× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজানস্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী
ঢাকা, ১৫ মে ২০২১, শনিবার, ২ শওয়াল ১৪৪২ হিঃ

১০ই মে’র মধ্যে আসতে পারে চীনের ৫ লাখ ডোজ টিকা

শেষের পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
৪ মে ২০২১, মঙ্গলবার

আগামী ১০ই মে’র মধ্যে চীনের উপহার হিসেবে দেয়া ৫ লাখ ডোজ টিকা বাংলাদেশে আসতে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
সরকার চীন থেকে যে টিকা কিনতে চায় সেগুলো আসতে আরো কিছুটা সময় লাগবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, চীন আমাদের বলেছে ৫ লাখ ডোজ টিকা উপহার হিসেবে দেবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আমাদের জানিয়েছে, তারা এটা আনার ব্যবস্থা করছে। হয়তো ১০ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশে আসতে পারে। আর অন্য যে অংশটুকু আমরা কিনতে চাই, সেটা আসতে একটু সময় লাগবে। তিনি বলেন, চীন থেকে আরো টিকা কেনার জন্য আমাদের তরফ থেকে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে প্রস্তাব পাঠালেই টিকা ক্রয়ের আলোচনা শুরু হবে। আমাদের অনেক টিকা লাগবে।
আমরা চীনের টিকা ৪ থেকে ৫ কোটি ডোজ হলেও নেবো। মন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার সঙ্গেও আমাদের আলোচনা হয়েছে। তারা টিকা দিতে চায়, উৎপাদনও করতে চাচ্ছে। আমরা দুটি দেশের সঙ্গেই কথা বলে রাখছি। করোনাভাইরাসের কারণে বর্তমানে সীমান্ত বন্ধ রাখার যে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা পরিবর্তন হচ্ছে না জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, বর্ডার যেভাবে বন্ধ করা আছে এখনো, তা বন্ধ থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সীমান্তগুলো বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরো বলেন, ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ সংক্রমণ এবং মৃত্যুই হচ্ছে বিভিন্ন সিটি করপোরেশন এলাকায়। কাজেই এই অঞ্চলগুলোয় কঠোর নজরদারির আওতায় রাখা হবে।
মডার্নার ভ্যাকসিন দেশে আনার অনুমতি চায় রেনেটা: গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বলেন,  মডার্নার করোনা ভ্যাকসিন দেশে আনতে সরকারের কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে দেশের অন্যতম ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রেনেটা লিমিটেড। তিনি বলেন, রেনেটা মডার্নার ভ্যাকসিন আনার অনুমতি চেয়ে আবেদন জমা দিয়েছে। এ সম্পর্কিত নথি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) কাছে পাঠানো হয়েছে। রেনেটা এটি আনতে সক্ষম কিনা ডিজিডিএ তা মূল্যায়ন করছেন। এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, এই ভ্যাকসিন বাংলাদেশে আনা হলে তা মাইনাস তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে। এ কারণে ঢাকায় রাখা হতে পারে। ঢাকার বাইরে এটা সংরক্ষণের ব্যবস্থা আমাদের এখনো নেই।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
৩ মে ২০২১, সোমবার, ৭:০২

চীনারা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নকল ও ভেজাল খাদ্য ও ঔষধ বা প্রসাধনী প্রস্তুত কারি জাতি। এদের বিশ্বাস করা যায় না। বাংলাদেশের ব্যবস্থা আছে কি ঔষধ পরীক্ষা করার - তারা নিজেদের জন্য আসল ঔষধ তৈরি করলেও রপ্তানির জন্য নকল অকার্যকর ঔষধ তৈরি করে রপ্তানির অভিযোগ পত্রিকায় পড়েছিলাম।

অন্যান্য খবর