× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ২৩ ট্রাক পিয়াজ আটক

বাংলারজমিন

শিবগঞ্জ (চাঁপাই নবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি
৪ মে ২০২১, মঙ্গলবার

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর চাঁপাই নবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ বন্দরে ভারত থেকে পিয়াজ আসার পূর্বেই কোরেন্টাইনের সনদ প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা গেছে, আমদানি অনুমতি (আইপি) জাল করে পিয়াজ আমদানির কারণে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের ২৩ ট্রাক ভারতীয় পিয়াজ আটক করা হয়েছে। আটককৃত পিয়াজের পরিমাণ ৭০০ মেট্রিক টন। যার শুল্ক করের পরিমাণ ১৯ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। রোববার বিকালে সরজমিন দেখা গেছে, বন্দর শুল্ক বিভাগ অভিযান চালিয়ে ভারতীয় ট্রাকভর্তি এসব পিয়াজ আটক করেন। আটক পিয়াজগুলি বর্তমানে বন্দর ইজারাদার পানামার ইয়ার্ডে রয়েছে। এদিকে, বন্দর কাস্টমস বলছে, ঘোষণা অনুযায়ী এসব পণ্য প্রবেশের জন্য আমদানি অনুমতির (আইপি) মেয়াদ ছিল ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত। আর কোয়ারেন্টিন সনদপত্র প্রদান করা হয়েছে ২৯শে এপ্রিল।
অন্যদিকে সোনামসজিদ স্থলবন্দর কোয়ারেন্টিন বিভাগ বলছেন, বন্দরে পণ্য প্রবেশের পর পণ্য দেখে কোয়ারেন্টিন সদন প্রদান করা হয়। কিন্তু বন্দরে কোনো পিয়াজ প্রবেশ না করার আগে কিভাবে কোয়ারেন্টিন সনদ দেয়া হয়েছে এ নিয়ে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে বন্দর সংশিষ্ট ও অন্যান্য পিয়াজ আমদানিকারকদের মাঝে। সোনা মসজিদ স্থলবন্দর শুল্ক বিভাগের পরির্দশক পিযুষ কুমার বিশ্বাস জানান, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানিকারক আইপি (ইমপোর্ট পারমিশন) জাল করে বন্দরে পিয়াজগুলি নিয়ে আসেন। আইপিতে গরমিল থাকায় শুল্কবিভাগ ২৩ ট্রাক পিয়াজ ছাড়করণে আপত্তি করেন। তারা পিয়াজগুলির আমদানির কাগজপত্র খতিয়ে দেখে আইপি জালের বিষয়টি নিশ্চিত হন। আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ বিএইচ ট্রেডার্সের মালিক দুরুল হাসান বাবুল বলেন, তার আইপির মেয়াদ ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত ছিল। তবে ৩০শে এপ্রিল শুক্রবার ও পরদিন ১লা মে সরকারি ছুটির দিন থাকায় তিনি পিয়াজগুলি ভারত থেকে বন্দরে আনতে পারেননি। এ কারণে তিনি ২রা মে পিয়াজগুলি এনেছেন। সোনামসজিদ শুল্ক কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম জানান, ছুটির দিনের কারণে পিয়াজ প্রবেশের সমস্যা এটি নয়। তেমনটা হলে তারা পণ্য ছেড়ে দিতেন। কিন্তু এখানে আইপির মেয়াদ কেটে সময় বাড়ানোর মতো জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। এটা করা শুল্ক আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। আটক পিয়াজগুলি বর্তমানে পানামাতেই আছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
fastboy
৫ মে ২০২১, বুধবার, ৮:১২

রমজান মাস। বাংলাদেশের টাকায় কিনা। বাজারে আসলে রোজাদার শস্তায় কিনতে পারত। এসব বিবেচনায় দ্রুত ছাড় দেওয়া যায় না ?

Kazi
৩ মে ২০২১, সোমবার, ১১:৪১

পেঁয়াজ পঁচে নষ্ট হবে না ? বাংলাদেশের টাকায় কিনা। রমজান মাস। বাজারে আসলে রোজাদার শস্তায় কিনতে পারত। এসব বিবেচনায় দ্রুত ছাড় দেওয়া যায় না ?

অন্যান্য খবর