× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

মৃত ভেবে যাত্রী ছাউনীতে ফেলে যায় রাইডার রাজুকে

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট থেকে
৩ মে ২০২১, সোমবার

সিলেটে মোটরসাইকেল ‘রাইডার’ রাজুকে মৃত ভেবে যাত্রী ছাউনীতে ফেলে গিয়েছিল অপহরণকারী। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ঘটনার তিন সপ্তাহের মাথায় জ্ঞান ফিরেছে রাজুর। তবে- এখনো ঘটনা সম্পর্কে সে পরিষ্কার কিছু বলতে পারছে না। এদিকে- ঘটনার ২৪ দিন পেরিয়ে গেলেও আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ বেড়েছে রাজুর পরিবারে। মোটরসাইকেল রাইডার রাজু এখনো সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালের ১১নং সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। রাজু সিলেট নগরের উত্তর বালুচর আল-ইসলাহ আবাসিক এলাকার মৃত আকদ্দছ আলীর পুত্র। তার মূল বাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ঢারখখাই আদিনাবাদ কাপন গ্রামে।
উত্তর বালুচর বোনের বাসায় থেকে মোটরসাইকেল রাইডারের কাজ করতো সে। মোটরসাইকেল রাইডার গোলাম কিবরিয়া রাজু গত ৮ই এপ্রিল মোটরবাইক নিয়ে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেননি। রাত ১০টার দিকে তাকে মোটরবাইকসহ কদমতলী হুমায়ুন রশিদ চত্বর এলাকায় কেউ কেউ দেখতে পান বলে তার ভাই গিয়াস জানান। পরদিন সকাল পৌনে ৮টার দিকে মোগলাবাজার থানার গফুরগাঁও এলাকার একটি যাত্রী ছাউনী থেকে গুরুতর রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করে পুলিশ। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মোটরবাইক, মোবাইল ফোন ও টাকা কিছুই পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে স্বজনরা ওসমানীতে গিয়ে তাকে শনাক্ত করেন। পরে তাকে নগরের উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় ১২ই এপ্রিল তাকে ফের ওসমানী হাসপাতালে নেয়া হয়। এ ঘটনায় রাজুর ভাই  গিয়াস উদ্দিন বাদী হয়ে গত ১০ই এপ্রিল মোগলাবাজার থানায় মামলা করেছেন। মামলায় রাজুর প্রেমিকা  খালেদাসহ ৫ জনকে সন্দেহভাজন আসামি করেন তিনি। মামলার বাদী গিয়াস উদ্দিন জানান- তার ভাই গোলাম কিবরিয়া রাজুর সঙ্গে এক বছর পূর্ব থেকে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার মকবুলাবাদ গ্রামের ফারুক মিয়ার মেয়ে খালেদা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরিবারের অসম্মতিতে খালেদা রাজুকে বিয়েও করে। কিন্তু স্বজনরা রাজুর সঙ্গে খালেদাকে ঘর-সংসার করতে দেননি। উল্টো খালেদাকে তালাক দেয়ার জন্য  রাজুর ওপর চাপ অব্যাহত রেখে আসছিল। কিন্তু রাজু তালাক দিতে রাজি হচ্ছিল না। বাদী গিয়াস আহমদের ধারণা রাজুর প্রেমিকা খালেদা আক্তার, খালেদার ভাই লিটন মিয়া, সম্পর্কের ভাই আব্দুল কাদির পিয়া ও আব্দুল মালিক মিলে রাজুকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ করে মোটরসাইকেল মোবাইল ফোন ও টাকা রেখে মারপিট করে মৃত ভেবে তাকে যাত্রী ছাউনিতে ফেলে চলে যায়। মোগলাবাজার থানার ওসি শামসুদ্দোহা পিপিএম জানিয়েছেন- রাজু এখনো পুরোপুরি সুস্থ নয়। সুস্থ হলে ফের তার বক্তব্য গ্রহণ করে জড়িতদের সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে। তবে ঘটনার তদন্ত চলছে এবং সন্দেহভাজন আসামিদের প্রতি পুলিশি নজরদারি রয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর