশ্যভাবে এ কাজগুলো করা আমার আইনগত অধিকার এবং কোনো অবস্থাতেই তা বেআইনি নয়। তবুও অযথা বিলম্ব, জব্দকরণ এবং অপদস্থতা এড়ানোর জন্যই আমাকে এই লুকোচুরির আশ্রয় নিতে হয়েছে।
অনেকদিন হয়ে গেল হাসনা, আমান ও আনার কোনো খবর পাইনি। আশা করি ওরা ভালো আছে। কোরআন শরীফ পড়া শেষ করেছি। আল্লাহ্ আমার শ্রদ্ধেয় মা-সহ আমার বাবাকে জান্নাতবাসী করুন।

(চলবে..)

আরো পড়ুন-
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৪)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৫)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৬)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৭)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৮)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৯) 
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১০)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১১)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১২)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৩)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৪)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৫)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৬)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৭)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৮)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (১৯)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২০)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২১)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২২)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৩)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৪)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৫)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৬)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৭)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৮)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (২৯)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩০)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩১)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩২)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩৩)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩৪)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩৫)
মওদুদ আহমদ যখন রিমান্ডে (৩৬)

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর