× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ
জাহির হত্যাকাণ্ড

নবীগঞ্জে ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, নবীগঞ্জ থেকে
৪ মে ২০২১, মঙ্গলবার

নবীগঞ্জে আলোচিত জাহির হত্যাকাণ্ড নিয়ে ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় চলছে। হত্যার ঘটনায় সাজানো কাউন্টার মামলা এবং আর্থিক লেনদেনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ওই কর্মকর্তা জড়িত মর্মে দাবি করেন নিহতের পুত্র আরশ আলী। এ নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে প্রতিকার ও তদন্ত কর্মকর্তার অপসারণ চেয়ে গত ২৯শে এপ্রিল আবেদন করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের দেবপাড়া (বাঁশডর) গ্রামে বিজনা নদীর ইজারাকে কেন্দ্র করে গত বছরের ১৭ই জুলাই বিদ্যমান দু’গ্রুপের সংঘর্ষ ও হামলায় নিহত হন জাহির আলী। এ ঘটনায় নিহতের পুত্র আরশ আলী বাদী হয়ে ৯২ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২০-২৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আসামিরা জামিনে এসে হত্যা মামলা প্রত্যাহারের হুমকি, বাদী পক্ষের বাড়ি ঘর ভাঙচুর, গুপ্ত হামলাসহ তাণ্ডব শুরু করে। এ নিয়ে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়।
হামলার ৩টি ঘটনাকে একত্রিত করে আবুল হোসেন বাদী হয়ে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেন। এরপরই হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলামের পরামর্শে হৃদয় নামের এক ব্যক্তিকে বাদী সাজিয়ে কাল্পনিক একটি কাউন্টার মামলা দায়ের হয়। এ নিয়ে ২৯শে এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) আমিনুলের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ এনে পুলিশ সদর দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নিহত জাহিরপুত্র আরশ আলী। লিখিত অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি মামলা দায়ের করলে তদন্তের দায়িত্ব পান আমিনুল ইসলাম। দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত ২০-২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেন। পরবর্তীতে আসামি পক্ষের নিকট থেকে আর্থিক ও বিভিন্ন সুযোগ- সুবিধা নিয়ে মামলাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করেন। মামলায় জড়িত নয় এমন ২ জনকে গ্রেপ্তার করে ক্রস ফায়ারের ভয় ও নির্যাতন করে কথিত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ করেন। অভিযোগ পত্রে হত্যাকারীদের শাস্তি ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলামকে ওই মামলার তদন্তভার থেকে অব্যাহতি দেয়ার দাবি জানানো হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর