× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৬ মে ২০২১, রবিবার, ৩ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

সাঘাটায় পচা-পোকাধরা ভিজিডি’র চাল বিতরণ

বাংলারজমিন

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
৪ মে ২০২১, মঙ্গলবার

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ভিজিডি’র উপকারভোগীদের মাঝে পচা, পোকাধরা নিম্নমানের চাল বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। খাওয়ার অনুপযোগী এ চাল উপকারভোগীরা নিজেরা না খেয়ে গরু-ছাগলকে খাওয়াচ্ছেন। তবে খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ বলছে, চালের গুণগত মান ঠিক আছে। গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়নের আলেয়া বেগম ও লাকী বেগম। অভাবের সংসারে সরকারিভাবে ভিজিডি’র ৩০ কেজি চাল তাদের জন্য সরকারের দেয়া অশির্বাদ। এ চাল দিয়েই পাড়ি দেয় অভাব। কিন্তু এবার বোনারপাড়া খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দেয়া চাল দেখতে ইউপি চত্বরে এসেছেন আলেয়া  বেগম, লাকী বেগমসহ আরো অনেকে। চাল দেখে সবাই হতবাক।
কারণ ধান ও চালের রংয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। কোনো চালের রং লালচে, কোনোটি সবুজ, আবার কোনোটি কালো। মুক্তিনগর ইউনিয়নের আলেয়া বেগম বলেন, এ চাল মানুষ খেতে পারবে না। গরু ছাগলকে খাওয়াইলেও অসুস্থ হবে। কারণ চালের মধ্যে পোকা নড়াচড়া করছে। একই ইউপি’র আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সরকারি চাল এতটা নিম্নমানের হবে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। সরকার মনে করে জনগণ ঠিকঠাক চাল পাচ্ছেন। কিন্তু এ চাল এতটাই নিম্নমানের যে মানুষ খেতে পারবে না। সেটা হয়তো সরকার জানে না। সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউপি সদস্য পান্না শেখ বলেন, নিম্নমানের চাল বিতরণের ফলে সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিরা জনগণের কাছে মুখ দেখাতে পারছি না। জনগণ মনে করে এ চাল আমরাই দেই। এ চাল বিতরণের ফলে সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাচ্ছে। সাঘাটা উপজেলার মুক্তিনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরশাদ আজিজ রোকন বলেন, এবার ভিজিডি’র চালের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এতো নিম্নমানের চাল কখনো  দেখিনি। এ চাল বিতরণের কারণে উপকারভোগীরা আমাদের গালমন্দ করছেন। বিষয়টি উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো বিতরণের কথা বলেন। ফলে বাধ্য হয়ে চাল বিতরণ করি। এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রওশন আলম বলেন, চালের রং লালচে হওয়ার কারণ বেশি হিট পেয়েছে। তবে চালের গুণগতমান কমেনি। সম্পূর্ণভাবে খাওয়ার উপযোগী। মাঝে মাঝে আমি নিজেও খাই। সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর